চ্যাম্পিওন্স লীগের নক আউট পর্ব ১

কালকে চ্যাম্পিওন্স লীগের নক আউট পর্ব শুরু হচ্ছে। চ্যাম্পিওন্স লীগের খান্দানী ব্যাপার স্যাপার গুলো আসলে এখান থেকেই শুরু হবে। এই পর্বে দলগুলো হোম এন্ড আওয়ে ভিত্তিতে পরস্পরের সাথে দুইবার মুখোমুখি হবে। এইখানে একটা ব্যাপার কাজ করে তা হলো এওয়ে গোল গুলোর মর্যাদা বেশী। তারমানে প্রতিপক্ষের মাটিতে এক গোল করলে তা মুলতঃ দুই গোলের মর্যাদা পায়। তাই প্রতিপক্ষের মাটিতে ১-১ গোলে ড্র করে আর নিজের মাঠে ০-০ গোল ড্র করেও এওয়ে গোলের সুবাদে পরের রাউন্ডে চলে যাওয়া যায়। আর তাই ২য় লেগের খেলা নিজের মাঠে হলে সুবিধা বেশী। নিজের মাঠের দর্শকের সুবিধা কাজে লাগিয়ে গোলও আদায় করা যায় আবার ঠেকিয়ে রাখাও যায়। তাই ম্যানেজারের ট্যাক্টিক্স এই পর্বগুলোর অন্যতম আকর্ষন এবং মাঝে মাঝে বোরিং খেলারও কারন হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে ১ম লেগের খেলাগুলো প্রায়ই বোরিং। এই ব্যাপারগুলো ফুটবল এর খবর রাখে সবার জানা তাও ভূমিকা হিসাবে জুড়ে দিলাম। ফিকচারটা বলে দেই, খেলাগুলো বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১:৪৫ শুরু হবে। তাই পরদিন সকালে যারা অফিসে দৌড়াবে তাদের জন্য মোটেও আদর্শ সময় না।

মঙ্গলবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারী, ২০০৯ সময়ঃ ১৯৪৫ GMT
আর্সেনাল বনাম রোমা
এথলেটিকো মাদ্রিদ বনাম এফ সি পোর্তো
ইন্টার মিলান বনাম ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
লিঁও বনাম বার্সেলোনা

আর্সেনাল আর এথলেটিকো মাদ্রিদ নিজেদের খেলা গুলোতে সম্ভাবনায় কিছুটা ব্যালেন্স হলেও বলা যায় ওরাই ফেবারিট। আর বার্সেলোনা শুধু এই পর্বে না, পুরো টূর্নামেন্টের ফেবারিট দল। এই পর্বের সবচেয়ে জমজমাট খেলাগুলোর একটা হলো বর্তমান ইউরোপীয় চ্যাম্পিওন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড আর ইন্টার মিলান। দুই দলই নিজেদের দেশে বর্তমানে লীগের শীর্ষে অবস্থান করছে। তাই খেলাটা দারুন লড়াই এর প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। তাই আজকের লেখা এই খেলার প্রিভিউ।

শুরু করি দুইদলের ম্যানেজার দিয়ে। ম্যানেজাররাই দুই দলের অন্যতম তারকা এবং মূল শক্তি। দুই দলের ম্যানেজারকেই বলা যায় খুব ভালো ট্যাক্টিশিয়ান। দুই জনই নিকট অতীতে চ্যাম্পিওন্স লীগে চ্যাম্পিওন হবার স্বাদ পেয়েছে। দুইজনই মাইন্ড গেমের ওস্তাদ। ফার্গুসন টানা বিশবছর ধরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের দায়িত্তে আছে। কিন্তু ফার্গুসন যেভাবে ইংলিশ রেফারীদের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারেন তেমনটা ইউরোপিয়ান রেফারীদের সাথে পারেন না। সাধারনতঃ ইউরোপিয়ান রেফারীরা হোম দলের প্রতি একটু সদয় থাকেন। ফার্গুসনের তুলোনায় মরিনহো তরুন কিন্তু বেটার গেম রীডার। তারমানে খেলা চলাকালীন সময়ে যদি কোন কিছু প্ল্যান মত না চলে তাহলে মরিনহো খুব দ্রুত ফর্মেশন কিংবা খেলোয়াড় বদলানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আর এইটাতে মরিনহো বলা যায় বিশ্ব সেরা। আর হোম ওয়ার্ক বলা যায় দুই জনই করবে কিন্তু স্কলারীর মত মরিনহো গতবাধা চিন্তা ধারার মানুষ না এবং খুবই ভালো ম্যান ম্যানেজার। দলের প্রতিটা খেলোয়াড়ের সাথেই সে বন্ধুত্ব গড়ে তুলে(এইটা চেলসির জন্য স্কলারীর ভালো ম্যানেজার হবার পথে বড় বাঁধা ছিলো) কিংবা প্রয়োজনমত কঠোরও হতে পারেন। তাই টিম স্পিরিট গড়ে তুলার ক্ষেত্রে আমি মরিনহো কে ফার্গুসন কে এগিয়ে রাখবো। অন্য দিকে ফার্গুসন মূলতঃ ফাদার ফিগার। খেলোয়াড়রা ভয় পায় কিন্তু ফ্রি বাবার চেয়ে বেশী বন্ধুত্ব আশা করতে পারে না।
.
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডঃ শক্তি ও দূর্বলতা

কালকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কাউন্টার এট্যাক নির্ভর খেলবে। আর এই ক্ষেত্রে তাদের তুরুপের তাস হলো দ্রুতগতির ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডো আর ওয়েইন রুনী। আর এর সাথে আছে টার্গেট ম্যান ডিমিটার বারবাটভ। আসলে খুব দ্রুত আক্রমনে উঠে আসার শক্তিই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এর গুরুত্বপূর্ন এওয়ে গোল এনে দেবার স্বপ্ন দেখাচ্ছে। মধ্যমাঠে মাইকেল ক্যারিক আর ফ্লেচার হবে ভালো জুটি। কিন্তু এওয়ে খেলা বলে ফার্গুসন হয়তো বুড়ো স্কলসকে ডাকতে পারেন। গোলবারের নীচে হঠাৎ করেই ভ্যান ডার সার খুবই বিশ্বস্ত হয়ে উঠেছে । এই যেনো নব্বই এর দশকের তরুন ভ্যান ডার সার। কিন্তু ম্যান ইউনাইটেডের মূল সমস্যা হলো তাদের রক্ষনভাগ। ভিদিচ সাসপেন্ডেড, ইভান্স ও পুরোপুরি ফিট না, তাই ফার্ডিনান্ডের সাথে কে রক্ষন সামলাবে তা দেখার বিষয়। রক্ষনের ডান পাশের নিয়মিত পছন্দ গ্যারী নেভিল আর ওয়েইস ব্রাউন তো ইতালীই যেতে পারেনি। জন ওশিয়ে কে খেলানো হবে কিন্তু তারও রয়েছে গোড়ালিতে ব্যাথা। আর রক্ষনভাগের বামদিকের প্যাত্রিস এভ্রা মাত্রই ইঞ্জুরী থেকে ফিরলো। তাই কালকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মূলতঃ কম গোল খাবার লক্ষ্য নিয়েই নামবে আর তাই কালকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ৪-৫-১ খেললেও আমি অবাক হব না। সে ক্ষেত্রে রুনী আর রোনাল্ডো উইঙ্গে চলে যাবে আর বারবাতভ থাকবে একক স্ট্রাইকার হিসাবে। মধ্যমাঠের লড়াইতে আরেকটু অভিজ্ঞতা যোগ করার জন্য সারপ্রাইজ হিসাবে রায়ান গিগসকেও মাঝ মাঠে খেলানো হতে পারে (চেলসির সাথে লীগের খেলায় এই গিগসকে মাঝ মাঠে খেলানোর ট্যাক্টটিক্সটা দারুন কাজ করে ছিল)।

ইন্টার মিলানঃ শক্তি ও দূর্বলতা
ইন্টার মিলান নিজের মাঠে খেলবে তাই জয় ছাড়া অন্যকিছু তারা ভাবছে না। কিন্তু যাতে কোন গোল খেয়ে না বসে এই দিকেও তাদের খেয়াল থাকবে। ০-০ হতে পারে দুই দলের জন্যই সাবধানী খেলার ভালো ফলাফল। কিন্তু ইন্টার মিলান কাল গোলের জন্য খেলবে। কারন ইন্টার মিলানের মূল শক্তিই হলো এখন আদ্রিয়ানো আর ইব্রাহমোভিচ এর স্ট্রাইকিং জুটি। দুইজনই আছে এখন দূর্দান্ত ফর্মে দুইজনই লম্বা শক্তিশালী, টেকনিক ভালো (বল পায়ে রাখতে পারে তাই সহযোগী খেলোয়াড়ের জন্য অপেক্ষায় থেকে ভালো ফাইনাল পাস দিতে পারে) এবং যথেস্টই দ্রুত। এছাড়া মধ্যমাঠে তাদের আছে এটাকিং মিডফিল্ডার স্ট্যাঙ্কোভিচ (মিডফিল্ড থেকে গোল করার ব্যাপারে যে জেরার্ড কিংবা ল্যাম্পার্ড এর মতই পারঙ্গম) আর ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার সুলি মুন্তারী। সুলি মুন্তারী হলো আফ্রিকান পাওয়ার হাউজ। পুরো ৯০ মিনিট ধরেই সে ছুটবে আর রোনাল্ডো কিংবা রুনীরে ট্যাকল কিংবা ফাউল করে বলের কাছে যেতে দিবে না। ম্যান ইউনাইটেডের মতই ইন্টার মিলানও তাদের পছন্দের সেন্ট্রাল ডিফেন্স পাচ্ছে না। আর্জেন্টাইন স্যামুয়েল আর ইতালিয়ান মাতারাজ্জি দুইজনই খেলতে পারবে না। সেট-পিস মানে কর্নার কিংবা ফ্রি কিক গুলোতে ইন্টার মিলান গোল করা কিংবা ডিফেন্ড করা দুই ক্ষেত্রেই মাতারাজ্জির অভাব বোধ করবে। কিন্তু ইন্টার মিলানের রক্ষনভাগের ডান দিকে আছে দারুন এক খেলোয়াড় মাইকন। মাইকন ওর পজিশানে এখন বিশ্বসেরাদের একজন। মাইকনের শক্তি হলো দ্রতগতিতে আক্রমনে উঠা আর নিয়মিত রাইট উইঙ্গারের মতই পারফেক্ট ক্রস করার ক্ষমতা। আমার মতে এখন ওই ইন্টারের সেরা খেলোয়াড়। কিন্তু গোলের জন্য সবাই বাজি ধরছে ইব্রাহমোভিচকেই।
.
কিছু ফ্যাক্টস আর স্ট্যাটসঃ

ইন্টার মিলান এর আগে ১৩বার ইংলিশ দলের সাথে খেলেছে। এর মধ্যে জিতেছে ৬বার ড্র করেছে ৪বার আর হেরেছে ৩বার। অন্যদিকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ইতালীতে খেলেছে ১৫বার। এর মধ্যে জিতেছে মাত্র ৩বার, ড্র করেছে ২বার আর হেরেছে ১০বার। তাই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এর জন্য ইতালী মোটেই ভাল হান্টিং গ্রাউন্ড না।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড বর্তমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিওন। এছাড়াও ১৯৯৯ আর ১৯৬৮ তেও তারা ছিলো ইউরোপ সেরা। অন্যদিকে ইন্টার মিলান সেই প্রাগৈতিহাসিক আমল ১৯৬৪ আর ১৯৬৫ সালে ইউরোপের সেরা ছিলো। ইদানীং কালে ইন্টার মিলান এর সেরা ইউরোপের সাফল্য ২০০২-২০০৩ মৌসুমে সেমিফাইনাল খেলা।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ইউরোপের সেরা ১৬ এর এই রাউন্ড হতে ২০০৫ এ এসিমিলানের কাছে হেরেছে আর ২০০৪ সালে হেরেছে পর্তুগালের পোর্তো এর কাছে আর তখন পোর্তো এর ম্যানেজার ছিলো বর্তমান ইন্টার ম্যানেজাত হোসে মরিনহো। ম্যানেজার হিসাবে মরিনহো মোট ১২ বার ফার্গুসনের মুখোমুখি হয়েছে এর মধ্যে হেরেছে মাত্র ১ বার। জিতেছে ৬ বার আর ড্র করেছে ৫ বার।

ফলাফলঃ আমার দোয়া শুভকামনা সবকিছুই আছে ইন্টারমিলানের জন্য। না আমি ইন্টারমিলান ফ্যান না। আমি এসি মিলান ফ্যান। তাই আমি ইন্টার মিলান কে দেখতে পারি না। কিন্তু ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডরে তো আমি ঘৃনা করি তাই কালকে আমি মরিনহোর সমর্থক। কিন্তু আমার ফুটবলীয় চিন্তা বলছে টাইট বোরিং খেলা যাতে ইন্টার মিলান কম ব্যাবধানের জয় পাবে।

১,৭৬৮ বার দেখা হয়েছে

৩১ টি মন্তব্য : “চ্যাম্পিওন্স লীগের নক আউট পর্ব ১”

  1. ফয়েজ (৮৭-৯৩)

    আমি মারিনহোর ফ্যান, এই লোক একটা জিনিস। :thumbup:

    ঈদানীং এহসানের পোষ্টিং এর ধাক্কায় ইংলিশ লীগের খেলা দেখা শুরু করছি। লিভারপুল তো মনে ধরা খাইয় গেল লীগে, দেখা যাক।

    আইজকা ম্যান ইউ গোল খাইব, কয়টা কবার পারি না, গোল দিতে পারব কিনা এইটা নিয়াও ডাউট, তয় গোল মনে হয় খাইব।

    দেখা যাক.........


    পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

    জবাব দিন
  2. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)
    কিন্তু ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডরে তো আমি ঘৃনা করি তাই কালকে আমি মরিনহোর সমর্থক।

    ব্যাখ্যা করতে পারব না কেন, তবে আমিও তাই... B-)
    এহসান ভাই... :hug:


    ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

    জবাব দিন
  3. রায়হান আবীর (৯৯-০৫)

    আরশাভিন খেলতে পারলে ভালো হইতো। যাই হোক, দেখা যাক কী হয় আজকে। তবে কালো ভাইদের অত্যাচারে আজকে টিভি রুমে আর্সেনালের খেলা দেখা যাবে না। তেনারা ম্যানইউর টাই দেখবো।

    জবাব দিন
  4. হাসান (১৯৯৬-২০০২)

    খুবই ভালো লাগলো লেখাটা। :salute:

    তবে ফার্গুসন বিশ বছর না, বাইশ বছরের বেশি আছেন ইউনাইটেডে....১৯৮৬ র নভেমবের হতে। 🙂

    আমি মরিনহোর ফ্যান :salute: .....আশা করি ইন্টারমিলান জিতবে....

    জবাব দিন
  5. এহসান (৮৯-৯৫)

    ডিফেন্সিভ ফর্মেশনে খেলা শুরু করলেও ম্যান ইউনাইটেড ১ম হাফ টা দূর্দান্ত খেলেছে। কিন্তু ২য় হাফ টা পুরাতাই নিজেদের ভাগে বসে ছিলো এবং ভালই ডিফেন্স করেছে। ০-০ দুই দলের জন্যই স্বস্তিকর ফলাফল। ২য় লেগে গোলসহ ড্র করতে পারলে ইন্টার যাবে। মরিনহো প্রেডিক্ট করেছে খেলা ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে।।

    তাও ইউনাইটেডেরই আক্ষেপ থাকবে বেশী আজকে। পরিস্কার সুযোগ তারাই তৈরী করেছিল।

    জবাব দিন
  6. কামরুলতপু (৯৬-০২)

    ভাইয়া আমি আপনার খেলার পোষ্ট গুলা খুব উপভোগ করি। কমেন্টাইতে আইসাও কিছু লিখতে পারি না কারন হইল খেলা দেখার কোন স্কোপ পাইনা কিছুই খবর জানিনা সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি স্কোর দেখে নেই। আমার পছন্দ বার্সা, কিন্তু ওগো জানি কি হইছে ইদানিং , জিততে পারতাছে না ।

    জবাব দিন
  7. সাকেব (মকক) (৯৩-৯৯)

    ভাই,
    আমি আপাদমস্তক ক্রিকেট ফ্যান...
    আমার একটা হাইপোথিসিস আছে- "ক্রিকেট দেখতে মজা, ফুটবল খেলতে মজা"...
    তবে আপনি এতো সুন্দর কইরা লেখেন যে, ফুটবল খেলাও দেখতে ইচ্ছা করে...


    "আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
    আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস"

    জবাব দিন
  8. এহসান (৮৯-৯৫)
    আমার পছন্দ বার্সা, কিন্তু ওগো জানি কি হইছে ইদানিং , জিততে পারতাছে না

    বার্সা তো ভালোই খেলছে আজকে। এইবার চ্যাম্পিওন তো বার্সাই হবে মনে হচ্ছে। মেসি ছাড়াও বার্সায় জাভি, ইনিয়েস্তা, এতো আর গ্রেট থিয়েরী অরি আছে। যদি ঘুম থেকে উঠতে পারো তাহলে অনলাইন খেলা দেখার লিঙ্ক দিতাম। কিন্তু ভোর ৪/৫ টার সময় উঠে খেলা দেখতে হইলে অনেকবেশী ফুটবল প্রেমী হতে হবে। কি আর করবা... এখন খালি পড়াশুনা আর লেখালেখি কর আর আমাদের কলেজের লেখার সংখ্যা বাড়াও। 🙂

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।