“মৌলানা সলায়মান রাজাকারের মুখে স্পঞ্জের স্যান্ডেলের বাড়ি”

রাশিয়া আসার পর থেকেই শুনছি রব ভাইয়ের কথা। উনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। আজ একজন প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধার কিছু কথা তুলে ধরার চেষ্টা করব।

সরদার মোঃ আব্দুর রব মুক্তিযুদ্ধের সময় ৯ ও ১০ নাম্বার সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন,মূলত ৯ নাম্বার সেক্টরে মেজর জলিলের অধীনে। যুদ্ধে যাবার গল্প শুনতে চাইলে গল্প বললেন ভাই। ফেব্রুয়ারী মাসে পাকিস্তান থেকে ছুটিতে বাড়িতে বেড়াতে আসেন রব ভাই এর চাচা শেখ কাতিবুর রহমান,যিনি তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে হাবিলদার পদে কর্মরত ছিলেন।

বিস্তারিত»

বেঁচে থাকার গল্প

ময়নার মা,ও ময়নার মা।কাঁপা কাঁপা কন্ঠে মন্তাজ মিয়ার ডাক।রাত প্রায় দুইটা।ঢাকা শহরের নাগরিক কোলাহল একটু আগে থেমে গিয়েছে।রাস্তার দু পাশে সোডিয়ামের বাতি গুলো ঝাপসা।সেখান থেকে যতটুকু আলো আসে তাও কুয়াশার সাথে মিশে অস্বচ্ছ এক আবহ তৈরি করেছে।পলিথিনের তৈরি অস্থায়ী ঘরের ফাঁক দিয়ে তার কিছুটা আলো ময়নার মার মুখে পরেছে।ষাটোর্ধ মন্তাজ মিয়া কাছে মনে অস্বচ্ছ এই আলোয় ময়নার মাকে আরো মায়াবী লাগছে।কল্পনায় চল্লিশ বছর আগে চলে যায় সে।ঢাকা শহরে নতুন এসেছে ।থাকার জায়গা নেই।একদিন কমলাপুর রেলস্টেশন অন্য দিন গাবতলী যাত্রী ছাউনি।মাঝেমাঝে দোতলা লন্চের ছাঁদে চড়ে সুদূর বরিশাল যাতায়াত করা হত।একসময় বুড়িগঙ্গার গন্ধযুক্ত পানিকে খুব বেশি আপন মনে হত।সবেমাত্র মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়েছে।দেশের অবস্থা বেগতিক।একবেলা খাবার আশায় তাই শহরে পাড়ি জমানো।গ্রামে মন্তাজ মিয়াদের গেরস্থলি ছিল।গোয়ালে তিন চারটা গরু।পুকুরে মাছ।ক্ষেতে সবজি।সবমিলিয়ে একটা সাজানো সংসার।দিনকাল ভালোই কাটছিল।এর মাঝে হঠাত শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।ফরমান আলীর কমান্ডো বাহিনীতে যোগ দেয় মন্তাজ মিয়া।সুঠাম দেহ আর লম্বা চওড়া শরীর থাকায় প্রায় সব অপারেশনেই মন্তাজ মিয়া নেতৃত্ব দিত।এভাবেই কেঁটে গেল অনেক দিন।একসময় যুদ্ধ শেষ হল।গ্রামে ফিরে নিজের ঘর বাড়ি খুঁজে পেলনা।পাকিস্তানী হানাদাররা লন্ডভন্ড করে দিয়েছে সব।বাড়ির সামনে কয়েকটা নতুন কবর দেখে বুকের ভেতরটা হুহু করে উঠল।সেদিন ই শহরে পাড়ি জমাল মন্তাজ মিয়া।একরাশ বুক ভরা অভিমান নিয়ে।

বিস্তারিত»

অভিমান করে চলে গেলেন দেলোয়ার হোসেন স্যার

অভিমান করে চলে গেলেন দেলোয়ার হোসেন স্যার

 

গত ২৪শে নভেম্বর গিয়েছিলাম রিইউনিয়নে। সিলেট ক্যাডেট কলেজের রিইউনিয়ন, নিজের প্রাণের কলেজের রিইউনিয়ন। অনেকগুলো বছর ধরেই অধির আগ্রহ অপেক্ষা করছিলাম। ২৪ তারিখ দুপুরের দিকে কলেজে ফিরে যখন নিজের ঘরে ফেরার আনন্দে উদ্ভাসিত, ঠিক সে সময়েই একটি দুঃসংবাদ পেলাম। আমাদের প্রিয় দেলোয়ার হোসেন স্যার আর নেই।

প্রথমে ভেবেছিলাম তিনি অসুস্থতা জনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন।

বিস্তারিত»

মহাভারত

সাথীদের উদ্দেশ করে কহে দুঃশাসন,
আমা হস্তেই হৃত হোক এর বসন।

কেন নয়, কেন নয়! এক্ষুণি খোলো
কে আগে কে পরে — যুধিষ্ঠির বলো

অর্জুনই পয়লা যাক রেজিস্ট্রির জোরে
বাকী সবে পরে কোরো মনপ্রাণ ভরে

রাত্রির কি সাধ্য সে শ্রীকৃষ্ণ হয়
সদাঁত চাঁদ জেগে পুরোটা সময়

দ্রৌপদী রক্তে ভাসে পাটক্ষেত্র জুড়ে
ভারত-বীরেরা সব নাচে ঘুরে ঘুরে

বিস্তারিত»