রোনালদিনহো : এক ট্র্যাজিক হিরো

ফুটবল ফ্যানাটিক আহসান আকাশ ভাই থেকে শুরু করে আমাদের রম্য লেখক আছিব পর্যন্ত সবাই এখন বিশ্বকাপ জ্বরে আক্রান্ত। সবাই যখন বিভিন্ন ফুটবল লিজেন্ডকে নিয়ে কিছু না কিছু লিখছে তখন অনেক আশায় ছিলাম আমার প্রিয় ফুটবলারটাকে নিয়ে কেউ না কেউ লিখে ফেলবেন। কিন্তু হায় আমার আশায় গুড়ে বালি ~x( :no: শেষপর্যন্ত আমার মতো ডজার এবং শুধুই “কমেন্টানো” ব্লগারকেই মাঠে নামতে হলো 😉

ব্লগের হেডিং দেখে এতক্ষনে নিশ্চয়ই সবাই বুঝতে পেরেছেন যার কথা বলছি তিনি আর কেউ নন, আমাদের অতি পরিচিত রোনাল্ডো ডি এসিস মোরেইরা ওরফে রোনালদিনহো গাউচো ওরফে রোনালদিনহো। জ্বী ইনিই আমার প্রিয় ফুটবলার। যখন প্রথম ফুটবল বুঝি তখন আমার প্রিয় দল ছিল (হ্যা ঠিক ধরেছেন, ছিল) ব্রাজিল। আর ছোটবেলা থেকেই আমি আবার ইকটু বেশি খেলা পাগল (এখন অবশ্য বুঝতাছি আহসান আকাশ ভাইর তুলনায় আমি নাদান বাচ্চা)। সেই সুবাদেই ব্রাজিল দলের সকল তারকার সাথে সাথে আবার উঠতি ফুটবলারদেরও হাল্কার উপরে ঝাপসা খোজ খবর রাখতাম আরকি।

সেই ১৯৯৭ সালের অনুর্ধ-১৭ বিশ্বকাপ দিয়ে দুনিয়াকে জানান দেন যে তিনি আসছেন, আর তা পুর্ণতা পায় ঐ বছরই জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার মাধ্যমে।১৯৯৯ সালে ব্রাজিল দলের কোপা আমেরিকা জয়ের মুল কারিগরদের একজন রোনালদিনহো, যিনি পুরো টুর্নামেন্টে ৬ গোল করেন এবং আরো অর্ধ-ডজন গোল করান সতীর্থদের দিয়ে। ইতোমধ্যেই তিনি সারা বিশ্বের অন্যতম সেরা একজন তরুণ প্রতিভা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পাশাপাশী বিশ্বের সেরা ক্লাবগুলোর মাঝে সাড়া ফেলে দিতে সক্ষম হন। যার ফলশ্রুতিতে আরসেনাল তাকে দলে নিতে চাইলেও সে সময় ইংল্যান্ডে ওয়ার্ক পারমিট জটিলতার কারনে তিনি আরসেনাল এ যেতে পারেননি।

২০০১ সালে ব্রাজিল এর গ্রেমিও থেকে তিনি যোগ দেন ফ্রান্সের প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন ক্লাবে। এই ক্লাবে প্রথম কিছুদিন কাটে তার সাইডবেঞ্চ আর বদলী প্লেয়ার হিসবেই। কিন্তু পরের মৌসুমেই আবার পিএসজি কে লীগ কাপের ফাইনালে নিয়ে যান এবং পারফর্ম্যান্স দিয়েই আবার সবার নজর কাড়েন। কিন্তু পিএসজি সেই মৌসুমে লীগে ১১তম হলে তিনি ক্লাব ছাড়ার সিধ্বান্ত নেন।
২০০২-০৩ মৌসুমে বার্সেলোনার প্রেসিডেন্ট হুয়ান লাপোর্তা মিডফিল্ডার ডেভিড বেকহাম কে দলে টানতে না পেরে সোয়া ৩২ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে রোনালদিনহোকে দলে টানেন। তাকে দলে টানতে চেয়েছিলো ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডও কিন্তু তখন স্যার এলেক্স ফার্গুসন এর মনে হয়েছিলো সাড়ে ৩২ মিলিয়ন ইউরো খরচ করার মত যোগ্য (???) মিডফিল্ডার রোনালদিনহো নন।

এরপরেই এলো ২০০২ দক্ষিন কোরীয়া-জাপান বিশ্বকাপ। এই বিশ্বকাপেই তিনি খুব ভালোমতোই বিশ্ববাসীকে তার জাত চেনান। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তার সেই বিখ্যাত গোলের কথা সবাই জানেন। এ ছাড়াও পুরো বিশ্বকাপে তিনি রিভালদো আর রোনালদোকে উপযুক্ত সাপোর্ট দিয়ে ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেন।এই বিশ্বকাপ দিয়েই বিশ্বমঞ্চে এক নতুন তারকার আবির্ভাব হয় যিনি খেলাটাকে নিয়ে যান এক অন্যরকম উচ্চতায়।

বিশ্বকাপের পর রোনালদিনহো মাঠ মাতালেন বার্সার হয়ে। এবং এই সময়েই মানুষ খুব ভালোভাবেই জানলো যে এখনকার এই যান্ত্রিক ফুটবলের যুগে একটা ফুটবল দিয়ে শুধু গোল দেয়া ছাড়াও একজন খেলোয়াড় কত কি করতে পারে। এখনকার এই ‘কামলা’ যুগের ফুটবলেও শিল্পের ছোয়া শুধু রোনালদিনহোর মতো জাদুকরী শিল্পীর পক্ষেই আনা সম্ভব হয়েছে। থাক তার সেই শিল্পের বর্ণনায় পরে আসছি। তার এই জাদুকরী ফুটবলই তাকে এনে দিলো ২০০৪ ও ২০০৫ সালের ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। আর এরই মাঝে তার জেতা হয়ে গেছে বার্সার হয়ে ২০০৪-০৫ মৌসুমের লা-লিগা শিরোপা।এর সাথে তার ট্রফিকেসে যুক্ত হয় ২০০৫ সালের ইউরোপিয়ান বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার, ফিফপ্রো বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ইত্যাদি ইত্যাদি। মজার ব্যাপার ২০০৫ সালে ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড় হওয়ার পথে তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দী ফ্রাংক ল্যাম্পার্ড এর চেয়ে ৩গুন বেশী পয়েন্ট পান (৯৫৬/৩০৬)।

২০০৫ সালে রোনালদিনহোর চুক্তি নবায়নের সময় বার্সা তাকে ২০১৪ পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়, যে চুক্তি অনুযায়ী তার ৮৫ মিলিয়ন পাউন্ড পাওয়ার কথা। কিন্তু রোনালদিনহো ২০০৮ পর্যন্ত চুক্তি নবায়ন করেন এবং চুক্তির একটি শর্ত ছিলো যে এর মাঝে অন্য ক্লাব তাকে নিতে চাইলে ৮৫ মিলিয়ন পাউন্ড (!!!) দিয়ে নিতে হবে।এরপরেও কি তার সামর্থ্য নিয়ে কারো প্রশ্ন থাকতে পারে ???

কি এমন ছিলো রোনালদিনহোর পায়ের জাদু, যে তার দাম এতো ? আমার উত্তরটা খুব সহজ, কোন ট্রিক্স আর ড্রিবলিং এর কোন কৌশলটা ছিলো না রোনালদিনহোর পায়ে ? ইলাস্টিকো, ৩৬০, রেবোনা, রুলেত্তে, বেরেট, ট্রিপল বেরেট, গ্র্যান্ড বেরেট, সাইড রোলিং, ওভারস্টেপ, ডাবল ওভারস্টেপ এবং নাম না জানা আরো কতো কৌশল !!! হালের মেসি আর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সব কৌশল বহু আগেই তিনি পৃথিবীবাসিকে দেখিয়েছেন। আর ডেড বলে তার দক্ষতা, অনন্য ফ্রি-কিক দক্ষতা, বডি ব্যালান্স এসবের কথা আর আলাদা করে কি বলব ? আর গোল করা, সে তো তার নাওয়া-খাওয়ার মতোই স্বাভাবিক ব্যাপার ছিলো তার কাছে। আমি এখনো মনে করি রোনালদিনহো তার প্রজন্মের সেরা খেলোয়াড়। অনেকেই এখন হয়তো এখন বলবেন প্রজন্মের সেরা খেলোয়াড় বিশ্বকাপে নেই কেনো ? এই প্রশ্নের উত্তরটা আমি আগেই বলেছি।আবারো বলি, এখন ফুটবল খেলার অর্থই হলো যেভাবেই হোক জিততেই হবে। এখানে ভালো খেলা বা শিল্পীত ফুটবলের দাম নেই। দুংগা খেলোয়াড়ী জীবনেও যেমন কামলা ফুটবলার ছিলেন কোচ হিসেবেও তেমন একপাল কামলা ফুটবলার নিয়েই বিশ্বকাপ দল গড়েছেন। সেখানে রোনালদিনহোর মতো শিল্পীর জায়গা কোথায় ? যেখানে ব্যাপ্টিস্টা, জিলবার্তো সিলভা, ফাবিয়ানো, ফিলিপ্পে মেলো আর রামিরেস এর মতো একদল কামলা খেলোয়াড়, যাদের মুলনীতি হলো যেভাবেই হোক জিততেই হবে সেখানে রোনালদিনহোর মতো ‘জোগো বনিতো’র শিল্পীদের জায়গা থাকবে না এটাই খুব স্বাভাবিক নয়কি ? আমার মনে হয় এখানে কারো উন্মাতাল নৈশজীবনের চেয়ে তার অতীত সাফল্য আর একাই ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা আগে বিবেচনায় আসা উচিৎ ছিলো। আমার কাছে এখনো ব্রাজিলের যেনতেন ফুটবল খেলে জেতার চেয়ে জোগো বনিতোই অনেক বেশি আকর্ষনীয়।

এরই মাঝে ২০০৬ বিশ্বকাপে অনেক প্রতিশ্রুতি আর আশার বেলুন ফুলিয়ে গেলেও রোনালদিনহো পারেননি তার সামর্থ্যকে সাফল্যে পরিণত করতে। হ্যা, রোনালদিনহো ব্যর্থ সাথে ব্রাজিলও কিন্তু ব্রাজিলের ব্যর্থতার দায় শুধু একা রোনালদিনহোকে কেন নিতে হবে ? স্কোয়াডে তো আরো ২২ জন ছিলো তারা কি করতে পেরেছে ?

থাক এই প্যাচাল আর বেশীদুর না টানি। রোনালদিনহোর মতো একজন খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ারে নৈশজীবনের দুএকটা কীর্তি চন্দ্রের কলংক হিসেবেই বিবেচ্য হওয়া উচিত ছিলো।অনাকাংঙ্ক্ষিত ২/১টি ঘটনা রোনালদিনহোর ক্যারিয়ারে কালিমা লেপন করেছে ঠিকই। কিন্তু শিল্পীয় ফুটবলমনস্ক মানুষ দুইবার ফিফার প্লেয়ার অফ দ্য ইয়ার, একবার ফিফপ্রো ফুটবলার অব দা ইয়ার, দুই দুইবার ইউরোপের অলস্টার টিমের সদস্য, এতো সম্মানে ভূষিত হওয়া এই ফুটবলারটিকে স্মরণ করবে তার চোখ ধাঁধানো ড্রিবলিং আর অতিমানবীয় ফুটবল কারিকুরির কারনেই।

রোনালদিনহো সেইসব তারা আর কিংবদন্তিদের একজন, যারা কখনোই মানুষের মন থেকে হারিয়ে যাবেননা। যখনই কথা উঠবে শিল্পীত ফুটবল আর ফুটবলের জাদুকরী পায়ের কাজ প্রসংগে তখনি শ্রদ্ধাভরে পেলে, ম্যারাডোনা, পুসকাস, জার্ড মুলার, গ্যারিঞ্ছা, ক্রুইফদের সাথে উচ্চারিত হবে রোনালদিনহো গাউচোর নাম।

২,০২০ বার দেখা হয়েছে

২২ টি মন্তব্য : “রোনালদিনহো : এক ট্র্যাজিক হিরো”

  1. মইনুল (১৯৯২-১৯৯৮)

    রোনালদিনহো আমারো প্রিয় একজন খেলোয়ার। তবে দুঙ্গা তাকে টিমে না নেবার প্রধান দুটো কারন হলো - ফর্মহীনতা আর ডিসিপ্লিনহীনতা। এই বছর শেষ কয়েকটা ম্যাচে খালি সে তার পুরাতন খেলা দেখাতে পেরেছে।

    যা হোক, সে টিমে থাকলে ভালো লাগতো।

    জবাব দিন
  2. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    পোস্টের শুরুই হইছে দেখি আমার নাম দিয়ে 😀 আমার নামে কেক কুক খেয়ে নিও 😀

    রোনালদিনহোকে আমার সেভাবে কখনোই ভাল লাগে নাই, স্কিলের কোন কমতি নেই, কিন্তু সে তুলনায় ডেডিকেশন নেই বললেই চলে। আর আমার মতে ফুটবল, নিজের ক্লাব, দেশ এর প্রতি ডেডিকেশনের অভাব থাকলে কখনো গ্রেট হওয়া যায় না।


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  3. শাওন (৯৫-০১)

    ব্যাপারনা....আমাদের এইরকম 'শখানেক রোনালদিনহো আছে.......হেক্সা...শুধুই হেক্সা.....


    ধন্যবাদান্তে,
    মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শাওন
    প্রাক্তন ক্যাডেট , সিলেট ক্যাডেট কলেজ, ১৯৯৫-২০০১

    ["যে আমারে দেখিবারে পায় অসীম ক্ষমায় ভালো মন্দ মিলায়ে সকলি"]

    জবাব দিন
    • মামুন (০০-০৬)

      ভাই মাইন্ড খাইয়েন না, আমি চাই এইবার ব্রাজিল ১ম রাউন্ড থাইকাই বাদ পড়ুক :thumbdown: :thumbdown:
      ব্রাজিলের উপ্রে রাগ নাই কিন্তু দুংগার ভাব বেশীই বাইড়া গেছে :duel: :duel: :duel:
      ওই হালা কামলার :just: একটা শিক্ষা হওয়া দরকার :chup: :chup: :gulli2: :gulli2:

      জবাব দিন
  4. তানভীর (৯৪-০০)

    ফর্মের তুংগে থাকা রোনালদিনহো আর এখনকার রোনালদিনহোর মধ্যে অনেক পার্থক্য। যদিও এই সিজনের শেষ দিকে এসে ও আবার জ্বলে উঠেছিল, কিন্তু কখনই তার সেরাটায় পৌঁছাতে পারেনি। রোনালদিনহো আমারও খুব পছন্দের একজন খেলোয়াড়, কিন্তু এখন আমি তাকে আগের মত পছন্দ করতে পারিনা। তার ফর্মহীনতার জন্য সে নিজেই দায়ী, একটু গোছানো জীবন-যাপন করতে পারলে হয়ত এরকম হত না।

    মাঝে-মধ্যে ইউটিউবে ওর খেলার ভিডিও দেখে মন খারাপ হয়ে যায়, সেই পুরনো রোনালদিনহোকে অনেক মিস্‌ করি।

    জবাব দিন
  5. আশহাব (২০০২-০৮)

    রোনালদিনহো B-) ঐ :boss:
    ভাই, ব্রাজিলরে নিয়া কোনো প্রেডিকশনই কামে লাগবে না, সবাই যখন প্রথম রাউন্ডে হিমশিম খাইতেসে, তখন ব্রাজিল দেখবেন নাচতে নাচতে উপরে উঠতেসে, তাও সবচেয়ে কঠিন গ্রুপে থাইকাও। বরং আমার এখন ফ্রান্সরে নিয়া ভয় লাগতেসে, ডমিনিখ মনে হয় এইবার একটা ধাক্কা খাইবো। :-B

    জবাব দিন
  6. মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)

    দুইদিন আগে ব্রাজিলের আরেক কিংবদন্তি সক্রেটিস বলেছেন যে, তিনি কোচ হলে দলে অবশ্যই রোনালদিনহোকে রাখতেন। ;))

    এইবার খুব মিস করবো রোনালদিনহোর শিল্পিত ফুটবল =((


    There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

    জবাব দিন
  7. মামুন, তোর লেখার হাত তো বেশ ঝরঝরে।লেখার তথ্য এবং ফ্যাক্টগুলো নিঃসন্দেহে অসাধারণ পর্যবেক্ষন, পরিশ্রম এবং রোনালদিনহোকে ভালোবাসার ফল।কিন্তু সেই তথ্য এবং ফ্যাক্টগুলোকে যেভাবে প্রবাহিত করলি পাঠকমনে তা একজন যোগ্য লেখকেরই কাজ।অনেক অনেক অভিনন্দন।

    কীপ ইট আপ।

    তোর ফ্যান হয়ে গেলাম।আরো বেশী বেশী লেখালেখি কর।এই ব্লগে অলওয়েজ এবং আশা করি এই ব্লগের বাইরে অন্য কোথাও তোকে পাব।যেহেতু এখানে রেজিষ্টার্ড হতে পারছিনা, তাই অন্য কোন প্লাটফর্মে তোকে আশা করছি পথসঙ্গী হিসেবে।

    অনেক অনেক শুভকামনা রইল।

    জবাব দিন
  8. সবাই বলছে আমি বিশ্বের সেরা ফুটবলার। আসলে কেউ জানে না, আমি বার্সেলোনাতেই সেরা নই। সেখানে মেসি আছে। সে আমাকে ম্যারাডোনার কথা মনে করিয়ে দেয়। সেই বাঁ পায়ের খেলা, আর ঠিক তাঁর মতোই উচ্চতা। যেদিন সে প্রথম আমার সঙ্গে অনুশীলন করতে এসেছিল, সেদিনই বুঝেছিলাম ও বার্সেলোনাকে অনেকদূর নিয়ে যাবে। একদিন আমি গর্ব করে সবাইকে বলতে পারব, আমি লিওনেল মেসি নামে এক কিংবদন্তির সঙ্গে খেলেছি। (২০০৬ সালে ইউরোপিয়ান ফুটবলার অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জেতার পর)।

    রোনালদিনহো

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।