সাবধান ! লেহেঙ্গা বাজার !!

লাঞ্চের পর লিফটে দশ তলায় উঠছি। জেন্ডার বেজড ভায়োলেন্স ওয়ার্কশপের সমাপনী। হঠাৎ যান্ত্রিক কণ্ঠস্বর শুনি –

: আউতসাইদ ভেরি হত। ইত’স ডিসটার্বিং।

কী আশ্চর্য! হিট সেনসিটিভ লিফট নাকি! একটু মনযোগী হই। কয়েক সেকেন্ড পরের কথা-

: লিফট ইজ গোইং আপ। ডোর ইজ ক্লোজিং।

ও! তাহলে ভুল শুনেছিলাম। ভাতঘুমের আক্রমণ। ওয়ার্কশপ শেষে রাজশাহীগামী বাসে চড়ে বসি। জ্যাম আর গরমে মনটা উদাস হয়ে ওঠে। হঠাৎ ঝাঁকিতে একটা সাইনবোর্ড থেকে আরেক ধাক্কা। লাল নীল রঙে লেখা –

সাবধান,
লেহেঙ্গা বাজার।

কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ দিতেই হয়। পুরুষদের প্রতি সহানুভূতি দেখিয়ে প্রাক-ঈদ সাইনবোর্ড দেয়ার জন্য। ভৌগোলিক অবস্থানটা ভালো করে দেখা দরকার। চোখ ডলে নিয়ে আবার সাইনবোর্ড দেখি-

সামনে
এলেঙ্গা বাজার

কয়েক ঘণ্টা পর বাস থেকে নেমে একটু কম ভাড়ায় রিকশা নেবার জন্য সামনে এগোই। এবার ট্রাফিক সিগনাল নয়, একটি দোকানে “সার্জিক্যাল স্টপ” দেখি। থমকে দাঁড়াই। মুহূর্তেই ভাবতে থাকি— সার্জিক্যাল স্টপের কাজটা কী? এটা কি সার্জিক্যাল ইকুইপমেন্ট পরিবহনের কোনো স্টপেজ? কৌতূহল মেটাতে একটু খোঁজখবর নেয়াই যায়। ওহ্, কী একটা অবস্থা! এ তো “সার্জিক্যাল স্টোর”।

আজ হচ্ছে টা কী! শুধু ভুল শুনছি না, ভুল পড়ছিও বটে।বেশ গরম পড়ছে। এরকম আবহাওয়ায় সুকুমার রায় হ য ব র ল লিখেছিলেন।

৬ বার দেখা হয়েছে

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।