কমোডে বসে লেখা

হাগলে আরামবোধ হয়, যেমন ফরাসী পতাকায়
কিংবা কুরবানীর গরুর জন্য ব্যথিত হৃদয়ের
উহু আহা শুনলে; আরো ভালো লাগে অতিকায়
মস্তকের রঙধনু প্রীতি; অথবা লোমশ ভাতৃদ্বয়ের
রগরগে গল্পে পুলকিত হই। ‘পাদ’ শব্দটি
অশ্লীল বলে মেনে নিয়েছে রাষ্ট্র, যদিও সানি লিওন
কখনো নয়।হঠাৎ জেগে ওঠা যৌন উত্তেজনার মতো স্থায়ী প্রতিটি
বিপ্লব বা আন্দোলন আমাদের, তাই বীর্যস্খলন শেষেই নিওন
আলোর মধ্যেই আরামসে ঘুমিয়ে পড়ি।
এও জানি ইতোমধ্যে ফেসবুক ফিরে আসায়
অনেক দিনের হাগার আরাম বাড়বে ,সরাসরি
কমোডে বসেই মগ্ন হওয়া যাবে গভীর ভালোবাসায়।

১,৭০১ বার দেখা হয়েছে

৫ টি মন্তব্য : “কমোডে বসে লেখা”

    • নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

      কবিতা বহু রকমের হতে পারে।
      এটা পড়ে যে বিবমিষার উদ্রেক হচ্ছে সেটাই উস্কে দেয়া এবং সংক্রমিত করা উদ্দেশ্য ছিল।
      সাম্প্রতিককালের আমেরিকান কবিতা উল্টেপাল্টে এমন অনেক লেখা পেয়েছি। প্রতিবাদে ফেটে পড়ার মতন এবং রুচির সঙ্গে সংঘাত ঘটবার মতন। কিন্তু তাকে অকবিতা বলা মুশকিল।

      জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      প্রথম আলো-র জীবনানন্দ পুরষ্কার পাওয়া এক কবির (নাম মনে নেই) কবিতাগুলোও ছিল এমনই বিবমষা উদ্রেককর।
      এ জাতিয় কবিতাগুলোর তাৎক্ষনিক আবেদন থাকলেও সুদূর প্রসারি ইফেক্ট থাকে না।
      দ্বিতীয়বার পড়তে ইচ্ছা হয় না।
      প্রকাশ্যে আবৃত্তিরও অযোগ্য।

      এতে কবির কোন একটা ক্ষোভ, হতাশা বা দর্শন উঠে আসলেও আমার কাছে কবিতাটাকে শিল্পোত্তির্ন বলে মনে হয় না।
      আর তাই পাঠ শেষে মনের মধ্যে কোন রেশ রাখে না এই জাতীয় কবিতাগুলো।
      বরং দেখি, যা পড়লাম, কত তাড়াতাড়ি তা ভুলতে পারি - সেটাই জরুরী হয়ে দাঁড়ায়.........


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।