আচার ০০৯: গ্যালাহাডের পুনরুত্থান

আই ইউ টির সেকেন্ড ইয়ারে মনে হয় প্রথম কম্পিউটার কিনি। উদ্দেশ্য ছিল শুধুই গেম খেলা। গেম খেইলা খেইলা কত দিবস রজনী পার কইরা দিছি তার ইয়ত্তা নাই। ক্লাসও ফাঁকি মারতাম প্রায়ই। গেমের স্বপ্নীল জগতটাতে হারিয়ে যেতে যে কি ভালো লাগত। আর আমার গেম খেলার মেশিনটাকে আদর কইরা নাম দিছিলাম গ্যালাহাড। এই বিতিগিচ্ছিরি নামটার আদি মালিক ছিলেন কিং আর্থারের রাউন্ড টেবিলের একজন নাইট। স্যার ল্যান্সেলটের জারজ সন্তান। অত নাম থাকতে এই নামটা কেন নিলাম যদি জিগান, তাইলে উত্তর দিতে পারুম না। ভালো লাগছিল, তাই নিছিলাম। সেই কম্পিউটারটা আড়াই বছর আমারে ভালোই সার্ভিস দিছে, তারপর একদিন বলা নাই কওয়া নাই তার মাদার বোর্ডের বায়োস গেল ফ্ল্যাসড হয়া। কিছুই করতে পারলাম না, নেট ঘাঁটাঘাঁটি কইরা দেখলাম এর কোন সহজ সমাধান নাই। গিগাবাইটের ওই সিরিজের মাদারবোর্ডগুলার এইটা একটা জেনেরিক সমস্যা। তখন আবার কম্পিউটার হার্ডওয়্যারে আসছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। ইন্টেল তার চিপগুলার মেইল পিন বদলায়া ফিমেল পিন করলো যারে আমরা এখন সকেট ৭৭৫ বইলা ডাকি। তারপর ডিডিআর র‌্যামের দিন ততোদিনে শ্যাষ, আসছে ডিডিআর ২। এজিপি কার্ডেরও জীবদ্দশা প্রায় শেষের দিকে, ২গিগা পার সেকেন্ড ডেটা ট্রান্সফার রেটের পিসিআই এক্সপ্রেসের হুমকিতে জড়োসড়ো এজিপি। বাজার ঘুইরা বুঝলাম নতুন মাদারবোর্ড কেনার চেয়ে পুরান পিসি বেইচা নতুন পিসি কেনা ভালো। নতুন পিসি মানে শুধু বাক্সখানা, আর কিছু না। পিসি বেইচা পাইলাম ১২ হাজার টাকার মতো, বড়বোন দিল ১০ হাজার। আর ধার কইরা তিন হাজার টাকা দিয়া ২৫ হাজার টাকা দিয়া কিনা ফেললাম আমার জীবনের দ্বিতীয় এবং প্রথম মাল্টিকোর প্রসেসর পিসি। পেন্টিয়াম ডি ছিল ওইটা। আমি তো পুরা মুগ্ধ, যে সিমুলেশন করতে আগে লাগাইত ২৫ মিনিট, ৫ মিনিটেই কাজ সাইরা দিল আমার নতুন পিসি। আর হেভি কম্পিউটিং-এর সময়ও মাল্টি টাস্কিং করলে চোখে পড়ার মতো কোন ল্যাগ নাই। টিউশনির টাকা পাইয়া কিনা ফেললাম একটা পিসিআই এক্সপ্রেস গ্রাফিক্স কার্ড। আহা, গেম খেলার সময় মনে হয় পুরা সিনেমা দেখতাছি। এতোই ভালো রেন্ডারিং। আগের পিসির মতোই এইটারও নাম দিলাম গ্যালাহাড। আমার আদরের গ্যালাহাড।

নতুন গ্যালাহাডের সাথে খুব বেশিদিন টাইম কাটাইতে পারি নাই। টুম্ব রেইডার এনিভার্সারি, এন এফ এস কার্বন, কল অব ডিউটি, ঘোস্ট রিকন, কল অব হুয়ারেয, কমান্ডোস কাউন্টার স্ট্রাইক – এই কয়টা গেমই খেলতে পারছিলাম শুধু। এর পর কানাডায় স্কলারশিপ হয়া যাওয়াতে আর বিয়া করার ঝামেলায় আর সময় দিতে পারি নাই নতুন গ্যালাহাডরে। আসার আগে বেইচা দিয়া আসছিলাম।

কানাডায় আসার পর সুপারভাইজার ল্যাপটপ কিনা দিল। দুঃখ আমার, গেম খেলতে পারি না ল্যাপিতে। খেলা যায়, কিন্তু আমি যেগুলা খেলি ওইগুলা খেলার জন্য হার্ডকোর গেমিং পিসি লাগব। সুতরাং, গেম খেলা বাদ দিয়া ল্যাপিতে খালি কাজই করতাম। নতুন ল্যাপির নামও দিলাম গ্যালাহাড। তো এই গ্যালাহাডের বয়স যখন ১ বছর ৩ মাসের মতো হইছে, উইন্ডোজ করল ক্র্যাশ। হার্ডডিস্কে পার্টিশন একটাই থাকাতে বিরাট ভয় পায়া গেলাম। সেমিস্টারে যা কাজ করছি, সব তো ল্যাপিতে। ব্যাক আপ করা আছে আগের সেমিস্টার পর্যন্ত। যাহোক কিছু ব্যাড সেক্টর পড়ছিল যেগুলা স্ক্যান কইরা ফিক্স করলাম। তারপর ল্যাপি খুইলা তার হার্ডডিস্ক নিয়া লাগাইলাম আরেকটা ডেস্কটপে। তারপর একটা এক্সটার্নাল হার্ডড্রাইভে সব ডাটা ব্যাক আপ করলাম। আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টিতে চারজনের একটা ডিপার্টমেন্ট আছে, সেন্টার ফর কম্পিউটার এইডেড এঞ্জিনিয়ারিং। বিল্ডিং-এর যাবতীয় কম্পিউটিং ফ্যাসিলিটি তাদের তদারকিতে। কার্যত আমার ল্যাপির মালিক যেহেতু ইউনিভার্সিটি আমি নিয়া গেলাম ল্যাপি তাদের কাছে। যতোই গালভরা নাম হোক না কেন, এই ডিপার্টমেন্টটা পুরা অকর্মার ধাড়ি। কিছুই পারে না। আমার ল্যাপি ৩ দিন তাদের কাছে থাকার পরে আমিই আর থাকতে না পাইরা গেলাম একটু তাড়া দিতে। ব্যাটা নচ্ছাড় বলে কি, তার হাতে অনেক কাজ। আগামী সপ্তাহের আগে সে ল্যাপটপ ঠিক করার কোন চান্স দেখতে পারতেছে না। আর আগামী সপ্তাহেও ঠিক হবে কিনা নিশ্চয়তা নাই। আমার এদিকে আবার সেমিস্টার শেষের দিকে, প্রজেক্টের কাজ পুরাই ল্যাপিতে। ইউনিভার্সিটির ল্যাবে যেসব কম্পিউটার আছে, সেইগুলাতে আমার দরকারি টুল বা সফটওয়্যার নাই। সুতরাং ল্যাপি ঠিক না হইলে কাজ বন্ধ। গেল মেজাজ খারাপ হয়া। নিজেই পড়াশুনা করলাম ইন্টারনেটে। উইন্ডোজ ইন্সটলেশন প্রধান সমস্যা ছিল না, ছিল উইন্ডোজরে হার্ডডিস্ক চেনানো। হার্ডডিস্ক ইন্টেলের তৈরী, সিরিয়াল এটিএ। তার জন্য আবার বিশেষ ড্রাইভার লাগে যেটা উইন্ডোজে নাই। উইন্ডোজ ইন্সটল করতে গেলে তাই সে হার্ডডিস্ক পায় না। আবার ইন্টেল ব্যাটারা ড্রাইভার দিছে ফ্লপি ইমেজ তৈরী করার জন্য। ২০০৮ সালে কয়টা পিসিতে ফ্লপি ড্রাইভ আছে সেইটা গবেষণার বিষয়। ধরা খায়া গেলাম এইখানে। কিন্তু সমাধান পায়া গেলাম নেটে একটু ঘাঁটাঘাটিঁ করার পরেই। এন লাইট বইলা একটা সফটওয়্যার আছে, এইটা দিয়া কাস্টমাইজড উইন্ডোজ বুট সিডি বানানো যায়। একটা পথ দেইখা ভাবলাম ওদের জন্য বইসা থাইকা লাভ নাই। যা করার নিজেরই করতে হবে। সুতরাং অকর্মার ধাড়িদের গিয়া বললাম, আমার ল্যাপটপ ফেরত দেও, আমি দেখি ব্যাপারটা। এন লাইট দিয়া কাস্টমাইজড উইন্ডোজ ইন্সটলেশন ডিস্ক বানায়া করলাম উইন্ডোজ রিপেয়ার। কাজ হইল বটে, তবে পুরাপুরি না।

আসলে উইন্ডোজের যে কপিটা ব্যবহার করছিলাম, ওইটা ছিল এম এস ডি এন – এর ইউনিভার্সিটি একাউন্ট থাইকা নামানো। সবাই একটা কইরা একাউন্ট পাইতে পারে, যদি এপ্লাই করে। ওইটা নিছিলাম এক বন্ধুর কাছ থাইকা, এবং কপিটা শুধু বন্ধুর পিসির জন্যই এক্টিভেটেড ছিল। সুতরাং আমার ল্যাপিতে এই উইন্ডোজ কোন কাজই করে না, খালি বুট করতে পারি সিস্টেম আর মাল্টিমিডিয়া ফাইল চালাইতে পারি। কোন সফটওয়্যার তো দূরের কথা, নিজের ডেস্কটপ আর মাই ডকুমেন্টসও আমার এক্সেস দিল বন্ধ কইরা। এখন উপায় হইল গিয়া নিজের একাউন্টের জন্য এপ্লাই করা। আবার অকর্মার ধাড়িদের কাছে দৌড়াদৌড়ি, এবং লাল ফিতার দৌরাত্ন। প্রায় আরো ৪ দিন পরে দিল আমারে একাউন্ট, সেইখান থাইকা উইন্ডোজ নামায়া, সেইটারে কাস্টমাইজড কইরা ল্যাপি ঠিক করলাম। প্রায় ১১ ঘন্টা কাজ করার পরে ল্যাপিরে নিতে পারলাম আগের অবস্থায়। বুদ্ধি বাড়ছে কিছুটা এখন। এই ঝামেলায় যাতে পড়তে না হয় সেইজন্য ঠিক করছি, একটা এক্সটার্নাল হার্ডড্রাইভ কিনা ক্লোন কইরা ফেলব। একটা ফেইল মারলেও সমস্যা নাই। আরেকটা লাগায়া দিব, অকর্মার ধাড়িদের কাছেও আর দৌড়াদৌড়ি করতে হবে না, ১১ ঘন্টা ধইরা পিসি ঠিকও করা লাগবে না। এখন খালি দুঃখ হইতাছে যে চোর পালানোর আগে বুদ্ধি কেন বাড়ে না।

আমার গ্যালাহাড আবার বাইঁচা উঠল। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে! ল্যাপি ঠিক হওয়ার পরে এইটাই প্রথম ব্লগ। কিছু টেকি সমস্যা আর তার সমাধান গল্পের আকারে বলতে চাইছিলাম। বোরিং লাগলে এখন আর কিছু করার নাই, যা পড়ার তা তো পইড়াই ফেলছেন। 😀

৩,৬৮৫ বার দেখা হয়েছে

৩১ টি মন্তব্য : “আচার ০০৯: গ্যালাহাডের পুনরুত্থান”

  1. তানভীর (৯৪-০০)

    যাক, লাল ফিতার দৌরাত্ত্ব তাহইলে ওইখানেও আছে? শুইন্যা মনটা ভালো হইয়া গেল। 😀
    আমি ঈদের আগের দিন আমার জংধরা পিসিটা ঠিক কইরা আবার গেইম খেলা শুরু করছি! আহা! কি যে মজা! :guitar: :guitar:

    লেখা ভালো হইসে তৌফিক। :clap: :clap: :clap:

    জবাব দিন
    • তৌফিক (৯৬-০২)

      ধন্যবাদ তানভীর ভাই।

      লাল ফিতার ব্যাপারে আর কি বলব, আমার সুপারের আন্ডারে এক শ্রীলংকান স্টুডেন্ট আছে। সে আইসা একদিন আমারে বলে কি, এই চার জনের ডিপার্টমেন্টের গেলেই খালি তার দেশ দেশ আমেজ লাগে। আমি বুঝতে না পাইরা জিগাইলাম, ক্যান? সে বলে, পুরা ক্যাম্পাসে একমাত্র তাদের সার্ভিসই নাকি তৃতীয় বিশ্বের মানের। তাই দেশ দেশ মনে হয়। 😀

      জবাব দিন
    • তাইফুর (৯২-৯৮)

      মোবাইল হার্ডড্রাইভে 'ক্লোন' করার সিস্টেমটা বিস্তারিত লেইখা একটা ব্লগ নামাবি নাকি ?? সবার কাজে লাগলেও লাগতে পারে।
      (আমার লাইসেন্সড ভিস্তা, আর সফটঅয়ার, ল্যাপি কেনার সময় 'রিকোভারি সিডি' আকারে দিছে। অপারেটিং সিস্টেমের আলাদা কুন সিডি দেয় নাই। আমি আমার মত পার্টিশান কইরা নিছিলাম। রিকোভারি সিডি থিকা রিকোভার দিলে পার্টিশন সহ সব আবার আগের মত হই যায়। শুধু সি ফরম্যাট করলে অরিজিনাল অপারেটিং সিস্টেম পামু কই ??
      তাছাড়া সি ড্রাইভের ডাটা আর সব আপডেটও (অপারেটিং+এন্টিভাইরাস) আবার কেনার ডেট'এ চইলা যায়। সিডি-ডিভিডি'তে ব্যাকাপ করতে চাচ্ছিনা। Xternal HD তে ক্লোন করলে কাজ হবে ?? ডাটা, আগের সব আপডেট ??


      পথ ভাবে 'আমি দেব', রথ ভাবে 'আমি',
      মূর্তি ভাবে 'আমি দেব', হাসে অন্তর্যামী॥

      জবাব দিন
      • তৌফিক (৯৬-০২)

        তাইফুর ভাই, কষ্ট করে পড়ছেন। সেইজন্য ধন্যবাদ।

        আমার জীবনের তৃতীয় কম্পিউটার আর প্রথম ল্যাপটপ এইটা। জীবনে বহুত ডেস্কটপ ঠিক করছি। কিন্তু ল্যাপটপ হইলো গিয়া একটু জটিল। ল্যাপটপ নিয়া আমারও অভিজ্ঞতা এই প্রথম। আমি ল্যাপটপরে ডাউনগ্রেড কইরা এক্সপি ব্যবহার করি, ভিস্তা করি না। ভিস্তাতে আমার অনেক ডিজাইন টুল কাজ করব না।

        আমি ক্লোন করা নিয়া এখনো বেশিকিছু জানি না, করি নাই এখনো। যতোদূর পড়াশোনা করছি তাতে মনে হইতাছে হার্ডডিস্ক ক্লোন করলে সি ফরম্যাট করলেও আপনি যে অবস্থায় ক্লোন করছিলেন ঠিক সেই অবস্থায় পিসিকে ফেরত নেয়া সম্ভব। আমি এখনো করি নাই। ক্রিসমাসের পরের দিন, বক্সিং ডেতে অনেক সেল দেয়। ওইদিন একটা এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক কিনে আনব। তারপর পরীক্ষা করে দেখব কথা সত্যি কিনা। ক্লোন করার পর অভিজ্ঞতা শেয়ার করে আরেকটা পোস্ট দিব ইনশাল্লাহ।

        জবাব দিন
  2. মুসতাকীম (২০০২-২০০৮)

    কিছু বুঝি নাইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইইই :(( :(( :(( :(( :(( :(( :(( :(( :(( :(( :(( :(( :(( :((


    "আমি খুব ভাল করে জানি, ব্যক্তিগত জীবনে আমার অহংকার করার মত কিছু নেই। কিন্তু আমার ভাষাটা নিয়ে তো আমি অহংকার করতেই পারি।"

    জবাব দিন
  3. তারেক (৯৪ - ০০)

    তৌফিক,
    পোস্ট খুব ভাল লাগলো। এইরকম পোস্টগুলার জন্যে নতুন একটা ক্যাটাগরি বানানো যায়- যেখানে টেকি ব্যাপারগুলার সমস্যা আর সমাধান আলোচনা করা যাবে। ক্যাটাগরির নাম দেয়া যায় "techiটাকি"। ( এই নামে আমি অবশ্য একটা সিরিজ লিখতেছি নিজের রেফারেন্সের জন্যে, নিজের ব্লগে, কিন্তু তাতে কোন সমস্যা নাই)
    *
    গেইম আমি জীবনে খুব কম খেলছি। ইশকুলে পড়ার সময় দুই টাকার কয়েনে মোস্তফার গেইম ওভার করাই ছিলো জীবনের সর্বোচ্চ গেমীয় সাফল্য। কম্যুতে গেইম খেলছি অল্প-বিস্তর এনএফএস। তাই এই থ্রিলটার সাথে তেমন পরিচয় নাই।
    *
    এইরকম ক্রাশ দুইবার খাওয়ার পরে নতুন ল্যাপি কেনার পর আমি ভিস্তা ও তার রিকভারী ভ্রাতাকে একসাথে ঘাড় ধরে বিদায় করে দিছি, বদলে উবুন্তুকে বরণ করে নিয়াসছি।
    আল্লাহর রহমতে আমাদের যৌথ জীবন সুখেই যাচ্ছে, উবুন্তু বেশ লক্ষী- এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নাই।


    www.tareqnurulhasan.com
    www.boidweep.com

    জবাব দিন
    • তাইফুর (৯২-৯৮)
      এইরকম পোস্টগুলার জন্যে নতুন একটা ক্যাটাগরি বানানো যায়- যেখানে টেকি ব্যাপারগুলার সমস্যা আর সমাধান আলোচনা করা যাবে। ক্যাটাগরির নাম দেয়া যায় “techiটাকি”

      শতভাগ সহমত। ফ্রি-মাগ্না টেকি সাপোর্ট পাইলে মন্দ হয় না। ;))


      পথ ভাবে 'আমি দেব', রথ ভাবে 'আমি',
      মূর্তি ভাবে 'আমি দেব', হাসে অন্তর্যামী॥

      জবাব দিন
    • তৌফিক (৯৬-০২)

      অনেক ধন্যবাদ তারেক ভাই।

      আমিও পারলে উবুন্টু ইউজ করতাম। কিন্তু ওইযে, দরকারী সফটওয়্যার আর ডিজাইন টুল সব উইন্ডোজ বেসড। তাই উপায় নাই। (মরতুজা ভাই পড়লে মাইর দিব শিওর।)

      গেমের থ্রিল পাওয়ার জন্য এড্রালিনিল জাংকি হওয়া লাগে। আমার মতো কিছু সাইকো ছাড়া এইরকম পাগলামি বেশি মানুষরে করতে দেখি নাই। :shy:

      ব্লগ মডু/ ডেভলপারদের বলা যায় এই ব্যাপারে। একটা আলাদা ক্যাটাগরিই হবে, সিক রিপোর্টের মতো। ওইখানে পোলাপান নিজেদের সমস্যার কথা জানাবে আর কারো সমাধান জানা থাকলে লিখে দিবে। মূল ব্লগের থেকে আলাদা হবে সেটা। আমার মনে হয় এতে ব্লগে বাইরের ট্রাফিকও বাড়বে।

      জবাব দিন
    • তানভীর (৯৪-০০)
      এইরকম পোস্টগুলার জন্যে নতুন একটা ক্যাটাগরি বানানো যায়- যেখানে টেকি ব্যাপারগুলার সমস্যা আর সমাধান আলোচনা করা যাবে। ক্যাটাগরির নাম দেয়া যায় “techiটাকি”।

      আমি একশ ভাগ সহমত!

      জবাব দিন
  4. রায়হান আবীর (৯৯-০৫)

    ওপস!! 🙁 🙁

    টেকি জিনিসপাতি পড়তে মঞ্চায়না। কিন্তু গল্প আকারে হওয়ায় বুইঝা উঠতে পারি নাই।

    সেন্টার ফর কম্পিউটার এইডেড এঞ্জিনিয়ারিং এর কথা শুইনা একটেলের আইটি ডিপার্টমেন্টের কথা মনে হইলো। শালা এক ইমেইল এড আর পিসির জন্য একটা আইপি দিতে শালারে সাত দিন লাগাইছিল। ব্যাটাদের অনেক কাজ।

    টেকি কর্ণার করার আইডিয়াটা ঝাক্কাস!! তুহিন আছে, আপনি আছেন, তারেক ভাই সহ আরও অনেকেই আছে। আপমর জনসাধারণের সুবিধা হবে।

    জবাব দিন
  5. সেলিনা (১৯৮৮-১৯৯৪)

    তোমার ল্যাপটপ ঠিক হয়েছে জেনে ভালো লাগলো, তবে আমি ভেবেছিলাম এই সুযোগে তোমার সুপারভাইজর-কে পটাইয়া একটা ম্যাকবুক প্রো ম্যানেজ করে ফেলবে। 🙂

    আর IT সার্ভিসের ব্যাপারে এইখানেও একই অবস্থা,ইনারা সারা বছর ধরেই ইজি কাজে বহুট বিজি থাকেন, এমন কি নিজেদের তৈরী সিস্টেমের সমাধানও ওরা দিতে পারেনা। আমার অল্প অভিজ্ঞতাতেই এই ধারণা হল, তোমারটা অনুমান করতে পারছি।

    জবাব দিন
  6. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

    বোরিং লগেনাইতোরে 🙂
    একটানে পড়ছি। প্রথমেই টেকি জিনিস দেইখা ভাবছিলাম তুই হয়তো র‌্যাপিড প্রোটোটাইপিং মেশিনটার কথা কিছু লিখবি। আমি ঐটার আশায় আছি মিয়া সেই কবে থেইকা 🙁
    তবে কম্পিউটার ট্রাবলশ্যুটিংগুলা নিয়া ফার্স্ট হ্যান্ড অভিজ্ঞতাগুলোও পড়তে বেশ লাগে। তৌফিকের এই আচার সিরিজটার মজা আছে। একেকটা একেকরকম স্বাদের :boss: টেক কর্ণার খোলার আইডিয়াকে শতভাগ সমর্থন। হার্ডডিস্ক ক্লোনের লেখাটা কুইক চাই 😀
    আমিও গেইম খেলি সারাদিন। তবে এই টাইপের হাইএন্ড গুলো না 😀 স্নেক, টেট্রিস টাইপের আর্কেড গেমগুলা আর কিছু ডসমুডের প্যারানয়েড টাইপের গেম নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা 😀 😀


    সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

    জবাব দিন
  7. ইফতেখার (৯৫-০১)

    একটু আগে যেই লিঙ্ক গুলা দিলাম, অইগুলা দিয়ে ব্যাকআপ যেকোনো জায়গাতেই রাখতে পারে, মোবাইল হার্ডড্রাইভ, ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ (পেন ড্রাইভ বা জাম্পড্রাইভ নামেও চিনে অনেকে) সিডি (সিডি তে চাইলে হার্ডডিস্ক এ ব্যাকআপ বানিয়ে রাইট করে নিন) ইত্যাদি।

    মোবাইল হার্ডডিস্ক কিনলে সাথেই ব্যাকআপ সফট দিবে, ওইটাও ব্যবহার করতে পারেন।

    হিরেনস সিডি এর মতন আরেকটা কাজের জিনিশ হইলো বার্ট পি ই, নিজের মতন প্লাগইন যোগ করে নিতে পারবেন, আগের পোষ্ট থেকে ড্রাইভইমেজ এর লিংকএ প্লাগইন পাবেন।

    জবাব দিন
  8. ইফতেখার (৯৫-০১)

    এক কাম করি, পুরাটা এক লগে দিয়া দেই, এডু/মডু রা আগের ২ তা ডিলিট কইরা দিলে এ হবে।

    --

    হার্ডডিস্ক ক্লোন করার জন্য ভালো কিছু সফটওয়ার দিচ্ছি এখানে, ইউস করার জন্য খুব একটা টেক নলেজ এর দরকার হয় না, ইন্সটল করে সোর্স (কি কপি করতে হবে) এবং টারগেট (কোথায় কপিটা রাখা হবে) দিয়ে স্টার্ট করলেই হইলো।

    এ্যক্রনিস ট্রু ইমেজ
    নর্টন ঘোস্ট

    দুটোই পেইড ভার্সন, আশা করি দুই নম্বরি করা সমস্যা হবে না।

    ফ্রি ইমেজ সফট এর মধে সবচেয়ে ভালো কাজ করে সম্ভবত ড্রাইভ ইমেজ এক্স এম এল এবং এইটা বেশ দ্রুত কাজ সারতে পারে।

    যদি ধরা খাইয়াই যান, মানে কম্পিউটার ক্রাশ করসে, এবং হাতের কাছে ব্যাকআপ নাই, তাইলে হিরেনস বুট সিডি টা ব্যবহার করে সিডি থেকে বুট করে ডাটা রিকোভার করতে পারবেন। এইটায় অনেকগুলা অনেক কাজের সফটওয়্যার আছে … দরকারের সময় কাজে লেগে যাবে।

    একটু আগে যেই লিঙ্ক গুলা দিলাম, অইগুলা দিয়ে ব্যাকআপ যেকোনো জায়গাতেই রাখতে পারেন, মোবাইল হার্ডড্রাইভ, ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ (পেন ড্রাইভ বা জাম্পড্রাইভ নামেও চিনে অনেকে) সিডি (সিডি তে চাইলে হার্ডডিস্ক এ ব্যাকআপ বানিয়ে রাইট করে নিন) ইত্যাদি।

    মোবাইল হার্ডডিস্ক কিনলে সাথেই ব্যাকআপ সফট দিবে, ওইটাও ব্যবহার করতে পারেন।

    হিরেনস সিডি এর মতন আরেকটা কাজের জিনিশ হইলো বার্ট পি ই, নিজের মতন প্লাগইন যোগ করে নিতে পারবেন, আগের পোষ্ট থেকে ড্রাইভইমেজ এর লিংকএ প্লাগইন পাবেন।

    জবাব দিন
  9. ফয়েজ (৮৭-৯৩)

    হুম্মম্মম

    আমিও গেইম খেলি সারাদিন। তবে এই টাইপের হাইএন্ড গুলো না স্নেক, টেট্রিস টাইপের আর্কেড গেমগুলা আর কিছু ডসমুডের প্যারানয়েড টাইপের গেম নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা

    ব্যাটা ডেক্স-বলের কথা কইলোনা ক্যান বুঝলাম না।

    ল্যাপটপে তো ইউজ করি XP, রিকভারি সিডি দিছে একটা, গত দুই বছর তো প্রবলেম হয় নাইক্যা। তাও ডুকায় রাখলাম প্রিয়তে। পরে কামে লাগতে পারে।


    পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

    জবাব দিন
    • তৌফিক (৯৬-০২)

      আমিও ল্যাপটপে এক্সপি ইউজ করি। উইন্ডোজ বিষ্ঠাকে :thumbdown:

      কিন্তু আমার রিকভারি সিডি ছিল না, হার্ডডিস্কেও ব্যাড সেক্টর পড়ছিল।

      ফয়েজ ভাই, আপনিও দেখি ডিএক্স বলের ভক্ত। ইউনিভার্সিটি থেকে বাসায় একবার কম্পিউটার নিয়ে গেছিলাম। প্রত্যেকদিন সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার মা ডিএক্স বল খেলে। ছোট বোনরে জিজ্ঞেস কইরা দেখি, সকালে ঘুম থেকে দেরি করে উঠি, এর মাঝেই আমার মাতৃজননী প্রায় প্রতিদিন ঘন্টা তিনেক ডিএক্স বল খেলত। আমার পয়সা হইলে মারে একটা প্লেস্টেশন কিনে দিমু বলে ঠিক করছি। 😀

      জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।