প্রাপ্তির হিসাব কিতাব – আনন্দাশ্রু

সেদিন মনে হলো – এইতো সেদিন মেম্বার হলাম এই ব্লগে। তারপর কাজের ভীড়ে তলিয়ে গেলাম। হঠাত মেইল পেলাম পার্সোনাল মেইল এ। তখন খেয়াল হলো পরিবারে এসে নাম লিখিয়ে রেখেছিলাম, কিন্তু কাজ তো করি নি কোনো। তাই চেষ্টা করলাম লিখতে কেমন লাগে সেটা বোঝার জন্য। দিলাম ছোট্ট একটা লেখা। স্বাগতমের ভীড়ে চাপা পড়ে গেলাম, যা আমাকে মনে করিয়ে দিলো দায়বদ্ধতার কথা। মনে করিয়ে দিলো খেটে খাওয়ার কথা। ব্লগে লেখালেখি করছি বেশীদিন নয়। মাস দুয়েক হলো “সামু” বা somewherein নামের একটা ব্লগে লিখছিলাম। সময় বেশী না থাকায় সেখানকার কিছু লেখা এখানে দিলাম। ভয়ে ছিলাম – লেখাগুলো গ্রহনযোগ্য হবে কিনা।

প্রাপ্তির হিসাবে পুরোটাই প্রাপ্তি, তাই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, যারা পড়েছো তাদের কে ছোট করতে চাই না। তুমি করে বলছি, কারন বড় ভাইদের কে খুব একটা দেখি নি এখানে। কোন বড় ভাই লেখা টা পড়লে মাফ কইরা দিবেন, দুইডা আগাম ফ্রন্টরোল দিয়া রাখলাম, ছোডোরা চক্কু বন্দ কইরা রাকচে, নু পোগলেম। আসলে আমাদের বয়সকালের কারো জন্য ব্লগে সময় দেয়াটা কিছুটা কঠিন বলে মনে হয়। ট্রাই করে যাচ্ছি, যতদুর পারা যায় দিয়ে যাচ্ছি, সাড়া ও ভালো, তাই উতসাহ ও লাগে।

আসলে এই লেখা টা লিখলাম, কারন কিছু কিছু বাচ্চু রা আমাকে বললো, লেখাগুলো নাকি চিন্তার খোরাক দেয়। জীবনের উপলব্ধি থকে যতদুর মনে হয় ততদুর পর্যন্ত লিখি। মোল্লার দৌড় মসজিদের বারান্দা পর্যন্ত র মতো ব্যপার। তোমাদের থেকে যে ভালোবাসা পেয়েছি শব্দে লেখা, তাতে হিসাব করার মতো একাউন্টেন্ট ও হার মেনে যাবে, কারন হিসাব মিলবে না। ধন্যবাদ, ধন্যবাদ, ধন্যবাদ সবাইকে। যা লিখি, তা হয়তো বেশীর ভাগ সময় গুছিয়ে লিখতে পারি না, এটা আমার চিরন্তন অক্ষমতা।

ঈদের আগে এসে হঠাত ই মনে হলো, আনন্দ টা আসলে সবচেয়ে বেশী এটাই আমার, বিশেষ করে এই ঈদে। সবাইকে আগাম ঈদ মোবারক। দেখা হবে, ইনশাল্লাহ লেখা ও হবে।

৮,৫৬২ বার দেখা হয়েছে

১২০ টি মন্তব্য : “প্রাপ্তির হিসাব কিতাব – আনন্দাশ্রু”

  1. রফিক ভাই,ব্লগে এসেই আমাদের ভান্ডার সমৃদ্ধ করবার জন্য ধন্যবাদ।আপনার চিন্তাশীল মনের পরিশীলিত লেখাগুলি আসলেই আমাদের মনে কিছুটা চিন্তার উপকরন দিবে।
    ব্লগে যে গুছিয়ে লিখতে হবে এরকম কথা নেই।কারন আমরা কেউই পেশাদার নই।আস্তে আস্তেই দেখবেন লেখার হাতের দক্ষতা বাড়বে।
    আর হ্যাঁ,ঈদ মোবারক আপনাকেও 🙂

    জবাব দিন
  2. আমিন (১৯৯৬-২০০২)

    আমি তো ইরেগুলার ব্লগার তাই আপনার সব পোস্ট পড়ি নাই।
    আগাম ঈদের শুভেচ্ছা।
    আর মির্জাপুরের পোস্ট কাউন্ট বাড়াতে আওয়াজ টুলতেছি,
    রফিক ভাই
    ছক্কা চাই,
    ছক্কা ছাড়া
    উপায় নাই....

    জবাব দিন
  3. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)

    ঐ বিলাডি মাষ্ফু...grr
    যা, নিজে গিয়া কফি নিয়া আয়...মাস্ক দিয়া ছাইকা আনিস...আর বানানো আগেই হয়ে গেলে মাস্ক সহ দিবি...বসে মাস্ক পইড়া খাইব...
    আর হ্যাঁ, দুই কাপ নিয়া আসিস...অনেকক্ষণ চা কফি খাইনা...


    ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

    জবাব দিন
  4. ওয়াহিদা নূর আফজা (৮৫-৯১)

    মনে হয় আমার ডাক পড়লো। এসে গেলাম।
    রফিক ভাই লেখা খুবই ভালো। চিন্তা করতে না চাইলেও চিন্তা এসে যায়। আসলে অন্ধ হলেই কি আর প্রলয় বন্ধ থাকবে।
    দিহান ভালোই তো জমিয়ে বসছো। মনে হয় বেশ কম দেখি।
    এইবার জুনাকে চিনা গেছে।


    “Happiness is when what you think, what you say, and what you do are in harmony.”
    ― Mahatma Gandhi

    জবাব দিন
  5. রকিব (০১-০৭)

    বান্দা হাজির...... কাহানী হইলো গেছিলাম সুদূর ফেরাঞ্চের পারী নগরীতে, ওয়ার্ল্ড টি-বিজনেসম্যান কনফারেন্সে যোগ দিতে B-) । ছুডখাটো একখান ভাষণও দিলাম, মেলা তালিয়া পাইছি। যাউকগা... কিন্তু আইসা দেখি অবস্থা তো ভালো না, আহসান ভাই কফির নাম কইরা সবাইরে ভেজাল মবিল মিশাইয়া কি একটা যেন দিতাছে। হায় হায়!!! এইবার কি হইবো। লন ঐটা খায়েন না, এট্টু আগে জুনা ভাইয়ের ফুন আইছিলো নার্সারী(গাছেদের হাসপাতাল) থেইকা, অবস্থা বেগতিক। উনারে বাঁচাইতে নাকি চাইর ব্যাগ পটাশ সার দিতে হইছে। 😕 😕
    যাউকগা...নেন সবাই গরমের দিনে খুল্ড খপি :teacup: খান। যারা রোযা আছেন তারা সেহরীতে খায়েন। 😛


    আমি তবু বলি:
    এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।