মাইনাসে প্লাসে প্লাস

গত সপ্তাহে খুব বড়সর রকমের একটা ধরা খেলাম। মাথাটাই পুরো নষ্ট হয়ে আছে এই এক সপ্তাহ। কপালটা এত্ত খারাপ যে মেনে নিতেও খুব কষ্ট হচ্ছে। এক সপ্তাহ ধরে শুধু চিন্তা করছিলাম যে জীবনে যা যা খুব শখ করে কিনেছিলাম বা পেয়েছিলাম তার কিছুই শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারি নি।

হিসাব করতে বসে খুব অবাকই হলাম। আসলেই মানুষের কপাল এত খারাপ হয় ! আর আমার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা এত ঘন ঘনই বা কেন ঘটবে ? লোকে বলে, শখের দাম লাখ টাকা। আমি তো বলতাম, শখের জিনিস অমুল্য। অবশ্য এখন ধারনার পরিবর্তন হয়েছে। এখন বলি, শখ করে আর কিছু না, প্রয়োজনের বেশী কোন কিছুই আসলে ভাল না। উচিৎ একটা শিক্ষা হয়েছে আমার।

কিছু ঘটনা আপনাদের সাথে আজ শেয়ার করি।

    শখের সাইকেল

যখন ক্লাস ফোরে পড়ি তখনকার ঘটনা। বরিশাল জিলা স্কুলে পড়ি। আমাদের বাসা ছিল একেবারে স্কুলের সাথেই। জানালা দিয়ে আমার ক্লাসরুম দেখা যেত। ক্লাসের ছেলেদের অনেককে দেখে খুব শখ হল একটা বাইসাইকেল কিনব। যথারীতি বাসা থেকে বলা হল, ৪/৫ মিনিটের হাটা পথ স্কুলের জন্য, সাইকেল এর কি দরকার ? কিন্তু আমি নাছোড়বান্দা , আমাকে সাইকেল দিতেই হবে। এবং অবশেষে অনেক জোরাজুরি করার পর আমাকে একটা স্যানসি সাইকেল কিনে দেয়া হল।

দেখতে অনেকটা এমনই ছিল


আমাকে আর পায় কে। স্কুল তো ৫ মিনিটের রাস্তা, বন্ধু বান্ধবদের সাথে নিয়ে ৫ ঘন্টার রাস্তা সাইক্লিং করা শুরু করলাম। চরম মজায় কাটল কয়েকদিন। অতঃপর ৬/৭ মাস পর একদিন বাসার দরজা খুলেই একটা ধাক্কা খেলাম। দোতলা বাসার সিড়িতে উঠিয়ে লক করে রাখা আমার সাইকেল খানা উধাও। বেশ কয়েকদিন শোক পালন করলাম, স্কুলে হেটে যাবার সময় রাস্তায় মাথা নিচু করে হাঁটতাম, কারন রাস্তায় সাইকেল নিয়ে ছেলেদের যেতে দেখলেই খুব কষ্ট লাগত। আস্তে আস্তে অবশ্য স্বাভাবিক হয়ে গেল….

    সাধের ঘড়ি

ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষার জন্য ঢাকায় চাচার বাসায় থেকে কোচিং করতাম। আমার এক চাচাত ভাই সেই সময়ে নর্থ সাউথে কম্পিউটার সাইন্সে পড়ালেখা করত। ভাইয়া সেই আমলেই বেশ ডিজিটাল ছিলেন। তার সবকিছুতেই আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকতাম। দুর্দান্ত রকমের একটা হাতঘড়ি ছিল ভাইয়ার। এতই ভাল লেগেছিল যে বাবার মাথা ঘ্যান ঘ্যান করতে করতে খারাপ ই করে ফেললাম। অবশেষে ক্যাডেট কলেজে চান্স পাওয়ার পর বাবা আমার সেই শখ পূরণ করলেন। আমাকে নিয়ে গিয়ে ক্যাসিও’র শো-রুম থেকে ৩ হাজার টাকা দিয়ে ঘড়িটা কিনে দিলেন।

ক্যাসিও ABX-20U-1EVM


ভাবের চোটে তখন আর বাঁচি না আমি। শুধু গোসলের সময় ছাড়া ঘড়িটা আমার হাত দিয়ে নামতই না। ঘুমাতাম ঘড়ি পরে। যথারীতি ক্যাডেট কলেজে চলে গেলাম, এবং ঘড়িটা নিয়েই গেলাম। যেহেতু ক্লাস এইটের ছেলে,ঘড়ি পড়তে পারি না তাই ঘড়িটার অবস্থান হল আমার লকারে। এবং একদিন মাগরিবের নামাজের পর রুমে এসে লকার খুলতেই মাথায় হাত দিয়ে বসে পরলাম। আমার সাধের ঘড়িটা উধাও।সেই থেকে ঘড়ির প্রতি আগ্রহই হারিয়ে ফেললাম।

    ক্ষুদে ফটোগ্রাফার

অনেক শখ করেছিলাম একটা ক্যামেরার। যখন বয়স হয় নি তখনই। ক্লাস ৫ এ পড়ি। আব্বুও কিনে দিলেন।

কোডাক এর সেই আমলের ক্যামেরা


বাসার জন্যই মুলত কেনা, কিন্তু থাকত সারাক্ষন আমার গলায়। ডানে যাই, বামে যাই সারাক্ষন ক্লিক ক্লিক ক্লিক….আব্বুও ছবি ওয়াশ করে এনে দেন। আমি দেখি আর এলবাম বানাই। আর সেই এলবাম দেখাতে স্কুল ব্যাগে করে এল্বাম আর ক্যামেরা ২ টাই নিয়ে যাই স্কুলে। আহা, মুই কি হনু রে……যা হবার তাই হল। টি ব্রেক এর সময় বাদরামি করে কাটিয়ে ক্লাস এ এসে বসতেই দেখলাম ব্যাগটা অনেকটাই পাতলা হয়ে গেছে……..ছবিগুলোই স্মৃতি হিসেবে রয়ে গেল শুধু।

    আবারও সাইকেল

সাইকেল এর জন্য বছর দু’য়েক শোক পালনের পর আবারও ঝোঁক চাপল সাইকেল এর প্রতি। তখন নতুন নতুন সাইকেল বের হয়েছে রাস্তায়, গিয়ারসহ, হেব্বি ডিজাইন…ক্লাস এইটে পড়ি। ছুটিতে বাসায় এসে রাস্তায় নামলেই মাথা নষ্ট হয়ে যায়। আবারও ঘ্যান ঘ্যান প্যান প্যান, এবং নতুন একটি ঝকঝকা তকতকা সাইকেল।

একদম এই মডেলের ছিল সাইকেলটা


নতুন সাইকেল পেয়ে পুরা দুনিয়া উদ্ধার এর অভিযানে নামলাম। কলেজ থেকে ছুটিতে এসে সাইকেল চালিয়ে কলেজ এ গেলাম ১৫+১৫ = ৩০ কিমি পারি দিয়ে। এখানে যাই, সেখানে যাই, পুরাই টুরিস্ট হয়ে গেলাম। এবং যথারীতি ২ ছুটি সাইক্লিং করে ৩ নম্বর ছুটিতে বাসায় এসে সাইকেল করে এক বিকেলে যখন ঘুরতে বের হলাম, আমার সাধের সাইকেল খানা সাইকেল স্ট্যান্ড থেকে হাওয়ায় মিলিয়ে গেল।

    নতুন ঘড়ি

শখের ঘড়ির শোক কাটিয়ে উঠতে পারি নি অনেকদিন। ক্লাস টেন এ ওঠার পর ক্লাসমেটরা ঘড়ি পরা শুরু করল। আমি অনেকদিন ঘড়ি ছাড়া ঘুরে বেরালাম। এক প্যারেন্টস ডে’তে আব্বু জিজ্ঞাসা করলেন আমি ঘড়ি পরি না কেন। চুপ করে রইলাম। আমার নিরবতা দেখেই মনে হয় আব্বু বুঝতে পেরেছিলেন যে পুরাতনটার শোক এখনও কাটে নি। সেবার যখন ছুটিতে এলাম তখন আব্বু কোন একটা কাজে ঢাকা গেলেন। ঢাকা থেকে যেদিন সকালে ফেরত এলেন সেদিন আমাকে রুম এ ডেকে লাগেজ খুলতে খুলতে বললেন, তোমার জন্য একটা ঘড়ি নিয়ে এসেছি। আমি তো মন খারাপ করে ফেললাম, আর বলতে লাগলাম কেন এনেছ? কি দরকার ছিল? আমি তো ঘড়ি পরি না ইত্যাদি ইত্যাদি। আমার কথা শেষ না হতেই আব্বু একটা চামড়ার বক্স ধরিয়ে দিলেন। আর বললেন যে এটা আগেরটার চাইতে অনেক ভালো। আমি চুপচাপ প্যাকেটটা খুলতেই দেখি………

ক্যাসিও ABX-20U-1EVM


এটা অনেকদিন সার্ভিস দিয়েছিল অবশ্য। বিশেষ করে ভুগোল পরীক্ষায় মানচিত্র আঁকা নিয়ে চিন্তা ছিল না। বিএমএ পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছিলাম এই ঘড়িটা। এবং বিএমএ’তেই অনেক কিছুর সাথে ঘড়িটাকেও বিসর্জন দিতে হয়েছে কোন এক সচতুর বান্দার কাছে।

    প্রথম মোবাইল

এস.এস.সি পরীক্ষার রেজাল্ট বের হবার ১ মাস আগেই খালার বাসায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলাম। রেজাল্ট নিয়েছি কুমিল্লা বসে। পরে রেজাল্ট ভাল হবার কারনে বাসায় এসে হাজির হই রেজাল্ট এর পরদিন। আসার পরপরই আব্বু খুশী হয়ে আমাকে বললেন, কি লাগবে তোমার বল? কিছু চিন্তা ভাবনা না করেই বললাম ” মোবাইল “। এবং ঠিকই পরদিন বিকেল বেলা আব্বু আমাকে নিয়ে গিয়ে মোবাইল কিনে দিলেন।

ম্যাক্সন এর সেই আমলের সেট


বাসার প্রথম মোবাইল, আমার হাতে। রাস্তায় বের হলে হাতের মুঠোয় রাখি, একটু পর পর ভাজ খুলে দেখি, একবার বেজে উঠলে তো কথাই নাই। অযথাই বার বার রিংটোন বদলাই, ব্যালেন্স চেক করি, বেহুদা মিস্কল মারি….আমার হাতে আস্তা একটা মোবাইল। রেজাল্ট এর পর কলেজে গেলাম। কয়েকদিন থেকে ছুটিতে চলে এলাম। আবার মোবাইল…রাস্তার পাশে চা’য়ের দোকানে বসে মোবাইলে গেমস খেলি, মেসেজ লিখি…..এই করতে করতে যাচ্ছিল। সেই ছুটিতেই দোকানে বসে থাকতে থাকতেই একদিন পকেট থেকেই আস্তা মোবাইল যেন ইথারে মিলিয়ে গেল। জীবনের প্রথম মোবাইল, টিকল না ৩ মাসও….

    এবার ইঞ্জিনের সাইকেল

চাকরীর ১ বছরের মাথায় নির্লজ্জের মত বাপের কাছে টাকা চাইলাম একটা মোটর সাইকেল কেনার জন্য। এবং বেশ কয়েক মাস অপেক্ষা করার পর পেলামও। অনেক উত্তেজনা নিয়ে জীবনের প্রথম মোটর সাইকেল কিনে ফেললাম।

প্রথম বাইক "হাঙ্ক"


বহুত অভিজ্ঞতার সাথী ছিল এই বাইকটা। রংপুর থেকে বরিশাল গিয়েছি সারারাত চালিয়ে। টানা ১৭ ঘন্টা বাইক চালিয়েছি। সিলেট গিয়েছি, চট্টগ্রাম গিয়েছি, ঢাকায় চরকির মত ঘুরেছি। জীবনের প্রথম বাইক……এই বাইক ই আমাকে মোটর সাইকেল এর জগতের প্রতি ভয়াবহ আকর্ষন তৈরি করে দিল। পুরো ১ বছর ১১ হাজার কিমি চালানোর পর বাইকটা বিক্রি করে দিলাম। তারপর সেই টাকা, ব্যাঙ্কের থেকে লোন নিয়ে, বন্ধুর কাছ থেকে ধার করে, বাসা থেকে ২য় বারের মত নির্লজ্জ হয়ে, কিনলাম একটা জিনিস………

YAMAHA YZF R15


এটা নিয়ে আমার জীবনের সবচেয়ে সেরা কয়েকটা দিন কাটিয়েছি। সিলেট, ঢাকা, বরিশাল, রংপুর টই টই করে বেড়িয়েছি। ১৪/১৫ ঘন্টা টানা চালিয়েও ক্লান্তি আসে নি, মাথা এতটাই খেয়ে বসেছিল এই বাইক। যা হোক, কোন কিছুর বাড়াবাড়ি ই ভাল না। গত ৮ দিন আগে বৃহস্পতিবার রাতে অফিস শেষ করে মেস এ আসার পর প্রায় ৩ টা পর্যন্ত তাইফুর স্যারের সাথে আড্ডাবাজি করলাম। অনেক চমৎকার কিছু উপদেশ পাবার পর এক সময় মনে হল, বাইকটা বিক্রি করে দিয়ে বাসায় কিছু টাকা পাঠানো দরকার, বড়ই সেলফিশ হয়ে গেছি আমি। কঠিন এই সিদ্ধান্ত নেয়ার পরেও রাতের ঘুমটা খারাপ হল না। কিন্তু হাজার হলেও আমার কপাল। সকালে ১০ টার দিকে অফিসে যাবার জন্য বের হয়ে মেস এর নিচে নামতেই মাথা চক্কর দিয়ে উঠল।আগের দিন সন্ধ্যা বেলাই সবার চোখের সামনে দিয়ে গার্ডের স্যালুট খেয়ে কোন এক বান্দা আমার পরানের পরান কে নিয়ে উড়াল দিয়ে চলে গেল। আফসুস আফসুস আফসুস……

    অতঃপর

এই হল আমার অবস্থা। তারপরও বলব ভালই আছি……এই জীবনে হারিয়েছি অনেক কিছুই, কিন্তু কমও তো পেলাম না। গতকাল ভাবছিলাম, বন্ধুত্বের ১ যুগ পেরিয়ে গেল, ১ যুগ !!!!! চিন্তা করা যায় ?! ১২ বছর আগে ঢুকেছিলাম কলেজে….১২ টা বছর পার হয়ে গেছে, কিন্তু বন্ধুত্বে ঢিল পরে নি। এইটা নিয়ে নিঃশ্চিন্তে আছি যে আর যাই হোক, এটা যাবে না। মন মেজাজ খুব একটা খারাপও নেই এখন। আমার পাশের রুমেই আর্টসফিকশন লিজেন্ড বস থাকেন। মোরাল আপ করানোর জন্য তার বিকল্প হয় না। মুভি দেখি, খাই দাই, ঘোরাঘুরিও হবে ইনশাল্লাহ……আপনাদের দাওয়াত রইল রংপুরে। হাড়িভাঙ্গা আম আর বেদানা লিচুর সিজন শেষ হতে বেশী দেরি নাই। পরিকল্পনা করে আওয়াজ দিয়েন। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন আর একটা আমাদের তৌফিক এর একটা গান শুনুন

২,১০৬ বার দেখা হয়েছে

২৯ টি মন্তব্য : “মাইনাসে প্লাসে প্লাস”

  1. সাইফুল (৯২-৯৮)

    শখের জিনিস হারিয়ে গেলে আসলেই খুব খারাপ লাগে।
    তোমার লেখার স্টাইলের জন্য তোমার হারানো জিনিসের জন্য আমারও দুঃখ হচ্ছে। যারা তোমার জিনিসগুলো নিয়ে গেছে তারাও কি শখ করে নিয়ে গেছে?

    জবাব দিন
  2. রেজা শাওন (০১-০৭)

    বড় ভাই আপনার কষ্টের সাথে আমার একটা জায়গায় মিল আছে। একটু অমিলও আছে অবশ্য।

    গত দেড় বছরে,আমার এখন পর্যন্ত ৪ বার সাইকেল চুরি,আর একবার ডাকাতি হইছে।চুরির কাহিনী বলে লাভ নাই। ডাকাতির কাহিনী একটু বলছি...

    গত নভেম্বরে শীতের এক আলো নিভে আসা সন্ধ্যায়,বাসার বারান্দায় বসে আছি। নিচে ল্যাম্পপোস্টের পাশে আমার সাইকেল,স্ট্যান্ড করা। অনেক ক্ষণ ধরে রাস্তার ওপাশে ধারালো চেহারার এক সুন্দরীকে দেখছি।বারান্দা থেকে প্রায় চোখাচোখি হচ্ছে। যত বার চোখে চোখ পড়ে,ওপাশ থেকে হৃদয় কাঁপানো মিষ্টি একটা হাসি রিপ্লাই পাচ্ছি। সময় যায়,হার্ট বিট বাড়ে...

    একটা সময় সুন্দরী চার পাশ দ্যাখে।রাস্তা পার হবে বোধহয়। রাস্তার ওপাশে আমার বাসা।বাসার বারান্দায় আমি।পথ অল্পই।সুন্দরী রাস্তা পার হয়...

    অতঃপর...

    সুন্দরী রাস্তার পাশে রাখা পিকআপে আমার সাইকেলখানা উঠালো।শুরুতে জোকস ভেবে তাকিয়ে ছিলাম।কিন্তু ৪০ সেকেন্ডের মাথায় সুন্দরীর পিকআপ মোড় পেরিয়ে হাওয়া হবার পর বুঝলাম, আসলে ওটা জোকস ছিল না। (সম্পাদিত)

    জবাব দিন
  3. রকিব (০১-০৭)

    কোনদিন চোখের পলকে যে জীবনটাই চুরি হয়ে যায় 🙁
    আপনার শখ-ভাগ্য আসলেই বিয়াপক খারাপ (এখানে শখ বলতে মডেল শখকে বোঝানো হয়নি :-B )


    আমি তবু বলি:
    এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

    জবাব দিন
  4. রাব্বী (৯২-৯৮)

    ব্যাপার্না! সবই মায়া। আমি জীবনে অনেক কিছু হারানোর পরও দেখছি, এগুলো না হলেও চলে যায়। প্রথম সাইকেল পেতে বাসায় পোষ্টারিং করছিলাম - এটা মনে পড়লো।

    বেদানা লিচু খাওয়া হয়নাই বহুবছর। সেরম!


    আমার বন্ধুয়া বিহনে

    জবাব দিন
  5. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    তোর দেখি যারে বলে ফাঁটা কপাল, সান্তনা দেবার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না 🙁


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  6. তাইফুর (৯২-৯৮)

    রুমে আয় ... গ্যাজাই
    (আমি রংপুর আইলাম আর তোর বাইক হারাইল ...
    আমিই শালা একটা কুফা ... :(( )


    পথ ভাবে 'আমি দেব', রথ ভাবে 'আমি',
    মূর্তি ভাবে 'আমি দেব', হাসে অন্তর্যামী॥

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।