ভ্যাকেশন শেষ!
ভাবতেই কেমন জেন লাগছে, এই ছুটিটা যে কিভাবে শেষ হয়ে গেল…খুব অবাক লাগছে।আবার ফিরে যাচ্ছি সেই চিরচেনা ম.গ.ক.ক এর প্রাঙ্গনে।আমার চিরচেনা হাউস, ডাইনিং হল আর ক্লাসরুমগুলা, কেন যানি বুঝিনা, আমার এতো বড় হয়ে যাবার পর ও কেনো জানি যেতে ইচ্ছা করেনা। আগে মাকে বলতাম, কান্নাকাটি করতাম, এখন তা ও পারিনা।
যা হোক, এবার তো ১২, পড়াশোনা করতে হবে অনেক, ছ্যাঁকা যা খাওয়ার খেয় ফেলছি…আর চাইনা!
ঐতিহাসিক দিন
আজ থেকে ১৬ বছর আগে।
এই দিনে।
একদল নিরপরাধের জেলের শাস্তি হলো। তারা জানেও না কেনো। কিন্তু আদেশ যেহেতু হলো যেতে তো হবেই।
তাই তারা ভয়ে ভয়ে জেল খানায় গেলো। কিন্তু তারা জানেও না এই জেলখানার সময়টাই তাদের জীবনের সেরা সময় বলে গন্য হবে। মেয়াদ এর পর সবসময় আফসোস হবে এই সময়টার জন্য। এই কয়েদীরাই সবচেয়ে কাছের হবে তাদের জীবনে।
হ্যা,
স্ট্যান্ডিং এট দ্যা এজ (লাস্ট ডেইজ ইন ক্যাডেট কলেজ)
ক্যাডেট লাইফটা শেষ হয়ে গেল।কাল আমাদের আর্টস এর এক্সাম শেষ হলো।সায়েন্সের শেষ হবে ১৮ তারিখ!এখন খালি মাস্তি আর মাস্তি।এতদিন কলেজে আমরা একা ছিলাম,আগামীকাল কলেজ আসবে।এভাবেই বোধহয় সব শেষ হয়!২৪ তারিখ মনে হয় আমাদের বিদায়!পুরাটা ক্যাডেটলাইফ এত্ত বাজে লাগতো,ইদানিং কেন যেন যেতে ইচ্ছে করে না!আগে ভাবতাম কবে মুক্তি পাবো,এখন মনে হয় না জানি কোথায় গিয়ে পড়ি।সত্যি খুব মায়া লেগে গেছে।এই ব্লক,কম্পিউটার ল্যাবে ফাঁকি দিয়ে বসে থাকা,লাইব্রেরী তে পড়া,রাত ৩ টা ৪ তা পর্যন্ত জেগে কার্ড খেলা,চান্স পেলেই করিডোর ক্রিকেট!ক্যাডেটরা যে কত নতুন নতু খেলা আবিষ্কার করে।ইদানিং প্রতিদিন রাতে টিভি রুমে খেলা দেখতে যাই!সাউন্ড অফ,পয়েন্টে পয়েন্টে গার্ড দাড় করিয়ে খেলা দেখার এই এডভেঞ্চার আর কই পাবো?জীবনে কোনোদিন কাঠাল খাই না বাসায়।গত সপ্তাহে একাই একটা আস্ত কাঠাল শেষ করেছি প্রতিযোগীতা দিয়ে।চুরি করা কাঠাল বলে কথা!এটা কি চুরি?হাউজের সামনে একটা আম গাছে আম নাই!অথচ এই জীবনে আর কোনোদিন গাছ থেকে পেড়ে কাচা আম খাওয়ার আনন্দটাই পাবো না!ক্যাডেট কলেজের প্রতি মায়া গুলোর সোর্স খুব সিম্পল!তবুও একে এড়াই কি ভাবে?
বিস্তারিত»হোওয়াইট চ্যাপেল এবং ব্রীক লেন আরেক বাংলাদেশ
এই পর্বে আমাদের বাঙ্গালীদের নিয়ে কিছু কথা বলবো,
আমার জানামতে TIER-4(ইউ কের ইমিগ্রেশন এর নতুন নিয়ম) এ ৭০০০০ হাজার বাঙ্গালী ছাত্র আসে। শুধু বাংলাদেশ থেকেই নয়, দক্ষিণ এশিয়া, চীন, আফ্রীকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশের অনেক স্টুডেন্ট এখানে আসে। এত লোক কিন্তু জব এর অর্ধেক ও নাই।
বিস্তারিত»Band ও আমাদের কিছু কথা
২০০৫ সাল… প্রথম ক্যাডেট কলেজে ক্যাডেট হিসেবে ঢুকেছিলাম। ক্যাডেট হিসেবে বলছি কারণ আমার চাচা ক্যাডেট হওয়ায় এর আগে অনেক বার আমার চাচার Parents day তে গিয়েছিলাম। কাডেট কলেজে যাওয়ার পর ২ বছরের ভেতরে Music, স্পেশালী Band এর প্রতি বেশ আগ্রহী হয়েছি। যখন আমরা ক্লাস নাইনে তখন গীটার শেখা শুরু করলাম… আমাদের কয়েকজনের স্বপ্ন ছিল ICCLMM এ পারফর্ম করব। আমরা সেভাবে আমাদের কাজ চালাতে লাগলাম। এস.এস.সি পরিক্ষার পর ক্লাস ইলেভেন এ আমরা Principal কে Request করে Band Function করতে চাইলাম।
বিস্তারিত»শহীদলিপির ইতিহাস-১
[ ভূমিকা – কম্পুউটারে বাংলা ব্যাবহারের ইতিহাস জানতে চেয়ে সচলায়তন ও কাডেট কলেজ ব্লগের কিছু সদস্য আমাকে শহীদলিপির ইতিহাস লিখতে অনুরোধ করেছিলো। তাদের অনুরোধেই এই লেখা। কেউ যদি সচলে এই লেখার লিঙ্কটি দিয়ে দেয় তবে বাধিত হবো। ]
১৯৫২ সালে আমার বয়েস ৪/৫ বছর। ফলে ২১শে ফেব্রুয়ারীর কোন স্পষ্ট স্মৃতি নেই। তবে একটু বড় হবার পর থেকে দেখতাম, ঐ দিন খুব ভোরে ছাত্ররা খালি পায়ে হেটে হাতে ফুল নিয়ে স্থানীয় শহীদ মিনারে মিছিল করে যাচ্ছে।
বিস্তারিত»সেন্ট পিটারস কলেজ,লন্ডন
৭৫,জেটল্যান্ড স্ট্রীট এর পর থেকে…।
ভাইয়ার সাথে বাসায় আসার পর খুব ভালো লাগলো। একটা অন্য ধরণের পরিবেশ। ভাইয়া আছে, ভাবি আছে এবং একটা ছোট্ট মেয়ে আছে। গোসল করে খাওয়া দাওয়া করলাম।
ভাই-ভাবি কিছু নিয়ম কানুন বললো, যেমন- কালোদের নিগ্র বলা যাবেনা ব্ল্যাক বলতে এধরণের কিছু কথাবার্তা। তারপর সন্ধায় বের হলাম এলাকা ঘুরে দেখার জন্য ভাইয়ার সাথে।
গিয়ে আমার মাথা নষ্ট।