হাড়কাঁপানো শীতে/ আমরা পারি ওদের দিকে / হাত বাড়িয়ে দিতে-২

বহু বহু বহুউউউউউ দিন পরে সবাইকে স্বাগতম। এত্তদিন পর এসেই সবার কাছে একটা জিনিস চাইতে আসছি। 😀 সিসিবির ট্র্যাডিশন অনুযায়ী আমরা এবারও একটু মানুষের আশেপাশে যেতে চাচ্ছিলাম। শীত যদিও এখনো পরেনি, তাও গতবারের মত আমরা আর দেরী না করে এখন থেকেই কাজ শুরু করে দিতে চাই। জিতু আপার বাসায় আমরা সবাই এক হচ্ছি জিটুপির জিটুজিতে। এখন আমরা যদি এই জিটুজিকে একটা কন্সট্রাকটিভ জিটুজিতে কনভার্ট করে ফেলতে পারি, তাইলে তো ভালই হয়, কি বলেন?? :-B :gulti:

আমরা যারা যারা এই কার্যক্রমে অংশ নিতে চাই, তারা জিতু আপার বাসায় আমাদের ভালবাসাগুলো (মতান্তরে পড়ুন, টাকাপয়সাগুলো) একসাথে করবো। সুতরাং দুনিয়ার ক্যাডেট, এক হউন। যার কাছে যা আছে তাই নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ুন। তারপর সেগুলো নিয়ে গতবারের মতই শুরু হবে। তবে গতবার যেমন ঢাকা, সাতক্ষীরা ও বান্দরবানে শীতবস্ত্র দেয়া হয়েছিল, এবার আমরা চেষ্টা করবো যেকোন এক জায়গায় মনোনিবেশ করতে।

পুরনো কাপড়ও দেয়া যেতে পারে, তবে এতে ম্যানেজমেন্টের প্রচুর কষ্ট। পুরনো কাপড়গুলো হয়ত আমরা অন্যান্যদের কাছে ট্রান্সফার করে দেব। এগুলো নিজেরা দেয়ার মত অভিজ্ঞ এখনো আমরা হয়ে উঠিনি। আমরা বাচ্চা মানুষ, আমরা তাই প্রেফার করবো আপনারা টাকা দেবেন।

আপনারা যদি কোন ভাবে আমাদের কাছে পাঠাতে পারেন, তাহলে তো আকাশের চাঁদ হাতে পাব…আর যদি নাও পারেন, তাহলে মোবাইলে প্লিজ একটা খালি কল…দৌড়াতে দৌড়াতে চলে যাব।

যোগাযোগ করবেনঃ

রায়হান আবীর ০১৬৭০৪১৪৭৮২
জিহাদ ০১৭১৭২৯৫২০৪

ব্যাংক একাউন্টঃ account name : MD. Zihad Tarafdar
account no: 117.101.171701
Dutch bangla bank
Uttara branch
Dhaka.

যারা দেশের বাইরে থেকে পে-প্যালের মাধ্যমে সাহায্য পাঠাতে ইচ্ছুক তাদের জন্যঃ





১,৮৪২ বার দেখা হয়েছে

২৬ টি মন্তব্য : “হাড়কাঁপানো শীতে/ আমরা পারি ওদের দিকে / হাত বাড়িয়ে দিতে-২”

  1. রকিব (০১-০৭)

    একটা পেই-পাল অ্যাকাউন্টের ব্যবস্থা থাকলে বোধহয় বেশ ভালো হতো। কারণ, আপনার উপরিউক্ত পদ্ধতি কেবল মাত্র ঢাকায় বর্তমানে অবস্থানকারী এবং জি২জির অংশগ্রহণকারীদের পক্ষেও কন্ট্রিবিউট করা সম্ভব হবে।
    ব্যাপারটা একটু দেখবার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি সামিয়া আপু। 🙂


    আমি তবু বলি:
    এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

    জবাব দিন
    • সামিয়া (৯৯-০৫)

      মহামান্য চাওয়ালার অনুরোধের উত্তরঃ :-B
      ডাচ বাংলার একাউন্টটা দিয়ে ঢাকার বাইরের, এমনকি দেশের বাইরের মানুষজনও টাঁকা পাঠাতে পারবে। তাও আমি শিওর হয়ে রিপ্লাই দিচ্ছি।

      অটঃ হারামী কেমন আছিস?

      জবাব দিন
      • রকিব (০১-০৭)

        আপু, গরীবরে মহামান্য কইলেন, হৃদয় বাগিচা হয়ে গেল।
        না ঐটা জানি, কিন্তু পে-প্যাল টাইপ কোন অ্যাকাউন্ট থাকলে সেক্ষেত্রে কেবল এক ক্লিকেই সহজে দেয়া যেত। অনেকেই হয়তো ব্যাঙ্কে গিয়ে কিংবা মানি ট্রান্সফার অ্যাজেন্সীতে গিয়ে টাকা পাঠানোর ঝক্কি চিন্তা করে একটু দমেও যেতে পারেন। এইজন্যই কইছিলাম।
        অটঃ খবর ভালো না। ব্যাক-বেঞ্চারদের খবর পরীক্ষা আসলে কখনোই ভালো থাকে না। 🙁


        আমি তবু বলি:
        এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

        জবাব দিন
  2. রাব্বী (৯২-৯৮)

    খুব ভাল উদ্যোগ, সামিয়া!

    আমার একটা ভাল উইন্টার জ্যাকেট লাগবে। GAP-এ দেখেও রাখছি। আমার পে-পাল একাউন্টটা এখানে এড করে দিতে পারি কিংবা টাকা-পয়সা সব একসাথে হলে আমাকে পাঠাতে পারো। জানায়ো কিন্তু কুনটা ভাল হয়। ঠিকাসে? 😀


    আমার বন্ধুয়া বিহনে

    জবাব দিন
  3. সাবিহা জিতু (১৯৯৩-১৯৯৯)

    শীত বস্ত্র দান করাটাকে ডিসকারেজ করার জন্য জিহাদ, আবীর আর সামিয়াকে পারসোনালি অনুরোধ করছি। কারণ দেখা যায় এই শীতবস্ত্রগুলো ওরা নিয়ে বিক্রী করে দেয়। এভাবে শীতভস্ত্র বা কোরবানীর মাংস বেঁচে দেয়ার মধ্যে আমি খারাপ কিছু দেখি না, কারণ তারা এটা করছে টাকার জন্য। টাকাই ওদের কাছে বেশী প্রয়োজন। শীত নিবারণের জন্য কোন না কোণ ভাবে ওরা কিছু না কিছু ম্যানেজ করে নিতে পারে, কিন্তু একেবারে বেসিক যেই জিনিসটা, দিনে দু'বেলা পেটে কিছু চালান দেবার জন্য চাল, ডাল, তেল, চিনি এগুলো কিনতে তো টাকাটা ওদের অনেক বেশী দরকার।


    You cannot hangout with negative people and expect a positive life.

    জবাব দিন
    • রায়হান আবীর (৯৯-০৫)

      আপু আপনি ক্রুসিয়াল একটা প্রসংগ তুললেন। ধন্যবাদ।

      আমাদের দেশের বাড়ি চর এলাকায়। সেখানে এক লোক কয়েকদিন আগে আড়াইশ রিকশা দিয়েছেন মানুষকে। সাবলম্বী করানোর আশায়। দুই মাসের মধ্যে প্রত্যেকে রিকশা বেঁচে দিয়েছে। সহজেই বোঝা যায় আমাদের শীতবস্ত্র (কম্বল) এর কি দশা হবে।

      কিন্তু গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে বুঝতে পারি, কিছু কিছু জায়গা আছে যেখানে প্রচণ্ড শীত পড়ে। কিন্তু একটা সামান্য চাদর থাকেনা সেটা সহ্য করার জন্য। এইক্ষেত্রগুলোতে কম্বল দিলে কেউ বেঁচে দেবার কথা চিন্তাও করবেনা, কারণ পেট বাচানোর মতো কম্বল তখন তাদের জীবন বাঁচাবে।

      গতবার আমরা সাতক্ষীরার আশাশনি উপজেলায় গিয়েছিলাম। আইলা দূর্গত এলাকা। আর গিয়েছিলাম বান্দরবনের বেশ ভেতরে এক জায়গায় (নামটা ভুলে গেছি 😐 )। সেখানকার লোকজনের অবস্থা দেখার পর কম্বর বিতরণকে ডিসকারেজ করতে পারছিনা।

      তারপরও প্রশ্ন উঠে, আরও বেটার কিছু করা যায় কিনা। গতবার রেশাদ ভাই বলেছিলেন, একশজনকে না দিয়ে একজনকে বেশি করে দিতে, যেন সে নিজে সাবলম্বী হয়ে উঠতে পারে, তাকে আর কোনোদিন হাত পাততে না হয়। এটা ভালো আইডিয়া, কিন্তু সেক্ষেত্রেও সে যে সব টাকা পয়সা উড়ায় দিবেনা সেটা হলফ করে বলা যায় না। আমরা যেহেতু আলটিমেটলি টাকার একটা ভালো ব্যবহার চাই, তাই এবারও কম্বল দেবার জন্য মনস্থির করেছি। তবে স্যাম রেশাদ ভাইয়েরটা পরীক্ষা করে দেখবে- একজনকে বেশ কিছু টাকা দিয়ে। যদি এ সিস্টেম কাজ করে এবং আমরা মনিটর করার জন্য উপযুক্ত সময় দিতে পারি, তাহলে নেক্সটবার থেকে এমনটাই করা যাবে।

      অনেকেই অনেকভাবে বিষয়টাকে দেখতে পারে। আমাদের হাতে একশ টাকা পৌঁছালেও আমরা সেটা জায়গা মতো দিয়ে দিবো, এক হাজারটাকা পৌঁছালেও।

      জবাব দিন
    • রাব্বী (৯২-৯৮)

      আমি অন্তত এতটুকু নিশ্চিত করে বলতে পারি। আমাকে কেউ শীতবস্ত্র এবং কোরবানীর মাংস দিলে কোনদিন বেঁচে দেইনি। আবার, এটাও ঠিক নগদ টাকা দিলে অনেক খুশী হয়েছি 🙂


      আমার বন্ধুয়া বিহনে

      জবাব দিন
  4. রাব্বী (৯২-৯৮)

    আমার প্রস্তাব, শীতকে সামনে রেখে এই উদ্যোগ তাই শীতে কাজে লাগে এমন কিছুই করা বা দেয়া, তাহলে যারা কাজগুলো স্বশরীরে করবে তাদের কাজের স্কোপকে সাধ্যের ভিতরে রাখতে সুবিধাজনক হবে। যদি সম্ভব হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামে কিছু করা হোক। কারণ, এই জায়গাটায় মনযোগ কম দেওয়া হয়।


    আমার বন্ধুয়া বিহনে

    জবাব দিন
  5. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    সবাইকে অনেক ধন্যবাদ এমন উষ্ণতার জন্যে।

    অট: সামিয়া শীতনিদ্রা ভেঙে এবার ওই যে একটা ভ্রমণপর্ব শুরু করেছিলে ওটা শেষ করো। পাবলিক কিন্তু ক্ষেপে আছে।

    জবাব দিন
  6. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    এইবারের জন্য আমি সামিয়ার "শীতবস্ত্র বিতরণ" প্রকল্পের পক্ষে আছি। তবে আগামীতে আর না।

    জিতুসহ আরো অনেকের মতো আমারও ভাবনা, চলো আমরা একটা স্থায়ী কিছু করি। একটা গ্রাম, একটা চর বা একটা পাড়া, কয়েকটা পরিবার- অথবা ৫/১০জন শিশু বাছাই আমরা করতেই পারি। তাদের স্বাবলম্বী করার জন্য অথবা তাদের জীবনমান বদলে দেওয়ার জন্য যৌথ একটা স্থায়ী প্রকল্প আমরা নিতে পারি। অথবা একটা অগ্রবর্তী দল পাঠিয়ে তাদের চাহিদা জেনে প্রয়োজন মতো হয়তো স্কুল বা ক্লিনিক বা বিদ্যুৎ বা বিশুদ্ধ পানি বা অন্য কিছুর ব্যবস্থা করতে পারি।

    আমি অবশ্য শিশুদের পক্ষে। ৫ বা ১০ জন শিশুর উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত পড়াশুনার সব দায়িত্ব আমরা নিতে পারি।

    এইরকম একটা উদ্যোগের জন্য আমরা সিসিবির ব্লগাররা নিজেরা, নিজেদের পরিচিত জন, বন্ধু, শুভাকাঙ্খীদের কাছ থেকে মাসিক বা বার্ষিক ভিত্তিতে চাঁদা দিয়ে একটা স্থায়ী তহবিল তৈরি করতে পারি।

    এসবই প্রাথমিক চিন্তা। সবার সাড়া পেলে আরো ভাবনা-চিন্তা করে আমরা ঠিকই একটা কিছু করে ফেলতে পারবো।


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন
  7. আয়েশা ( মগকক) আয়েশা

    dhonnobad Lablu bhai emon ekti shundor prostab rakhar jonno. Amar husband, Mahmud or elakay oniyomitovabe kichu shahajjo ebong britti prodan kore ashche gramer school-e. kichu bachchake medha ebong financial need er vittite shahajjo kora hoy. Ami ekti ottonto medhabi bachchar porashunar jabotiyo khoroch babod botshore ontoto $100.00 ( khub shamanno 🙁 )pathate pari, jodi apnara ei project haatey nen. Tobey shobai jodi ektu ektu kore egiye ashi, tahole hoyto amader shamanno obodan-o koyekti jibonke poriborton korte pare.
    ektu besto achi bole banglai type korte parlamna, dukkhito.

    জবাব দিন
  8. আব্দুল্লাহ্‌ আল ইমরান (৯৩-৯৯)

    কাল অনেককিছুই হওয়ার কথা ছিল।আমার এই ব্যাপারটা বের হয়ে আসার পর মনে হয়েছে।বুঝলামনা সবাই খাওয়ার নেশায় সব কিছু ভুইলা গেছে(এমনকি ছবি তোলার কথাও x-( )
    খাবারে কি ঐ ধরনের কিছু ছিল নাকি :shy:

    জবাব দিন
  9. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    এই পোস্টে আমি উপরের মন্তব্যটি করার পর সামিয়া আমাকে একটি চিঠি লিখে। কথা ছিল জিতুর বাসার জিটুজিতে সবার সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা হবে। কিন্তু আমাদের ক্যাডেটরা গতকাল যা দেখালো না! মক্কার লোক বাসা বদল করেছেন বলে এলেন দেরিতে। আরেক ক্যাডেটকে ফোন করে কাপড়-চোপর পড়িয়ে যখন জিটুজিতে আনা হলো তখন বাকিরা বিদায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সবার আগে ওখানে গিয়েছিল আন্দালিব। তারপর আমরা ৫জন, প্রায় একইসঙ্গে জাস্ট ফ্রেন্ডসহ ঠোলা।

    জিতুর বাসা থেকে যখন একরকম দৌঁড়ে বের হতে হয়েছে আমাকে। অফিসে অতিথি আসবেন তাকে কিছুটা সময় দিতে হবে বলে। সামিয়া এর মধ্যে প্রসঙ্গটা তুলেছিল। আমি ওকে আলোচনা শুরু করতে বলেছিলাম। সম্ভবত সিনিয়ররা সব চলে যাওয়ায় ও আর বিষয়টা সেখানে তুলেনি।

    আমি তাই আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার স্বার্থে আমাকে লেখা সামিয়ার চিঠিটা প্রকাশ করে দিচ্ছি। ওর কাছ থেকে অবশ্য অনুমতি নেওয়া হয়নি। আশা করি ও কিছু মনে করবে না। আমরা চাই সবাই খোলামেলা আলোচনা করবেন। আমাদের পক্ষে সম্ভব এমন প্রস্তাব দেবেন এবং কোনো অঙ্গীকার করলে সেটা অবশ্যই রক্ষা করবেন।

    লাবলু ভাই,

    এবার প্রথমেই "শীতবস্ত্র বিতরণ” প্রকল্পের বাইরে কিছু করার প্রস্তাবটা তোলা হয়েছিল। তবে গ্রুপের কেউ কেউ বললো, আমরা এখনো অনভিজ্ঞ, তাই এখনই এ কাজে হাত দেয়া উচিৎ হবে না। কথাটা সত্য, তাই আর না করা হয়নি। তবে আমি ঠিক করেছিলাম, আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো একজন মানুষকে কিছু টাকা দিয়ে পৃষ্ঠপোষকতার চেষ্টা করে দেখব। বাকিরা আমার কথায় রাজি হয়েছিল। যদি এটা কাজ করে, তবে আগামী বছর থেকে আমরা এরকম স্থায়ী একটা সমাধানের দিকে যাব।

    তবে সবাই যদি সায় দেয়, তাহলে বোধহয় কাজটা এবছরই হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আমাদের ভাবতে হবে আমরা কি কি করতে পারি।

    রেশাদ ভাই গতবার বলেছিলেন যে, কোনো এক বা দুইজন মানুষকে কিছু টাকা দিয়ে একটা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেয়া, যে সে সময়ের পর তাকে সেই টাকাটা ফেরৎ দিতে হবে। তাহলে মানুষ নিজেকে ভিক্ষুক ভাবতে পারে না, কিংবা দানের টাকা ভেবে যথেচ্ছা উড়িয়ে দিতে পারে না। আমি এবার ভাবছিলাম আমাদের হলের এক খালার ছেলেকে এভাবে সাহায্য করা যায় কিনা।

    আবার অন্য একটা চিন্তাও মাথায় আসলো।

    আমি যে অফিসে ইন্টার্ন করেছিলাম, সে অফিসের স্যার (আর্কিটেক্ট সাইফুল হক) দোহারে 'বিলাসপুর' নামের একটা চরের ওপর একটা রিসার্চ প্রজেক্ট চালাচ্ছেন। আমরা যদিও এখনও রিসার্চ লেভেলে আছি, ওনার অবজেক্টিভ হলো, চরের মানুষের জীবনযাত্রা উন্নয়নে কিছু একটা করা। সেই 'কিছু একটা' নিয়ে আমরা মোটামোটি দুই বছর ধরে সার্ভে করেই যাচ্ছি, তাও সেই সার্ভে আর শেষ হয় না। মূল কারণ টাকা নাই, তার ওপর স্যার একটু ধীরে ধীরে কাজ করেন। আমরা অনেক ঠেলা ধাক্কা দিয়ে কাজটাকে আগায় এনেছি, স্যার ঠিক করেছেন এই ডিসেম্বরে উনি ডিজাইনের কাজে হাত দেবেন। প্রথম দিকে ঠিক করা হয়েছিল ওদের ভাঙ্গাচোরা স্কুলটা নতুন করে করা হবে, তবে তারপর দেখা গেল ওদের ডিসপেন্সারিও নেই, সেটাও দরকার।

    আমরা যদি ফান্ডিং এর ব্যবস্থা করি, তাহলে স্যার হয়ত ডিজাইন করে দিলেন। এর পরে আমরা ওখানে একটা ছোট খাট সমবায় সমিতি খুলে সেটা থেকে যা আয় হবে তা দিয়েই সেই স্কুলের খরচ চালাতে পারব। হয়ত এক কি দুজন বাচ্চার পড়াশুনার খরচও আমরা বহন করতে পারি। আবীর যে স্যারের আন্ডারে কাজ করে, ওনার সাথে যোগাযোগ করে এই চরে বিশুদ্ধ পানি আর অন্যান্য কিছু সুবিধার ব্যবস্থাও করা যায়।

    আপনি যদি বলেন, তাহলে স্যারকে আমি প্রস্তাবটা দিতে পারি। জিতু আপার বাসায় আমরা আলোচনা করে দেখি। এটাতে একটা সুবিধা হলো, ঢাকার খুব কাছে, দিনে গিয়ে দিনেই ফেরা যায় বলে মনিটরিং এও অসুবিধা হবেনা।

    একটাই সমস্যা, কাজটা আমরা চালায় যেতে পারব কিনা। সেইক্ষেত্রে উপর থেকে আপনারা আমাদের ঠেলা ধাক্কা দেবেন, আমরা কামলা খাটব। তবে আমার সম্পূর্ণ ডিভোশন আছে।

    সামিয়া।

    (সম্পাদিত)


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।