ইটাখোলা মুড়া – কুমিল্লা

কুমিল্লা-কোটবাড়ি-কালির বাজার রাস্তা ধরে কালির বাজারের দিকে যেতে থাকলে বাংলাদেশ একাডেমী ফর রুরাল ডেভলপমেন্ট (BARD)’র প্রধান গেট অতিক্রম করে হাতের ডানে ক্যান্টনমেন্ট কলেজ দেখলেই থামুন। কলেজের পশ্চিম পাশ ঘেঁষে একটি সরু রাস্তা উত্তরে এমনভাবে চলে গেছে যেন পাহাড়ে গিয়ে তা পথ হারিয়ে ফেলেছে। আপনি ঐ পথই ধরবেন, কিন্তু তার আগে উত্তরে আপনার দৃষ্টি প্রসারিত করুন। হ্যাঁ ইটের ভাটার মতো একটি স্থাপত্য দেখা যাচ্ছে নাহ!! সামনে ৫০ মিটার খানিক এগিয়ে চলুন,

বিস্তারিত»

রূপবান মুড়া – কুমিল্লা

সে অনেক অনেক অনেক কাল আাগের কথা, বাপ-দাদাদের জম্মেরও মেলা আগে নিরাশপুর নামে যে এক দেশ ছিল, ঐ যে! যে দেশের রাজার নাম একাব্বর বাদশা। সে ছিল আটকুঁড়ে। আটকুঁড়ে বাদশার মুখ দেখলে রাজ্যের অমঙ্গল হয় তাই বাদশা স্বেচ্ছায় বনবাসে চলে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রজা সকলের মঙ্গল কামনা করে যথা সময়ে বাদশা বনে নির্বাসিত হয়। একদিন গভীর বনের মধ্যে নিজের অজান্তেই, অনিচ্ছাকৃতভাবে বাদশা ধ্যানরত এক সাধুর ধ্যানভঙ্গ করেন।

বিস্তারিত»

কুটিলা মুড়া – কুমিল্লা

আমরা আমাদের আদিমতম সমাজবদ্ধ জীবনে শুদ্ধ প্রকৃতির কোলঘেঁষে কি অকৃত্রিমই না ছিলাম। অরণ্য ছিল আমাদের বিচরনভূমি, গুহা কিংবা গাছের কোটর ছিল আশ্রয়স্থল। আমাদের সংস্কৃতি ছিল খাদ্য সংগ্রহ করা – গাছের ফল আর পশু শিকারই ছিল খাদ্যের উৎস। তখনও আমরা খাদ্য উৎপাদনকারী নই। গাছ থেকে ফলমূল আর পশু থেকে মাংস আহরনের মধ্য দিয়ে আমরা উপলব্ধি করলাম যে আমরাও ঐসব গাছপালা আর জীবজন্তু থেকেই উৎপন্ন, ওসব আমাদের সাথে একাত্মা।

বিস্তারিত»

শালবন বিহার – কুমিল্লা

বাংলাদেশ তথা কুমিল্লা জেলার ‘আইকনিক ল্যান্ডমার্ক’ শালবন বিহার ভারতীয় উপমহাদেশের প্রাচীনতম বিহারসমূহের মধ্যে অন্যতম। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের শ্রমন, ভিক্ষু, আচার্য্য, সিদ্ধি-পুরুষদের মূলতঃ ধর্ম-চর্চ্চা কিন্তু পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়াদি সম্পর্কেও পড়াশুনার জন্য আবাসিক শিক্ষালয় হল বিহার। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন স্থানে বাংলার বিহার স্থাপত্যের অনুকরণে রচিত বৌদ্ধবিহারের অস্তিত্ব নজরে পড়ে। সব বিহারগুলো একদিনে তৈরী হয়নি বটে তবে বুদ্ধদেবের জীবদ্দশাতেই বিহারের প্রচলন শুরু হয়। সাধারনতঃ বর্ষাকালে পর্যটনে বিড়ম্বনা,

বিস্তারিত»