জাপানের ভুঁড়ি আইন

মেটাবলিক সিন্ড্রোম- সরাসরি বাংলা করলে অর্থ দাঁড়ায়, বিপাকীয় লক্ষণ সন্নিপাত। চৌকষ বাংলা তবে সহজ কথায় বললে, বেশী খাওয়ার ফলে উদ্ভুত শারিরীক লক্ষণ সমূহ। বেশী খেলে স্বাভাভিকভাবেই প্রথম যে শারিরীক লক্ষণ আমাদের মনে আসে, তা হলো একটা নাদুস নুদুস ভুঁড়ি। মেটাবলিক সিন্ড্রম এক অর্থে এই ভুঁড়িটির দিকেই আঙ্গুল দেখায়। অনেকে হয়তো ভাববেন, ভুঁড়ি একটা অত্যন্ত নিরীহ শারিরীক লক্ষণ, তা নিয়ে আবার এত কথা কিসের। জাপানে দীর্ঘ প্রবাস জীবনে আমি নিজেও এতদিন তাই মনে করে নিশ্চিন্তেই ছিলাম।

বিস্তারিত»

অসংলগ্ন ভাবনাচিন্তা ……… হা পিত্যেশ পর্ব

বহুদিন হয় কোনো কিছু লেখা হচ্ছে না। আসলে লেখা তো দূরে থাকুক, সিসিবির পোস্টগুলো পড়ে ঠিকঠাক মতন কমেন্টও করা হচ্ছে না। দুই সপ্তাহ আগে মনে হয়, ছোট্ট রকিব মেইল দিয়ে বলেছিলো একটা লেখা দিতে। আসলে লিখতে কিন্তু খুব ইচ্ছে করে। বহুদিন ধরে একটা গল্পের প্লট মাথায় ঘুরছে, শব্দে রুপ দেয়া হচ্ছে না সেটাকে। মাঝখানে শখ হয়ে ছিলো অনুবাদ লিখবো। কিন্তু যে বইগুলো পড়ছি, সেগুলো সুন্দর করে অনুবাদ করার সাধ্য এবং ধৈর্য- দুইটারই অভাব আছে আমার মধ্যে।

বিস্তারিত»

আড়াই চক্কর

একটা জীবন শেষ করলাম। ঘোরের মধ্যে ছিলাম, আছিও হয়ত। ভাল লাগাটা এই পর্যায়ে ছিল যে লোকনাথের দোকানে বসে ডালপুরি খাওয়া এক বালকের টক দিয়ে সালাদের মাখামাখিতেও আমার মুগ্ধতা ছিল, কিংবা দুপুর বেলাতে শুয়ে শুয়ে বিছানার পাশের জানালা দিয়ে আকাশে খাবারের খোঁজে পাক খাওয়া পাখিদের দেখাতেও। আফিসার্স ক্লাবের ছাদে বসে চানাবুট আর পিঁয়াজু চিবুতে চিবুতে এক ঝাক চড়ুইয়ের সাথে সখ্যতা, আকাশে তাদের কিচির মিচির আর একপাশে শীতলক্ষ্যা।

বিস্তারিত»

দিনযাপন : কেটে যাচ্ছে, রক্ত ঝড়ছে না

এক. রোববার রাতে মামুনের বাসায় বন্ধুদের আড্ডা বসেছিল। রাত পৌণে বারটায় বাসা থেকে ফোন, “কোথায় তুমি?” বললাম, এখনও আড্ডায়। বললো, “শোনো, দেরি করো না। হাউজিংয়ের লোকজন এসে বলে গেছে, সাবধানে থাকবেন। বাসার পাহারাদারকে রাতে জাগিয়ে রাখবেন। হাতে লাঠি আর বাঁশি দেবেন। প্রায় প্রতিদিনই এখানে ডাকাতি হচ্ছে। এসব শুনে বাসায় সবাই বিশেষ করে আম্মা খুব টেনশন করছেন।” ঠিক আছে- বলে আমি বাসার লোকজনকে আশ্বস্ত করলাম। সাড়ে বারোটায় বাসায় পৌঁছেও গেলাম।

বিস্তারিত»