কামরুল ভাইয়ের ইফতারি,আমার জিলাপি ভক্ষন ও হাবিজাবিঃ পর্ব ১(গল্প শুরুরও আগের গল্প)

এই লিখা শুরু করার আগে ব্লগের নামকরণ নিয়া ইয়াহু মেসেঞ্জারে কামরুল ভাইয়ের সাথে এক দফা হয়া গেল।ভাবছিলাম ডজ দিবো,কিন্তু পরশু দিনের ইফতারি নিয়া যে আমার ব্লগ লিখার কথা সেইটা কামরুল ভাই ভুলেন নাই। উনি আমারে বলসিলেন ব্লগ লিখতে, আমিও চিরায়ত নিয়ম অনুসারে সেইটা অল্টারনেট জুনিয়র রায়হানকে পাস করে দিছিলাম। কিন্তু কেমনে কি,যুগের সাথে সাথে ডজ মারার উপায় গুলাও যে এডভান্স হইসে সেইটা তো আর আমি হিসাবে নেই নাই।

বিস্তারিত»

ক্যাডেটলাউঞ্জ !!

ষ্টাফ লাউঞ্জের প্রতিশব্দ আর কি…

০১ দি ক্যানন অব টীপু সুলতান

তখন টীপু সুলতান জনপ্রিয়তার তুঙ্গে । এর প্রভাবে প্রায় ই সুযোগ পেলে ক্লাস রুম কে রনক্ষেত্র বানিয়ে একজন মুখ দিয়ে হুঙ্কার দিত তোপ চালাও” ( এই আদেশ টা ডেস্ক এর উপর দাড়িয়ে ডান হাত তুলে দিতে হত, সেইরকম ই নিয়ম ছিল), আর কাল্পনিক ফিরিঙ্গিদের উদ্দ্দেশ্যে আরেকটা মানব কামান গর্জে উঠত “ভো…কি…ইয়া…”

বিস্তারিত»

ক্ষমা করবেন সবাই………………

আরিফ, কোথায় আছিস-কেমন আছিস কিছুই জানিনা। দোষটা অবশ্যই আমার যে তোকে একবার ঠিকানাটা জানিয়েও চিঠি লিখিনি। অকৃতজ্ঞতার মাত্রাটা বোধহয় একটু বেশী-ই হয়ে গেছে।
তোর শেষ চিঠি পেয়েছি ১৫ ডিসেম্বর, দিন তারিখ এখনো মনে আছে, রোজার ঈদের আগে, আর আজ ২৬শে মার্চ, আজকে তার উত্তর লিখছি। মাঝে যে চেষ্টা করিনি তা নয় তবে নানা কারনে তা অসম্পূর্ন থেকে গেছে। আর ঢাকা থেকেও কয়েকবার ফোন করে তোকে ধরার চেষ্টা করেছি,

বিস্তারিত»

বড় কঠিন কাজ

লেখালেখি ব্যাপারটা কোনোদিন ও আমাকে দিয়ে হযনি । তবে একবার কোন এক অখ্যাত (আমার জন্য বিখ্যাত) লেখক এর বই এর মেষ পাতা থেকে একটা  কবিতা কপি করে কলেজ বার্ষিকিতে ছাপিয়েছিলাম।  আমি লেখা জমা দিতে হয় তাই জমা দিয়েছিলাম । ছাপা হয়ে যাবে তা ভাবিনি । বাংলার এক স্যার ডেকে আমাকে বলেছিলেন কবিতাটা খুব ভাল হয়েছে এবং তিনি ভবিষ্যতে আমাকে আরও সুন্দর কবিতা উপহার দিতে বলেছিলেন ।

বিস্তারিত»

RHTDM

তখন ক্লাস ইলেভেনে পড়ি। একবার দিনের বেলা রকিবুল হাসান স্যার(বাংলা) ডিউটিমাষ্টার ছিলেন,ঐদিন ১ম পিরিয়ডে ছিল
উনার ক্লাস। ফর্মলিডার বোর্ডে স্যারে নাম সংক্ষেপে লিখল RH। আমার এক ক্লাসমেট পাশে add করল TDM, হয়ে গেল RHTDM
(ঐ সময় একটা হিন্দী সিনেমা ছিল Rehna Hay Tere Dil Mey(RHTDM))। স্যার ক্লাসে আসলেন, এসে দেখলেন তার নাম RHTDM

ফর্মলিডারকে ঝাড়ি দিয়ে বললেন এসবের মানে কি? ছেলেটার জটিল উত্তর ”

বিস্তারিত»

ছবির ধাধা (উইথ সলুসন)

সবার জন্য একটা ছবির ধাধা দিলাম। নিছের ২টা ছবির মধ্যে একটা মেসেজ আছে। মেসেজটা খুজে বের করতে হবে। সি,সি,আর, ১৯তম ইনটেকের ক্যাডেটদের এই ধাধা সল্ভ করা থেকে বিরত খাকার জন্য অনুরোধ করছি।

প্রথম ছবিঃ

দ্বিতীয় ছবিঃ

হিন্টঃ ছবির ভিউ অবশ্যই ১০০% হতে হবে মেসেজটা পড়ার জন্যে।

১৫ জন সারেন্ডার করলে সলুসন দেয়া হবে।

বিস্তারিত»

পথের প্যাচালী

প্যাচালী ১

আমাদের এস এস সি রেজিস্ট্রেশনের সময় একজন ভুল করে বাবার নামের জায়গায় নিজের নাম লিখে ফেলে। ভিপি স্যার অনেক ঝাড়ি দেয় এবং সব শেষে মজা করে বলে “এই রেজিস্ট্রেশনের কাগজটা যত্ন করে রেখে দাও, তোমার ছেলের রেজিস্ট্রেশনের সময় কাজে লাগবে।”

প্যাচালী ২

এডজুটেন্টে মেজর আজিজের বাচ্চা হওয়া উপলক্ষ্যে ডাইনিং হলে টি ব্রেকের সময় স্যারের তরফ থেকে মিষ্টির ব্যবস্থা করা হয় ক্যাডেটদের জন্যে।

বিস্তারিত»

আমার ঘুমবেলা -২

কমেনট গুলো পড়ে মনে হলো নিদ্রাদেবীর সাথে বৃন্দাবনলী্লা সব কলেজেই একি ছিল । সাধে কি আর বলে সব রসুনেরই গোড়া এক ।

ঢেকির ধান ভাংগার গুনাবলির মতো আমিও বেশ গরবের সাথেই আমার ঘুম প্রীতি সভাব সাফল্যের সাথেই সামনে নিয়ে যেতে পেরেছিলাম । মনে আছে কলেজে প্রায়ই প্রেপ শেষে বেয়ারার ডাকে ঘুম ভাংতো, কখন যে প্রেপ শেষ আর কিভাবে যে বাকিরা ঘুমের ঘোরে একজন আহত সেনানিকে যুধ্যের ময়দানে ফেলে আসতো তা আজো আমার কাছে রহস্য্ময় ।

বিস্তারিত»