আমার প্রেমিকারা-৬

নদী আর নারীর মধ্যে মিল কি? দুইটাতেই ডুব দিতে ইচ্ছা হয়!- এটি আমার কথা নয়, ব্লগের প্রিন্সিপাল সাহেবের কথা। আমি বলি কি, নদী যদি হয় বুড়িগঙ্গার মত তাহলে তো ডুব মানেই মরন। তবে যারা সাঁতার কাঁটতে চান, তাদের জন্য ভিন্ন কথা। তবে আমি বলি নদীর থেকে ভরা কলস ভালো। এখন বলুন, ভরা কলস আর নারীর মধ্যে মিল কি? গানের ভাষায়- হাতের কাছে ভরা কলস, কিন্তু কখনোই তৃষ্ণা মেটে না।

তাই লোকে গালমন্দ করুক তারপর ও আমি ভাই প্রেমিক মানুষ,শুধু প্রেমিকই না, দেশপ্রেমিকও বটে। তাই টেলিটক মোবাইল ব্যবহার করি। যার কারনে দেশের টাকা দেশে রাখতে গিয়ে আমার নিজের টাকা সব শেষ,কারন নেটওয়ার্কের এমনই হাল যে, তিনবার কল না করে কাউকে পাওয়া দুস্কর! আর তাই এই মোবাইল ব্যবহার দরুন আমার সব প্রেমিকাদের অভিযোগ, এই তোমাকে মোবাইলে পাচ্ছি না কেন? রাতে কল দাওনা কেন? আর কার কার সাথে কথা বল? নাকি আমাকে আর ভালো লাগছেনা? না আমার সাথে কথা বলতে চাওনা বলে বন্ধ করে রেখেছো? এ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ,তাই আমি এই সিদ্বান্তে উপনীত হয়েছি যে,দেশপ্রেম আর নারীপ্রেম একসাথে নয়, তাতে অমঙ্গল হয়।

আমি বরাবরই মঙ্গলকামী মানুষ,একই সাথে সুন্দরের পূঁজারীও বটে। আর ছোটোবেলা থেকেই শুনে আসছি, সেরা সুন্দরীর নাকি কখনো প্রেম হয়না। সকলেই ভাবে ওর বোধহয় বুকিং দেয়া আছে, এই ভেবে অনেক সময় কেউ আর প্রস্তাবই দেয়না।আর তখন সুন্দরীর অবস্থা হয় বাংলাদেশ রেলওয়ের মত, স্টেশনে গেলে টিকেট মিলবেনা, কিন্তু ট্রেন হরদম ফাঁকা যাচ্ছে।

এই সুন্দরী প্রেমিকা নিয়ে ঘুরা অনেকক্ষেত্রে গর্বের বিষয়, তেমনি বিপজ্জনক ও বলতে হয়।কারন একটাই-তাঁর বুদ্ধি। তবে একটা কথা স্বীকার করে নিতে হয়, যে সুন্দরী বুঝে গেছে যে ওর মাথায় ঘিলু আছে,তাকে আর পায় কে?তখন সে যে কোনো কোম্পানিই হোক,কি দেশী কি বহুজাতিক,কি কাস্টমার কেয়ার কি মার্কেটিং, ও শেষটা দেখেই তবে কোম্পানী ছাড়বে।আর ঘিলু না থাকলে ও নির্ঘাত সুন্দরী প্রতিযোগিতায় যাবে।এইতো কিছুকাল আগে এমনই এক প্রতিযোগিতায় বিচারক এক সুন্দরীকে প্রশ্ন করলেন- আচ্ছা বলোতো মা-‘ভেজেটেরিয়ানরা যদি ভেজেটেবল খায়,হিউম্যানিটারিয়ানরা কি খায়?’এরপর সুন্দরী অনেক ভেবে শেষমেশ উত্তর দিল-‘মানুষের মাথা’।

ইংলিশ মিডিয়ামে পড়া আমার এমনই এক সুন্দরী প্রেমিকা ছিল যে বিদেশী সিলেবাসের কষাঘাতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে আমেরিকা-ব্রিটেনের রাজা-রাণী,উজির-নাজীর কে ছিল সব জানে,কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রির নাম এই জীবনে শুনেনি। সে ঠাকুরের নাম শুনেনি, তবে টেগোরের নাম জানে। আর শরৎবাবুর কথা বলতেই, এটা আবার কে? আমিও নাছোড়বান্দা, ওকে চিনিয়েই ছাড়বো। বললাম,তুমি ‘দেবদাস’ দেখেছো? ও বললো- বানসালীর দেবদাস? আমি বলি, এইতো চিনেছ, এই গল্পটা উনার লিখা। এই কথা শুনে ও আমাকে জিজ্ঞেস করলো-উনি আর কি কি স্কিপ্ট লিখেছেন? ‘হাম দিল দে চুকে সানম’ ও কি উনি লিখেছেন?

অবশ্য বাংলা মিডিয়ামে পড়ে ও বাহাদুরির এমন কি আছে,যদি কোন কিছু ঠিকভাবে শিখতেই না পারি। এই যেমন আমাদের হালের এক বিখ্যাত পরিচালকের কথাই ধরুন।বব মার্লির No Woman No cry এই গানটায় যেখানে মেয়েদের অনুপ্রেরণা যোগাতে মার্লি বলছেন-না মেয়ে,তুমি কেঁদো না। আর তিনি তার সিনেমায় বোঝালেন এই বলে-মাইয়া ও নাই,তাই কান্নার ও দরকার নাই।

৯,২৩১ বার দেখা হয়েছে

৯৪ টি মন্তব্য : “আমার প্রেমিকারা-৬”

  1. কামরুল হাসান (৯৪-০০)
    সুন্দরীর অবস্থা হয় বাংলাদেশ রেলওয়ের মত, স্টেশনে গেলে টিকেট মিলবেনা, কিন্তু ট্রেন হরদম ফাঁকা যাচ্ছে।

    এক্কেরে সত্য কথা।
    চালাইয়া যা।
    টেন্ডুলকার ডাবল সেঞ্চুরি মাইরা দিল, আর তুই মাত্র ৬ পর্বে বইসা আছিস।


    ---------------------------------------------------------------------------
    বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
    ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

    জবাব দিন
  2. মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

    -‘ভেজেটেরিয়ানরা যদি ভেজেটেবল খায়,হিউম্যানিটারিয়ানরা কি খায়?’এরপর সুন্দরী অনেক ভেবে শেষমেশ উত্তর দিল-‘মানুষের মাথা’।
    😮 😮 😮 😮 😮
    মান্না মামা এইটা কি আসলেই সত্যি ঘটনা????

    জবাব দিন
  3. মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

    সকলেই ভাবে ওর বোধহয় বুকিং দেয়া আছে, এই ভেবে অনেক সময় কেউ আর প্রস্তাবই দেয়না...
    :(( ২০০৪ এ এই সত্যটা জানা থাকলে নসুর সেরা সুন্দরীদের সাথে আপনেরা এই অধম মাস্ফ্যুরে ডেটে যাওয়ার নিউজ পাইতেন =((

    জবাব দিন
  4. আশহাব (২০০২-০৮)

    যার কারনে দেশের টাকা দেশে রাখতে গিয়ে আমার নিজের টাকা সব শেষ :)) :khekz:
    সেরা সুন্দরীর নাকি কখনো প্রেম হয়না। সকলেই ভাবে ওর বোধহয় বুকিং দেয়া আছে, এই ভেবে অনেক সময় কেউ আর প্রস্তাবই দেয়না
    ভাই, এখন মনে হয় আর সেই দিন নাই 🙁 =((
    উনি আর কি কি স্কিপ্ট লিখেছেন? ‘হাম দিল দে চুকে সানম’ ও কি উনি লিখেছেন? :khekz: :khekz: :pira:
    আর তিনি তার সিনেমায় বোঝালেন এই বলে-মাইয়া ও নাই,তাই কান্নার ও দরকার নাই। =)) =)) :goragori:
    ভাই, সিরাম হইসে...
    আজকে পরীক্ষা আসে, সকালে উইঠা আপনার ব্লগ পইড়া, মনটাই ফ্রেশ হইয়া গেলো :boss: :boss:

    জবাব দিন
  5. তানভীর (৯৪-০০)
    দেশপ্রেম আর নারীপ্রেম একসাথে নয়, তাতে অমঙ্গল হয়।

    তারপরও তো দুইটা একসাথে চালাচ্ছিস! 😛

    মাইয়া ও নাই,তাই কান্নার ও দরকার নাই।

    খুব একটা খারাপ বংগানুবাদ করে নাই। 😀

    জটিল লিখছিস মামা, ইনশাল্লাহ একদিন তোরও ডাবল সেঞ্ছুরী হয়ে যাবে। 😀

    জবাব দিন
  6. আন্দালিব (৯৬-০২)

    শাহাদাত ভাই, যদি কিছু মনে না করেন, এই পোস্টটা আমার তেমন একটা ভালো লাগে নাই। তারপরে আমি ভাবলাম হয়তো এই লেখাটা একটু এমন হয়ে গেছে, তাই আপনার সিরিজের বাকি লেখাগুলাও পড়লাম। যে জিনিসটা আমার ভালো লাগে নাই সেটা অন্য লেখাগুলোতেও আছে, তাই এখানে কমেন্টে জানাচ্ছি।

    আমার মনে হয় যে রসিকতাগুলো আমরা সবসময়ে আড্ডাতে করি, সেগুলোর মাঝে কিছু কিছু রসিকতা, কৌতুক আড্ডার জন্যেই উপযোগী। আমাদের মাঝে অনেকরকম ত্রুটি থাকে, ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গ নিয়ে একপেশে মনোভাব থাকে, রাজনৈতিক ওরিয়েন্টেশন থাকে, সেগুলো নিয়ে আড্ডাতে যা ইচ্ছা তা-ই বলা যায়।

    কিন্তু লিখতে গেলে আমরা একটু ফিল্টার করি। কেন? কারণ লেখাটা স্থায়ী। (এই কমেন্ট লিখতে আমার প্রায় আধাঘন্টা ভাবতে হলো)।

    প্রেমিকাদের নিয়ে আপনার আবেগ-ভালোবাসা-মোহ এগুলোর অংশটুকু আমার ভালো লেগেছে, যেটুকু খারাপ- সেটা হলো তাদেরকে স্টেরিওটাইপড কিছু উপমায় বর্ণনা করাটা। এই উপমাগুলো হাসির উদ্রেক করে, কিন্তু প্রবলভাবে পুরুষতান্ত্রিক। পুরুষতন্ত্র পুরোপুরি খারাপ জিনিস না, কিন্তু নারীকে হেয় করার জন্যে এর চেয়ে ভালো অস্ত্রও আর নাই। আপনার লেখায় কিছু কিছু কথা যে কোন ব্যক্তিমানুষের মনে আঘাত হানতে পারে- হাসিচ্ছলে বলার পরেও!

    আমার মনে হয় এদিকে একটু খেয়াল করেন। নারী তো এমনিতেই আমাদের দেশে অনেক বাধাবিপত্তি পায়, রম্যের মাঝে না'হয় আর হাসির পাত্র না হলো!

    আপনার উপস্থিতি আর উচ্ছ্বল স্বভাব আমার খুব পছন্দ বলেই এতো কিছু বলছি। প্লিজ অন্যভাবে নিবেন না।

    জবাব দিন
    • কামরুল হাসান (৯৪-০০)

      আন্দালিব

      আমার মনে হয় তোমার মন্তব্য মানুষকে ভুল মেসেজ দিচ্ছে।

      এই লেখাটা নিয়ে তুমি যে অভিযোগটা করেছ সেটা মারাত্মক। অথচ আমি কিন্তু সেইরকম কিছু দেখলাম না। শুধু আমি না এখন পর্যন্ত যারা লেখাটি পড়েছে (তুমি বাদে) তাদের কাউকে তো দেখলাম না এই অভিযোগটা করতে। এখানে নারীদের হেয় করা হয়েছে কোথায় নির্দিষ্ট করে বলতো? শুধু এখানে না ওঁর আগের লেখাগুলোও আবার ভাল করে পড়লাম (যদিও দরকার ছিল না), কোথাও এমন কিছু পেলাম না যাতে মনে হতে পারে এটা দিয়ে নারীদের হেয় করা হচ্ছে।
      নারী বা পুরুষ কাউকে সম্মান করার ব্যপারটা এমন না যে, যিনি মুখে বলেন তিনিই সম্মান করেন, যিনি লিখেন তিনিই করেন, অন্যরা কেউ করে না। এটা ভেতর থেকে আসে। সহজাত। কেউ স্যাটায়ার হিসেবে কিছু লিখলেই নারীর প্রতি তার শ্রদ্ধা কম এমন ভাবার কোন কারণ নেই। আর না হলে হলে অনেক নারীবাদী লেখকও তোমার 'নারীদের হাসির পাত্র বানানোর' অভিযোগে ফেঁসে যাবে।
      সম্ভবত শিবরাম চক্রবর্তীর একটা রম্য রচনায় পড়েছিলাম ' ঘরের বউ আর ঢেকি, দুটোকেই সব সময় লাথির উপরে রাখতে হয়।' জিজ্ঞেস করে দেখ, শিবরাম অনেক মেয়েরই প্রিয় লেখক।
      মান্নার এই সিরিজটা একটা নিছকই রম্য। এটাকে এর বেশি কিছু ভাবলে সেটা তোমার সমস্যা, লেখকের নয়। ব্যাপারগুলোকে অনর্থক জটিল করে ফেল না।
      মন থেকে সম্মান করাটাই বড়। স্যাটায়ারে কি লেখা হল, তাতে কী আসে যায়?


      ---------------------------------------------------------------------------
      বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
      ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

      জবাব দিন
      • আন্দালিব (৯৬-০২)

        কামরুল ভাই, আমি কিন্তু মন্তব্য করার পর থেকে আশা করছিলাম শাহাদাত ভাই উত্তরটা দিবেন। উনি বাকি সবার 'ভালো লাগা'র জবাব দিলেন অথচ আমার 'খারাপ লাগা'র জবাব দিলেন না দেখে এখন একটু সঙ্কুচিত লাগছে। হয়তো উনি রাগ করেছেন, যেটা কোনোভাবেই আমার কাম্য নয়।

        যেহেতু আমরা গণতন্ত্রে বাস করি, নিরানব্বুই জনের ঠিক মনে হওয়াটা একজনের বেঠিক মনে হওয়ার কাছে মূল্য পায়। এটাও হতে পারে যে নিছক রম্যকে আমি 'অনর্থক জটিল' করে ফেলছি।

        আমি যে স্টেরিওটাইপিংয়ের কথা বলছিলাম সেটার চিহ্ন এই পোস্টে আছে। সুন্দরী'রা এক ধরনের ট্রেন স্টেশন, তাদের বুদ্ধি থাকলে বিপজ্জনক, বুদ্ধি না থাকলে বিশ্বসুন্দরী। ঠিক আগের পর্বে "বিয়ের পরে পরকীয়া"র একটা নিজস্ব কারণও পাওয়া যায়। তার আগেরটিতে নতুনভাবে মেয়েদের ভাইটাল স্ট্যাটাস জানা যায়।

        এগুলো হয়তো নিছকই ফান। শিবরাম যেভাবে বলে ফেলেছেন সেই যুগে, এই যুগে না হয় আমরাই বললাম। এটা বললেও কিন্তু ব্যাপারটা 'ঠিক' হয়ে যায় না। শিবরাম চক্রবর্তী আমারও প্রিয় লেখক, কিন্তু তাঁর সব দর্শন বা আচরণও নিশ্চয়ই সঠিক হতে পারে না, তাই না? আর উনি চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর আগে যে কথা লিখেছেন, সে ধরনের কথা আমরা এখন কেন লিখতে যাবো?

        আমি খুব ছোট দুয়েকটা উপমা নিয়েই অভিযোগ করছি। অল্পকথায় বলতে না পারার সমস্যা আছে বলে বড়ো মন্তব্য করেছি। যদি মনে হয় সেগুলোকে ভুল মনে করাটা আমার সমস্যা তাহলে নির্দ্বিধায় চলুক। আমিই হয়তো একটা সময়ে শুধরে নিবো। 🙂

        মন থেকে সম্মান করাটাই বড়।

        পুরোপুরি সহমত কামরুল ভাই। মনের সেই সম্মান আমাদের কথা-কাজ-হাসি-ঠাট্টাতে প্রচ্ছন্নভাবে হলেও টিঁকে থাকুক- সেটুকুই কামনা।

        ===
        [অনিচ্ছাসত্ত্বেও কিছু চিহ্ন তুলে ধরতে গিয়ে আমি যারপরনাই কুণ্ঠাবোধ করতেছি। আমি কোনো ক্রিটিক না যে অন্যের লেখা সমালোচনা করতে পারবো। শাহাদাত ভাই, আবারও আশা করি আপনি ভুল বুঝবেন না।]

        জবাব দিন
        • মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

          ছোটমুখে একটা বড় কথা বলি,মাপ করে দেবেন-এই লেখাটা কিন্তু স্যাটায়ারধর্মী,রুপক হিসেবে অনেক কিছুই এই সিরিজে এসেছে(আগের কয়েকটা পর্বে একটু খেয়াল করলেই দেখবেন পলিটিকাল আর সোশালি বেমানান অনেক ব্যক্তিবিশেষের অসঙ্গতিকে বিভিন্ন নামের "প্রেমিকা" রূপকে তুলে ধরা হয়েছে)।
          সেভাবে দেখলে দোষের কিছু পাইনা লেখায়।

          আন্দা ভাই,আমি শুধু আমার ভাবনা শেয়ার করলাম।সাহিত্যে আপনার কাছাকাছি জ্ঞান অর্জন করতে আমাকে আরেকবার জন্ম নিতে হবে এইটা আমি স্বীকার করি-কাজেই আমার মন্তব্যকে খুব গুরুত্ব না দিলেও চলবে।তবে এই দিকটা কষ্ট করে একটু চোখ বুলায় দেইখেন।

          জবাব দিন
        • কামরুল হাসান (৯৪-০০)

          তুমিও তোমার লেখায় পাইরেটেড উইন্ডোজ এক্সপির সঙ্গে তোমার প্রেমিকার তুলনা করেছ। সেটাকে যদি আমি নারীর প্রতি অসম্মান মনে করি?
          বলবে আমি বুঝতে ভুল করেছি? যা লিখেছ সেটা মিন করে না, এইসব তো?

          খুঁজলে তোমার অন্য লেখাগুলো থেকেও এই ধরনের কিছু অপমানের চিহ্ন বের করা অসম্ভব হবে না। কিন্তু খুঁজতে যাচ্ছি না।
          আমি যেটা বলেছি সেট তুমি বুঝতে পারছো- মন থেকে সম্মান করাটাই বড়।

          খামাকা পেঁচিও না। তুমি জানো মান্নার উদ্দেশ্য মোটেও মেয়েদের অপমান করা নয় , তাহলে বারবার একই কথা বলার মানে কী? লেখককে বিব্রত করা না নিজের নারী ভক্তি সবার সামনে জাহির করা?


          ---------------------------------------------------------------------------
          বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
          ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

          জবাব দিন
          • আন্দালিব (৯৬-০২)

            আপনি মনে করতেই পারেন আমি নারী-অসম্মানকারী। আমি নিজেকে কখনও নারীভক্ত হিসেবে জাহিরও করি নাই। সেই পোস্টে (বা যে সকল পোস্টে আপনি মনে করেন যে আমি নারীকে অসম্মান করেছি) সেটা নিয়ে আপনি অপছন্দ করে কিছু বললে আমি অবশ্যই সেটা শুধরে নিবো। এখন পর্যন্ত আমার লেখার সমালোচনা, আমার মানসিকতার ভুলভ্রান্তি লেখায় থাকলে আমি তার সবটাই বদলেছি। এখনও একটা ভুল বুঝলাম। ধন্যবাদ সেটা ভালোভাবে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য।

            হে আমার প্যাঁচ, তুমি খুলে যাও।

            (আমি আমার সকল মন্তব্য প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। লেখক চাইলে, মডারেটর সেগুলো মুছে দিতে পারেন)

            জবাব দিন
        • শাহাদাত মান্না (৯৪-০০)

          ব্যক্তিজীবনে আমি বরাবরই প্রচারবিমুখ মানুষ, একইসাথে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকে হাল্কা জনপ্রিয়তা পাবার মত দুর্বলতা আমি অনেক আগেই পরিহার করেছি।আমার চরিত্রের হাজারটা দোষের একটা দিক হল,লোকে আমায় ভালো বলুক আর গাল-মন্দ দিক তা নিয়ে আমি খুব একটা ভাবিনা,আর কারো ভুল ভাঙ্গাতে যাইনা।তাই ভেবেছিলাম এবার ও কিছু বলবোনা,এতে শুধু কথায় কথা বাড়ে,ঠিক যেমন আজকালকার টক-শোগুলোতে দেখা যায়।তাই ভেবেছি আমার নিরবতাই অনেক প্রশ্নের উত্তর দিবে।আর আমার মত একজন সস্তা লেখককে যদি নিজের লেখার ব্যাখ্যা নিজেই করতে হয়,তাহলে লিখালিখিতে আমার অনাগ্রহ যা আছে তা অত্যাচারে পরিণত হবে। আর পেশাগত জীবনে আমি এমনিতেই কেরাণী,তাই লিখবার সময়ই পাইনা।কামরুলের অনেক জোরাজুরিতে আমার এই ব্লগিংয়ের বৃথা চেষ্টা।আর অন্যদিকে বিদ্যা-বুদ্ধি, জ্ঞান-গরিমায় আর পড়াশোনায় আমি একপ্রকার গন্ড-মূর্খই বলতে পারো।এই একজীবন বলতে পারো শুধু খেয়েছি আর ঘুমিয়েছি।তাই নিজের সীমাবদ্ধতার কথা ভেবে এই জ্ঞানগর্ভ আলোচনায় অংশগ্রহণ করা থেকে নিজেকে বিরত রেখেছি,এই যা।তাই ভবিষ্যতে ও আমার লেখার সুরতহাল রিপোর্ট লিখবার জন্য আমন্ত্রণ রইল।আশা করি এখন বুঝতে পারছো কেন তোমার ‘খারাপ লাগা’টার জবাব দেইনি। 🙂

          জবাব দিন
          • আন্দালিব (৯৬-০২)

            শাহাদাত ভাই, ভেবেছিলাম আর মন্তব্য করবো না এই পোস্টে। আপনি জবাব দিলেন বলে করছি।

            আমার কোন স্পর্ধাও নাই যে ব্যক্তি আপনার কোন দোষ/ভুল আমি ধরবো। আপনার লেখাটির ব্যাপারে আমি আমার পাঠ-প্রতিক্রিয়া জানিয়েছি। দুঃখজনকভাবে সেটা নেতিবাচক ছিলো। আপনার রূপক বা উপমা আমি বুঝতে পারি নাই, এটা আপনি সরাসরি আমাকে বললে পারতেন। একটা লেখা পড়ে পাঠক ভুল বুঝতেই পারে। সেটা নিয়ে কথা না বললে ভুল বুঝাবুঝি আরো বাড়ে।

            এখন মনে হচ্ছে অযথাই নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে গেলাম। ...

            জবাব দিন
        • সাইফ (৯৪-০০)

          সবার জ্ঞাতার্থে বলছি,এইটা একটা স্যাটায়ার।আমি এই লেখকের থুক্কু এই ব্লগার এর প্রেমিকা পর্বের সবগুলা লেখাই পড়েছি।আমার যতদূর মনে পড়ে এই ব্লগার তার শুরুর দিকের অনেক লেখাতেই টুন টুনি, টূকূণী এইরকম অনেকের কথাই বলেছেন যারা পুরুষ।রচনার শিল্পগুণ যদি কেউ পড়ে থাকেন তাইলে আপনারা কেউ পুরুষবাদ আর নারীবাদ নিয়ে বিবাদে লিপ্ত না হয়ে এই লেখাটাকে সেরফ একটা স্যাটায়ার হিসেবেই নিতেন।লেখক তার প্রতিটি লেখায় থুক্কু ব্লগে নারীদেরকে পুজি করে পুরুষতান্রিক সমাজে যেই বানিজ্য শুরু হয়েছে পণ্যের প্রসারে যে নারিদেরকে কি বাজেভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে সেই অসঙ্গতিগুলিই ব্লগার বলতে চেয়েছেন তার নিজস্ব ভঙ্গিতে।টিভি চ্যানেল খুলে আমরা নারিবাদি পুরুষ রা শুর শুরি খাচ্ছি,তালিয়া বাজাচ্ছি।সুন্দরি প্রতিযোগিতা কেন আমাদের দক্ষিন এশিয়াতে বেশি বেশি হচ্ছে, প্রসাধনীর জন্য এই অঞ্চল একটা বিশাল বাজার এই কথা গুলাও ব্লগার তার আগের লেখাগুলাতে বলেছেন।কিলোওয়াট আর মেগাওয়াট এ যেই প্রেমিকার কথা বলেছেন তিনি একজন পুরুষ।নারিদেরকে পুজি করে করপোরেট কালচারে যে রম রমা ব্যাবসা চলছে সেটাও তিনি নিজের স্টাইলে বুঝাতে চেয়েছেন।কেউ যদি এইখানে অনর্থক নারিবাদ আর পুরুষবাদ এর বিবাদে এই লেখার অর্থ খুজতে চান তাইলে আমার মনে হয় পাঠক হিসেবে তিনি এর মর্মার্থ উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েছেন।অবশ্য এইটি লেখকেরো ব্যররথতা থুক্কু ব্লগার এর।তবে এইখানে একটা আপত্তি আছে ।ব্লগার এর ব্যর্থতা বলতে।কারণ এই ব্লগার একজন নিছক ই ব্লগার তথাকথিত সুশিল ব্লগের ব্লগারদের মত না ,যেই ব্লগে ভালোলাগা মন্দ লাগা নিয়ে টিক দেয়ার অপ্শন আছে।এইটা ক্যাডেট কলেজ ব্লগ ।এইখানে কেউ নিজেক লেখক হিসেবে জাহির করতে আসে না,ভালোবাসা আর ভালোলাগার টানে শেকড় খুজতে সবাই এইখানে আসে।

          কাজেই আপনাদের সবারপ্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ নিজেরা নিজেরা এইরকম তুচ্ছ ছেলেমানুষি বিষয়ে যুক্তি তর্কে না যেয়ে ব্লগের পরিবেশ শান্ত রাখুন।

          অফ দ্যা টপিক, মার্কেটে গেলে অন্যের কন্যা কিংবা অন্যের মেয়েকে অর্ধ নগ্ন দেখতে অনেকের ই যেমন মজা লাগে তেমনি আবার নিজদের বঅউকে অথবা কন্যাকে ড্রেস কোড নিয়ে শাসাতেও কমযান না।এই হল আমাদের নারিবাদী পুরুষ এর নমু না।
          যুগ যুগ ধরে নারিকে রুপক বানিয়ে নারিকে উচ্চাসনেই আসিন করা হয়েছে।সে যেই হউক লেখক, কবি, চিত্রশিল্পি,ফিল্ম মেকার।এতে করে নারির অসম্মান হয় না।
          আড্ডার অনেক্কিছুই এখন নাটোকে কিংবা তথাকথিত বিকল্প ধারার চলচ্চিত্রে উঠে আসছে ,ঘুম হারাম করে সেইগুলা আবার আমরা দেখছিও,বাহবা দিচ্ছি আজিজে বসে ,টি এস সি তে বসে চায়ের কাপে গরম চুমুক দিয়ে কেউ কারও গোষ্ঠী উদ্ধারকরছি কেউ বা বাহবা দিচ্ছি।।বস বস বলে।

          জবাব দিন
          • আন্দালিব (৯৬-০২)

            সাইফ ভাই, আপনাকে অনেকদিন পর দেখে ভালো লাগছে!

            আপনি এই লেখাগুলো যেভাবে পাঠ করেন, সেটা যেমন আপনার জন্যে সত্য তেমনি আমি যেভাবে লেখাগুলো পাঠ করি সেটা আমার জন্য সত্য। আমি তো শাহাদাত ভাইয়ের মন পড়ে লেখাটি পড়িনি, তাই বুঝতে পারিনি।

            কিন্তু অবাক লাগলো মতের মিল হয়নি বলেই অন্যব্লগ-লেখক-সুশীল সমাজ-আজিজ-চায়ের কাপ কতোকিছু চলে এলো দেখে! আমি তো আমার উপরের সব মন্তব্য প্রত্যাহার করেই নিয়েছি।

            জবাব দিন
            • সাইফ (৯৪-০০)

              হা হা হা আন্দালিব, আমি ব্যক্তিগতভাবে তোমার ব্লগের একজন ভক্ত।নিছক তোমাকে খুশি করার জন্য আমি বলছিনা।মতের মিল হতে হবে এমনটি ত আমি কোথাও বলি নাই।আসলে ছোট্ট একটা মন্তব্যকে ঘিরে এতসব ছেলেমানুষি আমার ভালো লাগছিল না।আজকের এই ব্লগেই সেটা প্রথমবার হয়েছে এমন না কিংবা তোমার মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই বলেছি সেইটাও না।আর সুশিল বলে তোমাকে বিন্দুমাত্র কটাক্ষ করার ব্যর্থ প্রয়াস আমি করব এইরকম অপরিণত কিংবা অবিবেচক সম্ভবত আমি নই।এই ব্লগের অর্থ আমি ব্যাখ্যা করলাম একটা কারণে। সেটা তোমার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে নয়।মান্না অনেক অন্তর্মুখি এবং প্রচারবিমুখ একটা ছেলে,আমার এবং কাম্রুলের বকাবকিতে ও মাঝে মাঝে পোস্ট দেয়।ওর পোস্ট কে ঘিরে সবাই এইরকম তর্কে জড়াবে ...এই চিন্তা থেকে দেখা যাবে যে ও আর ব্লগ লেখার উতসাহই পাবে না,এইটা শুধু মান্নার ক্ষেত্রে না আরো অনেকের ক্ষেত্রেই সত্য হতে পারে।এই মানস থেকেই আমি এত কথা বলেছি।বিশেষভাবে পক্ষপাতি হয়ে তোমার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে নয়।
              মতের অমিল আছে বলেই সুন্দরেরসন্ধান পাই আমরা।বন্ধুতে বন্ধুতে কত বিষ্অয়ে কত চিন্তায় অমিল।ঘরে বাপছেলে তে ,স্বামী স্ত্রী তে ,তাই বলে কি বন্ধন ছিন্ন হয়ে পড়ি আমরা।বরং এতে আমরা সচেতন হয় একে অন্যের ভালো লাগা না লাগার ইস্যুগলাতে।এতে আমাদের সমষ্টিগতভাবে উপকার হয়।
              আমার উপরের মন্তব্যটাকে মুছে ফেলার জন্য এডূ মডূ ভাইকে অনুরোধ করছি...
              আন্দালিব , স্যরি।মন খারাপ করোনা।আমরাআম্রাই ত।
              আমি অনেকদিন পরে আসিনি।রেগুলার নীরব ভাবে সিসিবি তে চোখ বুলাই।মাস্ফু ভালো বলতে পারবে।

              জবাব দিন
              • কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

                ব্যক্তিগতভাবে আন্দালিবের পাঠপ্রতিক্রিয়ায় আরেকজন পাঠক হিসেবে আমি আনন্দিত উদ্বেলিত কিংবা দুঃখিত কোনটাই নই। আরেকজন পাঠকেরও একটি লেখা পড়ে আমার মতই অনুভূতি মনে হলো কিনা, কিংবা 'আয় হায় আমিতো লেখাটা পড়ে অন্যকিছু মনে করছিলাম' দুটোর কোনটাই প্রবলভাবে অনুভূত হয়নি কেননা যেকোন লেখাই হোক তা সিরিয়াস কিংবা স্যাটায়ার ধর্মী, একেকজন পাঠকের মনে তা একেকরকম অবদান তৈরি করবে, এটাই স্বাভাবিক। এটিকেতো আসলে মেপেদেখার কোনরাস্তা নেই। ব্লগে যেকোন পাঠকের তাৎক্ষণিক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানার প্রক্রিয়াটি যেকারণে অনন্য। আন্দালিব এ লেখায় কি খুঁজে পেয়েছে না পেয়েছে, বা সত্যিই সে সাধারণ একটা রম্যকে অতি সিরিয়াসনেসের মোড়কে দেখছে কি না এটা যতটানা ধর্তব্য আমার কাছে, তারচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে একজন পাঠক তার অকপট পাঠপ্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এই পাঠপ্রতিক্রিয়ার প্রতিক্রিয়াগুলো কিছুটা তীব্র হয়ে গ্যালো। এক আন্দালিবের কমেন্ট 'অনেক অন্তর্মুখি এবং প্রচারবিমুখ একটা ছেলে'কে লেখা থেকে বিরত রাখার কোন সম্ভাবনা না দেখালেও, এরকম প্রতিমন্তব্য অনেক মন্তব্যকারীকে নিজের অকপট পাঠ প্রতিক্রিয়া দেখাতে বিরত রাখবে বলেই মনে হচ্ছে। সামান্য একজন পাঠক\মন্তব্যকারী হিসাবে যেটা কাম্য নয়।


                সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

                জবাব দিন
                • কামরুল হাসান (৯৪-০০)
                  পাঠপ্রতিক্রিয়ার প্রতিক্রিয়াগুলো কিছুটা তীব্র হয়ে গ্যালো।
                  এরকম প্রতিমন্তব্য অনেক মন্তব্যকারীকে নিজের অকপট পাঠ প্রতিক্রিয়া দেখাতে বিরত রাখবে বলেই মনে হচ্ছে।

                  কাইয়ুম ভাই

                  তাহলে কী কারো কোন পাঠ-প্রতিক্রিয়ার সঙ্গে দ্বিমত করা যাবে না? আর করা গেলে সেটা কিভাবে প্রকাশ করবো?


                  ---------------------------------------------------------------------------
                  বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
                  ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

                  জবাব দিন
                  • কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

                    দ্বিমত করা যাবেনা তাই কি বললাম কোথাও?
                    আর সেই দ্বিমত প্রকাশটা হওয়া উচিত অপর মন্তব্যকারীকে আহত না করে। এখন সেটা কেমন হওয়া উচিত এটাও যদি আমাকে জিজ্ঞেস করিস তাহলে আত্মসমর্পণ করে গেলাম আগেই। কারণ আমি মনে করি এধরণের বিতর্কে অন্ততঃ সিসিবি'র ক্ষেত্রে এই দ্বিমত প্রকাশ ভঙ্গীটা নিজে থেকেই বুঝে নেয়া উচিত অন্যদের কথাটা মাথায় রেখে।


                    সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

                    জবাব দিন
                    • কামরুল হাসান (৯৪-০০)

                      আপনি খুব জলদি আত্মসমর্পণ করে ফেলেন বলেই আপনার সাথে মন্তব্য চালাচালি করে মজা পাই না।
                      আমি আর আন্দালিব কিন্তু এই লেখাটা নিয়ে পারস্পরিক মত-অমত তুলে ধরছিলাম।
                      আপনারা যারা পরে কমেন্ট করেছেন তারা ব্যাপারটাকে নিয়ে গেছেন কিভাবে মন্তব্য করতে হবে/কিভাবে করা যাবে এই আলোচনায়।
                      যাকগে, তাও তো সিসিবিতে অনেকদিন পর অনেক বড় বড় কিছু মন্তব্য আসলো। নইলে বাকি সব তো দেখতাম, - 'অসাধারণ হয়েছে' , তারপর পঞ্চাশটা ইমো।


                      ---------------------------------------------------------------------------
                      বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
                      ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

                    • কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

                      আমার সাথে মন্তব্য চালাচালি করে মজা পাওয়ার দরকার নেইতো খুব একটা, যার সাথে মত অমত তুলে ধরছিস সে এই মজার চালাচালিতে আহত হচ্ছে কিনা, কিংবা মত অমত তুলে ধরা আসলেই সবার জন্যেই পরিশীলিত হচ্ছে কিনা সেটা বুঝতে পারলেই হল। তা না হলে 'সিসিবিতে অনেকদিন পর অনেক বড় বড় কিছু মন্তব্য' ওই 'অসাধারণ হয়েছে উইথ পঞ্চাশ ইমো'র চেয়ে ভালো কিছু হবেনা কখনো।


                      সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

                    • কামরুল হাসান (৯৪-০০)

                      কাইয়ুম ভাই
                      কথা বাড়াইলাম না। এমনিতেই এই পোস্টের বারোটা বাজানো হইছে। বাদ দিলাম।


                      ---------------------------------------------------------------------------
                      বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
                      ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

                    • শাহাদাত মান্না (৯৪-০০)

                      কাইয়ুম ভাই,
                      অনেক দিন আলাপ নাই আপনার সাথে,তাই একটু আলাপ পারি।আমার ব্লগের তেরটা বেজে ও যদি লোকে মজা পায়,আমার আপত্তি নাই।এই দেশে লোকে সমালোচনা সহ্য করতে পারেনা,এটা হয়ত জাতিগত বৈশিষ্ট্য। তারপর ও আমি খুশিমনে সবই গিলে খাই। নইলে মতপ্রকাশের অবাধ স্বাধীনতা নামক গণতন্ত্রর উন্নয়ন তত্ত্ব বিকাশে বাধাপ্রাপ্ত হবে। 😉 এই বিষয়ে এর বেশী বলিবনা,কারণ সম্প্রতি আমার একাডেমিক পড়াশোনায় এইরকম একটা বিষয় নিয়ে একটা কোর্স সম্পন্ন করেছি,বেশী বললে আমার আঁতলামী শুরু হবে। 😀
                      তবে এই ভেবে অবাক হচ্ছি,যে দোষে আমি দুষ্ট বলে চিহ্নিত হয়েছি,তাতে ব্লগের অনেক লেখা যেমন ধরেন মাসুম ভাইয়ের বেশিরভাগ পোষ্টের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করাও ফরজ হয়ে দাঁড়াবে। কারণ একই বর্ণবাদের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে ও দাঁড়ায়।রবীন্দ্র নাথের লেখা থেকে এরকম হাজারটা উদাহরণ দেয়া যেতে পারে,কিন্তু বেচারার উপর এমনিতেই বাঙ্গালিরা কথায় কথায় উদ্ধৃতি দিয়ে যে অত্যাচার করছে তার উপর নতুন করে আর কষ্ট না দেই। 😀 তবে আমি এটা বিশ্বাস করি,মত প্রকাশের ক্ষেত্রে স্বাধীনতার সাথে বোধের ও বিকাশ ঘটুক।
                      আর লেখাটা রম্য না স্যাটায়ার, প্রবন্ধ না প্রহসন,স্বাস্থ্যকর না রুগ্ন,সরল না জটিল তা বুদ্ধিমান পাঠকই সময়ের প্রয়োজনে বুঝে নিবে।তাতে ও কাজ না হলে আমি ক্রিমিনাশক ঔষধ নিয়া সিসিবির দোরগোঁড়ায় অপেক্ষা করছি। 😀

                    • শাহাদাত মান্না (৯৪-০০)

                      আমি ভাই এক মাস পরপর ব্লগে আসি।একে অলস তার উপর সময় পাইনা।তবে আপনার নতুন লেখা পড়ার জন্য অপেক্ষা করছি।নইলে সিনিয়র মানুষরে তো আর বলতে পারিনা যে স্টার্ট ........। 😛 এর থেকে বলি লেখা না দিলে যান ব্যায়াম করে আইসেন। 😉

                    • কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

                      তাইলে আমিই কই, স্টার্ট ফ্রন্ট্রোল 😡 কত্তবড় সাহস, মশকরা করে :chup: :chup: আবার সিনিয়ররে লেখতে বলে! :gulli: এক মাস পর পর দৌড়ে তালে তালে করতে করতে একেকটা পর্ব নিয়া আইবি 😛 সবাই লেখলে পড়বো কেডায়, তাই আমি পইড়াই খুশি 😀


                      সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

  7. শাওন (৯৫-০১)
    তবে আমি বলি নদীর থেকে ভরা কলস ভালো। এখন বলুন ভরা কলস আর নারীর মধ্যে মিল কি? গানের ভাষায়- হাতের কাছে ভরা কলস, কিন্তু কখনোই তৃষ্ণা মেটে না।

    এটা ঠিক.....কলসের পানি ফিল্টার করা না থাকলেও তৃষ্ণা মেটেনা....শুধুই খেতে ইচ্ছে করে... 😀 :))


    ধন্যবাদান্তে,
    মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শাওন
    প্রাক্তন ক্যাডেট , সিলেট ক্যাডেট কলেজ, ১৯৯৫-২০০১

    ["যে আমারে দেখিবারে পায় অসীম ক্ষমায় ভালো মন্দ মিলায়ে সকলি"]

    জবাব দিন
  8. আহমদ (৮৮-৯৪)
    এই তোমাকে মোবাইলে পাচ্ছি না কেন? রাতে কল দাওনা কেন? আর কার কার সাথে কথা বল? নাকি আমাকে আর ভালো লাগছেনা? না আমার সাথে কথা বলতে চাওনা বলে বন্ধ করে রেখেছো?

    :khekz: :khekz:


    চ্যারিটি বিগিনস এট হোম

    জবাব দিন
  9. রুবেল (৯৯-০৫)

    🙁 🙁 নাহ !!! মেলা আশা নিয়া পড়তে বসলাম লেখাটা ভাল লাগলো।কিন্তু কিছু কমেন্টস পড়ার পর একটু খারাপ লাগলো 🙁 🙁 🙁

    ভাই আমরা কি সবাই সাদা পোশাক পড়া :just: সুফি??

    জবাব দিন
  10. জিহাদ (৯৯-০৫)

    মানুষ মরণশীল । তাই ভুল বোঝাবুঝি জীবনেরই অংশ 😀

    ৭ নাম্বার টা কবে ছাড়বেন? আর স্যাটায়ার ট্যাগিং করে দিয়েন মনে কইরা। আশা করি পরবর্তীতে আর ভুল বোঝাবুঝি হবেনা 😀


    সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

    জবাব দিন
  11. আমিনুল (২০০০-২০০৬)

    :)) :)) :))

    আর ছোটোবেলা থেকেই শুনে আসছি, সেরা সুন্দরীর নাকি কখনো প্রেম হয়না। সকলেই ভাবে ওর বোধহয় বুকিং দেয়া আছে, এই ভেবে অনেক সময় কেউ আর প্রস্তাবই দেয়না।আর তখন সুন্দরীর অবস্থা হয় বাংলাদেশ রেলওয়ের মত, স্টেশনে গেলে টিকেট মিলবেনা, কিন্তু ট্রেন হরদম ফাঁকা যাচ্ছে।

    মজা পাইলাম...সরাসরি প্রিয়তে...... 🙂

    জবাব দিন
  12. ভাই, প্রেমিকার সংখ্যা দিয়ে কখনও প্রেম হয়না। চালিয়ে যান আর লিখুন।। তবে দয়া করে প্রেমিকাদের নাম লিখবেন না।
    তাহলে রিস্ক আছে।। ধন্যবাদ সকলকে।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।