ICCLMM-2011: একটি অজানা ভালোলাগার গল্প (শেষ পর্ব)

                             সকালের করা কাজটার মাত্রা ও তীব্রতা বিচার করছিলাম। তার টানা টানা অবাক বিস্ময় মেশানো চাহনি দেখতে খারাপ লাগছিলো না। অবাক হলে তার চোখের ভুরুগুলো প্রায় জোড়া লেগে যায়, আর চোখ দু’টি কেমন যেন মিইয়ে যায়। তাতে ওকে দেখতে আর নিষ্পাপ আরও নির্মল দেখায়। তবে এখন খারাপ লাগছে যখন শর্মীর কাছে শুনলাম কোচিংয়ে যায়নি। নিশ্চয়ই বাসায় সমস্যা হয়েছে এবং এটা অবধারিত। কি করবো? ফোন করবো? তাতে আরো বেশী অবাক হবে। আর তার মাত্রা একদিনের জন্য অতিক্রম করে ফেলবে। তাহলে একটাই রাস্তা খোলা আর তাহলো ভর দুপুরে সায়েন্সল্যাব যেতে হবে। সেখানে এক স্যারের বাসায় অংক করতে যায়। বাসা চিনিনা ব্যাপার না ঠিকানা আছে আর নেহাল আছে ওকে নিয়ে গেলেই হবে।তবে সবচেয়ে বড় ঝামেলা এই ভর দুপুরবেলা বাসা থেকে বের হওয়া, তারপর আবার আর একটা কুরুক্ষেত্রের মহাযুদ্ধ করে বাস ধরা, সেখানে বাঁদর ঝোলা হয়ে যাওয়া, ঘেমে নেয়ে একাকার হওয়া। একবার মনে হল ধুর কি দরকার?

                                কিন্তু যতই বলি কি দরকার সময়মত আর নিজেকে ঘরে ধরে রাখতে পারলাম না। দুপুরের কাঠফাঁটা রোদ, মহাযুদ্ধ আর সময়খুনী জ্যাম সবাইকে হার মানিয়ে ঠিকই পৌঁছে গেলাম সময় মতো। আমি পৌঁছানোর ১০ মিনিটের মাথায় তাকে আসতে দেখলাম। দেখি একটি হাত কপালের উপর রেখে রোদ থেকে নিজের মুখটাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে। মনে হল আকাশটা মেঘের আস্তরণে ঢেকে দিয়ে আসি, সত্যি হয়তো তাই করতাম যদি সেই ক্ষমতাটা আমার থাকতো। সাদা সালোয়ার কামিজ, পায়ে লো হিল, চুলগুলো পিছনে একটা ক্লিপ দিয়ে টেনে আটকানো, কানে ছোট দুল, যেন কোন চেইনের খণ্ডিত অংশ তার শেষ মাথায় কালো ছোট্ট পাথর বসানো, ডানহাতে হালকা বাদামী রঙের চিকন বেল্টের হাতঘড়ি, আর বামহাতে রূপালি ব্রেসলেট। দুপুরের কড়া রোদে তার ফর্সা গাল দু’টোয় রক্তের অধিক উপস্থিতিতে গোলাপি বর্ণ ধারণ করেছে। গোধূলির কমলা আলো আসার আগ মুহূর্তে ও দিনের শুরুতে সুবহে সাদিকের সময় সাদা আকাশ যেমন লাল দেখায়, যেন তেমনি লাল হয়ে যাচ্ছে। আরো স্পষ্ট করে বলতে গেলে এক গ্লাস দুধের ভিতর ১০ ফোটা আলতা মেশালে যে রং হয়, সেই রং। মৃদুমন্দ ছন্দে হেটে আসছিলো। ওর হাঁটার ছন্দেও কোন এক সুর কোন এক তাল ছিল। যা আমার জানা নেই, এই মনে হয়েছিলো ভৈরবী তো পরক্ষনেই মনে হল না শিবরঞ্জন, উদ্ধার করতে পারিনি সে কোন তান।

                                  আমার উপর চোখ পড়তেই থমকে দাঁড়ালো, তারপর পাশ কাটিয়ে দ্রুত চলে গেলো এতো ডাকলাম কিন্তু ফিরেই দেখল না। যাহ! বাবা, যার জন্য এতো কষ্ট সেই যদি না বোঝে তো আমার আর কি করার থাকে? মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে ছিলাম, কিছুটা এগিয়ে ফিরে এসে ব্যাগ হাতড়ে ৫০ টাকার একটা নোট বের করে ধরিয়ে দিয়ে গেলো কথা বলার জন্য মুখ খুলতে আঙ্গুলের ইশারায় চুপ থাকতে বলে হনহন করে হেটে চলে গেলো। এতো দেখি সেই সিরিয়াস কিন্তু করলামটা কি যার জন্য এতো কিছু। বুঝতেছিনা, কিন্তু ছোটবেলা থেকে আমিও প্রচুর জেদি। আমি এর শেষ দেখে তবেই বাড়ি ফিরবো। জীবনের প্রথমবারের মতো কারো কাছে এতোটা অপমান হলাম। আর মেয়েদের কাছে তো এর আগে দুকথার শোনার প্রশ্নই আসেনা। তাই দাঁড়িয়েই থাকলাম, ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিলাম,

“অবস্থা বেগতিক, সামনে বিষহীন অগ্নিশর্মা নাগিনী/ দোস্তরা কি করবো তোরাই বল দেকিনি……..।”

এভাবেই এদিক সেদিক করতে করতে ১ ঘণ্টা পার হল, হটাৎ দেখি একদল মেয়ে বের হল, বলতে হবেনা তার মাঝে সেও ছিল। হয়তো তার মেজাজ কিছুটা হলেও শান্ত হয়েছে, তাই আমাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে দলছুট হয়ে এসে কড়া গলায় বলল- কি ব্যাপার এখনো দাঁড়িয়ে আছেন কেন? আমি সামনে তাকালাম ৭/৮ টি মেয়ে, হয়তো সবাই ক্যাডেট আবার নাও হতে পারে। মুখটা শক্ত করে বললাম – sorry, যদিও জানিনা কি দোষ করছি। তবে যে কারণেই হোক তিন বাক্যে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। প্রথম, যা করেছি ভুল করেছি, যদিও জানিনা ঠিক কি করেছি? দ্বিতীয়, তবুও আমাকে ক্ষমা করে দিও, যদি পারো? আর তৃতীয়, ভবিষ্যতে আর কোনদিন এই ভুল হবেনা, যদি জানিয়ে দিতে ভুলটা ঠিক কি ছিলো? আর তোমার টাকাটা আমি আমার পাওনা ২৫ টাকা আর কফির টাকাটা রেখে দিলাম, এতোটা ছোটলোক হয়ে যাইনি যে তোমার কাছ থেকে আমার পাঁচ টাকার সুদ নিতে হবে। ধর….। শেষবাক্যে নিজের অজান্তেই রাগ বের হল।

                                     টাকাটা হাতে নিয়ে বলল – সকালে আপনি কি বলেছিলেন খেয়াল আছে? আর আপনি সব জায়গায় আমার পিছু নেন কেন? আমি যেখানেই যাই আপনি সেখানে থাকেন কারণটা কি? আমি বললাম – তোমার পরের প্রশ্নের উত্তর আগে দিবো, হ্যাঁ এটা ঠিক তুমি যেখানেই যাও আমিও সেখানে যাই কিন্তু আজ নিয়ে গত সাতদিনে এটা আমাদের ৩য় দেখা তাই এভাবে বলতে পারোনা, কথাটা বলা আর দায়টা আমার ঘাড়ে চাপানো অন্যায় হল। আর আমি শুধুই জানতে এসেছি এখন কেন তুমি সকালে ক্লাসে যাওনি, আমার জন্য তোমার বাসায় কোন সমস্যা হয়েছে কিনা, আর আমি ঠিক কি করেছি বা বলছে যাতে তুমি এতোটা আপসেট হয়ে গেলা? ওর চোখ দুটা ধক করে জ্বলে উঠলো আর আমার মনের মাঝে ভয় জাগা শুরু হল ঐ চোখ দেখে, রেগে গিয়ে প্রায় চেঁচিয়েই বলতে হয়, বলতে লাগলো – আপনি কি বুঝাতে চাইছেন ভালোবাসা দূরত্বের সমানুপাতিক দিয়ে? মানে কি? আমাকে আপনার কি মনে হয়? খুব সস্তা আপনার এই বস্তাপচা জোকসে হাসবো, হ্যাঁ? আপনি হিন্দি মুভির মতো সস্তা পথ বাতলাবেন একদিন সাহায্য তারপর সাতদিন উধাও তারপর এসে বলবেন, ভালোবাসা দূরত্বের সমানুপাতিক আর আমি আপনার উপর ফিদা হয়ে যাবো? এতো সস্তা মেয়ে পেয়েছেন?

কি বলে এই মেয়ে কি বলতে কি বলেছি আর সে কি ভাবে নিয়েছে? চুপচাপ চিন্তা করছি কি করবো? সব খুলে বলবো? নাকি এড়িয়ে যাবো? এড়িয়ে হয়তো যাওয়া যাবে তবে আজীবন কাপুরুষ বলে গালি দিবে। আমি যখন চুপ করে এই সাতপাঁচ ভাবছি সে আমার নীরবতা দেখে ক্ষেপে গিয়ে আর জোরে বলা শুরু করল- “কি এখন কি ভাবছেন? সমীকরণের কোথায় ভুল হল? নাহ? নাকি ভাবছেন এই মেয়ে এতো কি করে বুঝল? ধরা পরে গেলেন কিভাবে? তাইতো? তো শুনুন আপনার মতো এই রকম ছেলে অনেক দেখেছি, যারা এই রকম মেয়েদের পিছনে ঘুরঘুর করে।” এবার তো পুরাই টাসকি খাওয়ার পালা। বলে কি আজিব চিড়িয়া তো, আমি আঙ্গুল তুলে ওকে থামতে বললাম – please keep shut, enough is enough, এটা মনে করোনা বলতে দিচ্ছি বলে যা মনে আসে বলে যাবে। জানতে চাও কি বলেছি? কেন বলেছি? সে আমার দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে নিতে চাইলো বললাম- চোখ ফিরিয়ে নিলে বুঝবে কি করে সত্যি বলছি না মিথ্যে। সে চোখ ফেরাতেই আবার বলতে শুরু করলাম – তো তুমি জানতে চাও কেন তোমার পিছে ঘুরি? কেন সারাদিন তোমার পিছে পিছে আসি? এইতো? একটা কথা আমিও জানি তোমার পিছে অনেককে ঘোরে তার মানে এই নয় সবাই এক কাতারের মানুষ। মানুষ সুন্দরের পূজারী আর তুমিও সুন্দরী তাই সবাই তোমার পিছে ঘুরবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একটা কথা মনে রেখো আমাকে ঐ পাল্লায় মাপলে ভুল করবে, কেননা এই প্রথম কারো কাছে এতো কথা হজম করলাম সেটা শুধুই তুমি বলে। আর……. কথা বলতে বলতে ওর দিকে তাকাতেই দেখি ওর ঠোঁট দু’টো কাঁপছে। আমিও না থেমে বলে গেলাম-

“নাদিয়া, প্রথম যেদিন তোমাকে দেখেছিলাম, আধো আলো ছায়ার খেলায়, তুমি জানোনা আমার কি হয়েছিলো। প্রথম দেখাতেই আমি মুগ্ধ, আমি অভিভূত। তুমি জানো না I found myself dead, just spot dead. কিন্তু এই বয়সটাই এমন তাই ভয়ে পিছিয়ে এসেছি। বুঝতে চেয়েছি, এই শুধুই অনুভূতি নয়, এটা শুধুই ক্ষণিকের ভালোলাগা নয়। এ যেন চিরদিনের জন্য সাথী হওয়ার বাসনা, সারাজীবন হাতে হাত রেখে চলার ইচ্ছা। আমি চাইনি তোমার জীবনে ছন্দপতন হোক, কোন কষ্ট আসুক, তোমার মনে একটি বারের জন্যও বেদনার ছোঁয়া লাগুক। তোমার মনে জ্বলা সুখের দিয়ায় দুঃখের দমকা হাওয়ার ঝাঁপিটাও যেন না লাগে তাই চেয়েছি দূরে থাকতে, সরে থাকতে। কিন্তু পারিনি, তাই আমাকে ক্ষমা করো। আমার দ্বারা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তখনই বুঝলাম এ শুধুই ভালোলাগা নয়। আমার মস্তিষ্কে হরমোনের অনুরণনে তৈরি হওয়া কোন বিলাস নয়। এই ভালোলাগা তার সীমারেখা অতিক্রম করে পৌঁছে গেছে ভালোবাসার দ্বারে, কড়া নাড়ছে জোরে জোরে। আর এটা কয়েকদিনের ব্যাপার নেই, যে সময়ের সাথে সাথে আস্তে আস্তে মিইয়ে যাবে। বাস্তবে যত দিন যাচ্ছে ততই তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা, ভালোলাগা, অনুরক্ততা, অনুরাগ, আকুলতা ব্যাকুলতা যাই বল না কেন শুধুই বেড়েছে বৈ কমেনি। আমি জানিনা কেন, কিভাবে?

                                         আজ যখন তুমি আমার এই ভালোবাসা নিয়ে প্রশ্ন তুলছিলে তখন খুব কষ্ট লাগছিলো তাই কিছুই বলতে পারিনি, চুপ করেছিলাম। তাছাড়া আমি তোমাকে হারাতে চাইনি যেকোনো মূল্যে হোক তোমার পাশে থাকতে চেয়েছি, ভালো না বাস একজন বন্ধু হয়েও থাকতে আমার আপত্তি নেই। তুমি আমাকে ভালোবাস না বাস তোমার উপস্থিতি, তোমার কথা, তোমার সৌরভ, হাসি উৎকণ্ঠা সবই আমার পথচলার অনুপ্রেরণা। তুমি জানোনা তোমার সব কিছুতেই নেশা জড়ানো। মাতাল করা। কখনো কেউ বলেছে কিনা জানিনা, মাথা খারাপ করে দেয়া ঘোর লাগায় তোমার চশমার আড়ালে থাকা গভীর কালো চোখ দু’টি। তুমি জানোনা রেগে গেলে তোমার ফর্সা গাল দুটো লাল হয়ে যায় মনে হয়, যেন দুধের সাথে আলতা মিশিয়ে বিধাতা স্বয়ং নিজ হাতে তৈরি করেছেন তোমায়। তুমি কি কখনো শুনেছ তোমার হাসি? তোমার হাসির খিলখিল শব্দে কতশত মুক্তো ছড়িয়ে পড়ে। বিনি সুতোর মালা কেটে গেলে যেমন করে পরে তেমন করে। তুমি যখন বিষাদ বদনে তাকিয়ে থাকো উদাস নয়নে, মনে হয় গোটা পৃথিবীতে শোকের ঢল নেমেছে। তুমি জানো না তোমার পথচলার মাঝে সে কোন এক অজানা সুর খেলা করে।
হয়তো তবুও আসতাম না কখনো। ছুটির প্রথম দিকেই যখন দেখলাম তোমাকে কি করবো বুঝতে পেরে আড়ালে যেতে ছেয়েছিলাম। যখন দেখলাম তোমার সমস্যা আর আড়ালে থাকতে পারিনি। তারপর যখন দেখলাম চিনতে পারছ, মনকে বুঝালাম এইতো অনেক, আর কি দরকার? পরে যখন তোমাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখতাম মনে হতো ইস! যদি আমার জন্য দাঁড়াতে? পরে যখন জানলাম ঐ সৌভাগ্যবান আমি নিজে, তখন আর নিজের মনকে দাবিয়ে রাখতে পারিনি, মনের কথা প্রকাশ করেই ফেলেছি। তোমার সাথে প্রথম দিনের নিকটতা থেকে পরবর্তী সাতদিনে পাওয়া দূরত্বই আমাকে তোমার প্রতি আরও পাগল করে তুলেছে। আমার ভালোলাগা, ভালবাসাকে শত শত গুনে বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই বলেছিলাম, “ভালোবাসা দূরত্বের সমানুপাতিক” এবং অবশ্যই সেটা আমার জন্য প্রযোজ্য। আশা করি বুঝতে পেরেছ। আমার যা বলার আমি বলে দিয়েছি। সন্ধ্যা হতে চলল। বাসায় দেরী হচ্ছে তোমার, যাও আর কোনদিন আমার মুখটাও দেখবেনা। ভালো থেকো।”
শেষ কথাটুকু বলতে গলা ধরে আসছিল, তবুও অনেক কষ্টে বললাম। কেননা ভালোবাসি বলেই তাকেও আমাকে ভালোবাসতে হবে এমন কোন কথা নেই। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, “ভালোবাসা হল যাকে ভালোবাসো তার ভালো চাওয়া।” আমিও তাই চাই। কথা শেষ তাকে আর কিছুই বলার সুযোগ না দিয়ে উল্টো ঘুরে পথে নামলাম, আপন গন্তব্যের দিকে। সাঁঝের বেলা পাখি ফিরে নীড়ে তার নীলিমা ভ্রমণ শেষে, আমিও তেমনি গোধূলির পরন্তবেলার আলোর সাথে সাথে ত্রস্ত পদে এগিয়ে যাচ্ছি আপন নিরালায়, তার থেকে দূরে বহুদূরে, অনাদি কালের জন্য। মনের ভিতরটা শুন্যতায় ছেয়ে যাচ্ছিলো আর লাউডস্পিকারে মনের মাঝে বাজছিলো একটি কথাই “ভালোবাসা দূরত্বের সমানুপাতিক”। আমার অজানা ভালোলাগা, ভালোলাগার সীমাতেই বাঁধা পরে রইলো। তাকে ভালোবাসায় রূপ দিতে পারলাম না। আক্ষেপ নেই, কারণ তাসনিফ জামানের গাওয়া “উৎসর্গ” গানে তার উত্তরটা দেয়া আছে –

যা কিছু তার নির্দয় স্পর্শে দিয়েছে সৃষ্টি
নিভৃতে আমার প্রশান্ত কল্পনার ঘর
আর যন্ত্রণার শিবিরে যে অবাধ্য কান্না
দেয় এক নির্ভুল সুরের জন্ম।
তবু তাকে আমার কাব্যে মেশাই
যেন হয় এক বিশুদ্ধ গান,
আমার এ গানে আজ উৎসর্গ হোক
তার প্রতি আমার তীব্র ঘৃণা।
তবুও স্বর্গে দ্বারে একা, থাকবো তার অপেক্ষায়,
যেন আমার অভ্যর্থনা তাকে করে অবনত,
জানি তখনো কিছুই আমার হবেনা তবুও
এই অপ্রাপ্তিটাই যেন আমায় করে পরিপূর্ণ।

৯৮০ বার দেখা হয়েছে

২ টি মন্তব্য : “ICCLMM-2011: একটি অজানা ভালোলাগার গল্প (শেষ পর্ব)”

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।