সন্ন্যাসী আর বিজ্ঞানীতে তর্ক চলে যে দরবার
কৌতুহলে সেইস্থলে যাইতাম আগে বারংবার
কত্তোরকম তত্ত্বকথা, তর্ক শেষে দুইজনে
বাহির হতেন একই পথে, যেথায় আমার প্রবেশদ্বার।
বঙ্গানুবাদ: সৌমিত্র চক্রবর্তী
বিস্তারিত»সন্ন্যাসী আর বিজ্ঞানীতে তর্ক চলে যে দরবার
কৌতুহলে সেইস্থলে যাইতাম আগে বারংবার
কত্তোরকম তত্ত্বকথা, তর্ক শেষে দুইজনে
বাহির হতেন একই পথে, যেথায় আমার প্রবেশদ্বার।
বঙ্গানুবাদ: সৌমিত্র চক্রবর্তী
বিস্তারিত»তিন সত্যি কাটে প্রিয়া প্রায় প্রতিদিন
জানি সবই মিছে, তবু করি বিশ্বাস,
পাছে সে আমায় ভাবে কাণ্ডজ্ঞানহীন,
ছলনা বুঝিনা বলে করে পরিহাস।
বুঝি মোরে যুবা ভাবে, ভাবি অকারণ,
যদিও সে জানে সেই দিন আর নেই,
অসৎ রসনা তার করি আরাধন:
সততা পড়েছে চাপা দুই পাশেতেই।
পুরাতন ব্র্যান্ডের কোন মদ নয়
স্রেফ তরঙ্গিত জলজতার নেশায়
তরল হয়ে উঠলো ভ্রমনের সময়।
জাহাজময় ছড়ানো ছিটানো
আলোছায়া মনকাড়া নানা গড়ন
চিত্ত বিনোদন হেতু সকল উপকরন
এক শ্রান্ত অবসরের ক্লান্ত অনুসরন।
সানা ভাই বলছিল মিশন এর কথা লেখতে কিন্তু টাইপ করা আমার জন্য এত কঠিন ~x( যে বেশি লেখতে গেলে আমার আর লেখা হবে না এই জনমে , তাই আমি যেইটা ভালা পাই আর লেখতেও সহজ 😀 ওইটা দিয়া দিলাম , আবারও বলতেছি হজম নিজ নিজ দায়িত্বে করিবেন । হজমের অসুবিধা জনিত যে কোন সমস্যার জন্য লেখক দায়ি নহে…
( অনুকবিতা/পরমানু কবিতার সিরিজ দিতে মঞ্ছায়,সাহস দিলে 🙂 )
খৈ-১
ম্যাসেঞ্জারে অলস সময়,
২০০৭ এর ফেব্রুয়ারী মাস। আমরা ৩ বন্ধু গ্রামীনফোন এর বোরিং (???!!!!) চাকরি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য দূরে কোথাও যাওয়ার জন্য নিয়্যত করলাম। শেষ পর্যন্ত ঠিক হলো শিলং এবং চেরাপুঞ্জি ঘুরে আসার। ২৮ ফেব্রুয়ারী দিবাগত রাতে সোহাগ পরিবহন এ চেপে রওনা দিলাম সিলেট এর উদ্দেশ্যে। ভোরে সিলেটে ঘন্টা দুয়েক যাত্রা বিরতি দিয়ে তামাবিল এবং ইমিগ্রেশন, কাস্টমস পার হয়ে ওপারে ডাউকী চেকপোস্ট। একটা ট্যাক্সি নিয়ে শিলং পথে রওনা।
বিস্তারিত»কয়েকদিন ধরে চারপাশ হাতড়েও মন ভাল করার মত কিছু খুঁজে পাচ্ছিনা। শুধু অশান্তি আর অশান্তি। এদের মধ্যে সর্বশেষ সংযোজন হচ্ছে মিড এক্সাম। এইতো দুইদিন আগে শুরু হলো। কিন্তু আজকের পরীক্ষাটা দেয়ার পর থেকে পার্থিব যন্ত্রণার সীমা অতিক্রম করে এটাকে এখন হাবিয়া দোযখের প্রেপ টাস্ক বলে মনে হচ্ছে। মানুষের পরীক্ষা এত খারাপ হতে পারে?! 🙁 … আমি বোধহয় মানুষ না! :(( পড়াশুনা নিয়ে সচরাচর মন খারাপ হয়না।
বিস্তারিত»