উত্তম কুমার।

“বুঝলেন ভাইজান, ক্লাশ ফোরে ইশকুলের নাটকে আমার অভিনয় দেইখা বাংলা স্যার বলছিলেন, এই পোলা তো একদিন উত্তম কুমার হইবো। হেডমাস্টার সাব একটা মেডেলও দিছিলেন। ” গার্ডের ইউনিফর্মটার এক পাশের বুক পকেট থেকে মেডেলটা বের করতে করতে অতীশদা হাসেন। মেডেল বলতে মরচে পড়া লোহার একটা চাকতির মতন। ভালো করে লক্ষ্য করলে বোঝা যায়, সেই চাকতির উপরে কোনকালে কিছু লেখা হয়তো ছিলো।

“ফিতাটা কই খুইলা পড়ে গ্যাছে!”

বিস্তারিত»

ম্যাজিক বয় – ০৫

ম্যাজিক বয় – ০১০২০৩০৪

জ্বীন তাড়ানো কবিরাজের সঙ্গে রফিকের খুব খাতির হয়ে গেছে। কবিরাজ বললে অবশ্য তিনি খুব রাগ করেন। তাকে ডাক্তার ডাকতে হয়। যার সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন, তাকে নাম বলার আগেই বলেছেন, খবরদার আমাকে কেউ কবিরাজ বলতে যাবেন না।
তাহলে কী বলব? শফিক একটু অবাক হয়ে জানতে চেয়েছিলেন।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট কলেজ – ২০৫০ (দ্বিতীয় কিস্তি)

[ডিসক্লেমারঃ অনেক অনেক দিন আগে সেই সিসিবির শিশুকালে একটা উপন্যাস টাইপের গল্প শুরু করেছিলাম। কিন্তু কেন যেন এক পর্বের পর সেটা আর আগায়নি। সবাইকে ওপেন করে দিয়েছিলাম যে কেউ লেখতে পারে। দুষ্ট ছেলের দল কেউ লেখেনি। প্রথম কিস্তিটা লেখার পর সিসিবি বাড়ি বদল আমার দেশে যাওয়া এরপর বিশাল সময় সিসিবি থেকে দূরে থাকে ফিরে এসে অনেক মানুষের অনেক লেখার ভীড়ে এইটা আর আগায়নি।

বিস্তারিত»

তিন মুঠো মাটির সাথে সমস্ত হৃদয়…

তিন মুঠো মাটি, তিন রাউন্ড ভলি ফায়ার, বিউগলের অন্তিম সুর আর মরণোত্তর সালাম। ব্যাস, এভাবেই মেজর জেনারেল রফিক, লেঃ কর্নেল মঞ্জুর, লেঃ কর্নেল শহীদ আর কর্নেল গুলজারকে আজ শুইয়ে দিয়ে আসলাম চিরনিদ্রায়। কত সহজ!

কিন্তু এই চার শহীদ কি জানতে পারলেন, যে এই তিন মুঠো মাটি আর সালামের সাথে আমরা আমাদের সমস্ত ভালবাসা, শ্রদ্ধা, অশ্রু আর হৃদয়টাও দিয়ে দিলাম?

বিস্তারিত»

দ্বিধাবিভক্ত আমি

যেদিন থেকে
স্বপ্ন দেখা ছেড়ে দিয়েছি,
অনেক সুখে আছি জানো?
তোমার কাছ থেকে
দূরে যেতে আজ আর

বিস্তারিত»