ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বের ড্র ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে, যারা ফুটবল নিয়ে সামান্যতম খোঁজ খবর রাখেন তারা সবাই যেনে গিয়েছেন কে কবে কার সাথে খেলছে। তারপরও দেরিতে হলেও এই পোস্ট দেবার লোভ সামলাতে পারলাম না এ নিয়ে কিছু ফুটবল প্যাচালের আশায়। প্রথমে ফিক্সচাররে একটু চোখ বুলিয়ে নেইঃ
বায়ার্ন মিউনিখ – ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড (৩০ মার্চ)
লিওঁ –
রাতে খেয়ে আমি সুমন আর মিলু যে যার মত পড়ছিলাম।সারাদিন প্রচুর খাটুনি ছিলো।ল্যাব আর ক্লাস।ঘুম ঘুম ভাব সবারই চোখে।তারপরেও কেন যেন ঘুম আসছিল না।তিন জন গল্প শুরু করলাম।যদি ঘুম আসে এই ইচ্ছায়।মিলু বোতল নিয়ে পানি আনতে গেল।আমি আর সুমন প্লান করলাম মিলু ফিরে আসার সময় ওকে দরজার পাশ থেকে ভয় দেখাব।তাড়াতাড়ি লুকিয়ে পড়লাম আমরা ।মিলূ দরজা খুলতেই আমরা হো হো করে হেসে উঠি।কিন্তু মিলুর কোন ভাবান্তর হল না।
সিসিবিতে আনাগনা বহুদিনের। দেড় বছরের মত তো হবেই। করছি করবো করতে করতে আর সদস্য হওয়া হয় নাই। ব্যক্তিগত কিছু সমস্যাও ছিলো। এর মাঝে কতো কিছুই ঘটে গিয়েছে, ২৫ ফেব্রুয়ারী আর আরো কতো কতো কিছু। ঘটে গিয়েছে আমার জীবনেও অনেক কিছু। কিন্তু সব কিছুর মাঝেও সিসিবি ছিলো আমার এক পরম আশ্রয়। সদস্য না হয়েও সকল হাসি আনন্দ আর কষ্টের সময় গুলোতে অনুভব করেছি একাত্মতা। কখনো না দেখে কখনো কথা না বলেও অনেক অনেক আপন হয়ে গিয়েছে এখানের সকল মানুষ,
[প্রাককথাঃ
যারা জানেন না,তাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে,আরসিসি বাংলাদেশের সীমানা ঘেষে রাজশাহী শহর থেকে ২৬ কি.মি. দূরে প্রত্যন্ত গ্রামে অবস্থিত।গ্রামটার নাম মোক্তারপুর।ক্যাডেট কলেজটাকে সবাই চিনেন।তাই গ্রামটাকে পরিচিত করার জন্য আমি টপিকে গ্রামের নাম দিলাম।আরেকটা কথা আমাদের অরকা’র অর্থায়নে এই গ্রামে ”অরকাপল্লী” স্থাপিত হয়েছে,যেখানে দুঃস্থ অনেকেই ঠাঁই পেয়েছে।এই সুযোগে জানিয়ে রাখলাম।।……..
অত্যন্ত পরিতাপের সহিৎ অবলোকন করিলাম যে, ডায়লগস ফ্রম জেসিসি,এমজিসিসি,এসসিসি,সিসিসি এমনকি পিসিসি পাবলিশ হইয়া গেলেও শাহী ক্যাডেট কলেজের ডজার ক্যাডুগুলা ব্লগে প্রবল প্রতাপের সহিৎ ডজ মারিতেছে।আমি এতকাল অপেক্ষা করিতেছিলাম,কোন দায়িত্ববান শাহী ক্যাডেট কলেজের অসংখ্য বাণীচিরন্তনী প্রকাশ করিবেন।কিন্তু আমার আর তর সহিতেছে না।তাই স্মৃতির গলি ঘুপচিতে পলান্টিস খেলতে থাকা ডায়লগগুলো ধরিয়া আনিয়া সিসিবি পরিবারে পেশ করিলাম।আর দেরি করিলে হয়ত,অন্য কেউ কহিয়া দিবেন,এর থেকে ক্রেডিটটা আগে আমিই লইয়া ফেলি,মাঠ ফাঁকা মনে হইতেছে………
বাংলাদেশের খেলা দেখলে সবসময়ই মেজাজ খারাপ হয়।আগে হইত প্লেয়ারগুলার ঢুসঢাস আউট হওয়া দেখলে আর এখন
আম্পায়ারগুলার কাজকাম দেখলে।রড টাকার আর টনি হিল্রে যে কি করতে ইচ্ছা করতেসে…দেখা যাক কালকে কি হয়।আমার মত মেজাজ খ্রাপ
কইরে লাভ নেই বইসে বইসে জুক্স পড়েন। =((