আমার একখান কথা আছিল

আমার বাপে একটা কথা কইত। তোমাগো লগে শেয়ার করি কি কও

কথায় কথা বৃদ্ধি
ঘিয়ে বৃদ্ধি বল।
বংশে বংশ বৃদ্ধি
শাকে বৃদ্ধি মল।

বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবিদের নিয়া বিরাট বিপদ। আজাইরা হাউকাউ। দিন শেষে দেখা যায় শুরুতেই ঘুরপাক, মাঝখানে কিছু সময় নষ্ট, আর কিছু শহীদ।

আচ্ছা আমাদের সম্মানিত সদস্য বৃন্দ, আপনারা কি বুঝতে পারছেন পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আর এই হাউকাউ এ কতজন শহীদ হলেন আর কত জন শহীদ হবার প্ল্যান করছেন তার কি হিসাব কষেছেন কেউ? নাকি কেউ শহীদ হলে আপনাদের গায়ে লাগে না। ভাইজানরা শুনুন, আপনাদের গায়ে না লাগতে পারে, কিন্তু আমরা যারা কিছুদিন হল আছি, এবং চাচ্ছি সিসিবি একটা ভাল প্ল্যাটফর্ম হিসাবে দাড়াক তাদের কিন্তু গায়ে লাগছে। “এইটা আমাদের ব্লগ” বলে আপনি আসবেন, এসে আপনি ইচ্ছা মত হাগু হিসু করবেন, এরপর তৃপ্তির ঢেকুর তুলবেন, আর আমরা এটা মেনে নেব? আপনার এইসব বর্জ্য কে পরিস্কার করবে?
কাজটা কি ঠিক হচ্ছে?

নাকি আপনি বুঝতে পারছেন না, কোন “বল” আর কোন “মল”?

আরও ভেংগে বলতে হবে নাকি?

৩,৭৩৫ বার দেখা হয়েছে

৬৮ টি মন্তব্য : “আমার একখান কথা আছিল”

  1. রবিন (৯৪-০০/ককক)

    :thumbup:

    আর এই হাউকাউ এ কতজন শহীদ হলেন আর কত জন শহীদ হবার প্ল্যান করছেন তার কি হিসাব কষেছেন কেউ?

    একটু আগেও ২/১ জনের সাথে কথা হলো, যারা শহীদ হবার প্ল্যান করতেছে, প্লিজ ভাইসব।

    জবাব দিন
  2. সাইদ মর্তুজা আসিফ এহসান (১৯৯৮ - ২০০৪)

    এখানকার সবাই এখন ভিন্ন ভিন্ন জগতের মানুষ। সবাই যদি নিজেদের বিষয়ের জারগন দিয়ে এভাবে পোস্ট দিতে থাকে, তবে হাউকাউ হবেই। কাজের কাজ খুব বেশি হবেনা।

    এখানে সবাই আসি একটু শান্তি পেতে। জীবনের শ্রেষ্ঠ মূহূ্র্তটায় ফিরে যেতে। সেই পরিবেশটা চাইনা কোনভাবেই নষ্ট হোক।

    জবাব দিন
  3. আমিন (১৯৯৬-২০০২)

    গত দুইদিন অফিসের ঠেলায় আর লোড শেডিংয়ের যন্ত্রণায় আসতে পারি নাই। মোবাইলে একটু একটু চোখ বুলাইছি। তবে পরিবেশ নষ্টের কথা যদি বলতে হয় তবে সেটার দোষ আলোচনার নয়। পরমত সহিষ্ণুতার অভাবের কারণে। সিনিয়র জুনিয়র সবার প্রতি অনুরোধ থাকলো পরমত সহিষ্ণু আলোচনা করতে। তবে তারপরেও আমি আলোচনা চলার পক্ষপাতী।

    জবাব দিন
  4. মুহাম্মদ (৯৯-০৫)

    আলোচনা চললে তো অসুবিধার কিছু দেখি না। সিসিবি-র নীতিমালার উল্টা দিকে গেলে নাহয় সেটা বাদ যাবে। কিন্তু এছাড়া তো ঠিকই আছে। আমার মনে হয়, যাদের সে ধরণের বিতর্ক ভাল লাগে না তারা এড়িয়ে গেলেই পারেন। যেমন সে পোস্ট পড়লেন না, বা কোন কমেন্টে অংশ নিলেন না।

    তবে জয়-পরাজয়ের উদ্দেশ্যে নিবেদিত কূটতর্কমূলক পোস্ট আমিও ডিসকারেজ করি।

    জবাব দিন
  5. আলম (৯৭--০৩)

    দুঃখিত ফয়েজ ভাই, দ্বিমত প্রকাশের জন্যঃ

    এইসব আলোচনায় মারাত্মকরকম ব্লাসফেমি হবার প্রমাণ থাকলেও আমি সেটা সমর্থন করি। 'কথার পিঠে কথা' হয়ে কেউ কিছু শিখতে পারলে সেটাইতো ভাল। তবে দিনশেষে কয়েকজনের লাশ পাবার মতো কিছু এখানে দেখিনা (এট্‌লিস্ট সিসিবি'তে), আমি নিজেও যদিও "লাশ হবার" দলেরই লোক, তবু মনে করি নিরব দর্শক হয়েও পক্ষ-বিপক্ষের অনেক কিছু শিখতে পারছি।

    পরমতসহিষ্ণু হয়ে jargon ছাড়া লিখলে এসব তর্কমূলক আলোচনায় লসের চেয়ে লাভই বেশি মনে করি। আমারতো বরং গর্ব হয়, যে, সিসিবিতে জাহিদ ভাই-মুহাম্মদ-জুবায়েরের মতো লেখকদের লেখা পাচ্ছি!

    জবাব দিন
    • রকিব (০১-০৭)
      পরমতসহিষ্ণু হয়ে jargon ছাড়া লিখলে এসব তর্কমূলক আলোচনায় লসের চেয়ে লাভই বেশি মনে করি। আমারতো বরং গর্ব হয়, যে, সিসিবিতে জাহিদ ভাই-মুহাম্মদ-জুবায়েরের মতো লেখকদের লেখা পাচ্ছি!

      পুর্ণ সহমত


      আমি তবু বলি:
      এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

      জবাব দিন
    • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)

      ধন্যবাদ আলম ভাই সিসিবির অধিকাংশ সদস্যদের মতই সেন্সরশিপের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার জন্য। আমি মনে করিনা এইযে আপনি বললেন আপনি লাশ হওয়া দলের লোক আপনার এই মনোভাব পোষণ করা উচিত। আমি জেনেছি যে সিসিবি কোন এক সময়ে আপনাকে সেন্সর করে। আমি এটা জানার সাথে সাথেই ঐ পোস্টে এটার বিরোধীতা করি। আমরা এখানে দেখছি যে অধিকাংশ সচেতন সদস্যই সেন্সরশিপের বিরুদ্ধে। আমি মনে করি কথার ক্ষতি করার কোন ক্ষমতা নেই তবে, মাঝেমাঝে দুই-একটা উপকার সেটা করতে পারে। এজন্যই বোধহয় উন্নত বিশ্ব তথা সভ্য সমাজ তাদের গনতান্ত্রিক মুল্যবোধের মধ্যে ফ্রী-স্পিচকেই সবার আগে আপহোল্ড করে। আপনার ওই ঘটনা আমি মনে করি আমাদের সেই শিক্ষাই দিয়েছে। আমি বলবো এই কারণেই বোধহয় আমার পোস্ট যেটা ছিল বিতর্কিত এবং আরও একটি ডিস্টার্বিং পোস্ট যেটা কিনা সরাসরি কোট করে সুরা কাফিরুন সেন্সর হয়নি, অথচ আপনার পোস্ট যেই কারণে সেন্সর হয় একই কারণেই এই পোস্টগুলোও সেন্সর হতে পারতো। সুতরাং আমি মনে করি আপনার ঐ ঘটনার আপনাকে এইভাবে দুঃখিত করা উচিত না কেননা সেটারও কিছু অর্জন আছে। আর আপনার ব্লাসফেমি টার্মটির ব্যাবহার আমি সঠিক মনে করিনা, কারণ এটা দ্বারাতো কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে না, আমি কথা বললে যদি কেউ মনে করে তার ক্ষতি হচ্ছে যেমন অনুভুতি আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি আমি তাকে ভন্ডই বলবো কেননা আমি জানি কথার ক্ষতি করার কোন ক্ষমতা নেই। আর ব্লাসফেমি শব্দটা আপনি যদি নেতিবাচক অর্থেই ব্যাবহার করেন বা এটাকে একটি ক্রাইম হিসেবে চিন্হিত করেন সেটাওতো এসেন্সিয়্যলি একটা ভিক্টিমলেস ক্রাইম। যাই হোক, ভালো থাকবেন।

      জবাব দিন
  6. সাব্বির (৯৮-০৪)

    ফয়েজ ভাই,
    আশা করি মাইন্ড খাবেন না। কিন্তু আলোচনা বন্ধ মানে মাথা ব্যাথা মাথা কাটা এর মত হয়ে যায়।
    বিতর্ক ভালো হয় মডারেটর এর উপস্থিতিতে। আমরা( জুনিওর যারা) সবাই ইম্মেচিউর্ড হতে পারি। আমাদের ইন্ডিভিডুয়ালিটি মেইনটেইন করে প্রফেশনাল আলোচনা করা শেখানোর দায়িত্ত্ব
    কিন্তু আপনাদের ঘাড়েও কিছুটা পড়ে । আপনার কোনো বক্তব্য থাকুক বা না থাকুক আমার ধারনা আপনাদের উপস্থিতিতে সিচুয়েশন নোংরা হবেনা (আফটার অল উই অল আর ক্যাডেটস 😀 ।)
    ধ ন্য বা দ :guitar:

    জবাব দিন
  7. আদনান (১৯৯৭-২০০৩)
    কথায় কথা বৃদ্ধি
    ঘিয়ে বৃদ্ধি বল।
    বংশে বংশ বৃদ্ধি
    শাকে বৃদ্ধি মল।

    আমি শুনসি এইভাবেঃ
    মাংসে মাংস বাড়ে
    ঘিয়ে বাড়ে বল।
    দুধে বাড়ে পুষ্টি
    শাকে বাড়ে মল।

    জবাব দিন
  8. রকিব (০১-০৭)

    ভুল করলে কলেজে তো পাঙ্গাইছেন, ভেঙ্গে পড়লে নিজে হাত ধরে তুলে দাড় করিয়েছেন। সাফল্যে যেমন একসাথে কাধে হাত দিয়ে চিয়ার্স দিয়েছেন, তেমনি ব্যর্থতায় সান্ত্বনা আর প্রেরণা যুগিয়েছেন। (এখনো চলছে) যদি পরিবেশ নষ্ট করবার মতো কোন ত্রুটি করে ফেলি, কানে ধরে দেখিয়ে দিবেন, আমি মাথা পেতে নেব, এটা আমার না সকল ছোট ক্যাডেটদের পক্ষ থেকে গুরুদের প্রতি আমার অনুরোধ। 😀 😀

    ফয়েজ ভাই, ধন্যবাদ পোষ্টটার জন্য :boss: :boss: ।


    আমি তবু বলি:
    এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

    জবাব দিন
    • মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)
      ভুল করলে কলেজে তো পাঙ্গাইছেন

      আমি এই মর্মে প্রত্যয়ন করিতেছি যে, আমি ফয়েজ ভাইকে সিসিআর-এ ক্লাস নাইনে+নিউ-টেনে দেখেছি, যে সময় আমাদের ঘাড়ে সিনিয়রিটির রোঁ (সূত্রঃ বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ) ওঠা কেবল শুরু হয়েছে, এবং সেইসূত্রে তার ব্যাচমেট ক্ষমতাবান-মহান-প্রিফেক্টগন সময়ে-অসময়ে তাহাদের ক্ষমতার পরম স্বাদ আস্বাদন করিতে এই আমাদেরকে জলে-স্থলে (আক্ষরিক অর্থেই একটা নালা ছিল, যেখানে নামিয়ে পাঙ্গানো হইত :grr: ) পরিভ্রমন করিয়েছেন।

      কিন্তু একজন ভূক্তভোগী হিসেবে আমি ঘোষনা করছি যে, নিরীহ-দূর্বল-প্রলেতারিয়েত জুনিয়রদের পাঙ্গানোর দুষ্কর্মটিতে আমাদের কোমলমতি ( 😮 ) ফয়েজ ভাই কখনোই জড়িত ছিলেন বলে মনে পড়েনা।

      কাজেই, উদ্ধৃত বাক্যদ্বারা এহেন নিরীহ একজন পৈতাধারী (কলেজ গেমস প্রিফেক্ট 😛 ) ফয়েজ ভাইয়ের "ভাবমুর্তি" বিনাসের এই আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের জন্য আমি রকিবের কমপক্ষে একবছরের সশ্রম ফাঁসী চাই। :grr: :grr: :grr:


      There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

      জবাব দিন
  9. আমার মনে হয় স্পর্শকাতর বিষয়গুলো (যেগুলো নিয়ে অতীতেও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে সেই বিষয় গুলো) একটু যত্ন নিয়ে লেখা উচিত যা অন্য কারো ধর্মানুভূতিতে বা অন্য কোন অনুভূতিতে আঘাত না করে।

    জবাব দিন
  10. জাহিদ (১৯৮৯-৯৫)

    ফয়েজ ভাই,

    বাঙ্গালী জাতি ভাই আলোচনায় মজা পায়। বিএনপি আর আওয়ামী লিগের প্যাচাল থেকে পোলাপানতো খালি চোর-চোট্টাদের চমকপ্রদ কাহিনী শিখে। কানে আঙ্গুল দিয়ে বসে থাকলেতো আপনে এইগুলি কিছুই জানতেন না। মানুষের চিন্তার বৈচিত্র্যই তো আমাদের মানুষ করেছে। না হলে তো ঐ এক প্রেমের নাটক দেখে সবাই জীবন পার করত।

    তবে এটা ঠিক, আমাদের কথা বলা উচিত এই ভাবে যে, 'আমার এইটা মনে হয় এবং এইটা আমার যুক্তি। আপনার এই যুক্তি আমার মনে হয় এই কারনে ঠিক না'। আপনে চাপাবাজ (যদিও আপনার অঙ্কে C+ পাওয়াটা আমার কাছে আসলেই চাপাবাজি মনে হয়েছে, আপনে এত খারাপ আমার বিশ্বাস হয় না), মিথ্যাবাদী, অন্ধ, গোঁড়া এই জাতিয় কথা না বলাই উত্তম।

    আমরা সবাই মৌলবাদী, আমেরিকা কি তার আদর্শের বাইরে কিছু করবে? তবে কেউ জানেনা কে কবে কেমন করে পরিবর্তিত হবে।

    গুরু, আমি কি শাক খাওয়া ছেড়ে দিব? (মজা করলাম)

    জবাব দিন
    • ফয়েজ (৮৭-৯৩)

      @ জাহিদ,

      দেখ, জীবনে প্রতিদিন অনেক জটিলতার সমাধান করতে হয়। ব্লগে আসি স্ট্রেস কমাতে। বাড়াতে নয়।

      এক সময় বাম করতাম। বিশ্বাস করতাম সমতা আনতে হবে সবকিছুতে। রাজশাহীর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বাম নেতাকে চিনতাম, যিনি নিজের টিউশনির টাকা খরচ করে দলে চাদা দিতেন। তিনি এখন আমেরিকা প্রবাসী। বাস্তবতা অনেক জটিল, অনেক হিসাব পালটে যায় অহরহ।

      আলোচনা চলুক, আমি কখনই বলিনি আলোচনা বন্ধ হোক। কিন্তু কেউ যখন নস্ত্রাদামুর মত ভবিষ্যৎ বলে দেয়, একজন যখন আরেক জনের রুচি নিয়ে প্রশ্ন তোলে, সিনিয়র জুনিয়র যখন একে অপরকে মিথ্যাবাদী প্রমান করার জন্য উঠে পড়ে লাগে, তখন বড় বিব্রত মনে হয় নিজেকে। মনে হয় এটা আমার জায়গা নয়। আমি এখানে অনাহুত।

      ব্লগে কিছু ব্যক্তির পোষ্ট এবং কমেন্টে আমি খুব বিরক্তবোধ করছি। আমি একাডেমিক ডিবেটের বাইরে সব সময় ডিবেট এড়িয়ে চলেছি, তাই বলে কেউ যদি এটা ভেবে বসে আমি ডিবেট পারিনা বা ডিবেট করার মত যথেষ্ট প্রমান আমার হাতে নেই তবে সেটা তার সমস্যা। আমার নয়। কিন্তু কার সংগে ডিবেট করব আমি, অবার্চীনের মত কেউ কথা বললেই ঝাপিয়ে পরতে হবে নাকি?

      আমি ব্লগে কারও বন্ধু, কারও জুনিয়র, আর কেউ আমার জুনিয়র। মাহমুদের উপরে একদিন খুব বিরক্ত হয়ে কমেন্ট করেছিলাম, মুহাম্মদকে বুঝাতে চাইলে ওর মত করেই ওকে বুঝাতে হবে, আর তু্মি যদি মনে কর মুহাম্মদ তোমার লেভেলে এসে সেটা বুঝবে, তবে তাকে নিশ্চয় সময় দিতে হবে সে পর্যন্ত আসার। আর সে যদি বুঝেই ফেলে তোমার সমকক্ষতা সে অর্জন করে ফেলেছে, তবে বিজ্ঞের পরিচয় দেয়া উচিৎ। তার তা হচ্ছে চুপ করে যাও।

      আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা কি জান? অহংকার, অহংকার।

      একটা ব্যাপার কি জান, সিসিবি কে ব্লগ ভাবিনি কখনও, নিজের বাসা মনে হয়েছে। কিন্তু অন্য অনেক ভূলের মত এটাও একটা ভুল ছিল আমার।

      ভাল থেকো।


      পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

      জবাব দিন
      • এহসান (৮৯-৯৫)
        ব্লগে আসি স্ট্রেস কমাতে। বাড়াতে নয়।আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা কি জান? অহংকার, অহংকার।

        সহমত

        সিসিবি কে ব্লগ ভাবিনি কখনও, নিজের বাসা মনে হয়েছে। কিন্তু অন্য অনেক ভূলের মত এটাও একটা ভুল ছিল আমার।

        চিন্তায় ফেলে দিলেন। কালকে আমি রিয়েক্ট করে ফেলেছিলাম। আর আজকে আপনি বেশি কস্ট নিয়ে ফেললেন। মুহম্মদ তো বুদ্ধি দিয়েছেই, পছন্দ না হলে একটা দুইটা ব্লগ না পড়লেই হয়।

        এই দিন না আরো দিন আছে...
        আমি কিন্তু আবার ভবিষ্যতবানী করি নাই 🙂

        জবাব দিন
      • কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)
        একটা ব্যাপার কি জান, সিসিবি কে ব্লগ ভাবিনি কখনও, নিজের বাসা মনে হয়েছে।

        ফয়েজ ভাই, নিজের বাসাতেও কি আমরা সবসময় নির্বিবাদে থাকি? কম্ফোর্ট জোনের বাইরের অনাহুত ঘটনার মুখোমুখি কি হতে হয়না নিজ আলয়ে? তাই বলে এরকম বিচ্ছিন্ন দুয়েকটা ঘটনাতেই কি নিজের বাড়িটা ভাবা ভুল হয়ে যাবে? 🙁
        বস্, মনটা খারাপ হয়ে গেলোতো 🙁


        সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

        জবাব দিন
      • জাহিদ (১৯৮৯-৯৫)

        ফয়েজ ভাই,

        আপনার অনেক কথায় আমি একমত।

        'একে অপরকে' টার্মটাতে আমার একটু আপত্তি আছে। অন্ততঃ ব্যক্তিগত ভাবে আমি কাউকে মিথ্যাবাদী প্রমানের চেষ্টায় নাই। আমি চেষ্টা করেছি সবমাত্রা ফুটিয়ে তুলতে। প্রথম অংশ পরে রেশাদ কিন্তু আমাকে নাস্তিক ধরে নিয়েছিল এবং অনেকে 'কনফিউশন দূর করার' জন্যে ধন্যবাদ দিয়েছিল।

        আমার মনে হয়, দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পরলে আমরা যেমন তা বন্ধ করার চেষ্টা করি, আমাদেরও তেমনি সে সমস্ত ক্ষেত্রে এগিয়ে আসা উচিত। আমি যদি কোন ভুল করি, বলবেন। আমি জায়গায় বন্ধ করে দিব।

        তবে এটা ঠিক, আমার নিজেরও নিজেকে গুটিয়ে নিতে ইচ্ছে করছে। কি লাভ, শুধু তর্কের খাতিরে তর্ক করার? ওজন নষ্ট।

        ভালো থেকেন।

        আমাদের ইউনিভার্সিটির হাসিব স্যার, বেচারা PhD করতে বাইরে যান নাই কারন তিনি ক্যাপিটালিষ্ট দেশের ডিগ্রী নিবেন না, আর দেশের এই ডিগ্রী নেয়াতো বুঝেন, সব কিছু চলে রিক্সার স্পীডে। যাইহোক, অনেকেই আদর্শচ্যুত হয়, আপনার অনুপ্রেরণার প্রয়োজন পরলে, যদিও দরকার নাই জানি, উনার সাথে দেখা করতে পারেন। বেশ কিছু অসাধারণ লোক দেশের জন্যে, বাইরের সমস্ত ভোগ বিলাসিতা ত্যাগ করে দেশে ফিরে গেছেন। তাই বা কম কিসে?

        জবাব দিন
        • ফয়েজ (৮৭-৯৩)

          বাম করতাম, 😀 এখন করি না 🙂 আদর্শচুত্য হই গেছি।

          যাইহোক, আমিও অবশ্য বিদেশ যাই নাই, চেস্টাও করিনাই। হাস্যকর কারনে, বাইরে গিয়া আমি বাংলায় কথা কমু কার লগে, জ্যাম নাই, গুতাগুতি নাই, হাউকাউ নাই, হালাল ফুড কই পামু, রিকশা কই পামু।

          আমি বাবা এত বড় ত্যাগ করতে পারব না। বিদেশে সর্বচ্চো ছিলাম ২৮ দিন, দম বন্ধ বন্ধ লাগে। ক্যামনে পার তোমরা :boss:


          পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

          জবাব দিন
  11. জিহাদ (৯৯-০৫)

    গত কয়েকদিনে বেশ কিছু অপ্রীতিকর ব্যাপারস্যাপার ঘটসে যদিও তারপরও ব্যক্তিগতভাবে আমি মাথাব্যাথার জন্য মাথা এত তাড়াতাড়ি কেটে ফেলার বিপক্ষে O:-)

    যে পোস্টটা নিয়ে এত কথা তার বিপক্ষেও কিন্তু বেশ কয়েকজন যুক্তিমূলক পোস্ট দিয়েছেন। এবং সত্যি বলতে কি নিজে আলোচনায় সক্রিয়ভাবে অংশ না নিলেও পক্ষে বিপক্ষের যুক্তি পাল্টাযুক্তি মূলক পোস্টগুলো পড়ার পর অনেক কিছুই আমাকে ভাবাচ্ছে। পুরনো অনেক ধারণা আবার নতুন করে ভাবার সুযোগ করে দিচ্ছে। লাভলোকসান হিসেব করলে দিনশেষে আমি লাভের পরিমাণটাই বেশি দেখতেসি। 🙂

    ইমম্যাচিউরিটির কথা বলতে পারেন। সেটা মেনেও নিচ্ছি। সবজায়গায় সব কিছু ফেয়ারলি হয়নি। তারপরও আমার মনে হয় যা হয়েছে সেটাকেও একেবারে খারাপ বলা যায়না। ১০০% সাকসেস কোন কিছু থেকে আশা করাও বোধহয় উচিত না।

    আমি ব্যক্তিগত ভাবে স্রষ্টায় বিশ্বাসী। কিন্তু তাই বলে পরমতসহিষ্ণু হবার ব্যাপারেও আমি কখনো পিছুপা হবোনা। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি একজন ধার্মিকের যদি তার ধর্ম নিয়ে কথা বলার অধিকার থাকে তাহলে একজন নাস্তিকেরও তার নিজস্ব মত প্রকাশের অধিকার আছে। এবং তার যুক্তির বিনিময়ে পাল্টা যুক্তি দেয়া অথবা স্রেফ ইগনোর করাটাই শ্রেয়। কিন্তু কখনোই সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে স্রেফ জোর করে মুখ বন্ধ করে দেয়াটাকেও সমর্থন করবোনা।

    সবশেষে , ফয়েজ ভাই, একটু মনে হয় বেশি বকবক কইরা ফালাইলাম। 😀 :frontroll: :frontroll: :frontroll:


    সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

    জবাব দিন
    • নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

      ভালো বলসো তুমি।
      :clap: :clap: :clap:

      মুক্তবুদ্ধির চর্চা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ,
      পরমতসহিষ্ণুতা -- এসব আমাদের এই ব্লগের সংস্কৃতির
      মূল পরিচয়, এটাই আমি বিশ্বাস করতে চাই।

      সত্যি বলতে কি নিজে আলোচনায় সক্রিয়ভাবে অংশ না নিলেও পক্ষে বিপক্ষের যুক্তি পাল্টাযুক্তি মূলক পোস্টগুলো পড়ার পর অনেক কিছুই আমাকে ভাবাচ্ছে। পুরনো অনেক ধারণা আবার নতুন করে ভাবার সুযোগ করে দিচ্ছে। লাভলোকসান হিসেব করলে দিনশেষে আমি লাভের পরিমাণটাই বেশি দেখতেসি।

      আসুন না গঠনমূলক ঝগড়া করে নিজেদের সমৃদ্ধ করি! 😀 😀

      জবাব দিন
    • মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)
      কিন্তু কখনোই সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে স্রেফ জোর করে মুখ বন্ধ করে দেয়াটাকেও সমর্থন করবোনা।

      এই কথাটা ঠিক হলো না। এই কথা সঠিক ধরতে হলে বিপরীত যে যুক্তিগুলো দেওয়া হল, তা'র কোনটা কোনটা ভূল, সেটা বলা দরকার।

      আমার পোষ্টে আমি যে আপত্তি করেছি, সেটাও কোন সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে না, যুক্তির জোরেই। দ্বিমত থাকলে সেটা জানাও, কিন্তু "সংখ্যাগরিষ্ঠা দিয়ে মুখ বন্ধ করা"র অপবাদ দিও না।


      There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

      জবাব দিন
      • জিহাদ (৯৯-০৫)

        আমি আপনার দোষ কখন ধরলাম সেটাই তো বুঝলাম না :no: :no:

        আপনি ভুল বুঝেছেন। ওটা মোটেও আপনাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়নি। বরং আপনি পোস্টের বিপরীতে পোস্ট দিয়ে আপনার যুক্তিগুলো তুলে ধরেছেন। সেটাই সবচেয়ে ভালো উপায় এবং সবার সেই নিয়মই অনুসরণ করা উচিত।

        আমি যেটা বুঝাতে চেয়েছি যেটা সেটা হলো - আমার মতের বিরুদ্ধে গেলেই সেই ধরণের পোস্ট সিসিবি তে প্রকাশিত হওয়া উচিত না,কারণ আমার মতাবলম্বী মানুষই এখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ- আমি এরকম কিছুর বিপক্ষে।

        ব্যাপারটা কি বুঝাইতে পারলাম? O:-)


        সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

        জবাব দিন
  12. রকিবুল ইসলাম (৯৯-০৫)
    একটা ব্যাপার কি জান, সিসিবি কে ব্লগ ভাবিনি কখনও, নিজের বাসা মনে হয়েছে। কিন্তু অন্য অনেক ভূলের মত এটাও একটা ভুল ছিল আমার।

    কোনো ভুল নাই।এইটা আমাদের সবার বাসা ছিলো,আছে,থাকবে।যত দিন আমরা বেচে আছি।

    জবাব দিন
  13. সামি হক (৯০-৯৬)

    'যতো মত ততো পথ' সবাই সবার মতামত দিক কিন্তু তা অবশ্যই হওয়া উচিত মার্জিত এবং শালীনতা বজায় রেখে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয়তো আমরা ব্লগ মডারেটর এর হস্তক্ষেপ গ্রহন করতে পারি। আমার মনে হয় আমাদের এখানের সদস্যরা অন্য অনেক ব্লগের মতো না যে তা নিয়ে তারা হইচই করে আরেকটা কান্ড বাধাবে।

    জবাব দিন
  14. শহীদ (১৯৯৪-২০০০)

    ফয়েজ ভাই কে :salute: এই অসাধারণ ব্লগ লেখার জন্য। উনার মতই আমিও বলতে চাই- এখানে আমরা আসি একটু হালকা হতে, সুখ-দুঃখ শেয়ার করতে। জানা অবশ্যই খুব ভাল ব্যাপার। কিন্তু তাই বলে - পরিবেশের স্বাচ্ছন্দ্য আর কিছু ভাই দের হারিয়ে এখানেই জানাজানির চর্চা করাটা কি খুবই জরুরী? এই ধরণের জ্ঞান অর্জন কি আমরা অন্য কোথাও বা ব্যক্তিগত ভাবে করতে পারিনা?

    আর সহনশীলতা বা মুক্তবুদ্ধির কথা আমরা যতই বলিনা কেন, শুধু্মাত্র এই বিশেষ ক্ষেত্রগুলোতেই কমেন্ট মডারেশনের প্রয়োজন পরছে তা কি আমরা উপলদ্ধি করছি না?

    আগেই দুঃখ প্রকাশ করে একটা কথা না বলে পারছি না- ব্লগে কেউ কেউ শুধু এই ব্যাপার গুলো নিয়েই কথা বলেন, অন্য কোন বিষয়েই যেন আগ্রহ নেই। এ থেকে আমি শুধু ফয়েজ ভাইয়ের সাথে গলা মিলিয়ে বলতে পারি

    “এইটা আমাদের ব্লগ” বলে আপনি আসবেন, এসে আপনি ইচ্ছা মত হাগু হিসু করবেন, এরপর তৃপ্তির ঢেকুর তুলবেন, আর আমরা এটা মেনে নেব? আপনার এইসব বর্জ্য কে পরিস্কার করবে?
    কাজটা কি ঠিক হচ্ছে?
    জবাব দিন
    • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)
      জানা অবশ্যই খুব ভাল ব্যাপার। কিন্তু তাই বলে - পরিবেশের স্বাচ্ছন্দ্য আর কিছু ভাই দের হারিয়ে এখানেই জানাজানির চর্চা করাটা কি খুবই জরুরী?

      জানাজানির চর্চা করলে যেই ভাইগুলো হারিয়ে যেতে চায়, সেই ভাইগুলোর হারিয়ে যাওয়াটাই বোধহয় উচিত এবং তাদের হারিয়ে যেতে দেওয়াটাই আমাদের কর্তব্য। আপনি আমার দেখা দ্বিতীয় সিসিবি মেম্বার যিনি ঐসব "জানাজানির চর্চা" এর কারণে হারিয়ে যাওয়া ভাইদের জন্য উদ্বিগ্ন হলেন। আর জানাজানির চর্চা করলে যেই পরিবেশের স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাঘাত ঘটে সেই পরিবেশটারও বোধহয় একটু সংস্কার দরকার, আপনার উপরের কমেন্টগুলো দেখুন, দেখবেন এই ভাবটাই সবাই ফুঁটিয়ে তুলতে চেয়েছেন।

      এই ধরণের জ্ঞান অর্জন কি আমরা অন্য কোথাও বা ব্যক্তিগত ভাবে করতে পারিনা

      আপনার বর্ণিত সেই সুখ-দুঃখ সেয়ার করার বেলায়ও কি একই যুক্তি খাটে না? না খাটেনা কারণ এরা উভয়েই সমষ্টিগত অ্যাক্টিভিইটি।

      একটা কথা না বলে পারছি না- ব্লগে কেউ কেউ শুধু এই ব্যাপার গুলো নিয়েই কথা বলেন, অন্য কোন বিষয়েই যেন আগ্রহ নেই।

      আপনার প্রস্তাব কি? এই ব্যাপারগুলো নিয়ে যারা কথা বলবে অন্যান্য সব বিষয় যেমন রাগ্বি খেলা, ব্যালে ডান্স ইত্যাদিতেও তাদের সমান আগ্রহ থাকা উচিত?

      ভালো থাকবেন।

      জবাব দিন
      • জানাজানির চর্চা করলে যেই ভাইগুলো হারিয়ে যেতে চায়, সেই ভাইগুলোর হারিয়ে যাওয়াটাই বোধহয় উচিত এবং তাদের হারিয়ে যেতে দেওয়াটাই আমাদের কর্তব্য। আপনি আমার দেখা দ্বিতীয় সিসিবি মেম্বার যিনি ঐসব “জানাজানির চর্চা” এর কারণে হারিয়ে যাওয়া ভাইদের জন্য উদ্বিগ্ন হলেন।

        আপনার কথা ভাল লাগলো না।
        অনেক বড় ভাইয়ারা যাদের পদচারণায় সিসিবি মুখর থাকতো, তাঁদের অনুপস্থিতি কোন ভাবেই আমাদের কাম্য নয়।

        আর ওইসব হারিয়ে যাওয়া ভাইদের জন্য উদ্বিগ্ন হওয়া টা কি খুব দোষের কিছু?

        জবাব দিন
        • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)

          তোমার অনুভুতি বুঝতে পারছি। মেম্বাররাই সিসিবির প্রাণ। একটি মেম্বার অংশগ্রহন করা থেকে বিরত থাকলে সেটা অবশ্যই সিসিবির জন্য সুখবর নয়। তবে আমরা যেই দৃশ্যপটের কথা বলছি সেখানে একজন মেম্বার এসেন্সিয়্যলি এই দাবী নিয়ে আসে যে, "আমি সেন্সরশিপ চাই, নতুবা আমি সিসিবি ছেড়ে চলে যাব।" সিসিবি অবশ্যই চাবে না একটি মেম্বার চলে গিয়ে সিসিবিকে দুর্বল করে দিক। সিসিবির এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে যদি একজন মেম্বার নিজের অনৈতিক, অগনতান্ত্রিক দাবী মানতে সিসিবিকে বাধ্য করার চেষ্টা করে সেটাকে আমরা এসেন্সিয়্যলি বলতে পারি ব্ল্যাকমেইল, তাই নয় কি? অর্থাৎ ঐ মেম্বার নিজেই সিসিবির জন্য মাত্র দুটি অপশন খোলা রাখছে, হয় সেন্সর করতে হবে নতুবা আমাকে হারাতে হবে। এমতাবস্থায় সিসিবির কর্তব্য কি হওয়া উচিত সেটা নির্ধারিত হবে সিসিবির মেম্বারদের দ্বা্রাই, তাই নয় কি? সেই মেম্বারদের মতামত আমি এই পোস্টেই শুধু নয় আরও কয়েকটি পোস্টে দেখেছি সেন্সরশিপেরই বিপক্ষে। অর্থাৎ এই কনসেনসাসে আমরা পৌছতে পারি যে, ঐ দুটি অপশনের মধ্যে দ্বিতীয়টিই আমরা বেছে নেব। আমার প্রশ্ন এখন, যেই মেম্বার সিসিবির অন্যান্য মেম্বারদের গনতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ঘোষণা দিয়ে সিসিবি ছেড়ে গেল, সিসিবির আরেকজন মেম্বার হিসেবে ঐ মেম্বারের প্রতি আমি কি কারণে উদ্বিগ্ন হবো? আমি দুঃখিত হতে পারি সিসিবির জন্য যে এর মেম্বার সংখ্যা একটি কমলো। কিন্তু, এটার বিপরীতেও একটি বিশাল সুখকর ব্যাপার রয়েছে, যেটা কিনা- আমরা আমাদের কালেক্টিইভ মাসল ব্যাবহার করে একটি সিদ্ধান্তে পৌছেছি এবং সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছি। আমি মনে করি ভবিষ্যতে সেন্সরশিপ বিষয়ে অন্য কোন ইস্যু উদ্ভব হলে এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে পারবো। এই ঘটনা একটা জিনিষই আমাদের জানিয়েছে যে, সিসিবির অধিকাংশ মেম্বারই সেন্সরশিপের বিরুদ্ধে। আশা করি আমার অবস্থান বুঝে থাকবে।

          জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।