ভাল ছেলে

আমি যে বদ এ ব্যাপারে আমার বাপ মা ছোট কাল থেকেই নাকি নিশ্চিত ছিল । আরো ভাল করে বললে আমার দুই বছর বয়সে যখন আমি আমার পাঁচ বছরে বড় বোন কে কামড়ে রক্ত বের করে দিলাম তখন থেকেই তারা আমার বজ্জাতির ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলেন । কিন্তু ব্যাপার হল বদ হিসেবে আমার সুনাম শুধু আমার বাবা মার মধ্যে সীমাবদ্ধ রইল না আস্তে আস্তে এটা আত্মীয় স্বজন থেকে পাড়া প্রতিবেশী সবার মধ্যে ছড়িয়ে পরতে থাকল যাদের প্রধান কাজ হল তাদের ন্যাদা ন্যাদা পোলাপাইন গুলারে আমার কাছ থেকে যত সম্ভব দূরে রাখা । আর এভাবে এক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পড়তে আমার বদ গুণাবলী আরো অক্ষুন্ন হল আরো ভাল করে বললে ভার্সিটির কিছু ফাউল নাখাস্তা টাইপ পোলাপাইন আমাকে গুরু মাইনা নিল ।

অবশ্য আমি যে কখনো ভাল ছেলে হইতে চাইছি তাও কিন্তু না । আমাদের ক্লাসের মাসুদের মত গুডু গুডু পোলাপাইন গুলার মত আমি কখন ক্লাসে বেশি নাম্বার পাইতে চাই নাই কিংবা একটু লায়েক হবার পর থেকে নিজের মা বোন ছাড়া আর কোন মেয়ে কে মা বোনের নজরে দেখি নাই । আর মাঝে মাঝে রাত্রে বেলা আওলা লাগলে যে মাল টানি নাই তা বলবো না । ক্লাসে আমি কখনোই ঠিক মত যাই নাই আর গেলেও লাস্ট বেন্চ ছাড়া বসি নাই । ক্লাসের মেয়েরা কখনো আমার পাশে বসার সাহস করে নায় কিংবা কথা বলতে চায় নায় কারণ মেয়েদের সুন্দর ফিগার নিয়ে জোরে কমেন্ট দিতে আমি কখনো ছাড়ি নাই । তবে এইগুলা আমি কখনো অস্বীকার করি নাই কেননা আমি কখনো ভাল ছেলে হইতে চাই নাই ।

ক্লাস টেনের পর থেকে কোন মেয়ের শরীর ছাড়া তার অন্য কোন দিকে তাকাই নাই তবে এক পহেলা বৈশাখে কেন জানি আমাদের ক্লাসের রিনি মেয়েটা যখন শাড়ি পড়ে ভিড়ের মধ্যে দিয়ে হেটে যাচ্ছিল তখন আমার মনের মধ্যে একটা করুন হিন্দি গানের সুর বার বার চিড়িক মারতে লাগল । তখন কিছু না বুঝলেও পরে যখন বার বার ঐ গানের সুর মনের মাঝ খানে চিড়িক দিতে লাগল তখন বুঝলাম যে আমার রিনিরে কিছু কথা বলা দরকার । মাল খাইয়া টাল হইয়া আমি যখন এই কথা দোস্তদের বললাম তখন দোস্তরা বলে – মামা তোমার তো হয়ে গেছে , শালা তোমারতো ইশক হয়ে গেছে । সেই রাত্রেও আমি ভাল ছেলে হইতে চাই নাই , এমনকি যখন রিনিরে নিয়া রাতের বেলা গরম স্বপ্ন দেখলাম তখনো না ।

কিন্তু ………… কিন্তু যখন আমি তারপরের দিন রিনিকে লাইব্রীরির কোণায় আমার স্টাইলে সরাসরি বললাম – রিনি আমি তোমাকে ভালবাসি । তখন রিনির উত্তরে আমি চমকায়ে গেলাম কারণ কোন মেয়ে আমার সাথে এইভাবে কথা বলে নায় তারা সবসময় আমার এইসব ফাউল কথাবার্তার পর আমাকে এড়ায়ে গেছে কিন্তু সরাসরি কিছু বলে নায় , তবে রিনি বলল । এই মেয়ে আমাকে বলে কিনা- তোমার মত এত বড় ফাউল ছেলে কিভাবে আমাকে প্রোপোজ করার সাহস পায় । আমি বললাম- আমার মধ্যে তুমি খারাপ ছেলের কি দেখলা ? মেয়ে বলে কিনা আমি গাঞ্জাখোর , বেয়াদপ , মেয়েদের সম্মান করতে জানি না । হায় হায় , মেয়ে বলে কি ? বলে কিনা মাসুদ কে দেখে আমাকে শিখতে ভদ্র ছেলে কি রকম , প্রেম করলে এইসব ছেলের সাথে করবে যাদের কিনা মাসুদের মত উজ্জল ক্যারিয়ার আছে । এইসব শুইনা আমি কিছুটা টাসকি খাইয়া গেলাম আর আমারে সেই রকম টাসকি খাওয়া অবস্থায় রাইখা মেয়ে আবার চলে গেল মাসুদের সাথে লাইব্রীরির কোণায় গল্প করতে ।

সব শুনে দোস্তরা বলল – তুই খালি একবার বল , মাসুদরে রিনি কেন নিজের বাপের নাম ভুলাইয়া দিমু , শুধু তুই একবার বল । কিন্তু আমি বললাম – থাক বাদ দে । এইটা বললাম কারণ তখনো আমার মনের মাঝখানে ঐ হিন্দি গান টা বাজতেছিল । তবে আমি তখনো ভাল ছেলে হইতে চাই নাই ।

আমি ভাল ছেলে হইতে চাই নাই তাই ঐ দিন রাত্রেও সবার সাথে আমি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গাড় অন্ধকারে মাল খাইতে বসে যাই । তবে মাল খাইলে আমরা সবাই সত্যবাদী হয়ে যাই আর আমাদের মুখ বন্যার মত খুলে যায় । তাই আমরা মাল খাইতে বসলে রায়হানরে সাথে আনি না কারণ ব্যাটা কখনো মাল খায় না । কিন্তু শালা আমাদের ঠিকই খুজে বের করে ফেলে । আমরা তখন আর কিছু বলি না কারণ আমরা সবাই তখন সত্যবাদী হয়ে যাই ।

ঐদিন রাত্রে কয়েক ঢোক পেটে পরতেই আমি সত্যবাদী হয়ে যাই । তখন কথার বন্যায় আমি সবার অতীত বর্তমান ভবিষ্যত ভাসিয়ে দিতে চাই কিন্তু কেও কিছু বলে না কারণ বাকি সবার তখনো সত্যবাদী হতে আরো অনেক ঢোক বাকি । তখন হঠাত আমি আরো সত্যবাদী হয়ে যাই । আমি বলি আজকের বোতলটা ফাউল, তোরা সব ফাউল আর আমি সবচেয়ে বড় ফাউল । তখন সবার সত্যবাদী হতে আর মাত্র কয়েক ঢোক বাকি তাই সবাই কয় – কেন কেন ? এমন কি মিথ্যুক রায়হানো বলে- কেন কেন ?
তখন গলায় কয়েক ঢোক ঢাইলা আমি বলি – কারণ রিনি কইছে আমি ফাউল । সব কয়টা এক সাথে কয় ঠিক ঠিক কিন্তু রায়হান শালার পুত কিছু কয় না ।

আমি আবার বলি- এই হারামির বাচ্চারা আইজ থাইকা আমি আর তোদের সাথে থাকুম না , আমি ভাল হইয়া যামু আমি লেখাপড়া করুম । বাকি সব শালাই কয় আমরাও তোর সাথে থাকুম না আমরাও ভাল হইয়া যামু । কিন্তু রায়হানের বাচ্চা কিছু কয় না শুধু আন্ধার মাঠের মধ্যে গান ধরে চান্নি পসর রাইতে যাতে আমার মরণ হয় । আমার মাথায় রক্ত উইঠা যায় আমি কই- ঐ হারামি না ভাল হইয়া আমি মরুম না ।

এই সময় একটু দূরে লাইটপোষ্টের নিচে এক মাইয়া হঠাত এক ছেলের জামা ধরে চিতকার দেয়- এই খানকির পোলা আমার বাকি বিশ টেকা দিয়া যা । ছেলেটা তখন মেয়েটাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়, ঠিক তখন রায়হান পোলা মাইয়া দুইটার দিকে দৌড় দেয় । মারুফ কয় শালা একা একা ভাল হইতে ভাগতাছে । আমিও ভাল হমু এই বইলা আমিও পিছে পিছে দৌড় দিই সাথে বাকি সবাই । তখনো মাইয়া টা চিতকার করতাছে- ঐ হারামি কাজের আগেতো ৫০ টেকা দিবি কইছিলি এখন বাকি ২০টেকা দে । আমরা এই সময় রায়হানের পিছে পিছে পোলা মাইয়া দুইটার সামনে দাড়াই ঝাপসা চোখে বুঝার চেষ্টা করি কি হচ্ছে । পোলাটা তখন কয় – এই মাগী ভাগ , যা দিছি তা নিয়া ভাগ । ঠিক এই সময় রায়হান বলে – কিরে মাসুদ তুই ?

নিবিড়
nibir110@hotmail.com

৩,৮১৭ বার দেখা হয়েছে

৬৪ টি মন্তব্য : “ভাল ছেলে”

  1. হাসনাইন (৯৯-০৫)

    রাশেদ নি... 😀
    ফেরাস্টে ফেরাস্টে লেখা পইড়া ধান্দা খাইছিলাম, এ আমাগো কোন রাশেদ। 😛
    পরে বিভাগে দেখি গল্প। 😀
    হারামী তুই নাকি বহু আগে থেকে ব্লগাস। x-(
    এদ্দিনে বাড়ির কথা মনে পড়ল। 😛
    ভাল লাগছে। :hatsoff:

    ঠিক এই সময় রায়হান বলে - কিরে মাসুদ তুই

    সমসাময়িক ব্লগীয় ধারা অনুযায়ী আরো লেখ, আরো লেখ

    জবাব দিন
  2. সায়েদ (১৯৯২-১৯৯৮)

    পড়তে পড়তে ভাবতেছিলাম এই ব্লগে এর আগে একজন 'তার' রিনির ঠ্যালায় হুজুর হইছিল, এইবার বুঝি আরেকজন ভালো হইলো।
    কিন্তু শেষমেষ সত্যিই এক্সেলেন্ট হইছে। ধারণাও করি নাই এইভাবে শেষ হবে :clap: :clap: :clap: :clap: ।

    রিনিরে স্যালুট। রিনির আরও গল্প চাই 🙂 😛 ।


    Life is Mad.

    জবাব দিন
  3. রায়হান আবীর (৯৯-০৫)

    *

    মারাত্মক একটা লেখা। কঠঠিন ভালো লাগলো।

    *

    লেখাটি পড়তে মারাত্মক মনোযোগ দরকার। কারণ প্রতিটা বাক্যের রস ধীরে ধীরে আস্বাদন করতে হয়।

    *

    রায়হানের নামের পোলারা মাল খায়না- এবং তারা সত্যিকার অর্থেই ভালো ছেলে। শুধু রাশেদ নামের পোলারা... 😀

    অফ টপিকঃ

    শহীদুল জহির ফ্যান ক্লাবে স্বাগতম। অনেকদিন আগে আমি এই স্টাইলে একটা ব্লগ লেখার চেষ্টা করছিলাম।

    জবাব দিন
    • প্রথমে বলি লইজ্জা পাইছি :shy:
      .........................................................
      আমার রুমমেট জাহিদ বলত -শালা তুই কোন কথা সহজ করে বলতে পারস না । এখন দেখি তুইও একি কথা কস । কেম্নে কি 🙁
      ............................................................
      দাড়াও চান্দু রায়হান সিরিজের বাকি গুলা নামাই তাইলে বুঝবা কে মাল 😀
      রাশেদ নামের পোলাপাইনদের কিছু বলা হইলে সহজে ছাড়া হবে না x-(
      ..................................................................
      ফ্যান ক্লাবের মেম্বার হইতে পাইরা আমার কি যে খুশি লাগতাছে 😀
      তোর এই লেখাটা ঈদের দিন বা তার পরের দিন লেখা ছিল । আর দেখতো তোরে এই গল্পে নজু ভাইয়ের পর কে যেন কইছে তুই শহীদুল জহিরে আক্রান্ত কিনা ভাল কইরা দেখতো পোলাডা কে 😉

      জবাব দিন
  4. জিহাদ (৯৯-০৫)

    তোরে ধইরা এই শীতের রাইতে পুকুরে নিয়া চুবান দরকার।

    তুইই যে নিবিড় এইটা আমি আজকে জানলাম।

    লেখা এখনো পড়িনাই। পড়ে পরে কমেন্ট দিতেসি 😀


    সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

    জবাব দিন
  5. জিহাদ (৯৯-০৫)

    কি লিখলি মামু। একটানে পইড়া ফালাইলাম। বেশি জোশ। :hatsoff:

    আর রায়হান নামের পোলাগুলার আসলেই সমস্যা আছে। এইটা আমি আগেও খিয়াল কৈরা দেখসি।


    সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

    জবাব দিন
  6. ১.
    সিসিবির সাম্প্রতিক কালের সেরা লেখাগুলির একটা। দূর্দান্ত ফিনিশিং।
    ২.
    গল্পবয়ান-কৌশলে শহীদুল জহির ধাঁচ আছে, তবে পুরোপুরি আসেনি। অন্য কারো আসবে না বলে আমার ধারনা। শহীদুল জহির অনন্য। তার কাছাকাছি যেতে পারাটাও গর্বের।
    ৩.
    প্রথমবার যখন আমি শহীদুল জহিরের 'ডলু নদীর হাওয়া ও অন্যান্য গল্প' পড়ি আমার ভিতরে নাড়া পড়ে গিয়েছিলো। বাংলায় এমন করে আর কেউ ভাষার ঘোর তৈরী করতে পারেন নি।
    ডলু নদীর হাওয়া ও অন্যান্য গল্প' বইতে প্রথম গল্প ছিলো 'কোথায় পাব তারে'। সেটা বাদ দিয়ে আমি পড়া শুরু করেছিলাম 'আমাদের কুটির শিল্পের ইতিহাস।' এবং এই এক গল্পেই আমার নিজের মধ্যে ঘোর তৈরী হয়ে গেলো। এক ধরনের বিভ্রম । সামান্য উদ্ধৃত করি:

    এবারো চৈত্র-বৈশাখ- জৈষ্ঠ্যে দক্ষিণ মৈশুন্দি, নারিন্দা, বনগ্রাম, ওয়ারি, রেঙ্কিন স্ট্রিট, জোড়পুল, ভূতের গলি কি পদ্মনিধি লেনে গরম পড়লে মহল্লায় মহল্লায় তরমুজ বিক্রি হবে। সবুজ রঙা তরমুজের রক্তলাল কাটা ফালির অবিশ্বাস্য বর্ণিল পৃথিবীর ঘুলঘুলাইয়া কি গোলকধাঁধায় ঘুরপাক খাবে মহল্লার মানুষ। মহল্লার কোনো কোনো তরুণ শেফালী নামের কোনো তরুণীকে দেখে ডাক দেবে: ‘এই শেপালী ফুল গাছ!’ তখন মহল্লার মেয়ে ঝর্ণা বসাক একদিন সিনেমার দামি নায়িকা শবনম হয়ে যাবে, চান্দা ও তালাশ ছায়াছবিতে তাকে দেখা যাবে আর হাজি ফুড প্রোডাক্টসের মালিক বৃদ্ধ হাজি আব্দুর রশিদ সাহেবের মৃত্যুশয্যায় যখন ইচ্ছা হবে তরমুজ খাবার কিন্তু তখন তরমুজ খাবার সময় নয় বলে পাঁচবার তরমুজ চাওয়ার পরও তিনি তরমুজ পাবেন না, তিনি তখন সঙ্কটের গভীরতা উপলব্ধি করতে পারেন এবং বড় ছেলেকে একটা তরমুজের ফ্যাক্টরি বসাতে বলেন, হাজি সাহেবের ছেলে মহল্লার দক্ষিণ প্রান্তে পড়ে থাকা এক টুকরো খালি জমি কিনে ফেলে এবং হাজি ফুড কোম্পানির ফ্যাক্টরি তৈরির কাজ শুরু হয়…

    আহা!! জহির জহিরই। আমাদের গরম আর আমাদের তরমুজ তার মতো করে কে আর লিখেছেন?

    মহল্লায় গরম পড়তে শুরু করলে চৈত্র, বৈশাখ অথবা জ্যৈষ্ঠ মাসে তরমুজওয়ালারা তরমুজ নিয়ে আসে এবং আমরা তরমুজ খেতে শুরু করি, আমরা তখন তরমুজ সম্পর্কে সচেতন হই; আমরা লক্ষ করি যে, এই তরমুজওয়ালারা মহল্লার গলির সংকীর্ণ একটি জায়গায় মাটিতে দেয়ালের পাশ ঘেঁষে, গোল গোল তরমুজের ছোট ছোট ঢিবি বানিয়ে বসে, তারা এই জায়গায় কেন বসে আমরা বুঝতে পারি না, ফলে এই জায়গায় এসে রিকশা, ঠেলাগাড়ি, গরুর গাড়ি, বেবিটেক্সি, কুকুর, বেড়াল, ছাগল এবং মানুষ একটি জট পাকিয়ে ফেলে; দক্ষিণ মৈশুন্দিতে মাছি বেড়ে যায়, আমাদের নাকের উপর সেগুলো এসে বসে, নীল মোটা মাছি এবং কালো সরু মাছি, ফলে আমরা বিরক্ত হই; আমরা তাদেরকে বলি, তুমরা এই মাছির দিনে তরমুজ লয়া আহ ক্যালা!’

    তারপর পড়লাম 'কোথায় পাব তারে?' শেষ করে দেখি আমার ভিতরেও আব্দুল করিমের মতো এক ধরনের হাহাকার তৈরী হয়েছে।
    কোনো রকম জটিল প্রতীক বা বুদ্ধিবৃত্তিক আবহ তৈরি না করে কেবল ভাষার টানে একটি অসাধারণ গল্পের নমুনা ‘কোথায় পাবো তারে’, যা বাংলা সাহিত্যে অনন্য।

    ৪.
    সিসিবিতে স্বাগতম রাশেদ।

    জবাব দিন
  7. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    অসাধারন হয়েছে, কামঅরুল ভাই এর সাথে একমত, সিসিবির সাম্প্রতিক কালের সেরা লেখাগুলির একটা।

    তবে পরবর্তি জ্ঞানগর্ভ আলোচনার পুরোটাই মাথার উপর দিয়া গেল। 😕

    বহুত পিছাইয়া আছি মনে হচ্ছে।


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  8. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

    সিসিবির মেম্বার হইতে পারার গর্বটা দিন দিন বাড়তাছে এই অসাধারণ সব লেখকের সাথে থাকার সুযোগ পেয়ে।
    অসাধারণ একটা লেখা, প্রথমে ভাবছিলাম তাড়াহুড়া কইরা লেখা। কিন্তু শেষের দিকে আইসা বুঝলাম পুরোটাই লেখকের ইচ্ছাকৃত ক্যারিশমা।
    চমৎকার রাশেদ। তোমারে ভাই :salute: :salute:
    আরো লেখ আরো লেখ :thumbup:


    সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

    জবাব দিন
  9. কামরুলতপু (৯৬-০২)

    এই গল্পটা আগেই পড়েছিলাম সচলে সম্ভবত, নিজের বাড়িতে আসার জন্য রাশেদ তোমাকে অনেক স্বাগতম ভাইয়া। তোমার আর নতুন নতুন হাইফাই লেখা পড়ার অপেক্ষায়। কুমিল্লা আগে অনেক এগিয়ে ছিল এখন পিছিয়ে পড়েছে দেখ ত টান দিতে পার কিনা, কলেজে কলেজে ব্যপক কম্পিটিশন চলছে।

    জবাব দিন
  10. নাসির (৯৮-০৪)
    বলে কিনা মাসুদ কে দেখে আমাকে শিখতে ভদ্র ছেলে কি রকম , প্রেম করলে এইসব ছেলের সাথে করবে যাদের কিনা মাসুদের মত উজ্জল ক্যারিয়ার আছে ।

    আর কইয়ো না ভাই মেয়ে মানুষ আজ়ীবনই এর পেছনে দৌড়াইতেছে। কে যেন বলছিল আমার ঠিক মনে পড়তেসে না যে, "প্রত্যেক পুরুষের সাফল্যের পেছনে নারীর অবদান আছে কারণ, মেয়েরা কেবল তাদের পেছনেই ঘুরে।"--যাউকগা মনের ব্যথা আর বাড়াইয়ো না।

    রেজওয়ানঃ

    থামিস না…ভরাইয়া দে সিসিবি…

    ভরাইয়া দেওয়া ব্যাপারটা কেমন কেমন জানি লাগতেছে 😕 তবে বেশি বেশি লিখ, কামরুল ভাই এর মতন গুণী পাব্লিক যেখানে ISO সার্টিফিকেট দিসেন, ঐখানে আমি ত নিতান্তই নালায়েক। লেখার স্টাইল চমৎকার এবং গতিময়তা অনেক এক্সাইটিং ছিল। :thumbup: :thumbup: আরো বেশি বেশি লিখে রেজওয়ান এর ভাষায় 'ভরাইয়া' দাও। 😉 😉 😉
    তবে যেই হারে লাল পানি সেবনের কথা লিখস, আমার আসলেই ভয় লাগতেসে যে তোমারে মশা কামড়াইলে অর তুমি আগের মতন মানুষ কামড়াইলে না মানুষ আবার অক্কা পায়। ডোজ তা একটু কমানো যায় না?wish u good luck and life. :party:

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।