১৭ তারিখের ‘জি-টু-জি’ কে সামনে রেখে কিছু চিন্তার খোরাক…!!

গত কিছুদিন ধরে আমি আর ভাইয়া (জুলহাস, জেসিসি, ১৯৮৮-৯৪) সিসিবি এবং এর ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্যাপক চিন্তা-ভাবনা করছি। একে অন্যকে এ ব্যাপারে পোস্ট দেবার জন্য গুঁতিয়ে অবশেষে আমি নিজেই দিয়ে দিলাম। মূলত ১৭ তারিখের গেট-টু-গ্যাদারকে সামনে রেখেই আমাদের এই প্রয়াস। এসব যদি কারো কাছে আকাশ-কুসুম বলে মনে হয় সেক্ষেত্রে ছোট্ট করে ‘স্যরি’ বলে দেব এবং সবকিছু ভুলে যাব, অন্যথায় এ নিয়ে আলোচনা চলতে পারে…

সিসিবিঃ
১। রেড বুক তথা বিভিন্ন নীতিমালার প্রয়োজনীয় (যদি সবাই মনে করে আর কি!) পরিমার্জন এবং পরিবর্ধন। সদস্য হবার এবং কমেন্ট করার ক্ষেত্রে নজরদারীর উপর গুরুত্বারোপ…যেমন সদস্য হবার ক্ষেত্রে রেফারেল সিস্টেম…
২। একটি পরিপূর্ণ ডেটাবেইজ। যেখানে প্রতিটি কলেজের প্রতিটি ইনটেকের সবার অন্তঃত প্রাথমিক তথ্যাদি থাকবে যেমন ফোন/সেল নম্বর, বর্তমান অবস্থান, মেইল/ই-মেইল এড্রেস…ইত্যাদি।
ডেটাবেইজ থেকে শুধু কে কে কবে জয়েন করেছে জানলেই চলবে না, বরং কে কে এখনো জয়েন করে নি- সেটা জানারও অবকাশ থাকতে হবে। আবার ধরুন, কেউ হয়ত জানতে চায় সুইডেন-এ কোন ক্যাডেট আছেন কিনা- সেটা যেন সিসিবি থেকেই জানা সম্ভব হয়। কাজটি সময়সাপেক্ষ এবং কঠিন, তবে অসম্ভব নয়।
৩। একটি ব্যাংক একাউন্ট। এতে করে সিসিবির প্রয়োজনীয় ব্যয়ভার নির্বাহের জন্য একটি নিজস্ব অবলম্বন থাকবে।

একটি সংগঠনঃ
সিসিবির সদস্য সংখ্যা বর্তমানে কম নয়। এখন সময় হয়েছে ভার্চুয়াল জগৎ ছেড়ে রিয়েল জগতে আসার, রিয়েলি কিছু করার…সিসিবিতে প্রায়ই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে, এসব ব্যাপার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পর্যন্ত পৌঁছাবার জন্য সিসিবি যথেষ্ট নয়। আমাদের আরো একটি শক্ত প্লাটফর্ম দরকার। যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা একটি সাইনবোর্ডের নিচে না দাঁড়াবো আমাদের প্লাটফর্ম শক্ত হবে না। এই জন্য এখন প্রয়োজন একটি সংগঠন, আমাদের সংগঠন, দেশের প্রতিটি ক্যাডেটের সংগঠন।

কেনঃ
প্রতিটি কলেজেরই আলাদা আলাদা এক্স-ক্যাডেট এসোসিয়েশন আছে। তারা কম বেশি সবাই মোটামুটি সচল। কিন্তু এদের মধ্যে কোন বলার মতন সমন্বয় নেই। মূলতঃ আমাদের সিসিবি’র আদলে তৈরি সংগঠনটি সব কলেজের এক্স-ক্যাডেট এসোসিয়েশনকে একসূত্রে আনার ব্যবস্থা করবে। দশ কলেজের কন্ঠস্বর এবং স্বপ্ন এক করার দায়িত্ব নেবে এই সংগঠনটি। এতে করে এর গ্রহণযোগ্যতা এবং বক্তব্যের আপেক্ষিক গুরুত্ব অনেক বেড়ে যাবে। দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য আমাদের বিভিন্ন পদক্ষেপগুলো অনেক কার্যকরী হবে।

স্বপ্নঃ
ক্যাডেটদের থাকার জন্য জায়গা হবে, বিশেষ করে যারা সদ্য কলেজ থেকে বের হয়ে কোচিং এর জন্য ঢাকায় আসবে (প্রথমে সব কিছুই হবে ঢাকা কেন্দ্রীক, পরবর্তীতে সারা দেশব্যাপী)। যাদের আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন, তাদেরকে সহায়তা প্রদান সম্ভব হবে। আর্থিক ভাতা, বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে ক্যাডেটদেরকে সৃজনশীল কাজে উৎসাহ প্রদান করা হবে। আমাদের সংগঠনের প্রযোজনায় নাটক হবে, চলচ্চিত্র হবে…আমাদের যারা বিবাহিত তাদের জন্য রেস্ট হাউজ, হোটেল-মোটেল হবে। ক্যাডেট কলেজ দ্বারা পরিচালিত হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ, পত্রিকা, রেডিও চ্যানেল, টিভি চ্যানেল হবে (এমনটিও অসম্ভব নয় যে ইন্টার ক্যাডেট কলেজ মিট গুলো টিভিতে লাইভ আসবে। কল্পনা করুন তো আই সি সি ফুটবল হচ্ছে এবং ধারাবাষ্য দিচ্ছেন জাফরউল্লাহ্‌ শরাফত!!)। পরিবার বা বিভিন্ন ব্যাচের গেট-টু-গ্যাদারের জন্য বিনোদনমূলক পার্ক, কিংবা মিলনায়তন করা হবে। সবচেয়ে বড় কথা যে কোন ক্যাডেটের যে কোন কাজে সহযোগিতা প্রদানের জন্য নিশ্চিন্ত মনে যাবার জায়গা হবে (অর্থাৎ এটি নিশ্চিৎ করতে হবে যে, যে কারো যে কোন বিষয়ে অন্তঃত বেসিক লেভেলে সাহায্য করার জন্য এটি থাকবে)

বাস্তবতাঃ
সবার আগে প্রয়োজন সংগঠনটির স্থায়ী ইনকাম সোর্স। এজন্য আমরা প্রথমে বিশাল একটি ফান্ড তৈরি করব। এটি করা হবে সবার কাছ থেকে কার্যকরী হারে চাঁদা এবং ডোনেশন নিয়ে। কার্যকরী এই অর্থে যে, বিভিন্ন স্তরের ক্যাডেটদের জন্য বিভিন্ন স্কেল হবে (যেমন ছাত্র, অবিবাহিত চাকুরীজীবী, বিবাহিত চাকুরীজীবী, ডিষ্টিংগুইশ্‌ড মেম্বার্‌স ইত্যাদি)। প্রয়োজনীয় ফান্ডিং হলে তা বিভিন্ন ব্যবসায়ে খাটানো হবে। সবকিছু তদারকি করার জন্য প্রয়োজনীয় এবং দক্ষ জনবল থাকবে এবং তারা দক্ষতা অনুযায়ী বেতন পাবে। অর্থাৎ তাদের কাজটি শুধুমাত্র স্বেচ্ছাশ্রম নয় বরং জীবিকার মাধ্যমও হবে। ব্যবসার জন্য একটি মাধ্যম হতে পারে মালটি পার্পাজ শপিং মল কাম রেসিডেন্সিয়াল এরিয়া। এছাড়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য ট্রান্সপোর্টি, ক্যাটারিং, মিউজিক সিষ্টেম ভাড়া ইত্যাদিও ব্যবসার মাধ্যম হতে পারে। আমাদের মধ্যে যেহেতু অনেক পেশার মানুষ আছেন, সেহেতু কন্সালটেন্সিও একটি উজ্জ্বল খাত বলে আমি মনে করি…

মনে রাখবেন এই লেখাটি একটি খসরামাত্র, অর্থাৎ আলোচনা শুরুর একটি অজুহাত। সবার মতমত আশা করছি।

২,৩৫৪ বার দেখা হয়েছে

২৫ টি মন্তব্য : “১৭ তারিখের ‘জি-টু-জি’ কে সামনে রেখে কিছু চিন্তার খোরাক…!!”

  1. রকিব (০১-০৭)
    মূলতঃ আমাদের সিসিবি’র আদলে তৈরি সংগঠনটি সব কলেজের এক্স-ক্যাডেট এসোসিয়েশনকে একসূত্রে আনার ব্যবস্থা করবে। দশ কলেজের কন্ঠস্বর এবং স্বপ্ন এক করার দায়িত্ব নেবে এই সংগঠনটি।

    আশা করবো এগুলো আশা থেকে বাস্তবে রূপ নেবে।

    কল্পনা করুন তো আই সি সি ফুটবল হচ্ছে এবং ধারাবাষ্য দিচ্ছেন জাফরউল্লাহ্‌ শরাফত

    অন্য কাউকে আনা যায় না ! 😛 😛

    মনে রাখবেন এই লেখাটি একটি খসরামাত্র, অর্থাৎ আলোচনা শুরুর একটি অজুহাত। সবার মতমত আশা করছি।

    এইরকম খসড়ার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় তুলে আনার জন্য :salute: :salute: :salute: জুলহাস ভাই এবং জুনায়েদ ভাইকে।

    Ddদূরত্ব অজুহাত মাত্র; সাথে ছিলাম, আছি, থাকবো......


    আমি তবু বলি:
    এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

    জবাব দিন
  2. সদস্য হবার এবং কমেন্ট করার ক্ষেত্রে নজরদারীর উপর গুরুত্বারোপ

    একমত না....... কমেন্ট করাতে অবশ্যই না কারণ সবাই ১৮+ এখানে... সবার বিবেচনাবোধের উপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে.... আর ভুয়া সদস্য অন্য ব্লগ গুলোতে হয় মাইনাস দেয়া / অস্থিতিশীল পরিবেশ ক্রিয়েট করতে..... ক্যাডেট পরিবারে কেউ এরকম নাই.... ভিন্নমতাবলম্বী আছে,থাকবে ও সেটাই কাম্য কিন্তু তাই বলে নজরদারী করা হোক এটা মানতে পারলাম না

    একটি পরিপূর্ণ ডেটাবেইজ। যেখানে প্রতিটি কলেজের প্রতিটি ইনটেকের সবার অন্তঃত প্রাথমিক তথ্যাদি থাকবে যেমন ফোন/সেল নম্বর, বর্তমান অবস্থান, মেইল/ই-মেইল এড্রেস…ইত্যাদি।

    ভাল উদ্যোগ..... তবে এরকম ডাটাবেজ না করে সব কলেজের ডাটাবেজগুলোর সাথে কমিউনিকেট করতে পারে এমন একটা সিস্টেম করলেই ভাল হবে.....ফলে আমরা তাদের বিদ্যমান ডাটাবেজটাই ব্যবহার করতে পারব এবং সহজেই সব কলেজ এই সাইটের সাথে একাত্ম হবে....

    একটি ব্যাংক একাউন্ট। এতে করে সিসিবির প্রয়োজনীয় ব্যয়ভার নির্বাহের জন্য একটি নিজস্ব অবলম্বন থাকবে।

    কমিটি লাগবে এতে....... সানাউল্লাহ ভাইয়া / এডিসন ভাইয়া / শওকত ভাইয়া / ইউসুফ ভাইয়াদের মত সিনিয়রদের যে কেউ দায়িত্ব নিলে হবে...

    জবাব দিন
  3. নাজমুল (০২-০৮)

    ভাই লেখাটকা পড়ে খুব ভালো লাগ্লো :boss:

    ২। একটি পরিপূর্ণ ডেটাবেইজ। যেখানে প্রতিটি কলেজের প্রতিটি ইনটেকের সবার অন্তঃত প্রাথমিক তথ্যাদি থাকবে যেমন ফোন/সেল নম্বর, বর্তমান অবস্থান, মেইল/ই-মেইল এড্রেস…ইত্যাদি।
    ডেটাবেইজ থেকে শুধু কে কে কবে জয়েন করেছে জানলেই চলবে না, বরং কে কে এখনো জয়েন করে নি- সেটা জানারও অবকাশ থাকতে হবে। আবার ধরুন, কেউ হয়ত জানতে চায় সুইডেন-এ কোন ক্যাডেট আছেন কিনা- সেটা যেন সিসিবি থেকেই জানা সম্ভব হয়। কাজটি সময়সাপেক্ষ এবং কঠিন, তবে অসম্ভব নয়

    বাকি স্বপ্নগুলোর সাথে এটা জেন পূরণ হয় :salute:

    জবাব দিন
  4. রায়হান আবীর (৯৯-০৫)

    দারুন পোস্ট।

    একটি পরিপূর্ণ ডেটাবেইজ। যেখানে প্রতিটি কলেজের প্রতিটি ইনটেকের সবার অন্তঃত প্রাথমিক তথ্যাদি থাকবে যেমন ফোন/সেল নম্বর, বর্তমান অবস্থান, মেইল/ই-মেইল এড্রেস…ইত্যাদি।

    + ব্লাড গ্রুপ।

    একটি সংগঠনঃ

    সিসিবিটাই একটি সংগঠন। ভার্চুয়াল এবং এটাকে অবশ্যই রিয়েল করা যেতে পারে। তবে তার আগে সিদ্ধান্ত নিতে হবে এই সংগঠনের নীচে থেকে আমরা আসলেই কি করতে চাই। অনেক এক্স-ক্যাডেট এসোসিয়েশন আছে যাদের একমাত্র কাজ বছরে একটা "নাইট", একটা "ইফিতার পার্টি" আর চার- পাঁচ বছরে একটা রিইউনিয়ন করা। আমি মনে করি এই ধরণের কাজ করার জন্য কোন এসোশিয়েশনের দরকার নেই।

    সিসিবির কার্যাবলি কি হতে পারে সেইটা নিয়ে আপনি কিছুটা আলোচনা করেছেন। তারমধ্যে বেশ কয়েকটা আসলেই সম্ভব। যেমন সদ্য বেরুনো এক্সক্যাডেট যাদের ঢাকায় বাসা নেই তাদের সাহায্য করা। আমি যতদুর জানি ROCA র এই ধরণের একটা প্রকল্প আছে। এছাড়া বৃত্তি প্রদান এবং ক্যাডেটদের সৃজনশীল কাজে আগ্রহী করার জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার আয়োজন করা।

    সিসিবি হোক সব কলজের কথা বলার মাধ্যম। তবে এর সাথে ব্যবসাকে জড়িয়ে ফেলাটা কি আসলেই যুক্তিযুক্ত? মিলনায়তন, পার্ক, হাসপাতাল তৈরি ইত্যাদি বিভিন্ন কার্যক্রমের ব্যাপারে আপনি বলেছেন তবে আমি মনে এইদিকে না যাওয়াটাই ভালো। এইসব কাজের জন্য ক্যাডেট কলেজ ক্লাব আছে। পাক্কা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান।

    এবং সবচেয়ে বড় সমস্যা ফান্ডিং। কারও কাছ থেকে জোর চাঁদা নেওয়ার পক্ষপাতি আমি নই, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে দিতে চান সেক্ষেত্রে আমরা একটা জয়েন্ট একাউন্ট করে সেই টাকা রেখে দিতে পারি যেন পরবর্তীতে সেটা ফ্রুটফুল ওয়েতে কাজে লাগানো যায়।

    ১৭ তারিখ এই নিয়ে আশা করি বিস্তারিত আলোচনা হবে। একটা কমিটিও গঠন করে ফেলা যায়।

    এই আলোচনায় আরোও কিছু যোগ করার ইচ্ছা আছে। পরীক্ষা আছে- দিয়ে আসি।

    জবাব দিন
    • মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)

      কলেজ থেকে নতুন পাসড-আউট ক্যাডেটদের- যাদের বাড়ী ঢাকার বাইরে- ঢাকায় থাকাটা একটা বিরাট সমস্যা।

      আমি যতদুর জানি ROCA র এই ধরণের একটা প্রকল্প আছে।

      রকা'র পক্ষ থেকে আমাদের ১৬ ইনটেক একটা আবাসন প্রকল্প চালিয়েছিলাম ২ বছর। তারপরে আর পারিনি। অভিজ্ঞতা ভালো-মন্দ দুইই আছে। আমি এখনো মনে করি সেই রকম একটা ব্যবস্থা থাকা দরকার। রকা'র সেই প্রকল্পটার মূল দায়িত্বে ছিলো আমাদের যাকারিয়া (সালেক)। সে এখন ইষ্ট-ওয়েষ্ট ইউনি তে আছে, সহকারী লাইব্রেরীয়ান। ওর কাছে বিস্তারিত জানা যেতে পারে।


      There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

      জবাব দিন
  5. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

    সঠিক সময়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবনা।
    ১৭ তারিখ নিশ্চয়ই এ নিয়ে আরো আলোচনা হবে।
    আর এর ফাকে সবাই আরো চিন্তা ভাবনা যোগ করতে থাকি


    সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

    জবাব দিন
  6. সাজিদ (২০০২-২০০৮)
    ক্যাডেটদের থাকার জন্য জায়গা হবে, বিশেষ করে যারা সদ্য কলেজ থেকে বের হয়ে কোচিং এর জন্য ঢাকায় আসবে

    এটা হলে খুব ভাল হয়, আমাদের আনেককেই খুব কস্ট করতে দেখসি.....

    জবাব দিন
  7. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)

    গতকাল নেটের লাইনে খুব ডিস্টার্ব দিছে...তাই আইতে পারি নাই...
    যাই হোক, সবাই চিন্তা ভাবনা করতে থাকুন- সবাই চাইলে ১৭ তারিখে আলোচনা করা যাবে... ;;)


    ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।