অনন্যার চোখ

…ক্রমশ কীটচলনের ফলে আমার মাথার ভিতরে নাগাসাকি ঝরে পড়তে থাকে বলে আমি চোখ মেলে নির্লিপ্ত মনিটরে ফোটন খুঁজি, পিক্সেল ভেঙে ভেঙে দুইশছাপ্পান্ন রং ঢুকে পড়ে ইন্দ্রিয়পথে; সেখানে তাদের ইগলু-ঘরের পাশে রোম রোম পেতে ধূসর জর্নাল পৃষ্ঠা উন্মোচনের গাঢ়বিষাদের আয়নার ওপাশে অনন্যার চোখে ঝিলিক বুলায়। রুঝ মুছে গেলো কিনা বুঝে ওঠার জন্যে অনন্যা একবার তাকিয়েছিল পারদলেপা তলে, সেজন্যেই ফ্রেমের মাঝখানে তার গোলাপি ঠোঁট তিরতিরিয়ে গোপন কথাগুলো বলে ফেলে অকপটে। খানিকপরের বিকশিত চর্চিত লালাভ শরীর আমার মনিটর পেরিয়ে এলে আমি কপাট বন্ধ করে দিই…

—–
[নেটে একটা ছবি দেখলাম। ছবিটা যখন দেখি, মাথায় প্রচণ্ড ব্যথা! এলোমেলো ঘুরতে ঘুরতে দেখে থমকে গেলাম। মেয়েটার চেহারার মধ্যে কিছু একটা ছিল। কোনও অদ্ভুত কিছু একটা। আমি দুতিনবার রিফ্রেশ দিলাম এমনি এমনি, যদি বিভ্রম হয়ে থাকে তাহলে কেটে যাবে এই আশায়। কিন্তু আরো জোরে দুচোখে চেপে বসলো ভ্রান্তি! এই লেখাটা সেই মেয়েটাকে নিয়ে, যার ছবি উপরে।]

৩,২৩০ বার দেখা হয়েছে

৩৯ টি মন্তব্য : “অনন্যার চোখ”

  1. আন্দালিব (৯৬-০২)

    স্যরি আগে ছবিটা আসে নাই। এখন আমার এখানে আসতেছে। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন তো? আমি আগে এখানে ছবি আপলোড করি নাই এজন্যে অনাকাঙ্ক্ষিত বিভ্রাটের জন্যে দুঃখিত!

    জবাব দিন
  2. তাইফুর (৯২-৯৮)

    আন্দালিব, এই মাইয়া যতই সুন্দর হউক,
    তোর এই 'অসহ্য রকম সুন্দর' কবিতাটার (কবিতাই তো) যোগ্য কিনা, ভাবতে হবে।
    তোর লেখা পড়লে নিজেকে www.দরীদ্র.com মনে হয়।


    পথ ভাবে 'আমি দেব', রথ ভাবে 'আমি',
    মূর্তি ভাবে 'আমি দেব', হাসে অন্তর্যামী॥

    জবাব দিন
  3. মুহাম্মদ (৯৯-০৫)

    জুনা ভাইয়ের সাথে একমত। "আপু"-র ব্যাপারটা না 😀
    নিকোল কিডম্যানের ব্যাপারটা। চেহারার সাথে আসলেই মিল আছে।
    কাব্যপ্রতিভা বিকশিত হইবার জইন্য আন্দালিব ভাইয়ের যেন এইরকম আরও অনেক অনেক রমণী দর্শনের সৌভাগ্য হয়, হেই কামুনা করতে আছি।

    জবাব দিন
  4. সাকেব (মকক) (৯৩-৯৯)
    খানিকপরের বিকশিত চর্চিত লালাভ শরীর আমার মনিটর পেরিয়ে এলে আমি কপাট বন্ধ করে দিই…

    তারপরে কি? 😉


    "আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
    আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস"

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।