অনেক পুরোন একটা পোস্ট পড়ে আমার মনের ভাব

তাড়াতাড়ি একটি পোস্ট দিয়ে যাই, আশা করি অবিস্তারিত পোস্ট লিখে রেডবুকের প্রথম নিয়ম ভাঙছি না, উইকএন্ডে এ নিয়ে বিস্তারিত লিখবো। রেডিও টেলিভিশন আবিষ্কারের পর, আধুনিক মিডিয়ার যুগে হঠাত একদল মানুষ আবির্ভুত হলেন, জানা গেল তারা বিজ্ঞানী, কিন্তু তাদেরকে বলা হতে থাকলো popularisers of science- যাদের মধ্যে আছেন অবশ্যই আইন্সটাইন, স্টিফেন হকিং, কার্ল সেগান, স্টিভেন জেই গুল্ড, কেনেথ মিলার, রিচার্ড ডকিন্স প্রমুখ। একটু খেয়াল করলেই দেখা যায় এই popularisation বা জনপ্রিয়করণের ইতিহাসটা পুরনো, বেশ পুরনো। যা কিনা বলা যায় অ্যারিস্টটলের সময় থেকেই চলে আসছে। নিউটনের আপেলের গল্প, ফ্যারাডের ট্যাক্সের গল্প, আর্কিমিডিসের গল্প সকলের মুখে মুখে ঘুরে থাকে। আধুনিক মিডিয়ার যুগে একজন রকস্টারের জনপ্রিয়তা পাওয়া বিজ্ঞানীরা মুলত সেই প্রাচীন যুগ থেকেই লোকসমাজে সন্মানীয়ভাবে বরণীয় হয়ে আসছেন। প্রশ্নটা হচ্ছে, এইযে এই বিজ্ঞানের জনপ্রিয়করণকারীরা তারা মুলত কি, কি কাজ তারা করছে, তাদের অবদান? মানে, বিজ্ঞানী বলতে তো তাদেরকেই বুঝায় যাদের জার্নালে এক বা একাধিক প্রকাশনা (publication) আছে। এসকল জনপ্রিয়করণকারীদেরও আছে, তাহলে এদের আলাদা নাম কেন? চলুন ব্যাপারটা একটু explore করে দেখা যাক।

আমার ভয় হচ্ছে এতক্ষণ আমি গাম্ভীর্যের সাথে যেই জ্বলন্ত প্রশ্ন উথ্যাপন করলাম এর উত্তর এক কথায়ই দেওয়া যায়, আমি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার পোস্টকে বিরক্তিকর রকমভাবে ছোট করা এড়িয়ে যেতে তা করছি না, আরও দুই একটা প্যারা যোগ করছি। উপরোক্ত যেই কয়েকটা নাম বললাম তার সবগুলোই মোটামোটি মানুষের মুখে মুখে ঘুরে, নিয়মিতভাবে পত্রিকার পাতায় আসে, বিবিসিতে আসে এককথায় জনগনের মাঝে তাঁরা সেলিব্রেটি বলে বিবেচিত হন। এখানে লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে তাঁরা তাদের অর্জনগুলোর জন্য এই celebration পান না, আমরা অনেকে হয়তো জানিও না স্টিফেন হকিং এর সেই যুগান্তকারী প্রবন্ধের টাইটেল কি ছিল, অর্থাৎ এই কনসেনসাসে বোধহয় আমরা পৌছতে পারি যে, তাঁদের প্রাপ্ত adoration এর উতস ভিন্ন কিছু।

সেই ভিন্ন কিছুটা আমি মনে করি এটা যে, এরা হাজার হাজার ছাত্রকে বিজ্ঞান পড়তে অগ্রহী করছে, এদের একেকটি public presentation থেকে ফিরে সহস্র তরুণ ছাত্র সিদ্ধান্ত নিচ্ছে “বিজ্ঞান পড়ে দেখা যাক।” এটা স্বাভাবিক গনিত যে এক মিলিয়ন লোক পদার্থবিদ্যা পড়লে ১ জন আইন্সটাইন বেড়িয়ে আসতে পারেন, সেখানে ৫ মিলিয়ন লোক যদি পদার্থবিদ্যা পড়ে থাকে তাহলে সেই আইন্সটাইন বেড়িয়ে আসার সম্ভাবনা ৫গুন বেড়ে যায় না? আমি মনে করি, এ মুহুর্তে যদি এদের সবার সবগুলো পাবলিকেইশন কেঁড়ে নেওয়াও হয় তারপরও তাঁরা একই মাপের বিজ্ঞানী থাকবেন এই কারণে যে, তাঁরা কাজ করছেন লক্ষ লক্ষ ছাত্রকে বিজ্ঞান পড়তে আগ্রহী করার মাধ্যমে। তাঁদের পাবলিকেইশনের জন্য তাঁরা সরাসরি কৃতিত্ব পেয়ে থাকেন, কিন্তু, এই popularisation এর যেই কাজটা তাঁরা করছেন এটার কোন কৃতিত্ব তাঁরা পাচ্ছেন না, এটা উতসর্গকৃত হয়ে যাচ্ছে আগামী একহাজার বছরের উদ্দেশ্যে, নিঃস্বার্থভাবে, কোনই চক্রান্ত নেই এখানে, কোন সাম্রাজ্যবাদ নেই, শ্রেণীশত্রু খতমের মামলা নেই।

আর বিজ্ঞান কি করছে, এটা বলার অপেক্ষাই বোধহয় রাখে না, বিজ্ঞান করছে সবকিছুই। এটা জীবন বাঁচাচ্ছে, জীবনকে সহজ করছে, মানুষের দুর্দশা লাঘব করছে, অজানাকে জানাচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি। বস্তুত, একটি সভ্যতার উতকর্ষ মাপা হয় তার বৈজ্ঞানীক অর্জন এবং শুধুই বৈজ্ঞানীক অর্জন দিয়ে আর কিছু দিয়ে নয়।

বিজ্ঞান জনপ্রিয় হওয়ার সাথে কোন ধরণের ক্ষমতা সংক্রান্ত চক্রান্ত আছে- মানি না। কেননা, যা জীবন বাঁচায় তা চক্রান্ত করে বন্ধ করে রাখা যায় না। হাস্যকর হলেও সত্য জাকির নায়েকের মত antisocial vermin, যে ঘোষণা দিয়ে মানবসভ্যতা ও এর বৈজ্ঞানীক অর্জনগুলোর বিরোধীতা করে এই বিশ্বাসে যে, “there is a supermassive magic daddy up in the sky to take care of all their sufferings and sorrows only if they telipathicly tell him that they loved him by peeling of their foreskins to satisfy his sadomasochistic perversion.”- যেই বিশ্বাস আমাদেরকে নিয়ে যায় ডার্ক এইজের দিকে এবং একটি intellectual dead-end এর দিকে- এই spinless vermin ও কিন্তু নিজের গ্যাঙ্গি্নাস অ্যাপেন্ডিক্স নিয়ে ছুটবে হাসপাতেলের দিকেই। গ্যালিলিওয়ের সুত্র ছিলো খুবই অজনপ্রিয়, কিন্তু সেটার জয় হয়েছে একারণেই যে, এটা অজানাকে জানতে সাহাজ্য করে। pointing question, evolution বোধহয় ইতিহাসের সবচেয়ে অজনপ্রিয় সুত্র, এটার জয় হয়েছে এই কারণে যে, এটা সেলুলার ইমিউনোলজি, মলিকিউলার ইমিউনোলজি, ইমিউলোজেনেটিক্স, ভাইরোলজি, ব্যাক্টেরিওলজি ও কমপক্ষে আরও পঞ্চাশটি স্ব্তন্ত্র ফিল্ডের জন্ম দেওয়ার মাধ্যমে আমাদের দিয়েছে পোলিও ভ্যাক্সিন, স্মলপক্স ভ্যাক্সিন- এটা জীবন বাঁচিয়েছে।

জনপ্রিয়তা এবং অজনপ্রিয়তা একটি ভিত্তিহীন প্রশ্ন বিশেষত বিজ্ঞানের মত একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে, সমগ্র পৃথিবির মানুষের কাছে অজনপ্রিয় হলেও যা বিজ্ঞান তা বিজ্ঞানই। নিটশের Will to power বলে একটা কথা আছে, যা- পৃথিবীর সবচেয়ে যোগ্যতম মানুষদের ক্ষেত্রে অজানাকে জানা, অচেনাকে চেনা আর আমাদের মত সাধারণ মানুষদের ক্ষেত্রে being on top while it comes to intercourse. পৃথিবীর সবচেয়ে যোগ্যতম মানুষদের Will to power আমাদের জীবন বাঁচাচ্ছে যেখানে, সেখানে তাঁদের একটা অংশ যাদের বলা হয় populariser of science আমাদের মত মুল্যহীন সাধারণের কাছে তাদের সেই Will to power জনপ্রিয় করার মাধ্যমে নিজেদের দল ভারী করার চেষ্টা করে মানবসভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে অজানাকে জয় করার মধ্য দিয়ে, এটা সেইসকল নিঃস্বার্থ পপুলারাইজারদের আত্নত্যাগ আমাদের প্রতি যার বিনিময়ে তাঁরা একটা জিনিষই আমাদের কাছ থেকে পেতে পারেন, পূঁজা। তাঁদের বা তাঁদের উদ্দেশ্যকে সমালোচনা করতে হলে সেটা মানবসভ্যতার বাইরে গিয়ে করতে হবে, সমাজ থেকে নিজেকে withdraw করে করতে হবে, সমাজের খেয়ে- সমাজের পড়ে সমাজের বিরুদ্ধাচরণ করলে আমরা নিজেদের প্রমান করবো জাকির নায়েকের মতই একটি antisocial vermin হিসেবে।

১,১৬৫ বার দেখা হয়েছে

১০ টি মন্তব্য : “অনেক পুরোন একটা পোস্ট পড়ে আমার মনের ভাব”

  1. মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)

    পুলাপাইন বেশ ডিপ্লোম্যাটিক হয়া গেছে :grr: ।
    (তোমার প্রতিক্রিয়ার উপস্থাপনাটা ভালো লাগল খুব :thumbup: )। এখন আসা যাক আমার প্রতিউত্তরে।

    'সেই' পোষ্টটা জ্ঞান, জনপ্রিয় জ্ঞান আর ক্ষমতার বিষয় আলোচনা করেছে। সেই আলোচনায় মূল ভিত্তি ছিল- বিজ্ঞান আর জনপ্রিয় বিজ্ঞান আলাদা; একই ভাবে বিজ্ঞানচর্চা আর বিজ্ঞান-প্রচার (জনপ্রিয়তার পুর্বশর্ত) আলাদা।

    কিন্তু মনে হচ্ছে, এই পোষ্টেও সেই পার্থক্যগুলো অস্বীকার করা হয়েছে। নিউটন বা আইনষ্টাইন কি ছাত্র পড়ানোর জন্য বিজ্ঞান চর্চা করেছেন, নাকি জ্ঞানের জন্য? বিজ্ঞান-চর্চায় বিজ্ঞানীর যে ভূমিকা, বিজ্ঞান-প্রচারে তার ভূমিকা কতটুকু? আর কেউ কি আছে বিজ্ঞান প্রচারে? তারা কে বা কারা? হাজার হাজার ছাত্রের বিজ্ঞান পাঠের প্রকৃয়ায় বিখ্যাত উদ্ধৃত বিজ্ঞানীদের বা সহায়ক অন্যান্যদের তুলনামূলক ভূমিকা (অবদান নয়, ভূমিকা) কি কি?

    "আমাদের মত মুল্যহীন সাধারণের কাছে"- এই 'মূল্যহীন আমরা' কারা?

    আর বিজ্ঞানের সংজ্ঞাই বা কি? - প্রশ্নগুলোর উত্তরের মধ্যেই আছে জনপ্রিয় বিজ্ঞান আর ক্ষমতার সম্পর্ক।

    তবে ভালো করে পড়ে দেখলাম, আসল বিষয়ে তোমার সাথে আমার মত একশ ভাগই মিলে যায়।

    জনপ্রিয়তা এবং অজনপ্রিয়তা একটি ভিত্তিহীন প্রশ্ন বিশেষত বিজ্ঞানের মত একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে, সমগ্র পৃথিবির মানুষের কাছে অজনপ্রিয় হলেও যা বিজ্ঞান তা বিজ্ঞানই।

    - এক্কেবারে আমার মনের কথাটাই বলেছো এইখানে। আমিও এটাই বলতে চাই, হুবহু এইভাবে, এইসব শব্ধ দিয়েই। :gulli2:

    বিজ্ঞান মানে 'বিশেষ জ্ঞান' (এই সংজ্ঞাটাই জানি, আরো থাকলে জানাবার অনুরোধ থাকল)। বিশেষ জ্ঞান এর মানে বিশেষ, সেটা স্থান-কাল-পাত্র ভেদেই বিশেষ। কাজেই বিশেষ জ্ঞানে সর্বসাধারনের আগ্রহ না থাকাটাই স্বাভাবিক, যা জনপ্রিয়তার অন্তরায়। এক কারনে, প্রকৃত বিজ্ঞানী এবং বিজ্ঞানচর্চা কখনোই জনপ্রিয়তার ধার ধারেনা। এই কারনেই 'জনপ্রিয়তা ও অজনপ্রিয়তা' বিজ্ঞানের প্রশ্নে ভিত্তিহীন, অপ্রাসঙ্গিক।-'সেই পোষ্টের' মূল কথাটাও এটাই।-

    তাহলে 'জনপ্রিয়তা' কোনখানে প্রাসঙ্গিক? এই প্রশ্নটা থাকলো তোমার কাছে। সময় করে উত্তর দিও। ধারনা করছি, পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত আছো খুব, আমিও :((

    অফটপিকঃ জা.না. 'সেই পোষ্টে' পুরাপুরি অপ্রাসঙ্গিক, কাজেই তানারে টাইনো না ;;;


    There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

    জবাব দিন
    • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)
      পুলাপাইন বেশ ডিপ্লোম্যাটিক হয়া গেছে

      নাহ, কোন diplomacy করতে চাইনি, কথা যা ছিলো সেটা আপনার সাথেই বলার ছিলো, এই ধারণাও ছিলো যে আপনি এটা বুঝবেনই তাই নাম দিয়ে অন্য কারো দৃষ্টি আর আকর্ষণ করতে চাইনি, আর এটাও মনে হয়েছে আপনার ঐ পোস্টে না দিয়ে আলাদা করে এখানে দিলেই এটা আপনার নজরে বেশী আসবে।

      সেই আলোচনায় মূল ভিত্তি ছিল- বিজ্ঞান আর জনপ্রিয় বিজ্ঞান আলাদা; একই ভাবে বিজ্ঞানচর্চা আর বিজ্ঞান-প্রচার (জনপ্রিয়তার পুর্বশর্ত) আলাদা।

      হ্যা আলাদা এই কারণে যে, এরা একই কাজ করে থাকে না। কিন্তু, এদের মধ্যে একটা সম্পর্ক আছে। বিজ্ঞান মানুষের উপকার করে, আর আপনার তথাকথিত বিজ্ঞানের জনপ্রিয়করণ বিজ্ঞানে উতসাহী ও অবদান রাখতে আগ্রহী মানুষের সংখ্যা বাড়িয়ে বিজ্ঞানের উপকার করে। বিজ্ঞান প্রচার ও বিজ্ঞান প্রচার সমার্থক না হলেও বিজ্ঞান প্রচার বিজ্ঞান চর্চার prerequisite. আলাদা আলাদা করে এটা ভালো এটা খারাপ বা এটা একটু সাম্রাজ্যবাদী এটা বলার কোন উপায়ই নেই।

      হাজার হাজার ছাত্রের বিজ্ঞান পাঠের প্রকৃয়ায় বিখ্যাত উদ্ধৃত বিজ্ঞানীদের বা সহায়ক অন্যান্যদের তুলনামূলক ভূমিকা (অবদান নয়, ভূমিকা) কি কি?

      আধুনিক মিডিয়ার যুগে যেই বিজ্ঞানের জনপ্রিয়করণ এটা খুবই নতুন জিনিষ। এটা এ পর্যন্ত করেছেন হাতেগোনা কয়েকজন এবং হ্যা তাঁরা বিজ্ঞানী, তাঁদের নামেরও একটা ছোট লিস্ট আমি দিয়েছিলাম মনে হয়। তাঁরা এই জনপ্রিয়করণের কাজটা করে আসছেন এই কারণে যে, তাঁরা এটা বুঝেন যে তাঁরা বিজ্ঞানে অবদান রাখতে আগ্রহী মানুষের সংখ্যা যদি বাড়াতে পারেন তাহলে মানবসভ্যতাকে অনেকটুকু এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। এটা প্যাথেটিক যদি কেউ এই প্রস্তাব নিয়ে আসে যে, সভ্যতার অগ্রগতিতো আবার সাম্রাজ্যবাদ।

      ‘জনপ্রিয়তা’ কোনখানে প্রাসঙ্গিক?

      জনপ্রিয়তা প্রাসঙ্গীক এটার বিজ্ঞাপনে, এটার প্রসার ও প্রচারে। এটা প্রচার করার একটা জিনিষই যার প্রচার কিনা এর অবদান রাখার পটেনশিয়ালের সাথে সরাসরিভাবে সম্পর্কিত। এটার প্রচারের পেছনে কোন চক্রান্ত নেই, এটা কোন চক্রান্তকারী শত্রুর কারসাজী না, এটা কয়েকজন পরিশ্রমী বিশেষ মানুষের কাজ যারা মানবসভ্যতার অগ্রগতিতে ইতিমধ্যেই ভুমিকা রেখেছেন এবং আরও ভুমিকা রেখে যাবার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তাঁরা এটা করছেন এটা জেনেই যে এটা আমাদের সভ্যতার অগ্রগতিতে ইতিবাচক ভুমিকা রেখে যাচ্ছে। যেই এই জনপ্রিয়করণের কাজটা করছে, সেই এই উপকারী ভুমিকাটা রাখছে, এটা প্রসঙ্গশনীয়ই এককথায়, এটাতে প্রশ্ন করার বিশেষ করে কোন conspiracy theory এর ভিত্তিতে অগ্রহনযোগ্য।

      এই ‘মূল্যহীন আমরা’ কারা?

      আমার বক্তব্যেই এটার উত্তর ছিলো। আমাদের যাদের will to power মানবসভ্যতাকে uphold করে না।

      জবাব দিন
  2. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    ভালো লাগলো। ইস্যুটা ভুলে যাওনি।

    আর একটা বিষয়, লিখতে লিখতে তোমার হাত খুলে যাচ্ছে। ভাষাও অনেকটা প্রাঞ্জল হয়ে এসেছে। মানে আমার মতো বিজ্ঞান-ভীতুদের কাছে। লিখতে থাকো। আমাদের জানার জগতটা যতো পারো খুলে দাও। :clap: :clap: :clap:


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন
  3. মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)
    বিজ্ঞান প্রচার বিজ্ঞান চর্চার prerequisite

    😮 😮

    আমার ১১ বছরের ইউনিভার্সিটি ছাত্রজীবনে প্রথম শুনলাম এটা। চিন্তায় ফালায়া দিলা। দেখি, আবার ভালো করে খোঁজ খবর করে। তুমিও দেখো সময় পেলে। তবে একটা কথা বলে রাখি, তোমার সাথে একমত হতে পারলে আমি খুশি হবো, খুবই।

    ক্ষমতার বিষয়টা আমি যেভাবে বোঝাতে চাইছি, সেইভাবে বোঝোনি। আরো কয়েকজন একই কাজ করেছে দেখে মনে হচ্ছে ব্যর্থতাটা আমারই। আমি প্রচারকে ব্যক্তিগত/ব্যক্তিপর্যায়ের কোনকিছু মনে করি না। আমার মতে, এটা একটা সমষ্টিগত বিষয়। আর তাই এখানে আমি যে ক্ষমতার কথা বলেছি, তা Disciplinary power, ব্যক্তিগত ক্ষমতার মোহ নয়। আর এটা intended না হয়ে unintended-ও হতে পারে।

    নতুন একটা পোষ্টে জনপ্রিয় বিজ্ঞান (popular science) বিষয়ে আমার ধারনা কিছুটা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করবো।


    There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।