কয়েকজন ‘আমি’র জন্য নস্টালজিয়া

আইপিএল ২০০৮……রাজস্থান রয়েলস এর খেলা। খেলা তুমুল জমছিল! আর ফর্মে রাজন Razasthan Royals, Razasthan Royals করতে করতে মুখে ফেনা তুলার মতো অবস্থা। আমরা পরে বিরক্ত হয়ে এই টিম এর নাম দিয়েছিলাম, “RazaNsthan Royals”। ওর পাগলামী দেখে পোলাপান ওরে খেপানোর চান্সটাও মিস করছিল না। খালি টয়লেটে যায়, আর এসে ফ্লপ মারে। “মোবাইলে দেখে আসলাম…রাজস্থান রয়েলস এর ৪০/৬…” এইসব! তারপর সবাই মিলে রাজনরে পচাই। চরম মজা পাচ্ছি।
কিন্তু এর মাঝে হঠাৎ মনে হল, জীবনে তো আরো আইপিএল আসবে…বিশ্বকাপ, ইউরো হবে। কিন্তু এই মজাগুলা তো আর হবে না…দিবসরে কথাটা বলতেই কে জানি বলল, “ধুরু বা*…আতলামি করস কেন?” মুখের উপর ফ্লপ খেয়ে আমি চুপ। আমার বন্ধু আবেগী দিবস ঠিকই আমার আবেগে সাড়া দিয়েছিল…

কলেজে মাঝে মাঝে কথা উঠত, “আমরা ৫৪ জন কি পরে আবার কখনো একসাথে হবো?” মনের জোরে আমরা বলতাম, “হবো ইনশাল্লাহ!” আসলে আমরা বিশ্বাসই করতে পারতাম না যে, আমরা সবাই আর কখনো একসাথে হবো না! অথচ, ৫৪ জনের ব্যাচটা কলেজ থেকে বের হওয়ার দেড় বছরের মাঝে কি বিক্ষিপ্ত ভাবে ছড়িয়ে গেল! ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, কোরিয়া, তুর্কি…আর দেশের মাঝে সিলেট, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চিটাগাং, বগুড়ার এতোগুলা ভার্সিটিতে ছড়িয়ে গিয়েছে। আর্মির গ্রুপটা তো BMA থেকে বাইরে গেলেই আরো আউলা।
কলেজ থেকে বের হয়ে আসছি প্রায় ৮০০ দিন! ২ বছর এরও বেশী। একভাবে দেখলে অনেকদিন। কিন্তু সেই ঘোর এখনো কাটাতে পারলাম কই? এখনো তো সেই দিনগুলোতেই আটকে আছি। প্রতি মাসে অন্তত ২ বার করে কলেজের প্রিয় মুখগুলাকে স্বপ্ন দেখি।

হাউসে মহিউদ্দিনের সময় অসময়ের অপ্রয়োজনীয় গল্পগুলা, রেজওয়ানের হিন্দি গান, হকের প্রতিদিন ১০০ বার অকারণে ধরা খাওয়া, সাব্বিরের ঘুম থেকে উঠেই বেয়ারা বেলাল ভাইকে ঘুম থেকে ডাকার অপরাধে(!) tease করা, পাভেলের অবিরাম ক্লাউন মার্কা জোকস…এইসবে এখনো দিন কাটাই।

রাত বিরাতে ধোঁয়া উড়ানো আর গার্ড দেয়ার মুহুর্তগুলা একদম জীবন্ত দেখতে পাই। আমাদের সাপ্লাই মাষ্টার সালেকীন এসব বিষয় নিজ দায়িত্বে সামাল দিতো। আর সত্যি ব্যাপার হলো, কলেজের বাইরে এসে আর ধোঁয়ার আকর্ষণও তেমন পাই না।
প্রথম যেদিন নীহার ভাইকে জং ধরা কাঁচি দিয়ে ছাদের তালা খুলতে দেখলাম,খুবই আজব লেগেছিল। ছাদের পরিবেশটা অদ্ভুত মায়াময় থাকতো। সিলেটের দারুন সবুজ়ে রাতের তারাগুলা ক্যাডেটদের flavor বদলানোর জন্যই হয়তো এতো তরল আলো দিতো!
“হয় না দেখা রাতের তারা,
হয় না যাওয়া বহুদুর…
হাতের কাছে দূরের যারা,
বাজায় চেনা সুর…”

কাজিনদের কে কলেজের গল্প করতে করতে নিজেই টায়ার্ড। তবু ওরা যেকোন জ়ায়গাতে আড্ডায় নতুন কোন শ্রোতা পেলেই কাঁঠাল গাছের গল্পটা শুনাতে ধরে। কাঠাঁল পাড়ার পর বানরের উপর দোষ চাপানোর জন্য কাগজে

আমি বানর

লিখে গাছের আঁঠায় আটকে দেয়ার কাহিনী বলি। চোখের সামনে দেখতে পাই দিনগুলা। ইকরামের সাথে এক হালি কাঁঠাল চুরির রাতটাও জীবন্ত হয়ে যায়।

ক্লাসমেটদের খাবার চুরি করে খেতে যেই মজা পাইতাম! আমার ক্লাস টেন এর রুমমেট বস(নাম কইলে আমার খবর আছে)রে প্যারেন্টস ডে-তে ২ লিটার সেভেন-আপ আনতে দেখলাম। ভালোই লাগল। মনে মনে ভাবছিলাম, “রুমে মাস্তি কইরা খামু।” ২ দিন পরে গেমসের পর ওরে বললাম, “দোস্ত, 7up টা খাওয়া না…” ও বলে, “নাই। শেষ তো” আমার আর হোসেনের তো খুবই মন খারাপ। ২ দিন ধরে ২ জন প্ল্যান করছি, আমাদেরটা শেষ হলে সমস্যা নাই। বসেরটা আছে না? পরে ও রুম থেকে বাইরে যাওয়ার পর আমরা search (!) করে ওর বেডের নীচে গুপ্তধনটা পেয়ে যাই। পাশের ২ রুমে খবর দিলাম। বস আসার আগেই সবাই মিলে 7up শেষ। আর ওই বোতলে পানি ভরে জায়গার জিনিস জায়গাতে(বেডের নীচে) রেখে দিলাম। বস তো তখন কিছুই বুঝে নাই। পরে রাতের বেলা আমি আর হোসেন বসের উশখুশ দেখে তো আর হাসি চাপাইতেই পারি না। বস তো আমাদের কইসিল 7up নাই, এখন আমাদের কিছু কইতেও পারে না। আহারে বেচারা। ~x(

রাতের প্রেপ-এ আমাদের ফর্মে কারেন্ট যাওয়া মানেই “পার্টি টাইম”। জ়েনারেটার কানেকশান দেওয়ার আগেই মজাটা উসুল করে নিতে না পারলে মনটা খারাপ হয়ে যেতো। আরিফ আবার এই অন্ধকারের সুযোগে যারেই সামনে পেত তারই পশ্চাত দেশে বিশাল জোরে চাপড় মারার চান্স মিসই করতো না। একবার কারেন্ট গিয়েছে, যথারীতি আরিফ was in action. কবির স্যার যে ফর্মের ভিতর, আরিফ মিয়া তো খেয়াল করে নাই। সৌভাগ্যক্রমে কিংবা দুর্ভাগ্যক্রমে কবির স্যারও চাপড়ের শিকার। তাও পশ্চাত দেশে!!! কারেন্ট আসার পর কবির স্যার মিটি মিটি হেসে বাইরে গেল। এর পর অনেকদিন কবির স্যার রাতের প্রেপ-এ আমাদের ফর্মে আসে নাই।

এমন একেকটা কাহিনী নিয়েই যে কোন বেলা আড্ডার আসরে দারুন সময় পার করে দেই। কলেজের যে কোন ফ্রেন্ডরে দেখলেই মনে হয়, অন্তত ২-৩ ঘন্টা সময়ের আর কোন চিন্তা নাই। কলেজের খাকী ড্রেস পরা ছবিগুলা দেখলেই জীবন্ত মনে হয়। একসাথে মিশে থাকা অস্তিত্বগুলোর মাঝে এখনো ডুবে আছি। গত ২ বছরে একটাও সেরকম নতুন ফ্রেন্ড তো বানাতে পারলাম না।

কি ছিলো না সেই জীবনে? ভয়, আনন্দ, রাজ়া হওয়ার সুখ, স্বপ্ন, স্বপ্নভংগ, জয়, পরাজয়, বন্দিত্ব, মুক্তি…সব ছিলো। সব সময় কয়েকজন “আমি”র সাথে মিশে থাকতাম। এখনো সেই “আমি”দের যখন তখন আমার ভেতরেই খুঁজে পাই।

সুযোগ পেলেই কী সব আড্ডা মারতাম। আড্ডার টপিকগুলাও থাকতো সেরকম। স্বপ্নবাজেরা মিলে বাস্তব অবাস্তবে মিশে যেতাম। তীব্র অনিশ্চয়তারও সাধ্য ছিল না স্বপ্নগুলোর গায়ে আঁচড় বসানোর। কত রাত কত দিন কত রুমে আড্ডার আসরে বুঁদ হয়ে থেকেছি…

oh when I look back now,
That summer seemed to last forever…
And if I had the choice
Yeah – I’d always wanna be there
Those were the best days of my life!

৯,৮৫৮ বার দেখা হয়েছে

১২৫ টি মন্তব্য : “কয়েকজন ‘আমি’র জন্য নস্টালজিয়া”

  1. কিবরিয়া (২০০৩-২০০৯)

    😀 😀 😀
    ১ম।


    যেমন রক্তের মধ্যে জন্ম নেয় সোনালি অসুখ-তারপর ফুটে ওঠে ত্বকে মাংসে বীভৎস ক্ষরতা।
    জাতির শরীরে আজ তেম্নি দ্যাখো দুরারোগ্য ব্যাধি - ধর্মান্ধ পিশাচ আর পরকাল ব্যবসায়ি রূপে
    - রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

    জবাব দিন
  2. কিবরিয়া (২০০৩-২০০৯)
    এইটা নস্টালজিয়া না এইটা হবে নস্টালমুজিব

    =)) =)) :khekz: :duel:


    যেমন রক্তের মধ্যে জন্ম নেয় সোনালি অসুখ-তারপর ফুটে ওঠে ত্বকে মাংসে বীভৎস ক্ষরতা।
    জাতির শরীরে আজ তেম্নি দ্যাখো দুরারোগ্য ব্যাধি - ধর্মান্ধ পিশাচ আর পরকাল ব্যবসায়ি রূপে
    - রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

    জবাব দিন
  3. অরপিয়া (২০০২-২০০৮)

    ফার্মগেটে ভিক্ষার মাঝেও যে সময় করে একটা ব্লগ নামাতে পারছিস দেখে আমি খুশি 😀 😀 । এখানে আমি তোর সিনিয়র,সালাম দিবি B-)
    লেখা সিরাম হইসে :clap: :clap: অনেকদিন পর কমেন্ট করলাম তোর পোস্ট দেখে।
    একজন যদিও হয়েছে, সেও শুধু ফ্রেন্ড না
    :)) :)) :))

    জবাব দিন
  4. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    ৮০০ দিন! আমাদের তো ৮০০০ দিন হয়ে এলো, তবু ভুলতে পারলাম কই। এখনো তো ওই মুহূর্তগুলোতে আটকে আছি। আচ্ছন্ন হবার মতো লিখেছো।

    শুধু ফ্রেন্ড না

    -র ব্যাপারটা কি?
    ;))

    জবাব দিন
  5. মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

    সিসিবিতে অনেক অনেক দিন পর কলেজ নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক লেখা আসলো।লেখাটা পড়ে মনে হল আমার নিজেরই কাহিনী।সব ক্যাডেটের কাহিনী আসলে এক।খুবই ভালো লাগলো।বেশি বেশি করে লিখতে থাক...

    কলেজ থেকে বের হবার পর প্রথম প্রথম প্রত্যেকদিনই ঘুমের ঘোরে একটা অদ্ভুত স্বপ্ন দেখতে পেতাম...কলেজের শেষ দিনে আমরা ৪৯ জন ব্যাচমেট মেঘলা আকাশের নিচে সবুজ মাঠে দৌড়াচ্ছি আর দৌড়াচ্ছি...প্রচন্ড বাতাসের মধ্যে...ঘুম ভাঙ্গার পর নিজেকে যখন আবিষ্কার করতাম বাসার রুমে,কলে্জের দিনগুলো আর ফিরে পাবোনা দেখে বুকের ভেতরে কিরকম একটা হাহাকার যে কাজ করত তা বলে বোঝাতে পারবোনা।এখন কলেজ থেকে বের হবার প্রায় ৭ বছর পরে এই ঘটনাটা প্রতিদিন না ঘটলেও হঠাৎ হঠাৎ এই হাহাকারটা বুকে এখনো বেজে উঠে।

    আবারো ধন্যবাদ লেখাটার জন্য।

    জবাব দিন
  6. সাব্বির (২০০২-২০০৮)

    "হাউসে মহিউদ্দিনের সময় অসময়ের অপ্রয়োজনীয় গল্পগুলা, রেজওয়ানের হিন্দি গান, সাব্বিরের ঘুম থেকে উঠেই বেয়ারা বেলাল ভাইকে ঘুম থেকে ডাকার অপরাধে(!) tease করা, পাভেলের অবিরাম ক্লাউন মার্কা জোকস…এইসবে এখনো দিন কাটাই।" 😀 😀
    মিস করি খুব........


    সাব্বির

    জবাব দিন
  7. আহমেদ

    তোমার প্রথম লেখাটাই অনেক চমৎকার হইছে ভাইয়া। পড়ে খুবই ভালো লাগলো। কলেজের কথা মনে পরায় দিলা 🙁

    কারেন্ট আসার পর কবির স্যার মিটি মিটি হেসে বাইরে গেল

    =)) =))

    একজন যদিও হয়েছে

    মাশাল্লাহ্‌ মাশাল্লাহ্‌, বড় হইয়া গেছি, আমরা তো আর ট্রিট চাইতে পারি না... এক কাজ কর ব্যাচ ট্রিট দে বেটা :grr:

    জবাব দিন
  8. তাসনিম তোমার লেখাটা পড়ে আসলেই মনে হলো সিসিবির পুরোনো কোন লেখা পড়ছি ।খুব ভালো হয়েছে !
    আর তোমার 'শুধু ফ্রেন্ড না'-কেও এখানে invite কর ,তাহলে আমাদের ওয়াই-ক্যাডেটদের দল ভারী হবে

    জবাব দিন
  9. অরপিয়া ,কারে কি কস ? তোর ভাই দুই বছরেও পার্টি দিতে পারে নাই আর তাসনিম বাচ্চা পোলা কি পার্টি দিবো? সিনিয়রকে দেইখায় না জুনিয়ব শিখবো!

    ওই টান্টু তাড়াতাড়ি পার্টি দে ,এখন আর ব্যাচ পার্টিতে কাজ হবে না ,সিসিবিয় পার্টি লাগবে !

    জবাব দিন
  10. রকিব (০১-০৭)

    বহুদিন পর স্মৃতিচারণমূলক লেখা!!!
    যথারীতি তাসনিমরে কইষা প্লাস!!!

    আসলে মাঝে মধ্যে মনে হয় এই স্মৃতিগুলোই মন খারাপের প্রহরে কিংবা বিষণ্নতায় আমার একমাত্র সম্বল। তোমার উপরের কথাগুলো যেন নিজের গল্পই মনে হয়। :thumbup:


    আমি তবু বলি:
    এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

    জবাব দিন
  11. নাজমুল (০২-০৮)

    সিসিবিতে অনেক অনেক দিন পর কলেজ নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক লেখা আসলো।লেখাটা পড়ে মনে হল আমার নিজেরই কাহিনী।সব ক্যাডেটের কাহিনী আসলে এক।খুবই ভালো লাগলো।বেশি বেশি করে লিখতে থাক…
    🙁 🙁

    জবাব দিন
  12. মশিউর (২০০২-২০০৮)
    কি ছিলো না সেই জীবনে? ভয়, আনন্দ, রাজ়া হওয়ার সুখ, স্বপ্ন, স্বপ্নভংগ, জয়, পরাজয়, বন্দিত্ব, মুক্তি…সব ছিলো। সব সময় কিছু “আমি”র সাথে মিশে থাকতাম।

    :boss: :thumbup: চরম সাহিত্য । :boss:

    জবাব দিন
  13. কামরুল হাসান (৯৪-০০)

    আরে এটা তো দেখি সিলেটের পোলা ! সাবাস ব্যাটা , বেশি বেশি লিখে যা...........


    ---------------------------------------------------------------------------
    বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
    ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

    জবাব দিন
  14. দেয়া (২০০২-২০০৮)

    অনেক দেরি হয়ে গেলো তাসনিম।কিন্তু অনেক সুন্দর হয়েছে।আর মন খারাপ করে দেয়ার জন্য সরি বলো।আর

    একজন যদিও হয়েছে, সেও শুধু ফ্রেন্ড না

    তাকে নিয়ে র কি বলবো?কেউ কেউ ট্রিট পায় কেউ পায় না। :(( :(( কি জামানা আইলো রে। 😕

    জবাব দিন
  15. তাসনিম (২০০২-২০০৮)

    সরি দেয়া 😐
    যত দেরিই করস, এমন ভাবে প্রসংশা কইর‍্যা লইজ্জা দিয়া দিলি তো :shy:
    আর ট্রিট? ওই লাইনটা দিয়া বিপদে পড়লাম দেখি...
    সরি ভুল কইসি ওই লাইনে...we r :just: friends 😀

    জবাব দিন
  16. আছিব (২০০০-২০০৬)
    (একজন যদিও হয়েছে, সেও শুধু ফ্রেন্ড না)

    বাহ! এই ব্লগের মূল লাইনটাই সবাই খেয়াল করে ফেলল। তাসনীমের উদ্দেশ্য সফল মনে হচ্ছে। আশা করি এই লাইনকে সম্প্রসারিত ভাব হিসেবে ব্লগে পরিণত করা হবে 😉 😛

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।