যেমন হবে বিশ্বকাপ দলঃ ব্রাজিল

[ বিশ্বকাপ ঘনিয়ে এসেছে। গুনে গুনে আর ৯০ দিন বাকি। অংশ গ্রহনকারী প্রতিটা দলকে ১২ মে’র মধ্যে ৩৫ জনের প্রাথমিক দল ঘোষনা করতে হবে। চুড়ান্ত ২৩ জনের নাম জমা দেয়ার জন্যে অবশ্য ফিফা সময় দিয়েছে ১০ জুন পর্যন্ত।
বড় দলগুলোর বিশ্বকাপ স্কোয়াড কেমন হতে পারে এই নিয়ে পত্রিকার জন্যে একটা সিরিজ লেখা শুরু করেছি। শুরু হচ্ছে ব্রাজিলকে দিয়ে, তারপর আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ফ্রান্স এইভাবে। আমি কয় পর্ব লিখবো এখনও জানি না। তবে যতগুলোই লিখি সেটা সিসিবিতে দিয়ে দিলে সমস্যা কী ! আর কিছু লেখার সময় যেহেতু পাচ্ছি না এই দিয়েই না হয় চলুক।

————————————————————

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুই ইনাসিও লুলা ডি সিলভা চাইছেন না রোনালদিনহো বিশ্বকাপের দলে থাকুক। এমন একটা দেশের রাষ্ট্রপ্রধান তিনি, যেখানে বেঁচে থাকার অপর নাম ফুটবল। ঊনিশ কোটি মানুষ আক্ষরিক অর্থেই মনে করে এই খেলাটা তাদের জীবনের একটা অংশ। সেই দেশের প্রেসিডেন্ট হয়ে ফুটবল নিয়ে দুয়েক কথা বলা দোষের কিছু না। কিন্তু তাই বলে একেবারে দল নির্বাচনে নিজের চাওয়া-পাওয়ার কথা জানানো!
ভাগ্যিস ফুটবল কোচদের কাছে এই চাওয়া-না চাওয়ার কোন মূল্য নেই। তা সে আপনি দেশের প্রেসিডেন্ট হোন বা অন্যকিছু। ‘আমি তো আপনার মন্ত্রীসভা ঠিক করে দেই না, আপনি কেন আমার ফুটবল দল ঠিক করে দেবেন’- একজন প্রেসিডেন্টকে তো একবার এমন কথাও শুনতে হয়েছিল কোচের কাছ থেকে। লুলা ডি সিলভার ভাগ্য ভালো তাকে এইবার এমন কিছু হয়তো শুনতে হবে না। কারন রোনালদিনহো যে বিশ্বকাপ দলে থাকছেন না তা ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট বলার আগেই মোটামোটি নিশ্চিত করে দিয়েছেন কোচ কার্লোস দুঙ্গা!

তারমানে ৬ষ্ট বারের মত বিশ্বকাপের শিরোপা জেতার লড়াইয়ে রোনালদিনহো শুধুই দর্শক। তাহলে দুঙ্গার সৈন্য-সামন্ত কারা? কেন, কাকা, লুই ফ্যাবিয়ানো, আদ্রিয়ানো আর রবিনহো আছেন না? ইনজুরির কারনে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ প্রীতি ম্যাচটা খেলতে পারেননি, কিন্তু বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে ৯ গোল করা ফ্যাবিয়ানোকে ছাড়া দল গঠনের কথা ব্রাজিল কোচ ভাবছেন না এটা নিশ্চিন্তে বলে দেয়া যায়। যেমন বলে দেয়া যায় কাকার কথা। ফিফার সাবেক বিশ্বসেরা ফুটবলার, কিন্তু এসি মিলান থেকে রিয়াল মাদ্রিদে এসে নিজেকে খুঁজে পেতে বেশ কিছুটা সময় লেগেছে এই ব্রাজিলিয়ান প্লে-মেকারের। আফসোস, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই বাদ পড়ে গেছে রিয়াল। ক্লাবকে শিরোপা জেতানোর স্বপ্নটা ভেঙ্গে গেলেও দেশের হয়ে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি নিশ্চয় ঘটতে দিতে চাইবেন না কাকা। দুঙ্গার সব পরিকল্পনাও তাই তাকে ঘিরেই। আর কেউ না থাকুক, ২৩ জনের দলে কাকা থাকবেন এই নিয়ে সন্দেহ নেই।

দুঙ্গার দলে নিয়মিতই আছেন রবিনহো। কিন্তু ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে এই মৌসুমে তার পারফরম্যান্স প্রশ্নবিদ্ধ করে দিয়েছিল এই থাকাটা। রবিনহো নিজেও জানতেন সময়টা ভালো যাচ্ছে না তাঁর। ফর্ম ফিরে পাওয়ার জন্যেই যেন অনেকটা নিজের উৎসাহেই ছয় মাসের ধারে খেলতে এলেন নিজের পুরনো ক্লাব স্যান্টোসে। এতকিছুর পরও যখন তার উপর এখনও আস্থা হারাননি দুঙ্গা তখন তিনি কেন তার প্রতিদান দেবেন না! আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ প্রীতি ম্যাচে তাই রবিনহো বুঝিয়েছেন কেন তিনি দুঙ্গার দলে নিয়মিত। দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন তাই দেখতেই পারেন এই ব্রাজিলিয়ার স্ট্রাইকার। একই কথা বলা যায় আদ্রিয়ানোকে নিয়ে। ২০০৮ সালের অক্টোবরে ভেনিজুয়েলার বিপক্ষে বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে দুই গোল করেছিলেন। কিন্তু তারপর থেকে সমর্থকদের শুধু অপেক্ষাতেই রেখেছেন ফ্ল্যামিঙ্গোর এই স্ট্রাইকার। অপেক্ষাটা বিশ্বকাপেই গিয়েই শেষ হয়ে যাবে এটা নিশ্চয়ই চাইছেন দুঙ্গা। কেন চাইবেন না? ৪৮ ম্যাচে ২৭ গোল করে এই মুহূর্তে ব্রাজিল দলে তিনিই তো সর্বোচ্চ গোলদাতা।

বেশিরভাগ সময়ে তাঁকে মাঠে নামতে হয় বদলি খেলোয়াড় হিসেবে। কিন্তু ওইটুকুতেই নিজের জাত চিনিয়েছেন নিলমার দা সিলভা। বাছাই পর্বে চিলির বিপক্ষে হ্যাটট্রিক, তারপর ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও মাস দুয়েক আগে প্রীতি ম্যাচে গোল করেছেন ভিলারিয়ালের এই স্ট্রাইকার। গত এক বছরে ব্রাজিলের হয়ে পাঁচটি ম্যাচ খেলেছেন নিলমার আর এই পাঁচ ম্যাচে ৬ গোল করে এরই মধ্যে তিনি চলে এসেছেন কোচ দুঙ্গার পছন্দের তালিকায়। শেষ মুহূর্তে কোন অঘটন না ঘটলে হয়তো প্রথমবারের মতো ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ খেলবেন তিনিও।

আর এঁদের কারণেই খুব সম্ভব আরকেটি বিশ্বকাপ খেলে, গোলের সংখ্যা (বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৫ গোল) আরো বাড়ানোর সুযোগ হচ্ছে না রোনালদোর। ২০০২ বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে পঞ্চম শিরোপা জেতানোর এই নায়ক গত বিশ্বকাপের পর আর সুযোগই পাননি দলে। যদিও করিন্থিয়ান্সে ফেরার পর ফর্মের অনকেটাই ফিরে পেয়েছেন, গোলও করছনে নিয়মিত। কিন্তু দুঙ্গা গত চার বছরে একবাররে জন্যও ডাকনেনি তাঁকে। কাজেই মোটামুটি নিশ্চিত, রোনালদোও থাকছেন না।

ইন্টার মিলানের ডিফেন্সটা বেশ ভালোমতোই সামাল দিচ্ছেন দুই ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মাইকন আর লুসিও। কোচ দুঙ্গারও সবচেয়ে বেশি ভরসা এই দুজনকে নিয়েই। বহুদিন ধরে ব্রাজিলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন লুসিও। বিশ্বকাপেও এর ব্যতিক্রম হবে বলে মনে হয় না। পরীক্ষিত ডিফেন্ডার হিসেবে দলে জায়গা ধরে রেখেছেন আরো তিন জন বার্সেলোনার ড্যানিয়েল আলভেস, বেনফিকার লুইসাও আর রোমার সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার হুয়ান। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ প্রীতি ম্যাচে দলে না থাকলেও লেফট ব্যাক হিসেবে ব্রাজিল দলে এখন মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত আন্দ্রেই স্যান্তোস। এদের পাশাপাশি দুঙ্গার বিশ্বকাপ দলে দেখা যেতে পারে লিওঁর মিচেল বাসতোস বা এসি মিলানের থিয়াগো সিলভাকে।

কাকা, হুলিও ব্যাপতিস্তা আর ক্লেভারসনকে নিয়ে গড়া ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ড যে কোন দলের বিপক্ষে আতঙ্ক ছড়ানোর জন্যে যথেষ্ট। এদের সঙ্গে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে ফিলিপে মেলো আর গিলবার্তো সিলভার দলে থাকাটাও মোটামোটি নিশ্চিত। আশা আছে হামবুর্গের মিডফিল্ডার হোসে অলিভেইরাও। গত দুই বছরে দুঙ্গার দলে বেশ নিয়মিত দেখা গেছে তাঁকে। ব্রাজিলের হয়ে মাত্র ১১টি ম্যাচ খেলেছেন রামিরেস নাসিমেন্তো। কিন্তু এরই মধ্যে সবার নজর কেড়েছেন বেনফিকার এই মিডফিল্ডার। বিশ্বকাপ দলে তাই দেখা গেলে খুব একটা অবাক হওয়ার কিছু নেই কারণ সর্বশেষ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচেও তাঁকে প্রথম একাদশে খেলিয়েছেন ব্রাজিল কোচ।

একটা সময় ছিল যখন ব্রাজিলের গোলরক্ষকদের নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় থাকতেন সমর্থকরা। গত এক দশকে মার্কোস, দিদা’রা সেটা দূর করে দিয়েছেন। তাদের সার্থক উত্তরসূরী হুলিও সিজার তো এখন বিশ্বের সেরা কয়েকজন গোলরক্ষকদের একজন। গত বছর ফিফার কাছ থেকে বিশ্বের সেরা তিন গোলরক্ষকের একজন হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া সিজার দক্ষিণ আফ্রিকায়ও থাকবেন ব্রাজিল গোলবারের অতন্দ্র প্রহরী হয়ে এটা বলে দেয়াই যায়। দ্বিতীয় গোলরক্ষক হিসেবে দলে জায়গা পাওয়ার সবচেয়ে বড় দাবিদার রোমা’র দনি। কিছুদিন সুযোগ পেয়েছিলেন টটেনহামের গোলরক্ষক হিউরেলহো গোমেজও। কিন্তু সিজার ফিট থাকলে বিশ্বকাপের দলে অন্য কাউকে নিয়ে আর পরীক্ষা-নিরীক্ষা কেন করবেন ব্রাজিল কোচ!

করবেন না দুঙ্গা।
যেটা করতে চান সেটা তিনি বাছাই পর্ব পেরিয়ে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করার পরই বলে দিয়েছিলেন, ‘আমরা ব্রাজিল। আমাদের কাজ হচ্ছে সব সময় জেতা !’

———————————————————-
সম্ভাব্য একাদশঃ

——————– লুই ফ্যাবিয়ানো———————-

রবিনহো——————কাকা—————আদ্রিয়ানো

———–ফিলিপে মেলো——–গিলবার্তো সিলভা—–

আন্দ্রেই স্যান্তোস—- লুইসাও—–লুসিও——–মাইকন

————————–হুলিও সিজার——————–

————————————————————–
গোল ডট কমের প্রেডিকসনঃ

success-e4f242dffe83cfb1a1c55758b164224e

২,৪৭৯ বার দেখা হয়েছে

৪৭ টি মন্তব্য : “যেমন হবে বিশ্বকাপ দলঃ ব্রাজিল”

    • কামরুল হাসান (৯৪-০০)

      বিজয় থেকে কনভার্ট করেছি তো, কিছু এদিক-ওদিক হয়েছে মনে হয়। দুয়েকটা ঠিক করলাম। আর চোখে পড়লে জানাবেন।

      :frontroll: দিলাম।
      আসলে এমন দৌড়ের উপর আছি। তারমধ্যে শাহরুখ-জুহি চাওলাদের খেলাটা শুরু হয়েছে। প্রতিদিন এটা দেখতে হবে ভেবেই মেজাজ খারাপ।


      ---------------------------------------------------------------------------
      বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
      ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

      জবাব দিন
  1. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    বিশ্বকাপ তাহলে এসেই গেল :goragori: :goragori:

    লেখা খুব ভাল হইছে, আপনার এই লেখা সে সব সাপোর্টারদের ব্যাপক সাহায্য করবে যারা বিশ্বকাপের অর্ধেক পার হয়ে যাওয়ার পরেও দলের ১১ জন খেলোয়ারের নাম জানে না ;))

    আপনার লিস্টে হল্যান্ডের নাম যোগ করার অন্য তীব্র দাবি জানাচ্ছি।

    আগে সিসিবি , পরে পত্রিকা।

    :thumbup:


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  2. মইনুল (১৯৯২-১৯৯৮)

    খুব বেশি বিখ্যাত কেউ নেই এবার ...... এক দিক থেকে ভালোই, বিখ্যাত কাউকে ছাড়াও রেজাল্ট ভালোই আসছে।
    স্পেনকে নিয়ে তোমার লেখার অপেক্ষাতে থাকলাম ...... আশা করি, ব্রাজিল আর স্পেনকে ফাইনালে দেখতে পাবো, আর ফাইনাল ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের হাতে ট্রফিটা দেখবো ...... (সম্পাদিত)

    জবাব দিন
  3. আজহার (২০০০-২০০৬)

    ভাই লেখা খুবই সুন্দর হয়েছে। :clap:
    ব্রাজিল টিম এবার খুবই ভাল ফর্মে আছে। বিশেষ করে কোচ হিসেবে দুঙ্গা এখন পর্যন্ত সফল। কিন্তু স্পেন এবার সবচেয়ে দুর্দান্ত টিম (সম্ভবত বিশ্বকাপ ইতিহাসে তাদের সবচেয়ে সেরা টিম)নিয়ে যাচ্ছে। আমিও এই দুই দলের ফাইনাল দেখতে চাই। 🙂

    জয় হোক জোগো বোনিতোর।জয় হোক ফুটবলের।

    জবাব দিন
  4. আশহাব (২০০২-০৮)

    সবগুলাই ভালো ফর্মে আসে, কে ফাইনাল খেলবে বুঝতেসিনা, তবে ল্যাটিন ভার্সেস ইউরোপিয়ান একটা খেলবে এটা নিশ্চিত 😀 ব্রাজিল-স্পেন ফাইনালের অপেক্ষায় :thumbup:

    জবাব দিন
  5. ফয়েজ (৮৭-৯৩)

    ব্রাজিল টিমে এবার প্রায় সবাই কামলা টাইপ প্লেয়ার, ম্যাচ উইনার নাই তেমন। ডুংগা অবশ্য নিজেও কামলা টাইপ প্লেয়ার ছিল। ডুংগা আসার পরে ব্রাজিলের খেলা জার্মানীর মত হই গেছে। রোবটিক্স প্রাক্টিস করে মাঠের ভিত্রে।

    এর চেয়ে আর্জেন্টিনা বরং ল্যাতিনো ভাব ধরে রাখতে পারছে।

    স্পেন নিয়ে একটা দিতে পারবা? ঠিক করছি এবার স্পেনের ল্যাজে ল্যাজে নাচানাচি করুম


    পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

    জবাব দিন
  6. মইনুল (১৯৯২-১৯৯৮)

    যত যাই হোক, ব্রাজিল হইলো গিয়া ব্রাজিল ...... মাঠের মধ্যে রোবোটিক্স খেলুক (ক রা ফয়েজ ভাই) আর জেনেটিক্স খেলুক ... ব্রাজিলের উপ্রে কেউ নাই ... ইনশাল্লাহ, এই বারেই ছয় নম্বরটা নিমু ...

    জবাব দিন
  7. শাওন (৯৫-০১)

    "রোনালদিনহো ছাড়া বিশ্বকাপ"...ভাবতে একটু কষ্টই হচ্ছে...


    ধন্যবাদান্তে,
    মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শাওন
    প্রাক্তন ক্যাডেট , সিলেট ক্যাডেট কলেজ, ১৯৯৫-২০০১

    ["যে আমারে দেখিবারে পায় অসীম ক্ষমায় ভালো মন্দ মিলায়ে সকলি"]

    জবাব দিন
  8. তানভীর (৯৪-০০)

    ব্রাজিলের এই দলটাকে কেমন যেন মড়া-মড়া মনে হচ্ছে! অবশ্য কারণও আছে- বেশ কিছু অপরিচিত খেলোয়াড় আছে (বিশেষ করে ব্রাজিলিয়ান লীগে যারা খেলে)।

    একেকজন খেলোয়াড় একেক লীগে খেলে, লীগের খেলার মান একেকরকম। এই খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া দলে দলগত নৈপুণ্যের চেয়ে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের উপরই বেশি ভরসা করতে হয়! আশা করি ব্রাজিলকে এবার ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের উপর বেশি ভরসা করতে না হয়, তাহলে তাদের বিশ্বকাপ জেতার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

    জবাব দিন
  9. আমিন (১৯৯৬-২০০২)

    পোস্ট টা খুব ভালো লেগেছে। ব্রাজিলরে আমি খুব ভালো পাই না তবে রোনালদিনহোর আমি খুব ভক্ত। তাই ও খেললে বিপদে পড়তে হইতো একদিকে ব্রজিলের এন্টি অন্যদিকে রোনালদিনহোর সাপোর্ট। যাক নিশ্চিন্ত হয়া গেলো। নিলমার প্লেয়ারটাকে আমি প্রথম চিনি ফিফা খেলে। পরে খেলা দেখেছি , ভালো লেগেছে। আর সব কয়টার আলাদা ভাবে এন্টি।
    তবে বস ব্রাজিলের গোলকিপারদের নিয়ে যত বদনামই হোক না কেন, আমার ফেভারিটের তালিকায় ২ নম্বর গোলকিপার ঐ ক্লডিও তাফারেল। এই চাচাকে আমার বেশ ভালো লাগতো। বিশেষত গালাতাসারের হয়ে উয়েফা কাপে আর্সেনালরে একাই হারায়া দিছিলো। ম্যানইউ সাপোর্টার হিসাবে সে দৃশ্য বড়ই সুখকর।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।