১।অনেক ছোটবেলার বাসাটা খুব মনে পড়ে। আশেপাশে যখন সবাই অট্টালিকা বানানোর প্রতিযোগিতায় মত্ত, আমাদের আর রুলিদের(আমার ছোট্টবেলার বান্ধবী) তখন ছিলো বাগানবাড়ি, ঢাকার একদম মধ্যখানে! বাসার সামনে একচিলতে বাগান,বাবার শখের পেয়ারা গাছ, মায়ের নানান পাতাবাহার, বোনের প্রিয় শিউলী আর আমার আম গাছের দোলনা! খেজুর গাছ ও ছিল একটা, আর কি কি ছিল মনে নেই। এই বাগানের দেয়ালের ধারে বসে আমি দেখতাম অন্য বাচ্চাদের সারাদিনের নানা খেলায় ব্যাস্ততা,
বিস্তারিত»জনসচেতনতামূলক পোস্ট!!
১।
পদ্ধতি একঃ কাকরাইল মসজিদ বা শাহবাগের মোড় থেকে মৎসভবন চৌরাস্তা পাড় হয়ে দুই থেকে আড়াইশো গজ সামনে এগিয়ে যান। এবার ডাইনে তাকান। ভাল কথা, আপনি যেখানে দাঁড়িয়েছেন এখানে গাড়ি থামানোর নিয়ম নেই, সুতরাং সবচেয়ে ভাল হয় আরেকটু সামনে গিয়ে ফোয়ারা থেকে ইউ টার্ন নিয়ে রাস্তার অপরপাশে চলে আসুন। এবার বামে তাকান।
পদ্ধতি দুইঃ পল্টন থেকে তোপখানা রোড ধরে সোজা আসতে থাকুন।
বিস্তারিত»দশ বছর পর!
লেখাটা আমার নয়, আমাদের ব্যাচের পাবলিক স্পিকীং এ সবচেয়ে দূর্বল ছেলেটার। তার ব্যাচের গ্রুপে লেখা এক একটা পোষ্ট হয় জ্বালা ধরানো। এই লেখাটা পড়ে মনে হইসে, জীবনে কি করলাম ?? এমন একটা লেখা লিখতেও পারলেও তো হইতো।
ধন্যবাদ যাহীন বিদেশের মাটিতে থেকেও মনে হলো ঘুরে এলাম বরিশাল ক্যাডেট কলেজ থেকে 🙁
জীবন নিয়ে চিন্তা করাটা আমি আবু রায়হানের কাছ থেকে শিখেছি ।
বিস্তারিত»