একটা কথা ছিলো না……সেই ১৯৫৩ সাল থেকে…..তেমনি, সেই কোন সাল থেকে মোল্লা স্যার আমাদের ক্যাডেট কলেজ প্রাঙ্গনকে উনার পদভারে কম্পিত করেছিলেন, তা আমার এই মুহুর্তে মনে পড়ছে না। তবে আমার মতো আন্ডাবাচ্চা থেকে শুরু করে আন্ডাবাচ্চার বাপ হওয়া পর্যন্ত সব এক্স ক্যাডটরা যে মোল্লা স্যারকে চেনেন, এ ব্যাপারে আমার বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। তিনি আমাদের নুরুজ্জামান মোল্লা স্যার, গণিতের শিক্ষক।
মোল্লা স্যারের যে জিনিসটা সবচেয়ে ইউনিক,
মালায়শিয়ার চিঠি – ০৮
১
ঈদ আসছে আবার। ছেলেবেলায়, সারা বছর অপেক্ষা করে থাকতাম এই দিনটার জন্যে। অনেক মজার একটা দিন, পড়াশুনার বালাই নেই, নেই বকা ঝকা। সারা দিন ইচ্ছেমত ঘুরা আর টিভি দেখা। এখন অনেক বড় হয়ে গেছি, পড়াশুনা আর করা লাগে না, বকা ঝকার দিনও দেখতে দেখতে শেষ হল। তাই হয়তো ঈদ গুলো আর সেই ছেলে বেলার মত রঙ্গিন নেই আজকাল। তার পরেও গত দুই বছর বেশ মিস করেছি ঈদ।
অলিভার স্টোন-এর ‘প্লাটুন’ (১৯৮৬)
ফ্রঁসোয়া ত্রুফো বলেছিলেন, যুদ্ধবিরোধী সিনেমা কখনোই বানানো সম্ভব না, কারণ যুদ্ধ নিয়ে করা সব সিনেমাতেই বীরত্ব ও অ্যাকশন দেখানোর মাধ্যমে এমন একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয় যে যুদ্ধকে বেশ মজার মনে হয়। ত্রুফোর এই কথার চেয়ে বড় সত্য আর নেই। অনেক সিনেমায় যুদ্ধবিরোধী আন্ডারটোন থাকলেও নগ্ন বীরত্ব গাঁথা-টাই মুখ্য হয়ে উঠে। যুদ্ধের জটিল কলাকৌশল, স্নাইপারদের কারিশমা দেখতে তাই আমার কখনোই ভাল লাগে না। অপরদিকে যুদ্ধবিরোধী সিনেমা আমার প্রিয় জঁনরাগুলোর একটি।
বিস্তারিত»