ভূত দর্শন!

(হাবিজাবি পোস্টের সাথে বোনাস হিসাবে একটা গল্প দিলাম। হাবিজাবি গপপো 😀 ) পরপর দুইটা পোস্ট দেয়ার জন্য ক্ষমা চাই 🙂 )

যখনকার ঘটনা বলছি তখন আমার বয়েস সাতাশ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্সটা শেষ করে চাকরিতে ঢুকেছি। কলাবাগানের মোড়ে এখন যে বড় মার্কেটটা উঠেছে তার সামনেই অফিস। অফিস মানে একটা কাঠের চেয়ার আর একটা টেবিল। নতুন চাকুরি জীবন। একটা উত্তেজনা কাজ করত সবসময়। মাসের শুরুতে মাইনে নিয়ে নাকের সামনে ধরতে অন্যরকম একটা আনন্দ হতো।

বিস্তারিত»

হাবিজাবি: স্পেশাল ডিনার!

বিষ্যুদবার। বৃহস্পতিবার।

ইংরাজিতে থার্সডে। সন্ধ্যে নামার অনেকক্ষণ আগে থেকেই আমাদের অপেক্ষা শুরু হতো। আজ ডিনারে কে কার কাছ থেকে কাস্টার্ড পাবে- কে কাবাবের সাথে স্যুপ অদলবদল করবে অন্য কারো সাথে। এসব আলোচনা শুরু হতো পাহাড়ের গায়ে পড়ে থাকা কলেজটায় – আমার প্রানের কলেজটায় সন্ধ্যে নামার অনেক আগে!

টিভি রুমের ভিসিডি শোতে সামনের চেয়ারে কে বসবে এসব নিয়ে খুনসুটির মাঝপথে যখন ডিনারের হুইসেল বাজতো- আমরা য়খন ক্লাস সেভেনে পড়তাম তখন সাথে সাথে ছুটতাম ফলইনে।

বিস্তারিত»

মেঘ পিয়নের চিঠি

তারা তিনজন

সাউথ হলের পাঁচতলার আমাদের ব্লকের সীমানায় একেবারে পূর্ব দিক ঘেঁষে করিডোরের শেষ মাথায় যে জায়গাটুকু সেটা আমাদের সবারই খুব প্রিয় জায়গা। সেখানে হাত দিয়ে হেলান দেয়ার জায়গাটুকুতে পা ছড়িয়ে বসে আয়েশ করে অনেক কিছুই দেখা যায়। ইট কাঠের জঞ্জালের ধোঁয়া ওঠা শহরে এখনো যে কিছু গাছ আছে সেটা বোঝা যায় সবচে ভালোভাবে।

বিস্তারিত»

আত্ম-পরিচয় নিয়ে আমার ভাবনা-৩

আত্ম-পরিচয় নিয়ে আমার ভাবনার দ্বিতীয় কিস্তিতে সানাউল্লাহ ভাইয়ের একটা মন্তব্য থেকে নেওয়া প্রশ্নমালা ধরে তৃতীয় কিস্তি শুরু করলাম। “আমি এলাম কোথা থেকে? কিভাবে? আমি নাকি সৃষ্টির সেরা জীব! এই মিথ কে তৈরি করলো? আমি সৃষ্টির কতোটা জানি?”

আমাদের ইতিহাস, মানে মানুষের ইতিহাস এক অর্থে মানুষের নিজেদেরকে সৃষ্টির সেরা হিসেবে জাহির করার ইতিহাস। প্রতি যুগেই মানুষ নিজেদেরকে জগতের মধ্যে সেরা হিসেবে উপস্থাপণ করার চেষ্টা করে গেছে।- এই অনুকল্প’কে ভিত্তি ধরে আমি আজকের আলোচনা এগিয়ে নিতে চেষ্টা করব।

বিস্তারিত»

একডজন অণূকাব্য … অনেকগুলা কম (নামকরণের কপিরাইটঃ টিটো)

১।
দখিনা বাতাসে তার এলোচুল উড়ে যায়
উড়ে যায়
উড়ে যায়
ছুয়ে যায় আমার বুকের তপ্ত বালুচর
নিঃস্বঙ্গ মরুকে যেমন অকস্মাৎ ছুয়ে যায়
সাইমুম ঝড়

বিস্তারিত»

প্রহর শেষের আলোয় রাঙ্গা-২

প্রহর শেষের আলোয় রাঙ্গা-১

সেদিন কি যেন একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল, ক্লাসের সব মেয়েদের সাথে স্বাতীও দেখি শাড়ি পড়ে এসেছে। শাড়ি পড়ার সাথে সাথে মেয়েদের মধ্যে একটা অন্যরকম পরিবর্তন আসে, আমি আগে কখনও খেয়াল করিনি। ওকে দেখার পর আমার মধ্যে তৈরী হওয়া বিষ্ময়-ভালোলাগা মিশ্রিত এই অনুভুতিটাকে কেন জানি একান্তই নিজের মনে হল! সেসময় হ্যাবলার মত তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কিছু করছিলাম বলে মনে পড়ছেনা।

বিস্তারিত»

সকালের মুক্তা

সকাল যখন মুচকি হেসে..
ছড়িয়ে আলো চারদিকে..
চোখের উপর আস্তে বসে..
ডাকে আমায় তার দিকে..

তন্দ্রা তখন দৌড়ে পালায়
হুড়মুড়িয়ে তার ছোটা..
ঝকমকানো মুক্তো দেখি
আসলে পানির ফোটা!!

বিস্তারিত»

একটি মূর্তিনির্মাণের সময় যা যা ঘটে

“উদভ্রান্ত সফেদ, দুলে ওঠো নীল তেপান্তর!”
আমি তার প্রান্তরেখায় তোমার মূর্তি বানাই,
ক্রমশ এগিয়ে আসা তারাদল; সেখানে
স্মিত হাসিমুখঃ নিয়ন-সুলভ- এঁকে রাত জেগে থাকে। আর
আমি হাতুড়ি বাটাল মেপে, নিখুঁত আঘাতে
প্রান্তরেখা ঝকঝকে ধারালো করি

যারা পর্যটক ছিলেন। আমাদের দেশে, মাটি ঘেঁষা সে’সকল
জটাচুলো পথিকেরা, এসে খুব মনোযোগী, দেখে
আমার কেরদানি। মূর্তির গায়ে দিগন্তভেদী আলো জমে থাকে,

বিস্তারিত»