সিসিবি নটআউট ৩ (৩য় বর্ষপূর্তি – স্মৃতিচারণ)

সিসিবির জন্মদিন ৮ ডিসেম্বর,২০০৭। এই দিনটি আমার কাছে অনেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা দিন। না শুধু যে ২০০৭ থেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে তা না। অনেক অনেক আগে থেকেই ডিসেম্বর মাস আসলেই ৮ তারিখের কথা আমার মনে হয়। আমার মা এর জন্মদিন ৮ ডিসেম্বর। আগে খুব ঘটা করে আম্মুর জন্মদিনের জন্য প্ল্যান করতাম। চিঠি লিখে এমনভাবে পোষ্ট করতাম যেন ৮ তারিখে গিয়ে পৌঁছায়। রাতের ৩টায় (জাপানের ৩টায় বাংলাদেশের ১২টা বাজে (আক্ষরিক অর্থে) ) এলার্ম দিয়ে উঠে আম্মুকে ফোন করতাম। এখন আম্মুকে সারপ্রাইজ দেবার ভার পুরাটাই আমার ছোট ভাই কনকের। দুই মাস ধরে সে হন্যে হয়ে আম্মুকে দেবার জন্য গিফট খুঁজছে। রাতে খুব লুকিয়ে লুকিয়ে কেকের প্যাকেট বাসায় নিয়ে গেছে এবং আশে পাশের আত্মীয়দের বলেছে ১২টায় যেন বাসায় আসে। আমি আমার ১২টায় ফোন দিয়ে আম্মুকে শুভ জন্মদিন জানিয়ে ঘুমাতে চলে গেছি।

এই একইদিনে সিসিবির জন্মদিন এটা আমার মনেই ছিল না। তবে অনেকেই যে লুকিয়ে লুকিয়ে সিসিবির জন্মদিন উপলক্ষ্যে ব্লগ দেবার জন্য বসে ছিল সেটা বুঝতে পেরেছি বহুদিন পরে একইদিনে একাধিক ব্লগ আসা দেখে। কাল রাতে জিহাদের কথায় মনে পড়ল আজ সিসিবির জন্মদিন। মাত্র ৩ টি বছর আগে সিসিবির জন্ম। আমি জন্মলগ্নে ছিলাম না বলে হয়ত আমার দিনটি এতটা মনে ছিল না। কিন্তু যাদের নিরলস চেষ্টায় এই সিসিবি আজ ৩ বছরের শিশু তাদের নিশ্চয়ই ঘুম আসে না এই দিনটি আসার আগে। তাদের নাম বলে তাদের ছোট করলাম না। ২ মাস বয়সী সিসিবির সাথে আমার যখন পরিচয় তখন খুবই হাতে গোনা সদস্য আমাদের একটা ভাড়া বাসা ছিল ওয়ার্ডপ্রেসে। আমরা সেখানে যা খুশি লেখতাম আর প্রতি ১০ মিনিট পর পর দেখতাম সেখানে কোন কমেন্ট আসল কিনা।

আমার তখন নিঃসঙ্গ প্রবাস জীবন। নেটে কাজ করার কিছু থাকে না তাই একদিন ছোট ভাই-বোন গুলার সাথে যোগ দিলাম। দেখলাম আমি তখন হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল কিন্তু কেউ শুধায় তো না উপরন্তু জোর করেও কাউকে শোনানোর সুযোগ নেই। তাই নিজের কথা, নিজের নিঃসঙ্গতা, নিজের নস্টালজি লেখা শুরু করলাম। নিয়মিত বকবক করে এমন এক সিনিয়র পেয়ে সবাই মহাখুশি, তারা আমার পিঠ চাপড়ায়, আমাকে উৎসাহ দেয়, কমেন্টে আমাকে আকাশে তুলে দেয়। ভালবাসা পেয়ে আমি হয়ে উঠি দুর্বার। যা খুশি লেখতে লেখতে একসময় দেখি আমি শত খানা ব্লগ লিখে ফেলেছি। নিজেই তখন লজ্জা পেয়ে গেলাম। যে মানের লেখা সবাইকে গিলিয়েছি সেই শাস্তি সবার প্রাপ্য ছিল না। এখন অবশ্য আর সিসিবিকে গুটিকয়েক লেখকের লেখায় বন্দি থাকতে হয় না। নিয়মিতই নতুন লেখক আসে নতুন নতুন টাইপের লেখা পড়া যায়।

আস্তে আস্তে সিসিবি জমজমাট হয়ে উঠে। সিনিয়র জুনিয়রে ভরে উঠে সিসিবি। আগে যেমন নিজের বাড়ির সবাইকে চিনতাম আমাকেও সবাই চিনত একসময় সেরকম সবার সাথে চেনাজানা বা ব্যক্তিগত যোগাযোগ রাখা আর ততটা সহজ রইল না। বিদেশে থাকার কারনে গেট টুগেদার মিস হয় আর ফলস্বরূপ কেউই আর চিনে না। নতুন যারা আসে তারা হয়ত পুরান লেখা ঘেঁটে পড়ে না। আমিও চিনিনা অনেক নতুন নতুন ব্লগার দের। তবে এটুকু জানি আমি সিসিবিয়ান ফয়েজ ভাইর মত করে বললে , “আমি তোমাদেরই লোক ” ।

আমার পরিচিত সবার মাঝে আমি তপু নামে পরিচিত। আর কলেজ নাম কামরুল । নতুন করে পরিচয় হতে নিলে আমি আমার তপু নাম বলতেই অভ্যস্ত। তাই অনেকেই বুঝতে পারে না। ক্যাডেট পরিচয় পাবার পর অনেকেই খুব আমাকে ক্যাডেট নামের কলঙ্ক বলে আমি ক্যাডেট নাম পালটে ফেলেছি বলে। আমার ৬ বছরের হাউসমেট জাহিদ এখন আমাকে তপু বলে ডাকে এটা একটা বিরল ঘটনা বলে মনে হয়। যাহোক সবচেয়ে মজার ঘটনা ঘটেছে এবার দেশে গিয়ে এক ভাইয়ার সাথে পরিচয় হবার পর উনি আমার কামরুল নাম জানার পর বললেন তুমিই কি কামরুল তপু নাকি? খুব ভাল লেগেছে নিজের কাছে। কামরুল নামে একজন তারকা ব্লগার থাকার কারণে অনেক সময় আমি ওনার লেখার অভিনন্দন পেয়েছি এমনটাও হয়েছে। ওনার মত মজার লেখা আমি লেখতে পারি না তবে তখন আমি বলি না যে আমি কামরুল হাসান না আমি কামরুল তপু। উনি অনেক জনপ্রিয় , তার থেকে বিন্দু পরিমান আমার দিকে আসলে ওনার ক্ষতি হবে না।

সিসিবিতে প্রথম থেকেই ৯৪ ব্যাচ আর ৯৬ ব্যাচের একটা প্রতিযোগিতা ছিল। কোন ব্যাচের কত জন লগইন করেছে কারা বেশি লেখা দিচ্ছে, এমন কি সিসিবি ফ্যান্টাসি লীগেও সেই প্রতিযোগিতা লেগেই ছিল। বহুদিন হল সেই প্রতিযোগিতা মিস করি। আমাদের প্রতিযোগিতা যারা আড়াল থেকে সাপোর্ট দিত সেই ভাইয়াগুলাকেও অনেক অনেক মিস করি। আরেকটা জোর প্রতিযোগিতা ছিল কোন কলেজের ট্যাগে বেশি ব্লগ থাকবে। প্রথম দিকে মির্জাপুর এগিয়ে থাকলেও একসময় বরিশাল, সিলেট আর কুমিল্লা জোর ফাইট দিয়েছিল। পরবর্তীতে টুশকি খ্যাত একজন ব্লগার এবং আরো কিছু নিয়মিত লেখকের কল্যাণে বরিশাল অনেক এগিয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে এই অসুস্থ!! প্রতিযোগিতা থেকে রেহাই পাবার জন্যই কিনা সেই ইনফর্মেশন তুলে দেওয়া হল। একই অবস্থা হল সর্বোচ্চ কমেন্ট করা ব্লগার এর নাম এর লিস্টের ও । যার কল্যানে মিষ্টি খাওয়া, কপি পেস্ট এসব শুরু হয়েছিল।

প্রিন্সিপ্যাল আসার পর থেকে সিসিবি অনেকটাই নিয়মের মধ্যে চলে আসে। প্রথম পরিচয়ে ফ্রন্টরোল কিংবা মটর সাইকেল দেওয়ার মত মাতিয়ে রাখা ছাড়াও বিভিন্ন সমস্যা তার উপদেশ এবং তার দিকনির্দেশনা সত্যি বলতে কি সিসিবির খুব দরকার ছিল। তবে মিস করি সিসিবির এডজুট্যান্ট স্যার। নতুন যারা তারা কি জানে যে সিসিবিতে দুজন এডজুট্যান্ট বিদ্যমান একজন হল এডজুট্যান্ট স্যার আরেকজন শুধুই এডুজুট্যান্ট (ওয়েবএডমিন)। ডাক্তার স্যারের দায়িত্বে যে আসলে কে থাকে তা এখনো জানা হল না আমার। আর মডারেটর নাম নিয়ে যারা এই ব্লগটাকে সুন্দর করে গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তাদের জন্য আমার হাজার স্যালুট। মাঝে একজন ভাইস প্রিন্সিপ্যালের আগমন ঘটেছিল। সিসিবির মনে হয় সর্বকালের জনপ্রিয় সেই ব্লগারকে এখন আর দেখি না। একদল লোকের কথা না বললেই নয় যারা অর্থ এবং সময় দিয়ে আমাদের এই সিসিবির জন্য বাসা ঠিক করে দিয়েছে বাসার গোছগাছে সাহায্য করেছে এবং নিয়মিত ইন্সপেকশন করে বেড়াচ্ছে। তাদের জন্য শুধু স্যালুটে কাজ হবে না।

এখন গেট টুগেদার হলেই দেখি প্রচুর খাবার দাবার থাকে (যার বেশিরভাগই মনে হয় একজন সদ্য পুলিশের পেটে যায়), এবং অনেক সিসিবিয়ানকে দেখা যায়, খুবই মিস করি। সিসিবির প্রথম গেট টুগেদার হয়েছিল গোটা বিশেক ছেলে মিলে। এক বড় ভাইয়ের ট্রিটে সবাই মিলে নিজেদের মধ্যে পরিচয়টাই ছিল প্রধান কাজ। অনেকেই অনেকের চেহারাই চিনতাম না তখন। আরেকটি মজার জিনিস হল সিসিবির জন্মদিন প্রিফেক্টের তাক লাগানো জন্মদিনের ব্লগ। এখন অনেক কম দেখা যায়। তবে আমার মত অনেকেই আছে যারা জন্মদিন প্রিফেক্টের সুনজর না পেয়ে সবার অলক্ষ্যে জন্মদিন পালন করেছে। কি আর করা সবাই তো আর তারকা হতে পারে না।

গত ৩ বছরে কত কিছু হয়ে গেল নিজের জীবনেও। নিজের ব্লগ গুলো এক নজর দেখলে সেই সময়কার মানসিক অবস্থা মনে পড়ে। নিজেকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় , নস্টালজিক হওয়া যায়। আরো আরো অনেকদিন পরে যখন সিসিবি ৩০ বছর হবে তখনো যদি বেঁচে থাকি তাহলে নিজের এই সময়টা ধরে রাখার জন্য সিসিবির কাছে আরো বেশি কৃতজ্ঞ থাকব। আর সিসিবির যখন ১০০ বছর হয়ে যাবে তখন হয়ত থাকব না তবে কেউ না কেউ হয়ত এরকম বর্ষপূর্তি ব্লগ লেখতে গিয়ে আমাদের কথা বলবে সেটা ভাবতেও ভাল লাগছে। অনেকটা রবীন্দ্রনাথের ১৪০০ সাল কবিতার মত।

ব্যক্তিগত জীবনে অনেক খারাপ সময়ে সিসিবি আমাকে স্থান করে দিয়েছি নিজেকে শেয়ার করার যেটা আমার খুব প্রয়োজন ছিল। তাই ব্যক্তিগত ভাবে সিসিবির কাছে আমি ঋণী। সিসিবি এবং যাদের নিয়ে সিসিবি তাদের সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আমাকে সাথে রাখার জন্য।

সিসিবি এবং যাদের নিয়ে সিসিবি তাদের সবাইকে ৩য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শুভেচ্ছা।

৭৫ টি মন্তব্য : “সিসিবি নটআউট ৩ (৩য় বর্ষপূর্তি – স্মৃতিচারণ)”

  1. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    সমকালীন সিসিবিও ধারার বাইরে গিয়ে এত্ত বড় পোস্ট লেখায় কামতপুরে মাইনাস :grr: :grr:

    পুরোনো কথা মনে করিয়ে আবেগ আর নস্টালমুজিবে ভোগানোয় আরো একটা মাইনাস। :grr: :grr:

    তারপর মাইনাসে মাইনাসে বড় একটা প্লাস 😀


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  2. কামরুলতপু (৯৬-০২)

    #
    অন প্যারেড
    সদস্যঃ ১২ অতিথিঃ ১৫

    * রবিন (৯৪-০০/ককক)
    * তানভীর (০২-০৮)
    * কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)
    * কামরুলতপু (৯৬-০২)
    * মেহেদী হাসান সুমন (৯৫-০১)
    * আহসান আকাশ (৯৬ - ০২)
    * জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)
    * টিটো রহমান (৯৪-০০)
    * জিহাদ (৯৯-০৫)
    * কামরুল হাসান (৯৪-০০)
    * ফয়েজ (৮৭-৯৩)
    * নঈম (৮৭-৯৩)

    পুরানো সবাই দলে দলে । কি যে ভাল লাগে...

    জবাব দিন
  3. মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

    এখন গেট টুগেদার হলেই দেখি প্রচুর খাবার দাবার থাকে (যার বেশিরভাগই মনে হয় একজন সদ্য পুলিশের পেটে যায়)
    এ অতি বড় অপপ্রচার...সব পাখি মাছ খায় দোষ হয় মাছরাঙ্গার...জাতি এ অপবাদের সমুচিত জবাব দেবে... x-(
    আমার মত অনেকেই আছে যারা জন্মদিন প্রিফেক্টের সুনজর না পেয়ে সবার অলক্ষ্যে জন্মদিন পালন করেছে

    জন্মদিন প্রিফেক্ট বেচারা নিজেই দৌড়ের উপ্রে আছে,কিন্তু সেইটা মূল কথা না,এসিস্টেন্ট জন্মদিন প্রিফেক্ট আজকাল চা ব্যবসা আর ডেনিশ ললনা নিয়া এতই বিজি যে নিজের অতি গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্বটা সে নিয়মিত হারেই ফাঁকি দেয়...কুন দিন যে এই কারণে সে জেলে যাবে...
    ডাক্তার স্যারের দায়িত্বে যে আসলে কে থাকে তা এখনো জানা হল না আমার

    ইয়ে, এই পোস্টে নূপুরদাকে নিয়োগ দেবার জন্যে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি...বিশেষ করে উনার ইরোটি...থুক্কু ইরোইক বিষয়ক ব্লগটা আমার খুব পছন্দ হইছে :shy:

    আমি ১১ তারিখ সকাল ৯ টায় যাইতেছি...এত্তদিন সিসিবি জিটুজি যারা মিস করছে তাদের ইচ্ছামত পচাইছি এইবার মনে হয় আমার কপালে... :(( :((

    জবাব দিন
  4. মো. তারিক মাহমুদ (২০০১-০৭)

    আমি বোধ হয় সিসিবির পুরাতন সদস্যদের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে irregular সিসিবিয়ান। চাওয়ালা রকিব সিসিবিতে আসার আগ পর্যন্ত দীর্ঘদিন (প্রায় ছয়/সাত মাস বা তারও বেশি) আমি ছিলাম একমাত্র সিসিবির সর্বকনিষ্ঠ সদস্য, সবাই কইত "একমাত্র ছুড ভাই"। ঐ সময় জিহাদ ভাই, রায়হান ভাই, ফুয়াদ ভাই (বন্য), তুহিন ভাই - এরা চান্স পাইলেই আমারে খালি ঝারি দিত ... ... এখন আর সেই দিন নাই, দিন বদলাইছে ... এখন সিসিবিতে আমারও অনেক জুনিয়র আছে ... ... এতেই বোঝা যায়, বড় হচ্ছে সিসিবি ... ...

    জবাব দিন
  5. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    রাত ২টায় সবগুলা লুঙ্গি পিড়া প্যারেড গ্রাউন্ডে ফল-ইন! মেয়েরা অবশ্য স্লিপিং স্যুটে থাকবে! :grr: :grr: :grr:

    ফয়েজ কাল সকালে আমি মিস্টি খাওয়া পার্টির সবগুলার নাকের আর চোখের পানির বন্যা দেখতে চাই!!!

    B-) B-) B-)


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন
  6. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    সিসিবি বলে যে কিছু আছে তাই-ই জানতামনা। জানলাম বিডিআর হত্যাকাণ্ডের সময়, যখন একের পর এক ব্লগ, ওয়েবসাইট ঘেঁটে আসল ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করছিলাম দিল্লীতে বসে। এরকম-ই কোন একটা সাইটে সিসিবির রেফারেন্স দেখে এখানে আসা।
    অতঃপর আন্দাবাবুর কবিতা পড়ে মুগ্ধতা। অথচ তখন আমার খুব টাইট সময় যাচ্ছিলো একাডেমিকালি।তার মধ্যেও বাংলায় টাইপ করা শিখে নেয়া, ভয়ে ভয়ে একটা দুটো লেখা পাঠানো। কখনো না দেখেও এতগুলো মানুষের এতটা কাছাকাছি চলে আসা।
    শুধু একটা কারণে একটু মন খারাপ হয়, অমন একটা দুঃসময়ের যোগসূ্ত্রে সিসিবি খুঁজে না পেয়ে ক'দিন আগে বা পরে পেলে যেন ভালো হতো।
    একটা কথা খুব সংকোচে জানতে চাই। সিসিবি মেইনটেইন করতে খরচপাতি তো হয় কিছু তাই না? শুরুতেও অনেককে বিস্তর টাকাপয়সা দিতে হয়েছে নিশ্চয়ই। এখন তো আমরা অনেকে আছি। এখন একটা ফান্ড করতে পারি এসব মেটানোর জন্য?
    তাছাড়া পিকনিক আড্ডার খরচ তো আছেই। কি বলেন সবাই?

    জবাব দিন

মওন্তব্য করুন : রবিন (৯৪-০০/ককক)

জবাব দিতে না চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।