জীবনের জার্নাল – ২৫

কিংবদন্তী শিক্ষক JRS (দ্বিতীয় পর্ব)
12080911_10206498642160036_1449238350_n
JRS taking a break from walking around Hyde Park
12067766_10206498641600022_1126490871_n
JRS at Prof Saleh’s (my batch mate) apartment.
12092728_10206498639479969_743500688_n
JRS at Albert Memorial

“কিংবদন্তী শিক্ষক JRS” এর উপর আমার আগের লেখাটা পড়ে অনেকেই অভূতপূর্ব সাড়া দিয়েছেন। কেউ টেলিফোনে, কেউ ই মেইলে, কেউ ফেইসবুকে জানতে চেয়েছেন তাঁর সাথে আমার ব্যক্তিগত যোগাযোগ হয়েছে কিনা, তাঁর কোন ছবি আছে কিনা। উত্তর দুটোরই ইতিবাচক। হয়েছে, আছে। তবে তার আগে আমি তাঁর মানবিক গুনাবলী সম্পর্কে একটা ঘটনার কথা উল্লেখ করতে চাই। গল্পটা আমি আমার প্রয়াত অংক শিক্ষক মরহুম মাহতাব উদ্দিন আহমেদ স্যারের কাছ থেকে তাঁর নিজ মুখে শুনেছি। পেশাগত জীবনের শেষ প্রান্তে এসে মাহতাব স্যার এমসিসি’র প্রিন্সিপাল পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন। এক প্যারেন্টস ডে তে তিনি আমাকে দেখে তাঁর অফিসে ডেকে নিলেন। এটা সেটা গল্পের মাঝে এক পিকনিকের কথা বলতে গিয়ে JRS এর প্রসঙ্গ উঠলো। ৬৭-৬৮ সালে আমরা পুরো কলেজ পিকনিকে গিয়েছিলাম মধুপুর বনে। তখনকার বন আজকের বনের মত ছিলনা। ঘন জঙ্গলে দিনের বেলাতেও কেমন অন্ধকার অন্ধকার লাগতো। আমার স্পষ্ট মনে আছে সেই পিকনিকের কথা। এক গারো যুবকের খেলাচ্ছলে গর্ত থেকে জীবন্ত সাপ ধরে আনা নিজ চোখে দেখেছিলাম। যদিও তখন সেখানে বনবিভাগের একটা রেস্টহাউজ ছিল, কিন্তু এতগুলো লোকের খাবার দাবার আয়োজন করাটা চাট্টিখানি কথা ছিলনা। এছাড়া বনের মাঝে হাঁটাহাঁটি ছোটাছুটি করে আমাদের ক্ষুধাও প্রচন্ড বেড়ে গিয়েছিলো। ফলে দুপুরে লাঞ্চ কিছুটা শর্ট পড়েছিলো। মাহতাব স্যার তখন কনিষ্ঠতম শিক্ষক, তাই খাওয়া দাওয়া আয়োজনের তদারকি করার জন্য মেসিং অফিসার ছাড়াও তাঁর মত আরো কয়েকজন কনিষ্ঠ শিক্ষককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো। খাওয়া শর্ট পড়ার জন্য তাঁরা যারপরনাই লজ্জিত ও ভীত ছিলেন। ব্যাঘ্রসম প্রিন্সিপাল কর্ণেল আনসারীর ভয় তো ছিলই। সেদিন তাঁর প্লেটে কিছুই জোটে নাই। এটা মিঃ এবং মিসেস সিম্পসন দূর থেকে খেয়াল করেছিলেন। তাঁরা তাঁকে তাঁদের ছোট্ট অস্টিন গাড়ীটার কাছে ডেকে নিয়ে গেলেন। সেখান থেকে মিসেস সিম্পসন হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টাল (পরবর্তীতে ঢাকা শেরাটন) থেকে আনা কেক বের করে তাঁকে খেতে দিয়েছিলেন। মাহতাব স্যার তাঁদের এই এহসানটুকুর কথা ভুলতে পারেন নাই। পরে অবশ্য এ কথাটা জানাজানি হয়ে গেলে তাঁর কলিগরা এ নিয়ে তাঁর লেগ পুল করতে ছাড়েন নাই। উল্লেখ্য, মাহতাব স্যার তখন ছিলেন সদ্য ভার্সিটি থেকে বের হওয়া এলিজিবল ব্যাচেলর। যদিও তিনি খুব নিরীহ, নির্বিরোধ, শান্তশিষ্ট প্রকৃতির ছিলেন, তাঁর উজ্জ্বল ফর্সা চেহারাটা, ক্লীন শেভড মুখ, পরিপাটি পোষাক ইত্যাদি খুব আকর্ষণীয় ছিলো।

JRS ক্লাস সেভেনে আমাদেরকে শুধু গ্রামার পড়িয়েছিলেন। এইটে ওঠার পর আস্তে আস্তে লিটারেচারের সাথে পরিচিত করাতে শুরু করেন। যাই পড়াতেন, তা যেন আমাদের কাছে মজাদার হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতেন। তিনি আমাদেরকে দিয়ে নাটক করিয়েছিলেন। সেই নাটকের একটা দৃশ্যে ফেনী রেলওয়ে স্টেশন কে depict করেছিলেন। আমাদের ব্যাচের চল্লিশ বছর পূর্তি উপলক্ষে যমুনা রিসোর্টে একত্রিত হয়েছিলাম। সেখানে বন্ধু মোস্তাফিজকে (সিপিডি’র নির্বাহী পরিচালক) এটা নিয়ে এখনো গর্ববোধ করতে দেখেছি, কারণ তার দেশের বাড়ী ফেনী। দুবাই প্রবাসী বন্ধু মহীউদ্দিন জামানকে আমরা সেদিন স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলাম ফেনী রেলওয়ে স্টেশনে পড়ে থাকা এক মৃত সৈ্নিকের ভূমিকায় তার উজ্জ্বল অভিনয়ের কথা! তিনি আর্থার কোনান ডয়েলের “শার্লক হোমস” এনে দিয়েছিলেন আমাদেরকে পড়তে। “The Adventures At Dabanga School” নামে এক ভারী মজার বই পড়িয়েছিলেন, যেখানে এক ব্রিটিশ বোর্ডিং স্কুলের ছাত্রদের কথা বলা হয়েছিলো, যাদের কার্যকলাপ, চিন্তা চেতনা, দুষ্টুমি ইত্যাদির সাথে আমাদের হুবহু মিল ছিলো। আমরা তাই বইটি পড়ে ভীষণ মজা পেয়েছিলাম। ক্লাসের পড়া ছাড়াও JRS আমাদেরকে শেক্সপীয়রের নাটকের কথা বলতেন, লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির মূরাল চিত্রকর্ম ‘দ্য লাস্ট সাপার’ এর কথা বলতেন, তাঁর প্রিয় কবি Alfred Lord Tennyson এর কথা বলতেন। এ ছারাও তিনি কবি W.B.Yeats (১৯২৩ সালে সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী) এর কথাও প্রায়ই বলতেন। তখন পর্যন্ত ইংরেজী সাহিত্য সম্পর্কে আমার যেটুকু জ্ঞান ছিল, তাতে বায়রন শেলী ছাড়াও ইংলিশ রোমান্টিক কবি John Keats এর নামের সাথে ( শুধুমাত্র নামের সাথেই) পরিচিত ছিলাম, কিন্তু আইরিশ কবি W.B.Yeats এর নাম তখনো শুনিনি। তাঁর কথা শুনেই একদিন লাইব্রেরীতে গিয়ে এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা ঘেটে W.B.Yeats সম্পর্কে জেনেছিলাম। এটা জেনে মুগ্ধ হয়েছিলাম যে Yeats আমাদের কবিগুরুর ‘গীতাঞ্জলী’র ভুমিকাপত্র (introduction) লিখেছিলেন। আরও জেনেছিলাম যে তিনি তাঁর চেয়ে বিশ বছরের ছোট আমেরিকান কবি এজরা পাউন্ডের খুব ভালো বন্ধু ছিলেন।
JRS কে আমি খুবই ভক্তি শ্রদ্ধা করলেও তাঁর প্রতি আমি মনোক্ষুন্ন হয়েছিলাম যেদিন তিনি আমাকে জোর করে একটা ইংলিশ ডিবেটের জন্য মঞ্চে তুলে দিয়েছিলেন। অনেক অনুনয় বিনয় করেও রক্ষা পাইনি। আমার আপত্তির মুখে তিনি আমাকে মৃদু ভর্ৎসনাও করেছিলেন। সেদিন জেনেছিলাম হাঁটুকাঁপানি কাকে বলে! রোস্ট্রামের পেছনে আমি লিটারেলী ঠকঠক করে কাঁপছিলাম। কোনরকমে ঢোক টোক গিলে দু’চারটে বাক্য হয়তো বলতে পেরেছিলাম, কিন্তু এতেই চোখে অন্ধকার দেখা শুরু করেছিলাম। জীবনে আমার কোন গোপন দুর্বলতাকে কেউ কখনো এতটা প্রকাশ্যে নাঙ্গা করে দেয়নি। নিজের একটা বিরাট গলদ সেদিন আমাকে প্রায় গ্রাস করে ফেলেছিলো। গোপনে গোপনে এই গলদ কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছি, মহড়া দিয়েছি, কিন্তু শেষ তক সুবিধে করতে পারিনি। এ দুঃখটা অনেকটা কাটিয়ে উঠি যখন আমার বড় ছেলে টেলিভিশনে একই কলেজের প্রতিনিধি হয়ে ইংরেজী ও বাংলা উভয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে একটাতে প্রথম আর অপরটাতে দ্বিতীয় পুরস্কার অর্জন করে। ঐ প্রতিযোগিতার একটাতে সঞ্চালক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের প্রধান ডঃ মঞ্জুরুল ইসলাম, অপরটাতে সিপিডি’র নির্বাহী পরিচালক ডঃ মোস্তাফিজুর রহমান।
JRS কে ভালোবাসতাম, কারণ তিনি ক্লাসে খুব ইনফর্মাল ছিলেন। সময় পেলেই ছোটখাট ফান করতেন। একদিন ক্লাস টেস্টের সময় এক বন্ধু অপর বন্ধুর খাতার দিকে বারবার তাকিয়ে কিছুটা সাহায্য নেয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছিলো। ব্যাপারটা তাঁর নজরে এলে তিনি তাকে উঠে দাঁড়াতে বল্লেন। সে দাঁড়ালে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “ক্যান ইউ সি ইট বেটার নাউ?” বন্ধুটি সলজ্জ হাসি দিয়ে সাথে সাথে নিজ আসনে বসে পড়েছিলো। আমাদের স্টেশনারী শেষ হয়ে গেলে একটা ডিমান্ড স্লিপে যে কোন একজন শিক্ষকের স্বাক্ষর নিয়ে স্টোরে জমা দিলে রিপ্লেসমেন্ট পাওয়া যেতো। একদিন আমার বন্ধু ফজলু (ডঃ ফজলুল হক, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চীফ ফিজিশিয়ান হিসেবে সদ্য অবসরপ্রাপ্ত) একটা ডিমান্ড স্লিপ বানিয়ে তাঁর স্বাক্ষর নিতে গেলে তিনি সই করে দেন। স্বাক্ষরের নীচে কোন বিষয়ের শিক্ষক তা উল্লেখ করতে হতো। আমি ফজলু’র পাশে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম। ফজলু’র প্রতিক্রিয়া দেখার জন্য JRS বিষয়ের জায়গাটা খালি রেখে স্লিপটা ওর হাতে ফেরৎ দেন। ফজলু তাঁকে অনুরোধ করলো “Lecturer in …..” এর খালি জায়গাটা পূরণ করে দিতে। তিনি খসখস করে খালি জায়গাটাতে ‘URDU’ লিখে (যা ছিল অকল্পনীয়) ফজলু’র দিকে একটা funny gesture করলে ফজলু মুখ টিপে হেসে নিজ আসনে ফেরত এসেছিলো। তাঁর এসব কৌতুকের কথা মনে করিয়ে দিলে তিনি গত বছর আমার একটা মেইলের জবাবে লিখেছিলেন, “Many of the incidents referred to I had long forgotten. I have to laugh and sigh at some of the things said and done by me in my naïve youth.”
একদিন JRS ক্লাসে এসে ব্ল্যাকবোর্ডে বড় করে লিখলেন, INDEPENDENCE DAY। তারপর আমাদের দিকে ঘুরে তাকিয়ে বল্লেন বিষয়টির উপর রচনা লিখতে। এটা ছিল আমাদের জন্য এক আচমকা বিস্ময়! তারিখটা মোটেও INDEPENDENCE DAY এর ধারে কাছে ছিলনা। এরপর তিনি চুপ করে বসে থাকলেন, সারাটা ক্লাসে একটা কথাও বলেন নি। তিনি যে কোন কিছু নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন, যেমন ক্লাসে বসে আগের পরীক্ষার খাতা দেখা বা কোন কিছু মন দিয়ে পড়া, তাও নয়। শুধু আমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে দেখছিলেন আমরা কে কি করি। ঘন্টা বাজলে তিনি নীরবে চলে গেলেন, একবারও খাতাগুলোর কথা কিছু না বলেই। এখন ভাবি, হয়তো এটা ছিল কোন সাইকোলজিকাল টেস্ট। Preposition পড়াতে গিয়ে তিনি ব্ল্যাকবোর্ডে লিখেছিলেন, “ My watch has run DOWN, because I forgot to wind it UP last night”। সেই থেকে run DOWN আর wind UP এর Preposition জীবনে কখনো ভুল হয়নি। আরেকদিন ক্লাসে এসে ব্ল্যাকবোর্ডে তিনি লিখলেন, ” When I see dark clouds, I feel……”। তারপর আমাদেরকে বল্লেন আমরা কে কী ফীল করি, দাঁড়িয়ে সেটা বলতে। মনে পড়ে আমাদের বন্ধু নজরুল (হার্ভার্ডের প্রাক্তন অধ্যাপক, বর্তমানে জাতিসংঘে উচ্চ পদে কর্মরত) শূন্য জায়গাটায় “রোমান্টিক” (ক্লাস এইটেই!) বসিয়ে বাক্যটি উচ্চারণ করেছিল। এটা অনেকেরই মনের কথা ছিল, নজরুল সেটা নির্দ্বিধায় বলতে পেরেছিল বলে শিক্ষক, ছাত্র সবাই খুশী হয়েছিলো।
আমাদের সাথে তাঁর সর্বশেষ ক্লাসটার পর ক্লাস ক্যাপ্টেন তাঁকে হোম ওয়ার্ক দেয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দিলে তিনি ব্ল্যাকবোর্ডে লিখেছিলেন, “ENJOY YOURSELVES”! কেন্দ্রীয়ভাবে দেয়া তাঁর বিদায়ী অনুষ্ঠানে তাঁর ভাষণের শেষ বাক্যটি ছিল “LONG LIVE EAST PAKISTAN” (পাকিস্তান নয়), যা শুনে প্রিন্সিপাল তার চশমাটা চোখ থেকে কপালে তুলেছিলেন, আর তিনি তাঁর কুঁজো শিরদারা উঁচু করে দাঁড়িয়ে ডানে বামে তাকিয়ে আমাদের করতালি উপভোগ করছিলেন। গত বছর জুলাই মাসে তাঁর সাথে আমাদের যোগাযোগ পুনঃস্থাপিত হবার পর আমরা অনেকেই উল্লসিত হয়ে তাঁর সাথে ই মেইলে যোগাযোগ করি। আমাদের মেইল পেয়ে তিনি অভিভূত হয়ে যান। আমাদের বন্ধু ওহায়ো স্টেট ইউনিভার্সিটি’র প্রফেসর সালেহ আহমেদ তানভীর গত বছরে লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজে “একাডেমিক ভিজিটর” হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি আমাদের সবার পক্ষ থেকে তাঁর সাথে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ কামনা করলে তিনি তানভীরের একাডেমিক সাফল্যের কথা শুনে চমৎকৃ্ত হন এবং নিজে নরউইচ থেকে ট্রেনে দু’ঘন্টার জার্নি করে এসে তানভীরের সাথে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ করে ছাত্রের প্রতি একজন শিক্ষকের বিরল সম্মান প্রদর্শন করেন। তাঁরা উভয়ে একত্রে ছয় ঘন্টার মত মধুর স্মৃতিচারণ করেন এবং হাইড পার্কে কিছুক্ষণ সময় কাটান। এ সময়ের কয়েকটা ছবি এখানে দিচ্ছি।
আমাকে একটি মেইলের জবাবে তিনি লিখেছেন, “Little did I realise in my youth that I was in contact with so may young men like yourself who would have such satisfying and distinguished careers. It is a humbling thought for me. At church this morning I said a prayer for you and others who have kindly remembered me. In meeting such people my life has been blessed. The whole occasion was like a happy dream for me. My best wishes to you for a long and well-deserved retirement.” আমার সাদামাটা career টা মোটেই distinguished ছিল না। তা না হলে কি হবে, একজন কাইন্ড টীচার তাঁর ছাত্রের যৎসামান্য সাফল্যকেও এতটা বড় করে দেখতেই পছন্দ করেন! অথচ তাঁর নিজের career যে কতটা distinguished ছিল, সে সম্বন্ধে আপনারা জানতে পারবেন এখানেঃ

http://www.clytiar.org/investigadores/16.php

চলবে…

ঢাকা
০৮ অক্টোবর ২০১৫
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

২,৯১০ বার দেখা হয়েছে

১১ টি মন্তব্য : “জীবনের জার্নাল – ২৫”

  1. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    যথারীতি ভালো লেগেছে।
    সেই কিশোর বয়সে টেনিসন, ইয়েটস...... ভালো লেগেছে।
    আসল শিক্ষক তো তারাই যারা জ্ঞান তৃষা জাগিয়ে তোলে।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  2. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    পড়তে পড়তে কেমন ঘোরের মধ্যে ডুবে গেলাম।
    অসাধারণ একজন শিক্ষকের প্রতি অনন্য এ প্রণতি।
    আহ, অনেকদিন পর এসে সব লেখা একসাথে পড়ছি আর আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ছি।

    জবাব দিন
  3. সাবিনা চৌধুরী (৮৩-৮৮)

    বরাবরের মত মুগ্ধতা জানিয়ে গেলাম, ভাইয়া :clap: আপনি শততম ব্লগ পোস্টের দ্বার প্রান্তে চলে এসেছেন। তুমুল প্রেমের একখানা গল্পের আব্দার জানিয়ে রাখলাম আগেভাগে! আশাকরি নিরাশ করবেন না।

    জবাব দিন
    • খায়রুল আহসান (৬৭-৭৩)

      গল্প তো আমি লিখতে পারিনা, সাবিনা। ওটা তোমার, সাইদুলের, আসাদের, আর আরো অনেক অনেক ছোটভাই বোনদের, যাদের লেখা পড়ে সবসময় মুগ্ধ হই, তাদের এখতিয়ার। আর “তুমুল প্রেমের গল্প” পাবো কোথায়? তবে আপাততঃ দূর থেকে দেখা কোন এক মায়াবতীকে নিয়ে লেখা একটা কবিতাই দিলাম আজ আমার শততম পোস্ট হিসেবে। কবিতাও যে খুব ভালো লিখি, তা নয়। তবে কিছু না পারার চেয়ে এটুকু চেষ্টা করে দেখতে দোষ কি?

      জবাব দিন
  4. পারভেজ (৭৮-৮৪)

    এই পর্বে এরকম একজন মহান ব্যক্তিত্বের সাথে পরিচিতি বাড়ার এই সুযোগটা ছিল খুবই উপভোগ্য।
    অনেক ধন্যবাদ সুযোগটা করে দেয়ার জন্য।
    আর কিখা তো বরাবরের মতই সুখপাঠ্য, এক দমে পড়ে যাওয়ার মতো.........
    :hatsoff: :hatsoff: :hatsoff:


    Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

    জবাব দিন
  5. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    আক্ষরিক অর্থেই পেছন থেকে পড়া শুরু করলাম আপনার "জীবনের জার্নাল"। ২৫ এর পর ২৪। চমৎকার লাগছে। কলেজ, শিক্ষক, বন্ধুরা আর সবকিছুর সঙ্গে নিজের জীবনের শিক্ষা, অভিজ্ঞতা- এ এক দারুণ মিশেল!

    অনেক ধন্যবাদ খায়রুল ভাই। বাকিগুলোও একে একে পড়বো এবং সময়ে সময়ে মন্তব্য, প্রতিক্রিয়া জানাবো।


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন

মওন্তব্য করুন : সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

জবাব দিতে না চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।