সুপার ফ্লপ থেকে সুপার হিট……

(দল – খেলা – জয় – পরাজয় – ফলাফল নেই – পয়েন্ট)
রাজস্থান রয়্যালসঃ ১৪ – ১১ – ৩ – ০ – ২২
কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবঃ ১৪ – ১০ – ৪ – ০ – ২০
চেন্নাই সুপার কিংসঃ ১৪ – ৮ – ৬ – ০ – ১৬
দিল্লী ডেয়ার ডেভিলসঃ ১৪ – ৭ – ৬ – ১ – ১৫
মুম্বাই ইন্ডিয়ানসঃ ১৪ – ৭ – ৭ – ০ – ১৪
কলকাতা নাইট রাইডারসঃ ১৪ – ৬ – ৭ – ১ – ১৩
রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরঃ ১৪ – ৪ – ১০ – ০ – ৮
ডেকান চার্জারসঃ ১৪ – ২ – ১২ – ০ – ৪

এটা আইপিএল-২০০৮ এর পয়েন্ট টেবিল। হয়তো ভাবছেন এতদিন পর আবার নতুন করে কেন পুরানো ইতিহাস টেনে আনছি। এই টেবিলের তলানিতে পড়ে থাকা দলটার দিকে লক্ষ্য করুন। ১৪ টা খেলায় মাত্র দুইটা জয়। মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের ১৫৪ রানের জবাবে গিলক্রিস্টের অনবদ্য ১০৯(৪৭) রানের ইনিংসে ভর করে ১০ উইকেটে জয় এবং চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ১৪৪ রান তাড়া করে ৭ উইকেটে জয় ছাড়া বলার মত আর কিছুই করতে পারেনি দলটি। ১০৭.০১ মিলিয়ন ডলারের (৩য় সর্বোচ্চ বাজেট) এই দলটি যে সুপার ফ্লপ তা আর বলে দিতে হয় না।

মূল প্রসঙ্গে আসি। আইপিএল-২০০৯। আমি সাপোর্ট করছি গত বছরের সবচেয়ে ফ্লপ এই দলটিকে, কারন আমার প্রিয় দলের প্রিয় ওপেনার হার্সেইল গিবস খেলছে এই দলে। আমার আশেপাশে খুব কম মানুষই এই দল সাপোর্ট করছে। পুর্বের রেকর্ডের কথা চিন্তা করে লজ্জায় আমি কারো সামনেই মুখ খুলিনি। গত বছরের তুলনায় ক্যাপ্টেন ছাড়া খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি দলে। কিন্তু কাহিনির যে পুনরাবৃত্তি হবে না তা বুঝে গেলাম প্রথম ম্যাচে কলকাতাকে ৮ উইকেটে হারানো এবং ২য় ম্যাচে ব্যাঙ্গালোরের বিপক্ষে ১৮৪ স্কোর করে ২৪ রানের সহজ জয়ের পরই। এরপর শুরু হল জয়ের মহড়া। প্রথম চার ম্যাচের টানা জয়ে দলটি চলে গেল পয়েন্ট টেবিলের সবচেয়ে উপরে। পরপর তিন ম্যাচে দিল্লী, রাজস্থান আর চেন্নাই এর কাছে পরাজয়ে কিছুটা খেই হারিয়ে ফেললেও মুম্বাই এর সাথে জিতে প্রতিযোগীতায় টিকে থাকলো ডেকান। আরও ১ টি জয় এবং ২ টা পরাজয়ের পর নিজেদের ১২তম খেলায় কলকাতার সাথে শেষ ওভারে ২৬ রান নিয়ে এক শ্বাসরুদ্ধকর বিজয় সেমিফাইনালের পথ মোটামুটি উন্মুক্ত করে দেয়। ঠিক পরের খেলায় শেষ ৩ বলে ৪ রান প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও তারা মাত্র ২ রান করতে সক্ষম হয়। পাঞ্জাবের সাথে এই ১ রানের পরাজয় ডেকানের সেমিফাইনালের স্বপ্নকে অনিশ্চয়তায় ফেলে দেয়। অন্যদিকে চেন্নাই এর বিপক্ষে মাত্র ১১৬ রান তাড়া করে পাঞ্জাব জিততে না পারায় নিজেদের শেষ খেলায় ব্যাঙ্গালোরের কাছে পরাজয়ের পরও ৪র্থ দল হিসাবে সেমিফাইনালে উঠে যায় ডেকান চার্জারস।

২২ এপ্রিল ২০০৯। প্রথম সেমিফাইনাল। তুমুল ফর্মে থাকা “দিল্লী ডেয়ার ডেভিলস” এর সাথে “ডেকান চার্জারসের” খেলা। মিশনে থাকার কারনে আইপিএল এর কোন খেলায় আমি টিভিতে দেখতে পারিনি। cricinfo তে লাইভ কমেন্ট্রি দেখে দুধের স্বাদ ঘোলে মিটিয়েছি। কিন্তু আজকের খেলা তো দেখতেই হবে। চলে গেলাম সেক্টর ওয়েস্ট হেডকোয়াটার্সে। টিভি রুমের সবাই দিল্লী ডেয়ার ডেভিলসের সাপোর্টার, শুধু আমিই একমাত্র ডেকানের ভক্ত। বুঝলাম, মুখ বুজে খেলা দেখা ছাড়া কিছুই করার নেই।

দুর্দান্ত সূচনা। রায়্যান হ্যারিসের প্রথম ওভারে ০ রানে ২ উইকেট। এর চেয়ে ভাল আর কি হতে পারে। কিন্তু সেহবাগ আর দিলশানের ঝোড়ো গতির ব্যাটিং এ খেলায় ফিরে আসে দিল্লী। ১১তম ওভারে সেহবাগ ফিরে গেলেও এবি ডি ভিলিয়ার্স কে নিয়ে লড়াই চালিয়ে গেছে দিলশান। কিন্তু হ্যারিস, সাইমন্ডস আর হারমিত সিং এর শক্ত বোলিং এ মাত্র ১৫৩ রানে শেষ হয় দিল্লীর ইনিংস। সম্মানজনক সংগ্রহ। একেতো টুয়েন্টি২০ ম্যাচ, তারওপর আবার সেমিফাইনাল। কিছুই বলা যাচ্ছে না, কি হবে। টিভি রুমের সবার মধ্যেই শেষ দিকে বেশি রান না পাওয়ার হতাশা থাকলেও ম্যাচ জয়ের আশা কেউ ছেড়ে দেয়নি।

২য় ইনিংস শুরু।
১ম ওভারঃ ০ ওয়াইড ৪ ৪ ৪ ৪ ৪।
৩য় ওভারঃ ৪ ৪ ৬ ১ ০ ওয়াইড ১।
৪র্থ ওভারঃ ০ ০ ১ ২ ৪(নো) ৬ ১।
৬ষ্ঠ ওভারঃ ০ ৪(নো) ৬ ৬ ৬ ১ ১।

আমি আর বর্ননা করতে চাই না। গিলক্রিস্টের অতিমানবীয় এক ইনিংস (৩৫ বলে ৮৫) সব ধরনের হিসাব নিকাশের খাতা বন্ধ করে দিয়ে ফাইনালে নিয়ে গেল ডেকান চার্জারসকে। টিভি রুমে আমি একা মুখ খুলতে পারিনি, তাই মনে করলাম সিসিবিতে মনের অন্তর্নিহিত উচ্ছ্বাসটুকু প্রকাশ করি, যদিও জানি, এখানেও ডেকানের সাপোর্টার খুব বেশি পাওয়া যাবে না। হাজার হলেও গতবারের সুপার ফ্লপ দলটি এবারে কিনা সুপার হিট… :thumbup:

২,৯৪০ বার দেখা হয়েছে

৩৬ টি মন্তব্য : “সুপার ফ্লপ থেকে সুপার হিট……”

  1. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    এখন রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ফাইনালে উঠলে ফাটাফাটি হবে, গতবারের লাষ্ট দুই দল...

    তবে মেহেদি সাবধান... আমি খেলা নিয়া পোস্ট দিলেই আমার দলের কুফা লাগে... 🙁 দোয়া করতে থাক তোর পোস্টের জন্য আবার চাজার্স কুফায় না পড়ে যায়...


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  2. মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

    আমিও ব্যাপক মজা পাইছি।আসলে গিল্ক্রিস্ট ওইভাবে খেললে কোন দলেরই কিছু করার থাকেনা।তবে বস,অ্যাশ আর ম্যাশের কীর্তি নিয়া যদি কিছু বলতেন আলাদা কলামে(আপনে অথবা কলকাতার আকাশদা) তাহলে মনের ঝাল কমত x-( ।এক ওভারে ২১ রান যে বোলার ঠেকাইতে পারেনা সে নাকি আবার ওয়ানডেতে ৮ম সেরা বোলার বর্তমান র‌্যানকিংএ।আমি হয়তো খুব বেশি কর্কশ হচ্ছি মাশ্রাফির প্রতি কিন্তু খেয়াল করে দেখেন বস-সেই জিম্বাবুয়ে থেকে শুরু করে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা পর্যন্ত এমন কোন দল নাই যার সাথে মাশ্রাফি এই কাজ করেনাই-স্লগ ওভারে এইরকম কুকুরের মত মার খেয়ে দলের জেতা ম্যাচ হারানোর অভ্যাসটা ওর নতুন না মোটেও।এতদিন পরেও নার্ভাসনেস,ইয়র্কার দিতে গিয়ে ফুলটস দিয়ে ফেলেছি-ক্যাপ্টেন ওই বল করতে নিষেধ করছিল-এইসব অজুহাত ধোপে টেকেনা।এত সিনিয়র একজন খেলোয়াড়-সে যদি এখনো না শিখে তবে কবে শিখবে?ম্যাচ শেষে অরুন লালের কমেন্টগুলা বিষের মত লাগছিল যখন সে মাশরাফির সমালোচনা করছিল।আমার কত আশজা ছিল যে এই ম্যাচে মাশ্রাফি এমন খেলা দিবে যে সবাই আফসোস করবে ওকে কেন আগে নেয়া হলনা।কিন্তু কেমনে কি,প্রথম আলোর ভাষায় বলা যায়-এমন অভিষেকের জন্য এত প্রতীক্ষা?এর চেয়ে তো শালার না খেলে চলে আসলেও ভাল ছিল-মাত্র একটা ম্যাচ চান্স পেয়েছে এইটাও কোন অজুহাত না কারণ তারা ভালমতই জানত যে ওই একটাই তাদের সুযোগ x-( x-( x-(

    সরি বস অফ টপিকে চলে গেলাম-কিন্তু রাগ কিছুতেই থামাতে পারছিনা x-( x-(

    জবাব দিন
    • আহসান আকাশ (৯৬-০২)

      স্লগ ওভারে মাশরাফি পুরাপুরি ইউজলেস... ওরে যখন লাস্ট ওভার দিল, তখনই বলতেছিলাম যে কোলকাতা ডুবল... আমাদের সে রকম কোন বোলারই নাই স্লগ ওভারে বোলিং করার মত, শ্রীলংকার সাথে ঐ ম্যাচে কেউ নাকি বোলিং ই করতে চাচ্ছিল না, আশরাফুল শেষে বাধ্য হয়ে জুনিয়র মোস্ট রুবেল কে বল দিল, আর পোলায় মুরালির মত ব্যাটস্ম্যানের কাছে মাইর খেয়ে ভূত হয়ে ম্যাচ হারায় দিল......

      ক্রিকেটে লং টার্ম এ উন্নতি করতে হলে আমাদের স্পিনারদের উপর থেকে নির্ভরশীলতা কমাতে হবে, স্পোর্টিং পিচ বানাতে হবে, যাতে ভাল ফাস্ট বোলার বের হয়ে আসে...

      আর আশরাফুলকে নিয়ে নতুন করে কিছুই বলার নাই... ওর ফেস করা প্রতি বলের আগেই আমার মনে হয় এই বুঝি আউট হলো... তারপরও ও ভাল খেললে একাই যেকোন দলের সাথে ম্যাচ বের করে নিয়ে আসতে পারবে... এ জন্য প্রতিম্যাচেই আসায় থাকি...

      ২০/২০ ওয়ার্ড কাপে আয়্যারল্যান্ডের সাথে ম্যাচ নিয়েই টেনশনে আছি, ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে ওদের বোলাররা আমাদের ব্যাটসম্যানদের জন্য ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে।


      আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
      আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

      জবাব দিন
      • মেহেদী হাসান (১৯৯৬-২০০২)

        আমাদের দলের উচিৎ ম্যাচের প্রথম দিকেই মাসরাফির ওভার গুলো শেষ করিয়ে দেওয়া। লাস্টের ওভার গুলোতে আমাদ্র স্পিনাররা বেশ ভালো করে। তবে আমাদের দলে একজন রিয়েল পেস বোলার প্রয়োজন।

        আশরাফুলকে আমি মন্তব্য করতে চাই না। ফাজিল একটা। গত ৭-৮ বছর ধরে অপেক্ষাকরে আছি কখন সে তার সামর্থের সঠিক ব্যবহার করতে পারবে।

        জবাব দিন
    • আহসান আকাশ (৯৬-০২)
      অথবা কলকাতার আকাশদা

      ঐ তুই কি আমারে মিন করছোস x-( আমি তো মনে হয় দেশের সবচেয়ে বড় এন্টি কোলকাতা

      😡 😡 😡


      আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
      আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

      জবাব দিন
  3. সাজিদ (২০০২-২০০৮)

    চার্জার্সকে সাপোর্ট করে আসছি একেবারে শুরু থেকে, গতবারো, এবারো শুধুমাত্র গিলির জন্য। গতবার তারা দল হিসেবে খারাপ করলেও সে ঠিকিই নিজের জাত চিনিয়েছিল আর এবারতো কোন কথাই নেই। এক বছর পুরা ক্রিকেট থেকে বাইরে থেকেও কেও যে এরকম খেলতে পারে তা গিলিকে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন, ২০-২০ ওয়ার্ল্ড কাপে তাকে যদি আবার ডাকা হত তাহলে খুব ভাল হত।

    জবাব দিন
  4. সামীউর (৯৭-০৩)

    ডেকান চার্জার্স এর আগে একটাই সমস্যা ছিলো- ক্যাপ্টেন ভেরি ভেরি স্লো লক্ষণ। তার অসিদের বিরুদ্ধে ২৮১ রানের ইনিংসের প্রশংসা যে কেউ করবেন কিন্তু যে পুজোয় যে ফুল! তাই টি২০ তে লক্ষণ অলক্ষণ বলেই বিবেচিত হলো।
    তবে চেঞ্জ কিন্তু টিমে অনেক আসছে, কোচ রবিন সিং রে বদলে আনা হইসে ড্যারেন লেম্যানকে। লেম্যান তাসমানিয়ার অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ও রাজ্যদলের ক্যাপ্টেন , সেখানে রবিন সিং জীবনে টি২০ খেলসে? বুকানন এ জন্যই ধরা খাইসে যে ওর টি২০ ম্যাচের কোন প্র্যাক্টিকাল অভিজ্ঞতা নাই।
    শুরুর দিকের ম্যাচ গুলোতে ফিডেল এডওয়ার্ডস ,ডিসিকে অনেক ব্রেক থ্রু এনে দিসে, আরপি সিং ১ম সিজনে অনেক এক্সপেন্সিভ ছিলো এবার সে পার্পল ক্যাপ পরসে! তবে ভেনুগোপাল মার্কা খেলোয়াড়দের কুনু উন্নতি নাই! এর আগে দিল্লী'র সাথে ম্যাচে রজত ভাটিয়ার মতো একটা ভূয়া বোলারের কাছে ৪ উইকেট হারায়ে উইনিং পজিসন থেকে ১২ রানে শেষ ৬ উইকেট হারায়ে ম্যাচ হারলো। এই টিমে গিলি রোহিত শর্মা, আরপি, প্রজ্ঞান ওঝা ছাড়া কোন রেগুলার পারফরমার নাই।
    সবচেয়ে বড় কথা হইলো ৭ ;৪ রেটিওতে লোকাল প্লেয়ারদের স্টান্ডার্ড বাড়ানো ছাড়া উপায় নাই।
    সামনে আইপিএল নিয়া একটা লেখা দিবো ভাবতেসি...সেই খানে আরো কয়েকটা ফাইন্ডিংস পয়েন্ট আউট করবো।

    জবাব দিন
  5. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    শেষ পর্যন্ত রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর আর ডেকান চার্জারস ফাইনালে... সুপার ফ্লপ থেকে সুপার হিট হওয়া দুই দল... দেখা যাক এবার সুপার ডুপার হিট হয় কারা


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  6. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    সাব্বাশ ডেকান :clap: :clap: :clap:

    এর পরের বার কি তাহলে কোলকাতা :grr: :grr: :grr:


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।