আমার বন্ধুয়া বিহনে-২

আমার বন্ধুয়া বিহনে-১
আমার রুমমেট শোয়েবের চেহারাটাই এমন, ও জেগে থাকলেও আমরা সন্দেহ করতাম শোয়েব ঘুমিয়ে আছে। করার অনেক কারনও ছিল।
প্রেপ কিম্বা ক্লাস আওয়ারে ফর্মে অনেক হিট ফ্লপ রস হতো। মাঝে মাঝে কেউ খুব হিট কোনো রস করলে আমরা সবাই দম ফাটিয়ে হাসতাম। কেউ চেয়ার থেকে পড়ে গড়াগড়ি খেতো। অতি উৎসাহী এবং সুযোগসন্ধানী কয়েকজন, ওরে মা রে, হাসতে হাসতে মইরা গেলাম রে বলে চামে পাশের জনকে কিল,থাপ্পড় মেরে দিতো। কিন্তু শোয়েব তখনও ডেস্কের উপর কনুই আর দুই গালে দুই হাত রেখে মুচকি মুচকি হাসতো শুধু। ও আছে না নেই এটা টের পাওয়া যেতো না। ফলে আমরা ধরেই নিতাম ও ঘুমাচ্ছে।
*
ফর্মে সব সময় শোয়েব আমার সামনের ডেস্কে বসতো, আর পরীক্ষার হলে পাশে। আমরা দুজন প্রায়ই এক সঙ্গে হেটে হেটে মিল্ক ব্রেকে যেতাম।
সেদিনও যাচ্ছিলাম। পথে দেখা হলো প্রিন্সিপাল সোহরাব আলী তালুকদারের সাথে। তখন সবে মাত্র এসএসসি’র টেস্ট পরীক্ষার রেজাল্ট দিয়েছে। যথারীতি ডাব্বা মেরে আমি অঙ্কে পেয়েছি ৪১ আর শোয়েব ৪২। প্রিন্সিপাল ধরলেন দুই জনকে
-শোয়েব টেস্টের রেজাল্ট দিছে নাকি?
-জি স্যার
-অঙ্কে কতো পাইছো?
-স্যার ফর্টি টু। শোয়েব আস্তে করে বলল।
-গুড, কিপ ইট আপ
-কামরুল কতো পাইছো অঙ্কে?
-স্যার একচল্লিশ
-কি? ২ বছর অঙ্ক করানোর পর এইটা বলতে তোমার লজ্জা লাগলো না? তুমি আর আমার সামনে আসবা না। তোমারে দেখলে আমার লজ্জা লাগে।
-জি স্যার। স্লামালিকুম স্যার।
আমি বুঝতে পারলাম না, ৪২ যদি ‘কিপ ইট আপ’ হয় তাইলে ৪১ কি এতোই খারাপ যে লজ্জা পাইতে হবে। শোয়েবকে জিজ্ঞেস করলাম,
-কাহিনীটা কি? তুই তো মাত্র ১ বেশি পাইছস। তাইলে তোরে ‘কিপ ইট আপ’ আর আমারে ঝাড়ি দিল কেন?
-আমি ইংরেজিতে বলছি ফর্টি টু। আমার মনে হয় স্যার শুনছে এইটি টু। তুই একচল্লিশ বলছিস, একচল্লিশই শুনছে। ৪১ কোনো নাম্বার হইলো, লজ্জা তো লাগবেই।
বলে শোয়েব একটা শয়তানি হাসি দিলো।
*
রুম ক্রিকেট বলে একটা খেলা আমাদের মধ্যে খুব জনপ্রিয় ছিল। মোজা দিয়ে বল আর কাঠের তক্তা দিয়ে ব্যাট বানিয়ে আমরা রুমের মধ্যে ক্রিকেট খেলতাম। শোয়েব ছিল অফ স্পিনার। রুমে জায়গা যেহেতু কম কেউই দৌড়ে এসে রান-আপ নিয়ে নিয়ে বোলিং করতো না। জায়গায় দাঁড়িয়ে হাত ঘুরিয়ে আমরা বোলিং করতাম। কিন্তু শোয়েব বোলিং করার আগে একটু রান-আপ নিতো। লকারের আড়াল থেকে দৌড়ে এসে ও বল ছুড়তো। এই নিয়ে একদিন নাসিরের সাথে লাগলো ঝগড়া। নাসির বলে
-তুই আৎকা লকারের চিপা থেইকা বের হইয়া আসস, তোরে দেখা যায় না। বল খেলতে সমস্যা হয়
-যেখান থেইকাই আসি, বোলিং তো জায়গা থেইকাই করি।
-না তুই দৌড়াইয়া আসতে পারবি না, দাড়াইয়া বোলিং কর
-করুম না, কি করবি তুই?
-কি করুম?
হাতে যেই কাঠের তক্তা ছিল ওইটা নিয়ে নাসির শোয়েবকে মারার জন্য দৌড়ানি দিল। শোয়েব দেখলো কেস খারাপ। জান বাচানো ফরজ। ও বল ফেলে দৌড় দিল। কপাল ভাল নাসিরের চেয়ে শোয়েব ভালো দৌড়াত। নইলে ওইদিন ধরা পরলে শোয়েবের হাড্ডি-গুড্ডি যে একটাও আস্ত থাকতোনা সে বিষয়ে আজো আমাদের কারো সন্দেহ নাই।
*
এরকম মুচকি মুচকি হাসি আর অফ স্পিন বোলিং করতে করতে শোয়েব একদিন ডাইনিং হল প্রিফেক্ট হয়ে গেলো। ও ‘বিসমিল্লাহ’ বললে সবার খাওয়া শূরু হয়, ‘আলহামদুলিল্লা’ বললে সবার খাওয়া শেষ হয়। কিন্তু শোয়েবের নিজের খাওয়া শেষ হয় না। ‘কলেজ আলহামদুলিল্লা হিরাব্বিল আলামিন’ বলে শোয়েব নিজেই আরেক দফা খাওয়া শুরু করতো এবং ডিউটি মাস্টার বের হয়ে যাওয়া পর্যন্ত খেতো। ওর ডাল খাওয়া আমাদের ব্যাচে বিখ্যাত হয়ে গেলো। বেয়ারারা ডাইনিং হল প্রিফেক্টের জন্যে বাটির পর বাটি ডাল সার্ভ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যেতো কিন্তু শোয়েব খেয়ে ক্লান্ত হতো না।

আজো শোয়েবের খাওয়া আমাদের জন্যে এক দারুন বিনোদন। একসঙ্গে ভরপেট খেয়ে আমরা চা খেতে বের হই বাসার পাশের চায়ের দোকানে। শোয়েব গিয়েই কয়েকটা সিঙ্গাড়া, সামুচা আর বিস্কিটের অর্ডার দিয়ে দেয়।
-কিরে তুই না এইমাত্র পেট ভইরা খাইলি আমাদের সাথে?
-আরে অইটা তো লাঞ্চ ছিল। চায়ের সাথে হালকা কিছু খাইতে হবে না !!!
*
একেবারে যাতা রকমের একটা ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিয়ে কলেজ থেকে বের হয়ে আসলাম। মাথায় পাশ করবো কি করবোনা এই টেনশন। কিন্তু তাই বলে সংসদ ভবন আর ফার্মগেটে ‘ডিব্বা’র আড্ডাতো মিস করা যায় না। কোচিং বাদ দিয়ে ধুমধাম ঘুরতে চলে যাই বরিশাল, কক্সবাজার আর ঢাকায় থাকলে মধুমিতায় লাস্ট শো’ তে সিনেমা দেখি প্রতি সপ্তাহে।
এর মধ্যে একদিন রেজাল্ট দিয়ে দিলো। সবাই দল বেধে ফোন করলাম কলেজে রেজাল্ট জানার জন্যে। শোয়েব, আমি, আমরা আরো কয়েকজন ধরে রেখেছিলাম ফেল করে যেতে পারি।
পাশ করেছি এটা শুনেই খুশিতে লাফ দিলাম। শোয়েব সঙ্গে সঙ্গে কোকের বোতল কিনে শ্যাম্পেনের বোতলের মতো ঝাকি দিয়ে সবাইকে খাওয়ালো। আমরা ফার্মগেটের আকাশ বাতাস কাঁপিয়ে বললাম ‘চিয়ার্স !!!’
*
ইউনিভার্সিটি থেকে দুর্দান্ত রেজাল্ট নিয়ে বের হয়ে আমাদের মধ্যে সবার আগে চাকরিতে জয়েন করল শোয়েব। বিদেশি সফটয়ার কোম্পানির প্রোগ্রামার। একটাই সমস্যা, পুরো অফিসে কোনো মেয়ে নাই। সব পুরুষ কলিগ। ওই কোম্পানিতে কখনো কোনো মেয়ে চাকরি করেনি। পুরুষ কলিগরা বসে ওর সাথে গল্প করেন ‘জানেন শোয়েব সাহেব, আমাদের কোম্পানিতে একবার একটা মেয়ে ইন্টারভিউ দিতে এসেছিল… ইস চাকরিটা যে কেন হইল না তার!
কি আর করা ! শোয়েব প্রোগ্রামিংয়েই মনোযোগ দিলো।

*
তারপর কত চন্দ্রভুক অমাবস্যা চলে গেলো। বন্ধুদের কেউ কথা না রেখে একে একে ৫৫ জনের ২৯ জন যখন বিয়ে করে ফেলল তখন আমরা তিন ফাজিল (আমি, জাকারিয়া আর সিদ্দিকী) ভাবলাম এইবার শোয়েবরেও জোর করে একটা বিয়ে দিয়ে দেই। কিন্তু ওতো আবার যাবতীয় বিয়ে-শাদির বিপক্ষে সবচেয়ে সোচ্চার। কি করা যায়?
যথারীতি সিদ্দিকী(এইসব কাজে সে আবার আমাদের ওস্তাদ) মাস্টার প্ল্যান করলো।
-শোন, শোয়েবরে এমনে বললে রাজি হবে না। আমরা কোন রকমে ওরে একবার মেয়ে দেখাইয়া দেই। যদি বুঝি ওর পছন্দ হইছে তাইলে বাকি কথা বার্তা আন্টির (শোয়েবের আম্মা) সাথে কমু। আন্টি রাজি করাইবো।
-কিন্তু মেয়ে কই পামু? আমি প্রশ্ন করি
-আছে আছে। মেয়ে যাকে বলে এক কথায় সুন্দরী। তুই খালি ওরে অফিস থেইকা লাঞ্চ টাইমে বের কইরা অমুক জায়গায় নিয়া আসবি।
-কিন্তু ও যদি টের পাইয়া যায়? আস্তা রাখবো না কিন্তু। জাকারিয়া সন্দেহ প্রকাশ করে
-আরে কইবি একসাথে লাঞ্চ করতে মন চাইসে, ব্যাস। বাকিটা আমি দেখুম। সিদ্দিকী জোর দেয়।

সব ঠিকঠাক। আমি লাঞ্চ টাইমে ফোন দিলাম শোয়েবকে।
-মামা কি করতেছো?
-এই তো আছি আর কি
-চলো একসাথে লাঞ্চ করি
-চল
-আমি অমুক রেস্টুরেন্টে আছি, আইসা পরো
-আইতাছি।
শোয়েব আসলো এবং তার কিছুক্ষন পর ‘এক কথায় সুন্দরী’কে নিয়ে সিদ্দিকী। ভাবখানা এমন যেন ‘এই দিক দিয়েই যাচ্ছিলাম, হঠাৎ তোদের সাথে দেখা হয়ে গেলো’। পরিচয় পর্ব শেষ করে হালকা খাওয়া দাওয়া হলো। সেইসাথে টুকটাক আলাপ। মনে মনে চাচ্ছিলাম শোয়েব যেনো কিছু টের না পায়। কিন্তু সিদ্দিকী যেখানে আছে একটা অঘটন না ঘটলে ক্যামনে কি? বলা নেই কওয়া নেই হঠাৎ শোয়েবের দিকে তাকিয়ে ‘আচ্ছা তোরা দুজন কথা বল, আমি আর কামরুল একটু বাইরে থেকে আসি। চল কামরুল।’ বলে আমাকে নিয়ে হাঁটা দিলো।
ছয় বছর এক ডাইনিং হলের ডাল খেয়ে বড় হয়েছি, সুতরাং শোয়েবেরও ঘটনা বুঝতে সময় লাগলো না। বুঝলাম আজকে কপালে খারাবি আছে।

তার পরের ঘটনা হলো এই……এক কথায় সুন্দরীকে গাড়িতে তুলে দিয়ে শোয়েব আমাদের দুইজনকে দৌড়ানি দিলো। আমি আর সিদ্দিকী মটর সাইকেল নিয়ে ভাগলাম জান বাচানোর জন্যে। পেছন থেকে শোয়েব হুমকি দিলো- ‘আর যদি কোনদিন তোদের দুইটারে আমার অফিসের আশেপাশে দেখি তাইলে তোদের একদিন কি আমার একদিন। শয়তানের বাচ্চা।’
আমি সিদ্দিকীকে বললাম -হালার পুত মটর সাইকেলের স্পিড বাড়া।

পুনশ্চঃ শুনিয়াছি আন্টি (শোয়েবের আম্মা) পাত্রীর সন্ধান করিতেছেন। হয়তো একদিন শোয়েব আন্টির কথা অগ্রাহ্য করিতে পারিবে না। কিন্তু… থাক আর লিখিয়া কাজ কি।

৯,৪৩৫ বার দেখা হয়েছে

১০২ টি মন্তব্য : “আমার বন্ধুয়া বিহনে-২”

  1. সিরাজ (৯৪-০০)
    ‘আর যদি কোনদিন তোদের দুইটারে আমার অফিসের আশেপাশে দেখি তাইলে তোদের একদিন কি আমার একদিন। শয়তানের বাচ্চা।’

    :gulli: :gulli: :gulli: :gulli: :gulli: :gulli:

    শোয়েব ছীল আমাগো শেওড়া পাড়ার মেসের মোরাল.........দোস্ত ওরে তো কখনো গালি দিতে শুনি নায়...।ভাল পোলাডারে কি যে হইল... :bash:

    জবাব দিন
  2. মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

    আমি আগেই বুঝছিলাম শোয়েব ভাই ছুপা রুস্তম।উনারে দেইখা তো বুঝা যায়না ভিতরে ভিতরে উনি এমন আইটেম। কিন্তু ঘটনা হইল,মাইয়া মাইন্ড করেনাই? কিন্তু শোয়েব ভাই এমন পাষাণ তা তো বুঝা যায়না...আহা কথা কইতে দোষ কি ছিল,সুন্দরী মাইয়া দেখলে আমার মত অধমেরও যেইখানে পরাণ ঝাপটা-ঝাপ্টি করে...

    নাহ শোয়েব ভাই,খেলুম না। কামরুল ভাই, ভাবতাছি আপনেরে লইয়া একটা ব্লগ লিখুম... 😀

    জবাব দিন
  3. সায়েদ (১৯৯২-১৯৯৮)
    ‘আর যদি কোনদিন তোদের দুইটারে আমার অফিসের আশেপাশে দেখি তাইলে তোদের একদিন কি আমার একদিন। শয়তানের বাচ্চা।’
    .......হালার পুত মটর সাইকেলের স্পিড বাড়া।

    লাঞ্চে বাটির পর বাটি ডাল সাপ্লাই দিলে কি এই মুসিবত এড়ানো যেত 😀 😀 ???
    দারুন কামরুল দারুন.... 😀 :)) =))


    Life is Mad.

    জবাব দিন
  4. রায়হান আবীর (৯৯-০৫)

    আহ কামরুল ভাই আপনার মধ্যে যে এত রস সেইটা সত্যি সামনে থাকলে বুঝা যায় না। কে কইছে ব্লগে লিখা মজা দেওয়া যায় না। আমি তো দুই দফা হুমড়ি খাইলাম...

    -আমি ইংরেজিতে বলছি ফর্টি টু। আমার মনে হয় স্যার শুনছে এইটি টু। তুই একচল্লিশ বলছিস, একচল্লিশই শুনছে। ৪১ কোনো নাম্বার হইলো, লজ্জা তো লাগবেই।
    আর যদি কোনদিন তোদের দুইটারে আমার অফিসের আশেপাশে দেখি তাইলে তোদের একদিন কি আমার একদিন। শয়তানের বাচ্চা।’

    তয় প্রতি বিষ্যুদবার রাইতে মনে হয় সামনা সামনিও আপনার এইরকম রসবোধ বাইর হয়। 😉

    জবাব দিন
    • তারেক (৯৪ - ০০)

      ত্রিভুজ,
      আপনারে এইখানে দেইখা বড়ই বিরক্ত হইলাম।
      আপনি এইখানে না আসলেই খুশি হই। অন্যকোনখানে গিয়া আপনার কিপিটাপ চালাইতে থাকেন।
      *
      মডারেটর আর ব্লগ এডজুটেন্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করি। এইখানে জামাতী-মনা, স্বাধীনতাবিরোধী কিংবা রাজাকারমনা কাউকে লিখতে দেয়ার ঘোর বিরোধীতা করতেছি। দয়া করে সাবধানতা অবলম্বন করেন।


      www.tareqnurulhasan.com
      www.boidweep.com

      জবাব দিন
  5. টিটো রহমান (৯৪-০০)

    দোস্ত রেটিং করে কম সবাই। যাই হোক .........অসাধারণ ফিনিসিং

    আর শোয়েব ক্যাডেট কলেজে মেয়ে ছাড়া........অফিস করতাছে মেয়ে ছাড়া....এখন জীবন সাথিও মেয়ে ছাড়া করা যায় কিনা দেখ।


    আপনারে আমি খুঁজিয়া বেড়াই

    জবাব দিন
  6. সিরাজ (৯৪-০০)
    শোয়েব যে কেমিস্ট্রি বইয়ের ভিতর ৫০০ টাকা রাইখা ওই বই কেজি দামে ফেরিওয়ালার কাছে বেইচা দিছিল

    :bash: :bash: :bash:

    দোস্ত তুই বিসিসি হইয়া পিসিসির মত পরামর্শ কেমনে দিলি……

    :gulli: :gulli: :gulli: :gulli:

    হাফীজ এতদিন পর ...............
    কেম............আমাদের ভাল সময় ছিল.........ঐ মেসে......।

    জবাব দিন
  7. তারেক (৯৪ - ০০)

    হা হা হা! কামস, তুই দিন দিন জিনিয়াস হইয়া যাইতেছিস। হাসতে হাসতে জান শ্যাষ!
    শোয়েবরে দেইখা কিন্তু কেউ কইতেই পারবো না ও এত ডাইল, আই মিন, ডাল খায়। অতীব ভদ্র পোলা। 😀


    www.tareqnurulhasan.com
    www.boidweep.com

    জবাব দিন
  8. বন্য (৯৯-০৫)
    কারের আড়াল থেকে দৌড়ে এসে ও বল ছুড়তো

    আমরা এইটার নাম দিসিলাম গুপ্তঘাতক বল.. ;;)
    আরেকটা আসে..সর্পরাণী বল..কালনাগিনীর মত দুই হাত তুইলা দাড়ায়া থাকতে হইব..কোন হাতে বল বুঝা যাইব না..হঠাত নাগিনীর মত ছোবল মাইরা বল ছুইড়া দিতে হইব...
    বড়ই বিষাক্ত আছিল বলগুলা.. :((

    জবাব দিন
  9. আহ্সান (৮৮-৯৪)

    কামরুল,
    অসাধারণ লেখা। লেখার প্রধান এবং কেন্দ্রীয় চরিত্র পছন্দ হইছে। তোমার সাবলিল বর্ণনা লেখাতে একটা অন্যরকম মাত্রা যোগ করেছে। সাবাস... :boss:

    কমেন্টগুলা একটা আরেকটার চেয়ে জটিল। তবে মাসরুর কে নিয়া দিন দিন চিন্তায় পইড়া যাইতাছি। কি করা যায় ওরে নিয়া কওতো...।

    জবাব দিন
  10. ইফতেখার (৯৫-০১)

    আর যদি কোনদিন তোদের দুইটারে আমার অফিসের আশেপাশে দেখি তাইলে তোদের একদিন কি আমার একদিন। শয়তানের বাচ্চা।’

    কইয়া দিতে পারি ঊনি এইখানে শয়তানের বাচ্চা বলে নাই, অন্য কিছহু বলসে।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।