শুরু হল সেই ছেলেটির ক্যাডেট জয়ের মিশন
কদিন আগেও যে ছেলেটা দস্যি ছিল ভীষণ
কোন কালেই বইয়ের সাথে যার ছিলনা খোঁজ
সেই ই কীনা নিয়ম করে পড়তে বসে রোজ
দিনের পড়া যত্ন করে সেই দিনেতেই শেখে
সবাই অবাক ছেলের এমন বদলে যাওয়া দেখে।
ভাবলো সবাই কিছু ক্ষণের জন্য এ পাগলামি
হয়তো আবার কদিন পরেই বদলে যাব আমি
একটা সময় বুঝলো ওরা,বনলো সবাই fool
রেজাল্ট দেবার সঙ্গে সাথেই ভাঙ্গলো ওদের ভুল।
দেখতে দেখতে ভাইবা হল,মেডিক্যালটাও গেল
এক সকালে যুদ্ধ জয়ের সেই চিঠিটা এলো।
ছেলের গর্ব বাবার ঠোটে সূর্য হয়ে ওঠে
মায়ের চোখে সুখটুকু সব অশ্রু হয়ে ফোটে।
ঘুমগুলো কই হারিয়ে গেল জোনাক পোকার ঝাঁকে
ক্যাডেট কলেজ আমায় কেবল হাতছানিতে ডাকে।
নতুন জীবন,বন্ধু নতুন,নতুন পথের শুরু
এসব ভেবে উত্তেজনায় মনটা দুরু দুরু।
সময় হল বিদায় বলার অনেক বেলার ঘুম
লম্বা চুলের দস্যিপনা,মায়ের বুকের ওম।
চারপাশটার সবকিছুতেই বিষাদ কেমন মাখা
মা বাবাকে ছাড়বো ভেবে দুঃখ মেলে পাখা
তিন নাম্বার দিনের কথা,অশ্রু করে খুন
বছর হলো নিরানব্বই,মাসটা ছিল জুন।
ঝকঝকে এক বিকেল রোদে বুকটা দুরু দুরু
বালক বেলার হাতটা ছেড়ে ক্যাডেট বেলার শুরু।
নতুন পাওয়া সেই জীবনে যুক্ত হলো যারা
বলছি ধীরে তাদের কথা,এত্তো কীসের তাড়া?
অপূর্ব! জিহাদ আইজ থাইকা তুর নাম দিলাম মহাকবি জিহাদ......এইটা সারা অন্য কুনু নামে তরে কেউ ডাকলে আমি ব্যবস্থা নিব.........তারে মকবুল নাপিতের দোকানে নিয়া নাইড়া বানায় দেওয়া হইব.........
মারহাবা..মারহাবা...বহুত খব....
জিহাদ...অসম্ভব সুন্দর হয়েছে...এককথায় দুর্দান্ত,পরের পর্বগুলোর জুন্যে অপেক্ষা করছি....
জিহাদ তুই বস। খুব সুন্দর হচ্ছে।
যা ভেবেছিলাম তাই হয়েছে। আমি নিশ্চিত জিহাদ এইটাকে ১২ পর্যন্ত একই রকম সুন্দর রেখে নিয়ে যেতে পারবে।
চল চল চল
জিহাদ বাই বস...
মায়ের চোখে সুখটুকু সব অশ্রু হয়ে ফোটে-জোশ হইসে তো!
এই কবিতাটা যতবার পড়ি সেই ক্লাস সেভেনএ ফিরে যাই...মহাকবি জিহাদকে ধন্যবাদ(আমি যা বলছি সিরিয়াসলি বলছি...আমাদের জিহাদ মহাকবি জিহাদ হিসেবে অন্তত এই ব্লগ এ পরিচিত হোক)