“এদেশে কনসেনচুয়াল সেক্স বনাম রেইপ” এর প্রেক্ষিতে আমার মতামত

শুরুতেই বলে নেই, এই লিখাটি পারভেজ ভাইয়ের এদেশে কনসেনচুয়াল সেক্স বনাম রেইপ এর উত্তর লিখতে গিয়ে লিখা। মন্তব্যের ঘরে শুরু করেছিলাম পরে চিন্তা করলাম মন্তব্য হিসেবে বড় হয়ে যেতে পারে। মূল কথায় আসি।

লিখাটা কিভাবে শুরু করবো সে নিয়ে বেশখানিকটা চিন্তা করলাম। বেশ কয়েকবার মূল লিখাটি পড়ে সিদ্ধান্ত নিলাম শেষ দিয়ে শুরু করি কারণ আমি নিশ্চিত নই আপনি সম্পূর্ণ চিত্রটি দেখতে পাচ্ছেন কিনা। প্রথমত, দন্ডবিধির অধীনে ধর্ষণ ও বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক এই দুই ধরণের অপরাধের সংজ্ঞা, ব্যাখ্যা, ও সাজা ভিন্ন। ধর্যণ ও ইত্যাদি বিষয়ে অপরাধ ও তার সাজা বলা হয়েছে ধারা ৩৭৫ ও ৩৭৬ এ। অপরদিকে ধারা ৪৯৩ থেকে ৪৯৮ পর্যন্ত মোট ছয়টি অপরাধের কথা বলা হয়েছে যেগুলোর যেকোন একটিতে আপনার কেইস স্টাডি ২ পড়ে যাবেই। চোখ বোলাতে এখানে চলে যেতে পারেন। চোখ ছানাবড়া হবার মত অনেক আইনই এখনো চলমান বাঙলাদেশে। আপনার ছোটখাট জিজ্ঞাসার অনেকগুলোর উত্তরই ৪৯৩ থেকে ৪৯৮-এর গলিতে পেয়ে যাবেন। তবে যেটা জানানো জরুরী মনে করছি সেটা হলো, আজ হতে প্রায় ১৫ বছর আগে বাঙলাদেশে যৌন হয়রানি ও অপরাধ প্রেক্ষাপটে বড় ধরনের একটি আইনী পরিবর্তন হয়েছিল (বা নতুন আইনের সূচনা হয়েছিল)। আইনটির নাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এবং এখন সম্ভবত কিছুটা বুঝতে পারার কথা বাঙলাদেশ দন্ডবিধির ধারা ৩৭৫ কেন এত পিছেই পড়ে আছে। সীমিত ব্যবহার। তবে ৪৯৩-৪৯৮ গলিতে এখনো প্রচুর ঢুঁ মারা হয়।

মন্দের ভালো কিংবা হয়রানির অস্ত্র ইত্যাদি নানান দুর্নামে খচিত এই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনটি হিসেবে খুবই স্পর্শকাতর। হয়রানি থেকে উপযুক্ত বিচার যেকোন কিছুই এই আইন দিয়ে করা যায়। কারণগুলো নিন্মরূপঃ

ক) এই আইনের অধীন অপরাধ জামিনের অযোগ্য বা ইংরেজীতে যাকে বলে non-bailable offence.
খ) আইনে উল্লেখিত ৯০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করার কথা থাকলেও সময় বেশখানিকটা বেশী লেগে যায়। এতে (ক)-তে বর্ণিত কারণ হয়রানির কারণ হিসেবে রূপ নেয়। (এই আইনকে হয়রানিমূলক আইন হিসেবে ব্যবহার করার আমার পেশাগত অভিজ্ঞতা রয়েছে।)
গ) আইনটির বিভিন্ন ধারা ও অপরাধের সংজ্ঞা মূল ধারার দন্ডবিধির অনুসারেই প্রস্তুত করা হয়েছে কিন্তু জুরিসপ্রুডেন্সের হিসেবে ১৪ বছরের জুডিসিয়াল প্রিসিডেন্স (judicial precedence) বা উচ্চতর আদালতের আইনের ব্যাখ্যা এখনো পূর্ণাঙ্গ রূপ ধারণ করে নাই।

২০০৮ সালের একটি গবেষণায় সহায়তা করার সময় জানতে পেরেছিলাম, উচ্চতর আদালতে দায়ের করা মামলার সিংহভাগই ছিল মামলা খারিজের। মূল কারণগুলো ছিল হয়রানিমূলক মামলা, তদন্তের অপূর্ণতা, মামলা প্রস্তুতিতে সার্বিক অবহেলা তথা মামলা দুর্বল করে ফেলা। নূন্যতম দুই বছর থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর জেল খাটার পর বেকসুর খালাস পাওয়া মামলার সংখ্যা ছিল আশংকাজনক পর্যায়ের বেশী। তবে বিগত ছয় বছরে এই অবস্থার কতটুকু উন্নতি বা অবনতি হয়েছে এই বিষয়ে আমি অবগত নই। তবে এই আইনটি নিয়ে ভাল কিছু গবেষণা আপনি আইন ও সালীশ কেন্দ্র (আসক) বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বা একক আইন গবেষকের কাছে পাবেন। যদি সংগ্রহ করতে পারেন, পড়ে দেখলে একটি পরিস্কার চিত্র মাথায় উঠে আসবে। এবার আরো একটু প্রাসঙ্গিক কথায় আসি। ২০০০ সালের এই আইনটিতে ধর্ষণসহ অন্যান্য অপরাধ আলাদাভাবে সংজ্ঞায়িত করার পরে দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারাটি ধীরে ধীরে অচল মূদ্রা হয়ে পড়ে। নরসিংদী জজকোর্টে দেখেছি ভুলক্রমেই হোক আর ইচ্ছাকৃতই হোক ৩৭৫ ধারায় দায়ের করা মামলাকে জজ সাহেব বদলি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে পাঠিয়ে দিয়েছেন। প্রশ্ন উঠতে পারে কেন নতুন একটি আইন? কেন সংশোধন নয়? এই প্রশ্নটি সীমিত জ্ঞানের কারণে এড়িয়ে যাচ্ছি। তবে প্রশ্নটি যদি হয়, ধারা ৩৭৫ এর চাইতে নতুন আইনের নতুন ধারাটি কতটুকু কার্যকর ও বাস্তবসম্মত? তবে কিছু কথা বলার থেকে যায়।

সেটা শুরু করার আগে নতুন আইনের অধীন ধর্ষণের সংজ্ঞাটি জেনে নেয়া উত্তম। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ধারা ৯ উপধারা (১) অনুসারেঃ

যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷

ব্যাখ্যা- যদি কোন পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ১[ষোল বত্সরের] অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ২[ষোল বত্সরের] কম বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারীকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন৷

ওয়ান সাইজ ফিটস অল, কিংবা স্বামী-তুমি-কার? এই দ্বিধার অবসান ঘটিয়ে সহজ সমাধান দিতে নিয়ে আসা হয়েছে, “…প্রতারণামূলকভাবে তাহার [নারীর] সম্মতি আদায় করিয়া…তাহা হইলে তিনি উক্ত নারীকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন৷” প্রশ্ন করতে পারেন প্রতারণা ধরা পড়বে কিভাবে? উত্তরটা মোটামুটি সহজ ও নির্মম। ফৌজদারী দন্ডবিধির পাশাপাশি রয়েছে ফৌজদারী কার্যবিধি। সেই কার্যবিধিতে বলা রয়েছে অভিযুক্ত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ আবেদন করতে পারবে। সহজ কথায়, রিমান্ডে নিয়ে একটু ঘষে মেজে দিলেই কাককে দিয়ে কবিতা আবৃত্তিও সম্ভব। এছাড়া সাক্ষ্য গ্রহণ, ডাক্তারি রিপোর্ট, ভিক্টিমের জবানবন্দী ইত্যাদি আছেই আছেই। তবে মনে রাখতে হবে এখানে অপরাধ নিয়ে কথা হচ্ছে। অর্থাৎ সকল বিবেচনায় সন্দেহের উর্ধ্বে দোষী প্রমাণিত হতে হবে। সবকিছু মিলিয়ে সব মিলিয়ে আদর্শ অবস্থায় বেশ পাকাপোক্ত ব্যবস্থা।

সমস্যা হলো এর প্রচুর অপপ্রয়োগ করা হয়ে থাকে বাঙলাদেশে। আমি মানুষকে “নারী-শিশুর মামলা করে জেলের ভাত খাওয়ানোর” হুমকি দিতে দেখেছি। কর্মজীবনে অনুরোধের ঢেঁকি গিলতে গিয়ে ব্যক্তিগত অপপ্রয়োগের অভিজ্ঞতা পর্যন্ত আছে। এছাড়া ভিক্টিমকে পুলিশের হয়রানি, বিপক্ষের আইনজীবির জেরার নামে লাঞ্ছনা, সামাজিক বঞ্চনা ইত্যাদি মিলিয়ে গবেষক ও সমাজকর্মীরা ধারণা করে থাকেন বাঙলাদেশে প্রতি বছর বড় অংকের ধর্ষণ কিংবা যৌন হয়রানির ঘটনা থানা-পুলিশ কিংবা আদালত পর্যন্ত গড়ায় না। তবে সার্বিকভাবে আমার মনে হয়েছে এই ধরনের ত্রুটিপূর্ণ আইনের ড্যামেজ কন্ট্রোল-ধর্মী প্রয়োগে একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান বিচারক মন্দের ভাল ত্রাণকর্তা হিসেবে কাজ করেন। এখানে একটি বিষয় বলে রাখা উত্তম যে বাঙলাদেশে নারী-পুরুষ সম্পর্কিত যেসব কর্মকান্ডকে আইনে অপরাধ বলা হয়েছে তার একটি কিংবা দুইটি ব্যতিক্রম বাদে বাকি সবগুলোই একমূখি বা uni-directional এবং অর্থাৎ আইনগুলো পুরুষের হাত থেকে নারীকে রক্ষার জন্য তৈরী করা। অর্থাৎ একই পরিস্থিতির শিকার হয়ে একজন পুরুষের প্রতিকার চাইবার কোন উপায় আমাদের নেই। এদিকে চুক্তি আইনে প্রতিকার চাইবার বিষয়টি চায়ের টেবিলে আলোচনার বিষয় হতে পারে কিন্তু দৈনন্দিন কোর্টকাচারীতে সম্ভব নয়। কর্মকান্ডে অপরাধের গন্ধ না পাওয়া গেলে সেটা চলে যাবে পারিবারিক আইনগুলোর একটিতে।

কথা শেষ করি। পারস্পারিক সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক নিয়ে বাঙলাদেশের আইনে আপাতদৃষ্টিতে কোন বাঁধা নেই। কিন্তু এখনো এটাকে সামাজিক ট্যাবু হিসেবেই দেখা হয় এবং অদূর ভবিষ্যত পর্যন্ত হতে থাকবে। কিন্তু সেটা অপরাধের সংজ্ঞার আওতায় তখনই পড়বে যখনই সেই সম্মতি আদায়ে নূন্যতম হলেও প্রতারণার আশ্রয় নেয়া হবে। সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধর্ষনের সংজ্ঞার বিভিন্ন পর্যায়ের উন্নতি হয়েছে। এই কথাটি এই জন্য বললাম কারণ ধর্ষন সংঘটিত হবার জন্য একাধিক ঘটনার দরকার নেই। পারস্পারিক সম্মতিতে সহবাসের এক পর্যায়ের যেকোন একটি দৈহিক মিলনে অসম্মতি থাকলে সেটা ধর্ষণ এবং তা বিচারের আওতাভুক্ত। এই অবস্থা থেকে পরিবর্তন আনাটা বাঙলাদেশের প্রেক্ষাপটে কষ্টসাধ্য হবার কথা। কারণ, “It takes more to get a ship to change course.”

৫ টি মন্তব্য : ““এদেশে কনসেনচুয়াল সেক্স বনাম রেইপ” এর প্রেক্ষিতে আমার মতামত”

  1. পারভেজ (৭৮-৮৪)

    লিখাটি যথাসময়েই পড়েছিলাম কিন্তু সেল ফোনে ছিলাম বলে মন্তব্য করতে পারি নাই।
    নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে এই কেইসগুলা বিচারের কারন খুবই সিম্পল। আইনটি অনেক পরের ও কঠিন সব ধারা যুক্ত। তাই এটাতে অভিযুক্তকে ছাই দিয়ে ধরার সুযোগ অনেক বেশী।
    বিডিআর-এ থাকার সময় দেখেছিলাম, অপরাধ বিচারের জন্য তাঁদের দুইটা আইন আছে ১) ১৯১১-র একটি আইন ২) স্পেশাল এক্ট।
    তারা যাকে কঠিন ভাবে ধরতে চাইতেন, তার জন্য স্পেশাল এক্ট প্রয়োগ করা হতো। আর কাউকে লিনিয়েন্টলি ডিল করতে চাইলে ও ঘটনা দীর্ঘ্যদিন ঝুলিয়ে রাখার জন্য ১৯১১-র আইন ব্যবহৃত হতো।
    আরেকবার কক্সবাজারে বিদ্যুত বিল আদায়ে সরকারি অফিসের এক মিটিং-এ গিয়ে দেখেছিলাম দড়ি টানাটানি।
    পিডিবি পৌরসভার সংযোগ কেটে দিল কারন তারা কোটি কোটি টাকার বিল দেয় না।
    পৌরসভা বিদ্যুতের কিছু খুটি উপড়ে ফেললো কারন পৌর আইনে খুটি পোতার জন্য পৌরসভাকে ভাড়া দেয়ার কথা। পিডিবি সেই ভাড়া দেয় না।
    মধ্যস্ততা করতে বসে এডিসি জেনারেল পিডিবির বক্তব্য চাইলেন।
    পিডিবির প্রতিনিধি জানালেন লেইট ফিফটিজের (সাল মনে নাই) একটি স্পেশাল এক্ট বলে পাওয়ার ট্রান্সমিশনের জন্য খুটি পোতা টোল এক্সাপমটেড কাজ বলে গন্য হবে।
    সিদ্ধান্ত হলো, যেহেতু স্পেশাল এক্ট সাধারন আইনের উপরে প্রাধান্য পাবে তাই পিডিবিকে ভাড়া দেয়া লাগবে না।


    Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

    জবাব দিন
    • মোকাব্বির (৯৮-০৪)

      মোটামুটি সব দেশের আইনের বংশে কে কার দাদা কে কার নাতনী এই নিয়ে যুদ্ধ চলে। এই নিয়ে বিতর্ক উচ্চতর আদালতেও গড়ায়। আসলে উচ্চতর আদালতের কাজই এটা, যে বলে দেয়া কে কার দাদা। কারণ এই ধরনের স্পেশাল আইনগুলোতে শুরুর দিকেই একটি মজার কথা লিখা থাকে। অনেকটা এরকম, "অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই বলা থাকুক না কেন........."

      এখন হঠাৎ বলার পড়ে আসলে চিন্তা করছি যে "কেন একটি সম্পূর্ণ নতুন আইন, কেন সংশোধন নয়?" এই প্রশ্নের উত্তরটি আসলে খুঁজে বের করা দরকার। অন্তত কিছু বিচারক, জৈষ্ঠ্য আইনজীবির অভিমত পাওয়া গেলে ভাল হতো। এটি কি পলিসি ফেইলিয়রের তালিকায় আরো একটি নাম? আমরা কি আবারো আমাদের হ্রস্ব-দৃষ্টির খেসারত দিচ্ছি নাকি উপকার পাচ্ছি? আমাদের দেশের আইন বিশেষজ্ঞরা কতটুকু কাজ করছেন এই ধরণের বিষয়গুলো নিয়ে জানা দরকার। আইন, বিশেষ করে ফৌজদারী আইনের সাথে যোগাযোগ নেই প্রায় বছর তিনেক। তাই হুট করে কিছু বলারও সাহস পাই না।

      পড়ে মন্তব্য করার জন্য ফেরত আসার জন্য ধন্যবাদ ভাই! আলোচনা বেশী বাড়লো না। কেউ অংশগ্রহণ করলো না অথচ এগুলোতে সবার কিছু না কিছু বলা উচিৎ। জানুক কিংবা না জানুক! 😕


      \\\তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা
      অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিল পিতামাতার লাশের ওপর।\\\

      জবাব দিন
  2. অাপনার লেখা লেখিতে কিছু জানতে পারলাম
    তাই অাপনাকে অনেক ধন্যবাদ !
    –একটা কথা অামার অজ্ঞাত রয়েছে
    তাই জিজ্ঞাস করবো –
    প্রেমিক - প্রেমিকা একে অপরে সেক্স করা
    এটাকে কনসেনচুয়াল সেক্স বলবে নাকি ?
    কোনটা বলবো ?

    জবাব দিন

মওন্তব্য করুন : রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

জবাব দিতে না চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।