একজন পর্বতারোহী ও কিছু কথা ৬

02-12-09
আজ দুই দিন পর ডাইরি লেখার জন্য একটু টাইম পেলাম। বেইস ক্যাম্পের জীবনটা সব মৌলিক চাহিদায় এসে আটকে গেছে, তেমন কোন চাওয়া পাওয়া নেই যেন আপাতত শুধু আদেশ পালন করা ছাড়া। কিছুটা যম্বি টাইপের ভাব চলে এসেছে আমার মধ্যে হটাত হটাত মনে হয়। তবে, বিকালের লেকচার ক্লাস শেষ হওয়ার পরে ফ্রি টাইম ঘোষণা করা হলে মনের মধ্যে এক অন্য ধরণের আনন্দ অনুভব করি , কেমন যেন ঠিক নিজেও বুঝিনা। শুধু মনে হয় যে, এই স্বল্প সময়টা যেভাবেই হোক আনন্দ করে কাটাতে হবে।

আমাদের হাট টা বেশ বড় হলেও ৫৩ জনের জন্য কিছুটা ছোট বলতে হবে । যেই বেসিক কোর্সের শুরু হয়েছিল ৬৪ জন দিয়ে তা বেইস ক্যাম্প পর্যন্ত পৌছাতে পৌছাতে এখন এই ৫৩ । যাই হোক, হাটের ভেতর দোতলা করে কাঠ দিয়ে বানানো খাট। আমাদের জায়গা হলো উপরে। সবগুলো বাঙ্গালী একসাথে আমরা, সবই বন্ধু দেবাশীষের কল্যানে। সন্ধ্যার পর রাতে কিছুক্ষন তাস পিটিয়ে বা গলায় গলা মিলিয়ে গান গাওয়ার পর ডিনার করে ঘুমের জন্য স্লিপিং ব্যাগের ভেতর ঢুকে যাওয়া। ডিনার আনাটা খুবই বিরক্তিকর একটা ব্যাপার। আর শরীর এখনো এই ১৫০০০ ফিট উচ্চতায় ঠিক মতো মানিয়ে নিতে পারেনি বলে হাল্কা হাটাহাটি করলেই বেশ কিছুক্ষন লাগে শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক হতে । আর রাতে ঘুমানোটা যে কত কঠিন একটা কাজ তা আর লিখলাম না।

ক্যাম্পে এদুদিনে খুব বড় একটা আলোচনার বিষয়বস্তু বন্ধু পারভেজ। ২৯ তারিখ বেইস ক্যাম্প হতে ৩০/৪৫ মিনিট দূরত্বে ওর করা ঘারতেড়ামি এখন আমাদের সবার কাছে হাস্যরসের উপাদান। জ্বরে কাবু পারভেজ সেই যে শেষের দলে ছিল তখন আগেই বেইস ক্যাম্পে পৌছে তারপর আবার ফেরত যাওয়া ভলান্টিয়াররা ওদের ব্যাগ চাইলে সবাই দিয়ে দিলেও পারভেজ তার রুকস্যাক দিতে অস্বীকার করে বসে। ওদিকে স্যারেরাও ছাড়বেনা। “ব্যাগ দে দো”।
“নো স্যার”। পারভেজের এক কথা। বেইস ক্যাম্প পর্যন্ত সবার নিজ নিজ ব্যাগ বয়ে আনার কথা, আর ও কোনভাবেই সেই নিয়ম ভংগ করতে প্রস্তুত নয়। কিন্তু অন্য সবাই ব্যাগ ছাড়া এগিয়ে যেতে লাগলেও পারভেজ স্লো।
আবার সেই আদেশ। “ব্যাগ দে দো, বাংলাদেশী।”
“নো স্যার, আই ক্যান ডু ইট ।” হাপাতে হাপাতে জবাব পারভেজের। ১০ কদম আসে আর নাকি বিশ্রামের জন্য বসে পড়ে সে। বসলেই স্যারদের সেই আদেশ আর ওর সেই জবাব। “ফের উঠো অর পা চালাও”। ওয়ান মিনিট স্যার” । “দে দো ব্যাগ” –
“ওকে স্যার, টেন সেকেন্ড স্যার”। পারভেজের ব্যাগ আনতে যাওয়া ওর Rope এর তেনজিং এর কল্যানেই ঘটনাটা ছড়িয়ে পড়ে পুরো বেইস ক্যাম্পে। সামনাসামনি ওকে আর সবার সাথে পচালেও ভেতরে ভেতরে প্রচন্ড গর্ব অনুভব করি শালাকে নিয়ে। যদিও ব্যাটা টের পেলে আবার পার্ট নিতে পারে। হেহে। বেইস ক্যাম্পের সবচাইতে আলোচ্য ব্যক্তিত্ব। ২০০৭ সালে বন্ধুদের সাথে দার্জিলিং বেড়াতে গিয়ে দূর হতে কাঞ্চনজংঘা দেখা এবং নিজের ভেতর অপরিচিত একটা অনুভুতির সাথে সাক্ষাত। তারপর অনেক কিছু পেড়িয়ে পেশায় বেশ নাম করা একটা প্রাইভেট ভার্সিটির টিচার পারভেজ রশীদ আজ HMI বেইস ক্যাম্পে। মাউন্টেনিয়ারিং হতে জীবনে হয়ত অনেক কিছু পাব অথবা শিখব। তবে এই শালার সাথে পরিচয়টা আমার পাওয়ার লিস্টের একদম উপরের দিকে থাকবে।

সেই পাহাড়ের উপর থেকে বেইস ক্যাম্প

নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে হয় যখন দেখি এখানে কিছু মানুষ আছে যাদের সাথে পুরোপুরি না হলেও অনেক ব্যাপারেই রিলেট করতে পারি। তবে নিজের একান্ত স্বপ্নগুলো শেয়ার করার মতো কেউ যেহেতু আমার নেই, তাই এই ডাইরিটির সাথে আমার Attachment একটু অন্য মাত্রার । আমার সব চাওয়া পাওয়া, কষ্ট আর আনন্দ আনকনডিশনালী নিজের ভেতর রেখে দেয় সে ।

এখানে আসলাম তিন দিন হবে আজ। অথচ আবহাওয়ার কিছুই এখনো বুঝে উঠতে পারলাম না। সকালটা হয়ত খুব ঝরঝরে রৌদ্র দিয়ে শুরু, এরপর বলা নেই কওয়া নেই, হটাত করেই হয়ত মেঘ এবং সেইসাথে ঝড়। সকালে রুটিন ৪-৫-৬ ।

আমাদের ভারতীয় বন্ধুরা

৪টার সময় বেড-টি। ৫টায় ব্রেকফাস্ট এবং ৬ টার মধ্যে প্রয়োজনীয় সামানপত্র নিয়ে ফল-ইন এবং ট্রেনিং ক্লাসের জন্য নিকটবর্তী দুধপোখরী লেক পার হয়ে রাথোংগ গ্লেসিয়ারের উদ্দেশ্যে রওনা। যদিও মূল গ্লেসিয়ার ট্রেনিং শুরু হবে কাল হতে, তার আগে গ্লেসিয়ার সম্বন্ধে আমাদের লেকচার ক্লাসগুলো হেয়া হয়েছে গ্লেসিয়ারের ঠিক পাশে। তা ছাড়া হাটের নিকটবর্তী বড় রকগুলোতে আমাদের রক ক্লাইম্বিং এবং এবসেইলিং/র্যা পলিং ক্লাস নেয়া হলো আজ একদম লাঞ্চ এর আগ পর্যন্ত। সাথে দার্জিলিং থাকতে শেখানো নট প্র্যাক্টিস চল্লো সমানে। এ কদিনের কষ্টে আমরাও আবার সব নটগুলো ভুলে বসে আছি। গ্লেসিয়ার ট্রেনিংটাই যে আমাদের ট্রেনিং এর সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ অংশ এ ব্যাপারে কুশুং শেরপা স্যার আজ বিশেষ লেকচার দিলেন। কুশুং স্যার হলেন আমাদের কোর্স ডিরেকটর। এভারেস্ট ৫ টি ভিন্ন দিক হতে ৫ বার আরোহণ করা পৃথিবীর একমাত্র ব্যক্তি । তবে স্যার অন্য স্যারদের থেকে একটু সিরিয়াস। হয়ত হার্ডকোর মাউন্টেনিয়ারিং এর এটা একটা বিশেষ দিক। স্যারের এত বছরের পর্বতারোহণের অভিজ্ঞতার সাথে বিশেষ ভাবে জড়িয়ে আছে বিভিন্ন সময়ে কাছ থেকে দেখা অনেক মৃত্যু, হয়ত কোন কোন সময় একদম কাছের কোন বন্ধুকে হারিয়ে ফেলা । এসব অভিজ্ঞতার পর আবেগকে প্রশ্রয় দেয়া মানে হয়ত যুদ্ধে হেরে যাওয়ার মত কিছু , এজন্যই হয়ত স্যার এরকম। যদিও এটা আমার একটা ধারণা মাত্র ।

দুধপোখরী লেকের পাশে এবসেইলিং

গ্লেসিয়ারে যাওয়ার রাস্তাটা ভয়ানক। সকালে বেইস ক্যাম্প হতে যাত্রা শুরু করার পর সাথে সাথে একদম খাড়া এই পাহাড়টা আমাদের সকলের জন্য বিশেষ বিরক্তির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে । সামনের প্রতিটা দিন গ্লেসিয়ার ট্রেনিং, মানে এই পাহাড়টা প্রতিদিন উঠতে হবে চিন্তা করলেই জ্বর এসে যায়। টানা আধঘন্টা থেকে ৪৫ মিনিট লাগে এই পাহাড়ের উপরে পৌছাতে। তারপর গ্লেসিয়ারে পৌছাতে পৌছাতে আরো ঘন্টাখানেক। আর অক্সিজেন কম হওয়ায় তিন পা এগোলেই মনে হয় যেন মাত্র একটা ৪০০ মিটার স্প্রিন্ট শেষ করে আসলাম। তার ওপর HMI হতে দেয়া বুটগুলো পায়ে দিয়ে হাটা খুব কঠিন কাজ। আরো কয়েকদিন লাগবে ঠিকমত অভ্যস্ত হতে হতে । বুটগুলো এমনভাবে তৈরি যেন এর নিচে ক্র্যাম্পন( বরফে চলার জন্য কাটা ) লাগানো যায়। তবে ছোট বড় পাথর পার হওয়ার সময় পরিস্কার ভাবেই বুঝা যায় এই বুটগুলোর ক্ষমতা। গ্লেসিয়ার এ যাওয়ার পথে দুধপোখরী লেকে আমাদের এক স্যার আইস স্কেটিং করে দেখালেন এবং উইন্টার স্পোর্টস এর উপর লেকচার দিলেন । স্যার আবার কোন এক বছরের অল ইন্ডিয়া চ্যাম্পিয়ন । বেইস ক্যাম্পে আসা হলেই নাকি স্যার প্রতিদিন সকালে উনার সবকিছু নিয়ে চলে যান এই লেকে আর স্কেটিং করেন। স্যারের কথা শুনলেও বোঝা যায় স্যার কতটা ভালোবাসেন এই খেলাটাকে।

Dudhpokhri lake

আইস স্কেটিং

যাই হোক, আজ লাঞ্চে মাংস পেয়েছি, পাঠার মাংস। পারভেজের আবার এই মাংস নিয়ে চরম এলার্জি। খেতে তো পারলোই না, বলে এখন থেকে যেদিন এই মাংস থাকবে, সেদিনের জন্য সে নাকি ভেজিটেরিয়ান। আর আমি বেশ মজা করে খাচ্ছি দেখে শালা অনেক গালিগালাজও করলো আমাকে। জ্যাক লন্ডনের “এক টুকরা মাংস” গল্পটা পড়েছিলাম, তাই খাওয়া দাওয়া নিয়ে আমি চিন্তাভাবনা তেমন করি না। আর কলেজে থাকতে সবজি ফেলে দিয়েছিলাম বলে ডাইনিং হল প্রিফেক্ট মুজাহিদ ভাইয়ের সেই হুংকারটাও এখনো মনে আছে। তবে সবকিছু বাদ দিয়ে চোখায় খাওয়া সেই ২০ রুপির মোমোর কথা খুব মনে পড়ে। সে কি স্বাদ, বলে বোঝানো যাবেনা। এখানকার খাওয়া দাওয়া নিয়ে অবশ্য আমার কোন আক্ষেপ নেই । সব ধরণের লোকালয় হতে এতো বাইরে এসেও যে সুযোগ সুবিধা ভোগ করছি তা আমার এক্সপেক্টেশন লেভেলের থেকে অনেক বেশিই বলা যায়। তবুও প্রতি রাতে ঢাকার কথা খুব মনে পড়ে, মনে পড়ে সবার কথা। কেউ কি ভাবে আমার কথা ? মনে হয় না। আমাদের এখানে সময় যেমন কিছুটা থেমে গেছে, ঢাকায় তো জীবন সেরকম নয়। দেখতে দেখতে সময় চলে যায়। তারপরেও ঢাকা নামটাই কেমন যেন ফ্যান্টাসি ফ্যান্টাসি মনে হয়। আমরা দু বন্ধু মিলে অনেক প্ল্যানও করে ফেলেছি, অনেক কিছু করার ইচ্ছে আছে দেশে ফেরার পর।

চলবে

২,০১০ বার দেখা হয়েছে

১৭ টি মন্তব্য : “একজন পর্বতারোহী ও কিছু কথা ৬”

  1. তানভীর (৯৪-০০)

    দারুণ থ্রিলিং....একেকটা পর্বে বিস্ময় বেড়েই যাচ্ছে!

    এখনও ক্লাস সেভেনে ঢুকার সময়ের তোমার চেহারাটা ভাসে, সেই ওমর আজকে এভারেস্টের চূড়ায় উঠার সংকল্প নিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে- এটা আসলেই ভাবনার অতীত। তোমাকে দিয়ে অবশ্যই হবে ওমর। 🙂

    পাহাড়ের ওপর থেকে নেয়া বেইস ক্যাম্পের ছবিটা অপার্থিব মনে হল, বিশেষ করে মেঘের অংশটা। :thumbup:

    জবাব দিন
    • ওমর (৯৫-০১)

      অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া, অত্যন্ত খুশীর একটা খবর আছে শেয়ার করার । আমাদের টিম লিডার মুসা ভাই যিনি অনেক কষ্টে এভারেস্টের জন্য টাকা সংগ্রহ করে গত মাসে এভারেস্ট জয়ের জন্য নেপাল যান, উনি আজকে সকালে স্থানীয় সময় ৮ টায় প্রথম বাংলাদেশী হিসাবে সামিটে আমাদের লাল সবুজ পতাকা গেড়েছেন। উনি বেইস ক্যাম্প যেন সুস্থভাবে নামতে পারেন সেই আশায় আমঅরা সবাই বসে আছি। অনেক খুশী লাগছে ভাইয়া। উল্লেখ্য ৩৫/৪০ লাখ টাকার বেশির ভাগ অংশ মুসা ভাই সংগ্রহ করেছিলেন ধার কর্য করে। উনাকে আমার :salute:

      জবাব দিন
  2. রবিন (৯৪-০০/ককক)

    তোমার একেকটা পর্ব পড়ি আর চোখের সামনে ভেসে উঠে ফিসটেইল। জীবনে একবার হলেও পাহাড়ে উঠার ইচ্ছাটা আরো বেড়ে যায় তোমার লেখা পড়ে।
    আর তান্স এর সাথে একমত। সেই সেভেনের ওমর আজকে এভারেস্টের চূড়ায় উঠার সংকল্প নিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে-ভাবতেই অন্য রকম লাগে।
    লাগে রাহো।

    জবাব দিন
    • ওমর (৯৫-০১)

      আশরাফ ভাই, অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনার পাহাড়ে চড়ার ইচ্ছাটা বস আমার জন্য অনেক বিশাল একটা সম্মানের ব্যাপার বস। অনেক বড় প্রেরণা দিলেন ভাই, দোয়া করবেন। আর ইচ্ছা যখন করসেন বস, ইনশাল্লাহ একদিন ইচ্ছা পূরণ হবে। 🙂 🙂

      জবাব দিন
  3. মান্নান (১৯৯৩-১৯৯৯)

    নেপালে গিয়ে সারাংগোট থেকে প্যারাগ্লাইডিং করেছিলাম অন্নপূর্না রেন্জ্ঞে । বাতাসে ভাসতে ভাসতে দেখেছি অন্নপূর্নার সৌন্দর্য। সেই অনুভূতি কিছুতেই ভোলার নয়। তোমার লেখা পড়ে কল্পনায় চলে যাই আবার সেই অন্নপূর্নার কাছে। তোমার স্বপ্ন পূরন হোক।

    এটা প্যারাগ্লাইডিং এর আগমূহুর্তে তোলা ছবি।

    জবাব দিন
    • ওমর (৯৫-০১)

      ধন্যবাদ ভাইয়া, মুসা ভাইয়ের হাত ধরেই আমার পর্বতারোহণের প্রথম হাতেখরি। দোয়া করবেন যেন উনি সুস্থ দেহে দেশে ফিরে আসেন, উনি এখন পর্যন্ত বেইস ক্যাম্পে নামতে পারেননি । তাই আমরা সবাই এখনো উনার সাস্থের ব্যাপারে চিন্তিত।

      জবাব দিন
  4. আব্দুল্লাহ্‌ আল ইমরান (৯৩-৯৯)

    ওমর,
    http://www.facebook.com/notes/sajal-khaled/everest-summit-from-bangladesh-doubts/110074472370109

    এই লিংকটা একটু দেখ।এই যে ডাউট দিচ্ছে এই ব্যাপারে ত তুমি ভাল জান যেতেতু মুসা ভাই তোমার টিম লিডার।তোমার কাছ থেকে রিয়েল খবর জানতে চাই।

    জবাব দিন
    • ওমর (৯৫-০১)

      ভাইয়া, আমি এ পর্যন্ত যা জেনেছি সারাদিন ঘোরাঘোরি করে তা হলো, মুসা ভাই নেমে আসার আগে কোণ সিদ্ধান্তে আসা ঠিক হবে না, তবে এটা ঠিক যে আমাদের দেশে পর্বতারোহণ নিয়ে আগে মিথ্যাচার হয়েছে। মুসা ভাইকে ব্যক্তিগত ভাবে আমি যতটুকু জানি উনি সৎ লোক। সজল খালেদ ভাই ও বেশ সিনিয়র একজন পর্বতারোহী। তবে আমি আসলেই উনাদের কারোর ব্যাপারে মন্তব্য করার মতো যোগ্য নই। উনারা বেশ সিনিয়র, আমরা শুধু আশা করতে পারি যে, যাই হোক না কেন, পর্বতারোহণের মূল আদর্শ যেন এতে খতিগ্রস্থ না হয়। 🙂

      জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।