চিলে কান নিয়ে গেল: আমি জ্ঞানপাপীর দলে

ফেসবুকের এক্স ক্যাডেটস ফোরামে হঠাৎ করেই প্রথম আলোতে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন নিয়ে মন্তব্য/ গালি-গালাজের বন্যা বয়ে গেল। প্রথম আলোর সাংবাদিক/ যে কোনো সাংবাদিকদের নিয়ে তীর্যক/ শ্লেষাত্মক মন্তব্য পড়তে পড়তে ভাবলাম, এই পেশায় এসে কি ভুল করে ফেলেছি! তার উপর আবার দীর্ঘদিন প্রথম আলোতেই ছিলাম। এখনো প্রথম আলোতে বেশ কয়েকজন ক্যাডেট বেশ দায়িত্বশীল পদে কাজ করছে। এদের সবার নজর এড়িয়ে কি করে এমন ক্যাডেটবিরোধী একটা প্রতিবেদন ছাপা হলো!

প্রথম আলোর যুগ্ম বার্তা সম্পাদক শওকত হোসেন মাসুমকে (বরিশাল ক্যাডেট কলেজ) ফোন করলাম। বললাম কি লিখেছো তোমরা যে সব ক্যাডেটদের ক্ষেপিয়ে তুলেছো? মাসুম বললো, ও প্রতিবেদনটি পড়েনি। আমিও আসলে তখনও প্রতিবেদনটি খুটিয়ে পড়িনি। ভাবলাম ওদের প্রধান প্রতিবেদক এবং দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা নিয়ে কাজ করা স্নেহের শরিফুজ্জামানকে ফোন দিই। বলি, ‘কি মিয়া ক্যাডেট কলেজে পরীক্ষা দিয়ে সুযোগ পাওনি বুঝি! তাই ক্যাডেটদের বিরুদ্ধে লিখছো!!’ ভাগ্যিস ফোনটা ওকে করিনি। করলে লজ্জা নিজেই পেতাম। শেষ পর্যন্ত নিজেই পড়তে বসলাম প্রতিবেদনটি।

প্রতি্বেদন পড়ে আমি তো অবাক! কোথায় ক্যাডেট কলেজ বিদ্বেষী কথা! তন্ন তন্ন করে খুঁজলাম। তারপর লেখাটা কপি করে এখানে নিলাম। ক্যাডেটদের ক্ষোভ জন্মাতে পারে বলে মনে হলো যেসব জায়গা সেগুলো বোল্ড করলাম। “কৌশলে সেরা হওয়ার দিন শেষ”- কাদের সম্পর্কে বলা হয়েছে? প্রতিবেদনটি নিচে তুলে দিয়ে লেখার সুবিধার জন্য আমি নম্বর দিয়ে প্যারাগুলো চিহ্নিত করে নিলাম।

দুই নম্বর প্যারায় সেটা স্পষ্ট। ক্যাডেট কলেজ তো এই ক্যাটাগরিতে পড়ে না। তাহলে?

সাত নম্বর প্যারায় বলা হয়েছে, …. সেরা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচ্য হওয়ায় ক্যাডেট কলেজগুলোর একচেটিয়া প্রভাব কিছুটা ক্ষুণ্ন হয়েছে। অন্যদিকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাঁচ বিবেচ্য বিষয় অনুযায়ী সেরা তালিকায় আসতে পারেনি। এখানে কি ক্যাডেট কলেজগুলোকে কৌশলী বলা হয়েছে? আবার পড়লাম। দেখলাম শেষ বাক্যে সেটা আছে। কিন্তু ক্যাডেট কলেজ যে তা নয় সেটাও প্রতিবেদনে পরিস্কার। প্রতিবেদক সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ের বর্তমান পদ্ধতি ব্যাখ্যা করে বলেছেন, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচ্য হওয়ায় ক্যাডেট কলেজগুলোর একচেটিয়া প্রভাব কিছুটা ক্ষুণ্ন হয়েছে। তো কি ভুল লিখেছেন যে ক্যাডেটদের এমনভাবে চটে উঠতে হবে? আর তাতে কি ক্যাডেট কলেজের মর্যাদা কোনোমতেই ক্ষুন্ন হয়েছে?

আট এবং দশ নম্বর প্যারায় দুটি ক্যাডেট কলেজের ফল উল্লেখ করে বর্তমান পদ্ধতিতে তারপরও কেন অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের উপরে স্থান পেল তার উদাহরণ দিয়েছেন।

কথা তো এই! এ নিয়ে এতো চিল চিৎকার! এ নিয়ে সাংবাদিকদের তুলোধুনো, গালি-গালাজ! এরপরও আমরা দাবি করি আমরা সেরা! আমাদের শিক্ষাদীক্ষা সেরা! আমরা সেরা মানুষ! জনগণের কষ্টের অর্থে পড়াশুনা করে নিজেদের কার কাছে বড় করতে চাইছি আমরা?

সত্যি বলছি, ক্যাডেট বলে আমি লজ্জা পেয়েছি। পিন্টু (শরিফুজ্জামান), দয়া করে আমাকে ক্ষমা করো ভাই। ক্যাডেট বলেই আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাইছি।

সানাউল্লাহ/ ফকক/ ২১তম (১৯৭৪-৮০)
বার্তা ও অনুষ্ঠান প্রধান, এবিসি রেডিও
সাবেক প্রধান বার্তা সম্পাদক, প্রথম আলো
………………………………………………………………………………

(প্রথম আলোতে ছাপা হওয়া প্রতিবেদনটি এখানে)

মাধ্যমিকের ফল বিশ্লেষণ
কৌশলে সেরা হওয়ার দিন শেষ

শরিফুজ্জামান | তারিখ: ১৪-০৫-২০১১/ প্রথম আলো

এক. একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে সবাই পাস করল, সবাই পেল জিপিএ-৫। আরেকটি প্রতিষ্ঠান থেকে সহস্রাধিক শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিল, দু-চারজন ফেল করল, উত্তীর্ণদের কয়েকজন জিপিএ-৫ পেল না। এ দুটি প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণ হবে কীভাবে?

দুই. কয়েক বছর ধরে এ প্রশ্নের জবাব খুঁজতে খুঁজতে একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থানে পৌঁছেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। জিপিএ পদ্ধতির শুরুতে পাসের হার ও জিপিএ-৫-এর সংখ্যা বিবেচনায় সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হতো। এর ফলে কিছু বাণিজ্যিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অসম প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠে। ওই সব প্রতিষ্ঠান নবম শ্রেণীতে বেশিসংখ্যক ছাত্র ভর্তি করে দফায় দফায় তাদের বাছাই করত। দুই বছর ধরে বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে ছাঁটাইয়ের পর অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থীকে ওই সব প্রতিষ্ঠান এসএসসি পরীক্ষার সুযোগ দেয়। বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে গড়া ওই সব প্রতিষ্ঠান তাদেরই এসএসসি পরীক্ষার সুযোগ দিচ্ছিল, যাদের সবাই পাস করবে এবং অধিকাংশই জিপিএ-৫ পাবে। এই কৌশলের ওপর ভর করে ওই স্কুলগুলো বোর্ডের সেরা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি নিয়ে বছরজুড়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের চেষ্টা করত।

তিন. কিছু প্রতিষ্ঠানের এই অপতৎপরতা বন্ধে সেরা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে গত কয়েক বছর নিবন্ধনের সংখ্যা এবং পরীক্ষার্থীর সংখ্যাসহ কিছু বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়। তাতেও এই নির্বাচনের বিষয়টি সঠিক হচ্ছিল না। এ বছর চারটি বিবেচনার পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে ১০ নম্বরের আরও একটি বিষয়, তা হলো প্রতিষ্ঠানের মোট পরীক্ষার্থীর পাওয়া জিপিএ যোগ করে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা এবং ওই ভাগফলকে দুই দিয়ে গুণ করা।

চার. পাঁচটি বিবেচনা, ১০০ নম্বর: এ বছর থেকে প্রতি বোর্ড সেরা ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচনের ক্ষেত্রে পাঁচটি বিষয় বিবেচনায় এনেছে। এর মধ্যে প্রথম হচ্ছে, কত শিক্ষার্থী নবম শ্রেণীতে নিবন্ধন করেছিল এবং তার মধ্যে নিয়মিত কতজন পরীক্ষা দিল, এ জন্য নম্বর ২৫। পরীক্ষার্থীদের উত্তীর্ণ হওয়ার হার, নম্বর ২৫। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা বিবেচনার জন্য নম্বর ৩০। মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় নম্বর সর্বোচ্চ ১০ (এক থেকে ৫০ পরীক্ষার্থীর জন্য এক, ৫০ থেকে ৯৯ পরীক্ষার্থীর জন্য দুই, ১০০ থেকে ১৪৯ পরীক্ষার্থীর জন্য নম্বর তিন এবং এভাবে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৫০০ এবং তার বেশি হলে নম্বর ১০)।

পাঁচ. এ বছর নতুন যুক্ত হয়েছে ১০ নম্বরের আরও একটি বিবেচ্য বিষয়। এর মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠানে মোট শিক্ষার্থীর পাওয়া জিপিএ বিবেচনা করা হবে। ধরা যাক, একটি প্রতিষ্ঠানে চারজন ছাত্র, তাদের জিপিএ ৫, ৪, ৩, ০। চারজনের মোট জিপিএ যোগ করলে হয় ১২ এবং এই সংখ্যাটি চারজন শিক্ষার্থী দিয়ে ভাগ করলে হয় তিন, এরপর নিয়ম অনুযায়ী পাওয়া তিন সংখ্যার সঙ্গে দুই গুণ করতে হবে। তাহলে ওই প্রতিষ্ঠানের মূল্যায়ন হবে ১০ নম্বরের মধ্যে ছয়।

ছয়. ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান ফাহিমা খাতুন প্রথম আলোকে বলেন, কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে চিন্তাভাবনা করে সেরা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে এসব বিবেচ্য বিষয় নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এর ফলে অসম প্রতিযোগিতা দূর হবে এবং সেরা তালিকায় মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত হওয়া নিশ্চিত হবে।

সাত. কিছু দৃষ্টান্ত: ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পাঁচটি বিষয় বিবেচনা করায় সেরা প্রতিষ্ঠানের তালিকা নির্বাচনে অনেকটা সমতা ফিরে এসেছে। সবগুলো বোর্ড এই নিয়ম অনুসরণ করছে। আটটি বোর্ডে মোট ১৬০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সেরা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এগুলোর মধ্যে বেশির ভাগই নামকরা প্রতিষ্ঠান। সেরা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচ্য হওয়ায় ক্যাডেট কলেজগুলোর একচেটিয়া প্রভাব কিছুটা ক্ষুণ্ন হয়েছে। অন্যদিকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাঁচ বিবেচ্য বিষয় অনুযায়ী সেরা তালিকায় আসতে পারেনি।

আট. ঢাকা বোর্ডের ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ থেকে ৪৯ জন ছাত্রী নিবন্ধন করেছিল। সবাই পরীক্ষা দিয়েছে, সবাই পাস করেছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে সবাই। কিন্তু বোর্ডের সেরা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ওই প্রতিষ্ঠানের অবস্থান পঞ্চম। নম্বর ১০০-তে ৯০।

নয়. একই বোর্ডে প্রথম স্থান লাভ করা রাজউক উত্তরা মডেল স্কুলে যত ছাত্র নিবন্ধন করেছিল, তাদের সবাই পরীক্ষা দেয়নি, যারা পরীক্ষা দিয়েছে তারা সবাই জিপিএ-৫ পায়নি। তবে পাস করেছে শতভাগ এবং ওই প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্ত নম্বর ১০০-তে ৯৫ দশমিক ৬৬।

দশ. আবার কুমিল্লা বোর্ডে ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ থেকে নিবন্ধন করা ৪৬ জন ছাত্রীর সবাই পরীক্ষা দিয়েছে, পাস করেছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানটির প্রাপ্ত নম্বর ৯০ হলেও বোর্ডে প্রথম হয়েছে কুমিল্লা জিলা স্কুল। কারণ জিলা স্কুলে নিবন্ধন করা ৩২১ জনের সবাই পরীক্ষা দিয়েছে, পাস করেছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮৪ জন।

এগার. ঢাকা বোর্ড কম্পিউটার সেন্টারের সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট মনজুরুল কবীর প্রথম আলোকে বলেন, সেরা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে কীভাবে ভারসাম্য ও সঠিকতা আনা যায়, সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে পাঁচটি বিবেচ্য বিষয় নির্ধারিত হয়েছে। আগের তুলনায় এটা অনেক বেশি যৌক্তিক বলে মনে করেন তিনি।

(ফেসবুকের উত্তাপ সিসিবিতেও পড়েছে। রেজা শাওন (২০০১-২০০৭) এরই মধ্যে “জ্ঞানপাপী”দের নিয়ে লিখেছে। সেখানে নানা মন্তব্যও পড়ছে। আমার মন্তব্যটি প্রায় এগারশ শব্দের হওয়ায় আলাদা পোস্ট আকারেই এখানে দিলাম। আশা করি রেজার লেখায় যারা মন্তব্য করেছে, সবাই এই লেখাতেও আশা করি মন্তব্য করবে)

৩,৫১১ বার দেখা হয়েছে

৩৫ টি মন্তব্য : “চিলে কান নিয়ে গেল: আমি জ্ঞানপাপীর দলে”

  1. কামরুলতপু (৯৬-০২)

    ব্লগের লেখাটা পড়েই কমেন্টে একই কথা বলতে চেয়েছিলাম। যারা চীৎকার করেছে তাদের মনে হয় বাংলা বাক্য গঠন ভুল হচ্ছে।

    সেরা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচ্য হওয়ায় ক্যাডেট কলেজগুলোর একচেটিয়া প্রভাব কিছুটা ক্ষুণ্ন হয়েছে। অন্যদিকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাঁচ বিবেচ্য বিষয় অনুযায়ী সেরা তালিকায় আসতে পারেনি।

    অন্যদিকে শব্দটা থাকার কারণে দুইটা বাক্যের মধ্যে কোন সম্পর্ক থাকার কথা নয়। কিন্তু বেশি আঁতলামি হবে ভেবে সেখানে কমেন্ট করা থেকে বিরত ছিলাম।

    জবাব দিন
    • রেজা শাওন (০১-০৭)

      তপু ভাই মাফ করবেন। বানান এবং বাক্য গঠনে অসংখ্য ভুলবিশিষ্ট একটি সাধারণ লেখা নিয়ে চিৎকার করার মত সাহস আমি কখনই রাখি না।।

      তারপরও একটা কথা বলি...

      "সেরা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচ্য হওয়ায় ক্যাডেট কলেজগুলোর একচেটিয়া প্রভাব কিছুটা ক্ষুণ্ন হয়েছে। অন্যদিকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাঁচ বিবেচ্য বিষয় অনুযায়ী সেরা তালিকায় আসতে পারেনি।"

      এই অংশটুকু আমার লেখা নয়।এটা প্রথম আলোতে প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের কিছু অংশ। বাক্য গঠনে ভুলের দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকের। (সম্পাদিত)

      জবাব দিন
  2. রাব্বী (৯২-৯৮)

    এই নিয়েছে, ওই নিলো যা, কান নিয়েছে চিলে
    চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে!

    ক্যাডেট কলেজ আমাদের হাই স্কুল ছিল, আমাদের সবারই অনেক আবেগ এবং কৈশোরের দিনগুলোর দুঃখ-সুখের স্মৃতি জড়িয়ে আছে প্রতিষ্ঠানটির সাথে। তাই বলে, এটা নিয়ে আলগা আদিখ্যেতা দেখতে/পড়তে একদম ভাল লাগে না।

    সাংবাদিকতা পেশাকে আমি সম্মান করি। সংবাদ নিয়ে সমালোচনা ভাল। কিন্তু না জেনে ঢালাও সমালোচনাটা [পড়ুন গালিগালাজ] একেবারেই সমর্থন করি না।


    আমার বন্ধুয়া বিহনে

    জবাব দিন
  3. সামিয়া (৯৯-০৫)

    শুধু ওই লাইনটা পড়লে আসলেই একটু কেমন জানি লাগে। ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা যদিও একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। পঞ্চাশটা ছাত্র হ্যান্ডেল করার চেয়ে তিনশ ছাত্র হ্যান্ডেল করা অনেক কঠিন। কেমন জানি লাগসিলো বলে নিজেই লজ্জা পাচ্ছি :shy: । তবে

    দুই বছর ধরে বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে ছাঁটাইয়ের পর অল্পসংখ্যক শিক্ষার্থীকে ওই সব প্রতিষ্ঠান এসএসসি পরীক্ষার সুযোগ দেয়। বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে গড়া ওই সব প্রতিষ্ঠান তাদেরই এসএসসি পরীক্ষার সুযোগ দিচ্ছিল, যাদের সবাই পাস করবে এবং অধিকাংশই জিপিএ-৫ পাবে।

    এই কথাটা একটু অদ্ভুত লাগলো। বাণিজ্যিক বলতে উনি কোন স্কুলগুলোকে বুঝাতে চেয়েছেন, আর বিভিন্ন পরীক্ষা মানে কি টেস্ট, প্রিটেস্ট, ক্যাজুয়াল টেস্ট এগুলা? আমার জানামতে যেকোন (মতান্তরে ভাল) স্কুলই টেস্টে পাশ না করা ছাত্র ছাত্রীকে এলাও করেনা এসএসসি বা এইচএসসিতে। এটা যেকোন ছাত্র ছাত্রীকে কমপিটেন্ট করে তোলে। এটাকে উনি ঠিক বাণিজ্যিক ভাবে কেন দেখছেন জানতে ইচ্ছা করছে।

    তবে মাঝে মাঝে পেপারে যে উলটা পাল্টা লেখে না এটা কিন্তু ভাইয়া অস্বীকার করা যাবেনা। সম্ভবত সমকালে, কিম্বা প্রথম আলোরই রেজাল্টের দিনের কলাম, হেডলাইন, ক্যাডেট কলেজে পাশের হার ৯৯ দশমিক ব্লা ব্লা। কারণটা লেখে নি, আসল কারণ একজন অসুস্থ ছিল। ওই একজন বাদে বাকি সবাই যে জিপিএ পাঁচ, এটা ফোকাস করা উচিৎ ছিল। সত্যি বলতে কি, (রেজার পোস্টেও একই কথা লিখসি) যারা সত্যি সত্যি ভাল রেজাল্ট করবে, তারা পেপারে ভাল লিখলেও করবে না লিখলেও করবে। তাই এগুলো নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলবে।

    জবাব দিন
    • সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

      সামিয়া, ওইসব প্রতিষ্ঠানের নাম ইচ্ছে করেই লেখেনি। তাহলে বিরাট হিসাব নিয়ে বসতে হবে। তবে প্রয়োজন হলে প্রথম আলো লিখবে। দুনম্বরী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কুকীর্তি নিয়ে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি লিখেছে প্রথম আলো। ক্যামব্রিয়ান....... এরকম আরো নাম মনে পড়ে?

      যেটা বলা হচ্ছে, এরা টাকা কামানোর জন্য প্রথমে প্রচুর শিক্ষার্থী নেয়। টাকা কামায়। তারপর বেছে বেছে যারা ভালো ফল করবে তাদেরই পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেয়। এতে ফল ভালো হয়। সবাই ভাবে আরে ক্যামব্রিয়ান থেকে ১০০ জন পরীক্ষা দিয়েছে, শতভাগ পাস, ৬০ জন জিপিএ-৫। চলো ওদের ওখানে ভর্তি করাও।


      "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

      জবাব দিন
      • আমিন (১৯৯৬-২০০২)

        ক্যামব্রিয়ান আর মাইলস্টোন এই দুইটার নাম সরাসরি বলে গেলাম। কারণ এই দুইটা কলেজে আমার কাজিন আড় ভাইকে ভর্তি করিয়ে তার ভুক্তোভোগী আমি। এই সব প্রতিষ্ঠানের মাঝে চলা নোংরামিগুলো সম্পর্কেও হালকা পাতলা ধারণা আছে। তবে আমার কাছে যথাযথ এভিডেন্স নাই।
        তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসাবে এরা অসৎ সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। এই প্রতিষ্ঠান গুলোর বিজ্ঞাপন কিন্তু ঐ সেরা দশে ডোজাই। অথচ মজা হলো, এরা ছাত্র নেয়ার ক্ষেত্রে মোটা অংকের টাকা নেয় আবার আইওয়াশ কিছু জিপিএ ফাইভ ফ্রি ভর্তি করায়। তারপরে ধাপে ধাপে তারা ছাত্র ছাটাই করতে থাকে। আবার অসমর্থিত সূত্র( আমার ভাই , কাজিনদের কাছে শোনা) আরো কিছু তথ্য শুনেছি। যাচাইয়ের অভাবে সেগুলোর সত্যতা বের করা সম্ভব হয়নি।
        পোস্ট টার জন্য ধন্যবাদ লাবলু ভাই। গত কয়েকদিন সবকিছু থেকে দূরে থেকে এখানে এসে হৈ চৈ দেখে ধান্ধায় পড়ে গেছিলাম। আপনার পোস্ট পুরো ব্যাপারটা পরিষ্কার করলো।

        জবাব দিন
  4. Moin (98-04)

    জানিনা কার কি নিয়া কষ্ট লাগছে,কিন্তু আমার প্রশ্ন কিছু হইলেই ক্যাডেট কলেজ় নিয়া ব্যাবচ্ছেদ হয় কেন????আমরা কি তাহলে দেশের শিক্ষার মানদন্ড হিসেবে বিবেচিত????তাহলে আমাদের মানদন্ড হিসেবে ঘোষণা করা হওক।
    যে যাই বলুক,কোন সন্দেহ নাই যে এই কলাম টা ক্যাডেট বিরোধীদের জন্য খুবই মুখরোচক।আর এই ফলাফল,শ্রেষ্ঠ্যত্যের কথা নিয়ে যখন কেউ ফোড়ন কাটবে তখন যে কোন ক্যাডেটেরই চান্দি গরম হবে কারন ক্যাডেটদের ভাল ফলাফলের জন্য বরাবরই বিব্রতকর প্রশ্ন,মন্তব্যের শিকার হতে হয়............ ব্যপারটা এখন এলারজি তে পরিণত হয়ে গেছে।যেই ক্যাডেটের এই allergy তে চুল্কায় না সে কোন ক্যাডেটর জাতেই পড়েনা......cz we,THE CADETS always share the same antigen......

    জবাব দিন
    • সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

      মইন ধন্যবাদ। তোমার জন্যই নিজের মন্তব্যটা ফেসবুক থেকে ধার করে আনলাম।

      সাংবাদিকতা পেশায় আছি বলেই এটা লিখেছি। নইলে যে নিজের কাছেই অপরাধী থেকে যেতাম। শরিফুজ্জামানকে কেউ যদি এসব মন্তব্য পড়তে দেয়, সে ক্যাডেটদের সম্পর্কে কী ধারণা নেবে? তাই বড় হয়েও আমি ওর কাছে প্রকাশ্যেই ক্ষমা চাইলাম। একইসঙ্গে আশা করি, গত দুদিন যারা এখানে ঝড় তুলেছে সৎসাহস নিয়ে তারাও এগিয়ে এসে দুঃখ প্রকাশ করবে। ভুল স্বীকারে কোনো দোষ নেই। বরং ভুলকে জোর করে আঁকড়ে ধরে রাখলে বিপদ। ক্যাডেটদের সম্পর্কে বাইরে যে ভুল ধারণাগুলো হয়, সেটা কিন্তু এসব অহংবোধের কারণে। আমার মধ্যেও তেমন নেই বলবো না। তবে সবসময় চেষ্টা করি মনে রাখতে যে, জনগণের কষ্টের টাকায় সেরা প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করেছি। তাই আমাকে তাদের ঋণ শোধ করে যেতে হবে আজীবন। বিনয়ী হতে হবে। বড়দের, অপরিচিতদের শ্রদ্ধা করতে হবে। কারো সম্পর্কে একটা খারাপ কথা বলার আগে দশবার ভাবতে হবে, প্রমাণ পেতে হবে।


      "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

      জবাব দিন
  5. Moin (98-04)

    বড়ভাই,সাংবাদিকতা অনেক মহান একটা পেশা............এ পেশা সত্য কে নিয়ে কাজ করে............ আমরাও তাই আশা করি।কিন্তু কষ্ট লাগে যখন এই পেশা বিতর্কের জন্ম দেয়।সচেতন আমাদের সবার ই হওয়া উচিত-গালিগালজের ক্ষেএে,আবার সত্য প্রকাশের ক্ষেএেও।আবেগের তাড়নায় আমরা অনেক কিছু বলেছি আশা করি 'বড় গুণে' ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টীতে দেখবেন..................সেই সাথে এটাও আশা করি,আমাদের আবেগ কে মূল্যায়ন করে ক্যাডেট কলেজ নিয়ে সাধারণ মানুষের ভুল ধারণা ভাঙ্গানোর গুরুভারটাও নিবেন।জনগণের কাছে আমরা যেমন ঋণী,তেমনি ঋণী ক্যাডেট কলেজের কাছে।এক কর্তব্য পালন করতে গিয়ে বাকি কর্তব্য ভুলে গেলে কি আদর্শ নাগরিক হতে পারব?????senior হিসেবে আপনারা আমাদের পথ দেখান..................সাথী হিসেবে সবসময় পাবেন ইনশাল্লাহ......cz we share the same antigen!!!!!

    জবাব দিন
  6. রেজা শাওন (০১-০৭)

    সানাউল্লাহ ভাই আপনার মতামতের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখে কিছু কথা বলছি…

    ফলাফল বিশ্লেষণের এই প্রতিবেদন টা আসার আগে প্রথম আলোতে “আন্তঃ বাহিনী যোগাযোগ পরিদপ্তর” এর বরাত দিয়ে একটা রিপোর্ট আসে। এটা সম্ভবত ফলাফল প্রকাশিত হবার পরের দিনের কথা। আগুনের শুরু টা সম্ভবত সেখান থেকেই। অন্যদের কথা জানিনা। পাবনা ক্যাডেট কলেজের ফলাফলে বলা হয়েছে, ৪৯ পরীক্ষার্থীর সবাই পাশ করেছে, জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪৭ জন। অথচ এই কলেজের ৪৯ জনের সবাই সকল বিষয়ে এ+ সহ জিপিএ ৫ পেয়েছে!!!আমরা ফলাফল সংক্রান্ত সংশোধনীটা তো নিদেন পক্ষে আশা করেছিলাম আজকে!! কিন্তু ওই সংশোধনীর আসা,আশা পর্যন্তই…!!

    এর পর দিন “কৌশলে সেরা হবার দিন শেষ” প্রতিবেদনটি আসে। এখানে কিছু ব্যাপারে অস্পষ্টতা ছিল। যেটা অনেকেই বোঝেনি, আমি নিজেও বুঝিনি। কিন্তু তারপরও যেটা বলতে চেয়েছি, সেটা হল, প্রতিযোগিতার এই ইঁদুর দৌড়ে আমরা নামতে চাইনি। কার প্রভাব ক্ষুণ্ণ হল, কার বাড়ল;এই সব ব্যাপারে ক্যাডেট কলেজের কোন মাথা ব্যাথা নেই। ভাল ফলাফলের জন্য সাধুবাদ কারও কাছে চাই না, তাই বলে ভুলের বিষবাষ্পে ব্যাপারটাকে উড়েয়ে দেবেন,এটা কেন?

    প্রথম আলোতে নাকি দায়িত্বশীল অনেকই ক্যাডেট। তারপরও এই ভুল গুলো ভুলই আছে। এই ব্যাপারটা চিন্তা করলেও খারাপ লাগে ভাইয়া।

    এখনও মনে হয় বড় হতে পারিনি। তাই তুচ্ছ কিছু ব্যাপার নিয়ে এখনও ছোটদের মত কষ্ট পাই। আর ব্যাপারটা যদি হয় আমার কলেজকে নিয়ে তাহলে কষ্টটা কোথায় যেন একটু বেশিই তীব্র!!

    প্রথম আলোর ওই রিপোর্ট টা দেখে, যারা না বুঝে অহেতুক গালা গালি করেছে, তারা
    মনে হয় সবাই আমারই মত।। এখনও বড় হতে পারেনি…।।

    ক্যাডেট মাত্রই অনুভুতিপ্রবন। আর সেটা কলেজ সংশ্লিষ্ট হলে, অনুভূতিটা মনে হয় একটু লাগামছাড়া।।তারপরও আমরা এমন কিছু করতে পারি না, যা সমগ্র ক্যাডেট পরিবারকে বিতর্কিত করে।।

    আমারা দুঃখিত ভাইয়া। ক্ষমা করে দেবেন।।

    (সম্পাদিত)

    জবাব দিন
    • সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

      ভাই রেজা, দেখ তো ২টি পত্রিকার খবর দিলাম ১৩ তারিখের। পাবনা ক্যাডেট কলেজ নিয়ে কি বলা আছে? কোনো পার্থক্য আছে? যদি আইএসপিআর ভুল তথ্য দেয় এবং তারা সংশোধন না করে তাহলে কিভাবে পত্রিকা জানবে যে তারা ভুল করেছে? ক্যাডেট কলেজ সম্পর্কে তথ্য পত্রিকাতে কে দেয়?

      প্রথম আলোর প্রতিবেদন:

      কালের কণ্ঠের প্রতিবেদন:


      "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

      জবাব দিন
  7. আন্দালিব (৯৬-০২)

    চিলে কানের চেয়ে আমার মনে হয় "তিল থেকে তাল" আপ্তবাক্যটা এই ঘটনায় ভালো খাটে। যে অংশ নিয়ে তোলপাড়, সেই বাক্যটা এমন কিছু না। প্রথমে সেটা পড়ে কিছু নন-ক্যাডেট যেমন হৈচৈ করেছে, তাতে এক দফা তিলটা একটু বড়ো হয়েছে। তারপর যখন সেটা ক্যাডেট-বনাম-ননক্যাডেট তর্কাতর্কি (পড়ুন, ঝগড়া) -তে রূপ নিয়েছে, তখন তিল আর তিল নাই, ডাব হয়ে গেছে।

    এই সুযোগে কিছু চিল "কান নিয়ে গেলাম" বলে হাঁক ছাড়লে সবাই একটু ব্যস্ত হয়ে উঠেছিলো। 🙂

    তবে এইটাও ঠিক, লাবলু ভাই ক্যাডেট বলেই যাচাই করছেন। গতকাল থেকে নানা বিষয়ে দেখা যাইতেছে যে যাচাই না করে কোন কথাই আর মেনে নেয়া বা সায় জানানো যাবে না। সবাই খুউব খিয়াল কৈরা। 😕

    লাবলু ভাই, মূল লেখাসহ বিষয়টা তুলে আনার জন্যে ধন্যবাদ নিবেন। :hatsoff:

    জবাব দিন
  8. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    পত্রিকার রিপোর্টটি পড়া না থাকায় ঐ পোস্টে কমেন্ট করা হয়নি। তবে ইতিপুর্বে বহুবার ক্যাডেট কলেজ সম্পর্কে এ ধরনের বিভিন্ন লেখা ছাপা হওয়ায় মনে কোন প্রশ্নই আসেনি। কারন প্রতিবার রেজাল্ট এর পরে ক্যাডেট কলেজগুলোর ফলাফল দেখে খুশী হয়ে ওঠা আর কলেজের স্মালোচনা করে লেখা পড়ে বা আশেপাশের মানুষের কথা শুনে মেজাজ গরম হওয়া রুটিন হয়ে দাড়িয়েছে। প্রথম প্রথম বেশ প্রতিক্রিয়া দেখাতাম, এখন গঠন্মূলক কিছু না হলে পাত্তা দেই না। কিছু লোক থাকবেই যারা এগুলো বলবেই, যদি সুযোগ থাকলে কিছু ভুল ভাঙ্গানোর চেষ্টা করি, তা না হলে মাথা ঘামাই না।

    আশেপাশের সাধারন মানুষের বিরুদ্ধবাদীতা হয়ত মেনে নেয়া যায় কিন্তু এটা বুঝি না কেন জ্ঞানী লোকদের এক শ্রেনী ক্যাডেট কলেজ সিস্টেমের প্রতি এমন বিরুপ মনোভাব রাখে? আর আমাদের ক্যাডেটদেরো আরো সচেতন হওয়া উচিত, ক্যাডেট কলেজ নিয়ে আমরা অবশ্যই গর্ব করবো কিন্তু সেটা যেন দম্ভ না হয়ে যায়। কী-বোর্ড বা চাপার জোরে নয়, আমাদের কাজ দিয়েই এসকল বিরুদ্ধবাদীদের জবাব দিতে হবে। গালাগালি বা বিষাদাগার করে আমরা নিজেদেরকে অন্য কারো থেকে 'ভাল' সেটা কখনোই প্রমান করতে পারবো না।

    সবশেষে মূল লেখা সহ এ বিষয়টা তুলে আনার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ লাবলু ভাই :hatsoff:


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  9. পাবন (২০০৪-২০১০)

    ১. একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঠিক তত জন শিক্ষার্থী নেওয়া উচিত যতজনের শিক্ষার মান তার দারা নিশ্চিত করা সম্ভব।
    একটি ক্যাডেট কলেজ এর দ্বারা ৫০ জন সম্ভব তাই তারা সেভাবেই শিক্ষার্থী গ্রহন করে এবং আমার জানামতে তাদেরকে সেভাবে গড়েও তোলা হয়।
    কোন প্রতিষ্ঠান যদি ৫০০ শিক্ষার্থী গ্রহন করে তবে তাদের সবাইকেই সমান ভাবে গড়ে তুলতে পারা উচিত। কম পক্ষে ৪০০ জন "এ+" পেলে বাকিদের "এ" পাওয়া উচিত।

    না পারলে এটা সেই প্রতিষ্ঠানের ব্যার্থতা।

    ২. লেখার ভিতরে যদি ব্যাকরনের কোন ভুল থাকে তবে তার দায়ভার লেখক কেই নিতে হবে।

    "সেরা প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচ্য হওয়ায় ক্যাডেট কলেজগুলোর একচেটিয়া প্রভাব কিছুটা ক্ষুণ্ন হয়েছে। অন্যদিকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাঁচ বিবেচ্য বিষয় অনুযায়ী সেরা তালিকায় আসতে পারেনি। "

    এটা পড়ার পরে সাধারন মানুষের মনে কি প্রশ্ন জাগবে সেটাই ভাবা দরকার।

    ৩. "কৌশলে সেরা হওয়ার দিন শেষ" শিরনাম টাও প্রশ্ন জাগায়, কেননা লেখাটিতে ক্যাডেট কলেজ বাদে আর কোন প্রতিষ্টানের নাম উল্লেখ করা হয় নি "একচেটিয়া প্রভাব কিছুটা ক্ষুণ্ন হয়েছে" বলে।


    Proud to be a Cadet,
    Proud to be a Faujian.

    জবাব দিন
    • আন্দালিব (৯৬-০২)
      কোন প্রতিষ্ঠান যদি ৫০০ শিক্ষার্থী গ্রহন করে তবে তাদের সবাইকেই সমান ভাবে গড়ে তুলতে পারা উচিত। কম পক্ষে ৪০০ জন “এ+” পেলে বাকিদের “এ” পাওয়া উচিত।

      পরিসংখ্যানের একটা বিষয় আছে এখানে। ৫০ জনের যত্ন নিয়ে ৫০ জনকেই গড়ে তোলা যায়, কিন্তু ৫০০ জনের যত্ন নিতে গেলে কিছু ছাত্র খারাপ করবেই। সম্ভাবনার সূত্রও তাই বলে, তাই না?

      জবাব দিন
  10. রায়হান আবীর (৯৯-০৫)

    যদি সত্যিকার অর্থেই 'ক্যাডেট কলেজ কমিউনিটি' কে ছোট করে রিপোর্ট আসতো তাতেও গা করতাম না। এইসব নিয়ে অহেতুক মাতামাতি, অতিরিক্ত ক্যাডেট ফিলিং দেখানো অপরিপক্কতা লাগে, কাউকে করতে দেখলে ক্যাডেট হিসেবে বিব্রত হই। এইটা আমার ব্যক্তিগত অনুভূতি- সবার সাথে না মিলতেও পারে।

    আর আপনার লেখাটা নিয়ে বলার কিছু নেই। অন্ধ ফিলিংস এর বহিঃপ্রকাশ এমনি হওয়ার কথা। আমি বুঝিনা, পত্রিকায় ক্যাডেট কলেজে নিয়ে খ্রাপ কথা লেখায় সত্যিকার অর্থেই কী আসে যায়। ফেসবুকে ইদানিং প্রশ্ন প্রশ্ন খেলা খুব বাড়ছে। সেখানে কয়েকটা জনপ্রিয় প্রশ্ন হলো বাংলাদেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়/কলেজ/স্কুল কোনটি। আমার বন্ধু তালিকায় কাউকে নিজের ইন্সটিটিউশনকে সেরা বলা ছাড়া অন্য কোনো অপশনে দাগাইতে দেখিনাই। আমরা নিজেদের অবস্থানকে সেরা বলি, সেরা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই- কারণে কিংবা অকারণে।

    এসএসসি পরীক্ষায় কতোভালো রেজাল্ট করলো ক্যাডেট কলেজগুলো, পত্রিকায় সেটা ফলাও করে প্রচার হলো কিনা এসব খেয়াল করার চেয়ে সত্যিকারের শিক্ষিত হওয়ার হার, বিজ্ঞানচর্চার হার, মানসিকতা উন্নয়নের হার কীভাবে ক্যাডেট কলেজগুলোতে বাড়ানো যায় এইসব বিষয়ে এলুমনাইয়ের নজর দেওয়া প্রয়োজন। সেটা কতোটা দেওয়া হয় তা নিয়ে সন্দেহ আছে। নিজেদের 'আলাদা' এবং 'সেরা' হিসেবে পত্রিকায় দেখানোর চেয়ে ভেতরে সেরা হওয়ার চেষ্টা করা বাঞ্চনীয়। অনেক বড় বড় কথা বললাম- কেউ ভুল বুঝবেন না আশা করি।

    আর প্রথমআলো প্রসঙ্গে একটা পয়েন্ট বলতে চাই। রেজাল্ট পরের দিনের রিপোর্টে ক্যাডেট কলেজে সম্পর্কে প্রথমআলোর রিপোর্টে হেডিং ছিলো, ক্যাডেট কলেজে পাশের হার ৯৯দশমিক ৮৭ শতাংশ। তেরোটা ক্যাডেট কলেজে যেখানে পাঁচজনবাদে সবাই এপ্লাস পেয়েছে সেখানে মাত্র একজনের ফেল করার ঘটনা হেডিং করাটাও ঠিক হয়নি বলে মনে হয়। পরের যে রিপোর্ট নিয়ে মাতামাতি ঐ রিপোর্ট আমি পেপারেই পড়ছি, পড়ে বুঝছি এবং এই কারণে সিসিবির ঐ পোস্টে ঢুকেও দেখিনাই।

    জবাব দিন
  11. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    সানাউল্লাহ ভাই,
    চমৎকার লিখেছেন।
    আমি ও প্রথম আলোর লেখা পড়ে দেখলাম।
    আপত্তিকর কিছু খুঁজে পেলাম না।
    আর কৌশলের কথা তো ক্যাডেট কলেজের ক্ষেত্রে বলা হয়নি।
    বরং সাংবাদিক ভাই তো ক্যাডেট কলেজের প্রসঙ্গ তুলে নতুন নিয়মের সমস্যাগুলো চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন।
    যাই হোক যে যার মতো বুঝে নিক।
    সাংবাদিকতা মহান পেশা এতে সন্দেহ নেই।
    কিন্তু যারা দৈনিক সংগ্রাম, দৈনিক ইনকিলাবে কাজ করে তারা কি ধরনের মহান পেশায় নিয়োজিত আছেন তা আল্লাহ জানেন।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  12. রেজওয়ান (৯৯-০৫)
    কৌশলে সেরা হওয়ার দিন শেষ
    এক. একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৫০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে সবাই পাস করল, সবাই পেল জিপিএ-৫। আরেকটি প্রতিষ্ঠান থেকে সহস্রাধিক শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিল, দু-চারজন ফেল করল, উত্তীর্ণদের কয়েকজন জিপিএ-৫ পেল না। এ দুটি প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারণ হবে কীভাবে?

    আমার কাছে প্রথম অংশটুকুই তো আক্রমন বলে মনে হচ্ছে.....স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েই শুরু করেছে যে ক্যাডেট কলেজ এর সেরা হওয়া নিয়েই কথা হচ্ছে । (সম্পাদিত)

    জবাব দিন
    • শহীদ (১৯৯৪-২০০০)

      তোমাকে যদি দায়িত্ব দেয়া হয় এরকম একটা মান্দন্ড প্রস্তুত করতে- তুমি কিরকম করতে তা আমার জানার ইচ্ছে। আর ভুমিকা টুকু আমার মনে হয়েছে- কেন বিষয়টা আলোচনার যোগ্য তার প্রেক্ষাপট বর্ননা। ভিতঅরে কিন্তু ক্যাডেট কলেজ বিরোধী কিছু খুজে পেলাম না!

      জবাব দিন
      • রেজওয়ান (৯৯-০৫)

        ক্যাডেট কলেজগুলো কি এতদিন যোগ্যতার অভাবে কৌশল করে সেরা হত, এখন আর হতে পারছে না?

        একটি জাতীয় দৈনিকে এভাবে একটা শিরোনাম দিয়ে তারপর ক্যাডেট কলেজের সাথেই তুলনা করা আমার কাছে যথেষ্টই ইঙ্গিতপূর্ন বলে মনে হয়েছে।
        যদি ব্যাপারটায় আলোচনারই দরকার হয় তাহলে শিরোনামটার ভাষাটা অন্যরকম হতে পারত।

        "কৌশলে সেরা হবার দিন শেষ" বলতে অবশ্যই এটা বোঝায় যে যোগ্যতার অভাবে কৌশল অবলম্বন করে সেরা হবার অপচেষ্টা করা।এবং এটাই আমার কাছে আক্রমন বলে মনে হয়েছে।

        জবাব দিন
  13. মোস্তফা (১৯৮৮-১৯৯৪)

    মুল প্রতিবেদন, আপনার লেখা এবং রেজা শাওনের লেখা সবগুলোই পড়লাম।

    লাভলু ভাইয়ের সাথে কিছুটা সহমত করছি যে লেখাটি সরাসরি ক্যাডেট কলেজের বিরুদ্ধাচারণ করে লেখা নয়। লেখাটির শিরোনাম এবং ভেতরের মুল আলোচনা বানিজ্যিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত স্কুল গুলোকে উদ্দেশ্য করে। কিন্তু লেখাটির মুল দুর্বলতা হচ্ছে যাদেরকে উদ্দেশ্য করে লেখা তাদের নাম উল্লেখ না করা এবং উদাহরণ হিসেবে তাদেরকে না টেনে ক্যাডেট কলেজের উদাহরণ টানা। আপনি আপেলের কথা বলতে চাচ্ছেন কিন্তু বর্ণনা করছেন কমলার, সেটা যুক্তি হিসেবে রাম ছাগলের দাড়ির মত যুক্তি হলো। আর তাই লেখার দুর্বলতার কারণে পাবলিক যদি ক্ষেপে যায় সেটা পাবলিকের দোষ না, দোষ যিনি লিখছেন তার। ক্যাডেট কলেজ যেহেতু কৌশল অবলম্বন কোন কালেই করেনি তাই এই প্রতিবেদনকে আমি আমলেই নিবো না।

    তবে কারোর মন্তব্যেই একটি বিষয় পেলাম না, সেটা হচ্ছে সেরা প্রতিষ্ঠান বের করার উদ্দেশ্যে বোর্ডের এই উদ্ভট নিয়মের কোন সমালোচনা। আমার মতে মুল আলোচ্য বিষয় হওয়া উচিত সেটাই। প্রতিবেদকের কাছে এই নিয়ম বেশ গ্রহনযোগ্য মনে হয়েছে তাই তিনি খুশিতে প্রতিবেদনটি লিখেছেন। কিন্তু সেরা প্রতিষ্ঠান বের করার নিয়মগুলো যদি দেখেন তবে দেখবেন নিয়মটি বরং কৌশলে ভরপুর। এখানে নিয়মগুলো এমনভাবে করা হয়েছে যেন সরকারী ভালো স্কুলগুলো সেরা হিসেবে বিবেচিত হয় আর ক্যাডেট কলেজের মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বাদ পড়ে যায়। অর্থাৎ নিয়ম করার আগেই আপনি ঠিক করে রাখছেন কাদেরকে আপনি সেরা হিসেবে দেখতে চান আর কাদেরকে বাদ দিতে চান। তারপর ইচ্ছে মত পয়েন্ট সিস্টেম করলেন। খেয়াল করে দেখবেন নিয়মগুলো প্রতিবছর আপডেট করা হয়েছে যেন তাদের হিসেবের সঠিক প্রতিষ্ঠানগুলো আসে।

    সবচেয়ে উদ্ভট নিয়মটি হচ্ছে এটিঃ

    মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় নম্বর সর্বোচ্চ ১০ (এক থেকে ৫০ পরীক্ষার্থীর জন্য এক, ৫০ থেকে ৯৯ পরীক্ষার্থীর জন্য দুই, ১০০ থেকে ১৪৯ পরীক্ষার্থীর জন্য নম্বর তিন এবং এভাবে পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৫০০ এবং তার বেশি হলে নম্বর ১০)।

    অর্থাৎ এই নিয়মে ক্যাডেট কলেজগুলো কোনভাবেই ৯১ এর বেশি নম্বর পাবে না ১০০ তে। তাহলে কি তাতে প্রমানিত হয়ে গেলো ক্যাডেট কলেজগুলো খারাপ? উপরের এই উদ্ভট নিয়ম কেবল বাংলাদেশের মত দেশেই সম্ভব। আপনি যতজন শিক্ষার্থী রয়েছে তাদের প্রাপ্ত নম্বর নিয়ে গড় করেন ঠিকাছে, যদি চান যতজন নিবন্ধিত হয়েছে তার ভিক্তিতে গড় করেন ঠিকাছে। সব দিক দিয়েই ক্যাডেট কলেজ এগিয়ে থাকবে। কিন্তু ৫০ জন শিক্ষার্থী বলে এক পয়েন্ট দিবেন আর ৫০০ জন বলে ১০ পয়েন্ট দিবেন তারপর বলবেন আমিই সেরা, সেটি কোন যুক্তিসঙ্গত নিয়ম হতে পারে না। প্রতিবেদকের লেখাতেও এই পয়েন্ট সিস্টেম নিয়ে আলোচনা আশা উচিত ছিল।

    জবাব দিন
  14. নাফিজ (০৩-০৯)

    এতো এতো কলেজ থাকতে কেন ক্যাডেট কলেজের একচেটিয়া প্রভাবের কথাই বলা হয়েছে ঠিক বুঝলাম না।আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে, ক্যাডেট কলেজের প্রভাব ক্ষুণ্ন হয়েছে এটা ঠিকই প্রথম আলো সুযোগ পেয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করে দিয়েছে, কিন্তু আমাদের সাফল্যের কথা কোন কালেই তারা হাইলাইট করে নি । সিনিয়র ভাইদের সময় দেখেছি এটা, নিজেদের সময় প্রমাণ পেয়েছি আর এখন জুনিয়রদের বেলায়ও দেখছি।আমার ঠিক জানা নেই, আর্মি থেকে কি এধরণের কোন নিয়ম আছে যে ক্যাডেট কলেজের ওপ্র কোন খবর বা ইন্টারভিউ ছাপা যাবে না?(আদমজী বা শাহীন কলেজের প্রতিবেদন কিন্তু আসে।)ঢাকা বোর্ডে কোন কলেজ ৭ম-৮ম হইলো তাদের ছবি, অদ্ধক্ষ্যের বাণী, ছাত্রদের মিষ্টিমুখ সব প্রথম পাতায় আসে,আসেনা শধু ক্যডেট কলেজ।প্রথম পাতায় আসলো একবারই, যেটার শিরোনাম "কৌশলে সেরা হবার দিন শেষ ।"(!!!!!!!)

    জিপিএ ফাইভ আসলেই কোন বিষয় না।কিন্তু আমি সবসময় আমার আশেপাশের মানুষদের একটা কথা বলি। একটা ক্যাডেট যখন কোন পাবলিচ পরীক্ষায় ভাল করে, কিংবা ভালো কোথাও চান্স পায়, তার কৃতিত্বটা ঢাকা শহরের ৪-৫ টা প্রাইভেট পড়া ভাল ছাত্রটার চেয়ে অনেক বেশি ।আমি দেশের একটা অন্যতম পাবলিক ভার্সিটিতে পড়ছি, আমি জানি এইটুকু পথ আসতে একটা ক্যাডেটকে কি পরিমাণ কষ্ট করতে হয়।এখনকার ক্যাডেট কলেজ অনেকই কঠোর- কঠিন- ইন্টার পরীক্ষার সময় ম্যাথ সেকেন্ড পেপার পরীক্ষার আগের রাতে আইলার আঘাতে আমাদের কলেজে সারা রাত কারেন্ট ছিলো না-একটা চার্জার দিয়ে কলেজ প্রিফেকটের রুমে হাউসের ১৬জন পড়েছি-র সবাই A+ পেয়েছি। রাতে যাতে হাউসে পড়তে না পারি সেজন্যে প্রিন্সিপাল হাউসের ব্লকের লাইট খুলে নিয়ে গেছে-টেস্ট পরীক্ষার সময় গোসলখানায় চেয়ার নিয়ে গিয়ে পড়েছি।ক্যাডেটদের এই A+ পত্রিকায় আসবে না,আর ঢাকার মাখন সোনাদের হই-হুল্লোড় আনন্দ পত্রিকায়-টিভিতে দেখতে হবে। ক্যাডেটদের মুখে গালি আসাটাই স্বাভাবিক।

    ভাষা বোধহয় একটু বেশি উগ্র হয়ে গেলো। সিনিয়র সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।


    আলোর দিকে তাকাও, ভোগ করো এর রূপ। চক্ষু বোজো এবং আবার দ্যাখো। প্রথমেই তুমি যা দেখেছিলে তা আর নেই,এর পর তুমি যা দেখবে, তা এখনও হয়ে ওঠেনি।

    জবাব দিন
  15. মান্নান (১৯৯৩-১৯৯৯)

    আমাদের ব্যাচে আমাদের কলেজ থেকে এসএসসি তে ১৯ জন স্ট্যান্ড করলো । বাংলাদেশের সেরা রেজাল্ট ছিল সেটা। এক পত্রিকায় খবর এলো রংপুর ক্যাডেট কলেজ বিজ্ঞান বিভাগে সবচেয়ে ভালো ফল করলেও মানবিক বিভাগে খুব ভালো করতে পারেনি। মজার ব্যাপার হলো আমাদের ব্যাচে মানবিক বিভাগে কোন ছাত্রই ছিল না। 😛 😛

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।