ধন্যবাদ…এবং… শুধুই ধন্যবাদ

কয়েকদিন ধরেই ভাবছি কিছু একটা লিখবো।কিছু একটা লিখবো।কিন্তু হয়ে উঠছিলোনা নানা কারণে।কারণগুলোর মধ্যে ব্যস্ততা যেমন আছে, আছে অলসতাও।
ইদানীং আমাদের ব্লগটা সেইরকম জমজমাট হয়ে উঠেছে।দেখে মনে হচ্ছে বৃহস্পতিবারের আড্ডাটা এখন সপ্তাহের সবগুলো দিন জুড়েই আসর জমিয়ে রাখছে।পুরোনো বন্ধুগুলোর পাশাপাশি আরো নতুন অনেক মুখ এসে জড়ো হয়েছে,হচ্ছে।দেখে ভাল লাগে।একটু তৃপ্তিও লাগে।এমন কিছু একটা করার পেছনে নিজের একটু আধটু ভূমিকার কথা ভেবে বোধহয় একটু গর্বও লাগে।আজ আর কলেজের কথা নয়।বরং ভার্চুয়াল জীবনে নতুন কলেজ খোলার অভিজ্ঞতার কথাই বলি…

আইইউটির ছুটি গুলা সিনিয়র গ্রুপের ক্রসকান্ট্রির মতই ম্যারাথন স্টাইলের।একবার শুরু হলে আর শেষ হতে চায়না।আমার অবশ্য তাতে কোন আপত্তি নেই।ঘুমানোর জন্যে একটু সময় পেলেই হল।সেটা থার্ড প্রেপ টাইমই হোক কিংবা আইইউটির চারমাসের ছুটিই হোক।যাইহোক…ছুটিতে গেলাম।অজপাড়াগায়ে বাসা বলে আশে পাশে কোন ক্লাসমেটও নেই।যারা ছিল সবারই ক্লাস,চকচকে একটা ফিউচার এর আশায় ঢাকার আলো বাতাসে শ্বাস নিচ্ছে।চারমাস ছুটি দেবার মত বুকের পাটা আর কোন ইউনিভার্সিটির নাই।কাজেই ছুটিও ঠিক জমেনা।রাতের বেলায় ঘুমানো আর সকাল বেলায়(দুপুরও বলা যায়) ওঠা; এবং এই দুই সময়ের মাঝের অংশটুকুতে আবার ঘুমানো।ডেইলী শিডিউল বলতে মোটামুটি এই বোঝায়।সবকিছুরই একটা সীমা থাকে।আমার রাশি কুম্বকর্ণ।কিন্তু এত ঘুমানোও একটা সময়ে আর ভাল্লাগেনা।নিজের হার্ট এর কন্ডিশন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দিয়ে চেক না করিয়েই ১২৫০ টাকার জিপি ইন্টারনেট নিয়ে নিলাম দুম করে।আমার সব কিছুই হঠাৎ হঠাৎ করা।এই ডিসিশনটাও সেরকম একটা কিছুই ছিল।নেট নেয়ায় ঘুমের জন্য বরাদ্দ সময়ের কিছু এখন নেট এর পেছনে লাগাই।তাবলীগী রুমমেট সামির(এস সি সি) এর কল্যানে এই সময়টা অবশ্য মসজিদে মসজিদে লাগানোর কথা ছিল।কিন্তু ব্যাটে বলে ঠিক মত হলোনা।সামির আমাকে ছাই দিয়ে ঠিকমত ধরার আগেই ফসকে গেলাম।ছাইয়ে বোধহয় ভেজাল ছিল।প্রেয়ার ডজ মারার স্টাইলে এই যাত্রায়ও বেঁচে গেলাম(নাকি মরলাম!আল্লাহ মাফ করুক) পরহেজগার মানুষগুলা যখন ভোরবেলা ফজরের আযান শুনে ঘুম থেকে জাগে আমি তখন আযান শুনে ঘুমাতে যাই।ঐটাই তখন আমার জন্যে লাইটস অফের বেল।ইন্টারনেট আশীর্বাদ না অভিশাপ? উত্তরটা জানিনা।খালি জানি আমার ঘুম হারাম হইতেসে এইটার জন্যে।কিন্তু চ্যাটিং ফ্যাটিং,হাই ফাইভ,ফেসবুক আর কাহাতক সহ্য করা যায়।ব্লগিং শুরু করলাম সামহোয়ার ইন এ।এমন একটা সময়ে সবার প্রথমে রায়হান আমাকে ব্যাপারটা জানায়।মির্জাপুর এক্স ক্যাডেটদের জন্য মুহাম্মদ সর্বপ্রথম যে উইকি সাইটটা চালু করেছে ওখানেই নাকি সব কলেজের জন্য একটা ব্লগ সেকশন চালু করা হয়েছে।আমি শুনে লাফ দিয়ে ঊঠলাম।সামহোয়ার ইন এ কি নিয়ে লিখবো ভাবতে গিয়ে অনেক এনার্জি লস করতে হয়।কিন্তু ক্যাডেট কলেজ ব্লগ এর জন্য সেটা হবার চান্স নাই।বরং হাজার হাজার আইডিয়ার জ্বালায় মাথা নষ্ট হবার জোগাড়।হয়তোবা ছিলামই একটু সাধাসিধা টাইপের ক্যাডেট।তাই বলে বান্দরামি যে কিছুই করিনি এমনও না।একটু ভদ্র গোছের বান্দর বলা যায়।

শুরু হল ক্যাডেট কলেজ ব্লগে লেখালেখি।

কিন্তু আমরা কয়েকজন-রায়হান,মুহাম্মদ,সামিয়া,তুহিন আর আমি এই পাঁচজন ছাড়া ব্লগের পাঠক পাইনা।লেখক পাওয়ার আশা করার তো প্রশ্নই ওঠেনা।নিজেরাই লিখি আবার পাঠক সেজে একে অপরকে কমেন্টস দিয়ে বেশ ভালমত পিঠ চাপড়ে দেই।ততদিনে এটা অন্তত বোঝা গেল একটা নির্দিষ্ট কলেজের সাইটে সব কলেজের পাবলিক জোগাড় করা টাফ।সহজে কেউ আসতে চাইবেনা।তাই বিকল্প ভাবনা ভাবা শুরু হল।একটা ডোমেইন নিজেদের করে নিলে মন্দ হয়না।কিন্তু ব্লগ সাইটের আদলে সাইট তৈরী করা-সেটা কে করে দিবে।ফার্স্ট সেমিস্টারে থাকতে একটু আধটু প্রোগ্রামিং ছিল।সেই জ্ঞান দিয়ে a+b=c ইকুয়েশনের জন্য কোনমতে একটা প্রোগ্রাম দাঁড় করাতে পারি।কিন্তু আস্ত একটা ব্লগ সাইট দাঁড় করাই কিভাবে।তার চে তেল মেরে কলেজ প্রিফেক্ট হবার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করাও অনেক বেশি বাস্তব সম্মত চিন্তা।কাজেই নিজেরা কিছু বানানোর চিন্তাও বাদ গেল।মেসেঞ্জারে ASL ঘাঁটাঘাঁটি আর buzz মারা বাদ দিয়ে রেডিমেড ব্লগ এর সন্ধানে নেটের এই মাথা থেকে ঐ মাথা পর্যন্ত ঘোরাঘুরি করা শুরু করলাম।অনেকগুলারই সন্ধানই পেলাম কিন্তু কোনটাই ঠিক পছন্দ হয়না।রেডিমেড প্যান্ট কিনলে টাইট কিংবা লুজ হবার ফ্যাকড়া তো থাকেই।সেটা হলো এখানেও।শেষপর্যন্ত ব্লগস্পট দেখে পছন্দ হল।একটা ব্লগ খুলেও ফেললাম। cadetcollege.blogspot.com নামের ঐটা এখনো বহাল তবিয়তে আছে।কিন্তু ঐটাও শেষ পর্যন্ত ভাল ঠেকেনা।নিজস্ব ব্লগ লেখার জন্য চমৎকার মানিয়ে যায়।কিন্তু গ্রুপ ব্লগিং এর সময়ই বিপদ।মাল্টি ইউজার ব্লগিং এর জন্য ঠিক ফ্লেক্সিবল না।অপশনও অনেক কম বলে মনে হল।আবার যখন হতাশ হয়ে গেলাম তখনই আলাদীনের চেরাগ এর মত ওয়ার্ডপ্রেস এর খোঁজ পেলাম।আমার আনন্দ আর দেখে কে।(আসলেই দেখার কেউ ছিলনা।চারটা মাস মোটামুটি ঘরের মধ্যেই ছিলাম।) কিছু সমস্যা থাকলেও ওয়ার্ডপ্রেস এর ব্যাপার স্যাপার গুলো চরম মনে ধরলো।এমন কিছুই খুঁজছিলাম।দেরী না করে সবাইকে জানালাম।তার আগে আমাদের ৯৯ গ্রুপ ব্যাচ এর জন্য সামিয়ার আঁকা লোগো থেকে কাট পেস্ট মেরে একটা হেডার ইমেজও দাঁড় করিয়ে ফেললাম।(সামিয়ার কাছে এখনো পর্যন্ত পারমিশন চাওয়া হয়নি 😀 আমি জানি ঝ্যাং পেইন্টার অনেক উদার মনের।এত সহজে মাইন্ড খায়না।তয় খাওয়া দাওয়াটা মনে হয় একটু বেশি করে।বিশ্বাস না হলে খাওয়া দাওয়ার উপরে লেখা ওর ব্লগটা পড়ে দেখতে পারেন)।দুইদিন কাজ করেই মোটামুটি সুন্দর একটা লুক দাঁড়িয়ে গেল।কাজ শেষে নিজেই মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম কতক্ষণ।মনে পড়েনা কোন মেয়ের দিকেও এত মুগ্ধতা নিয়ে এর আগে তাকিয়েছি কখনো।(নারী সম্প্রদায়,মাইন্ড খাইয়েন না প্লীজ।লেখার খাতিরে মাঝে মাঝে একটু আধটু বানায়া বলতে হয় আর কি)।

সেই থেকে শুরু ওয়ার্ডপ্রেসে ব্লগিং…মনের মধ্যে সারাক্ষণ যে কলেজটা নিয়ে ঘুরি তাকেই আবার ভার্চুয়াল লাইফে নতুন করে সাজানোর শুরু।… আরো অনেকদূর যাবার বাকি।এ পথচলা বোধহয় সারাজীবনেও সাজানো শেষ হবেনা।প্রিয়জনকে সাজিয়ে কেউ কখনো পুরোপুরি তৃপ্ত হয়েছে এমন কথা কে কবে শুনেছে??

…………

ডিসক্লেইমারঃ একটা কথা আজকে পরিস্কার করে দিতে চাই।অনেকের ধারণা ক্যাডেট কলেজ ব্লগিং এর চিন্তাটা প্রথম বোধহয় আমার মাথা থেকেই এসেছে।এটা পুরোপুরি ভুল ধারণা।রায়হান আর মুহাম্মদ এর মাথায় আইডিয়াটা প্রথম আসে।কাউকে যদি ধন্যবাদ দিতেই হয় তার সিংহভাগ ওদের দুইজনেরই প্রাপ্য।আমি কেবল ব্লগটাকে ওয়ার্ডপ্রেসে এনে শিফট করেছি মাত্র।আমার অবদান বলতে এইটুকুই।

**ধন্যবাদ,মামুর দোকানঃঐ দোকানে চা খাইতে না গেলে এই আইডিয়াটার জন্য বোধহয় আরো অনেকদিন অপেক্ষা করতে হত।(ভাবতেসি আমিও চা খাওয়া স্টার্ট করমু।অবিবর্তিত বানর মস্তিস্কে তাও যদি কিছু বুদ্ধির বিকাশ ঘটে)

** ধন্যবাদ সামিয়াঃএত চমৎকার একটা লোগো আমাদের জন্য তৈরি করে দেবার জন্য।আর একেবারে প্রথম দিকে ব্লগিং এ তোমার উৎসাহও অনেক অনুপ্রাণিত করেছে।

**ধন্যবাদ ফেসবুকঃ ফেসবুক না থাকলে এত সহজে ব্লগ লিংকটা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে পারতাম না।

ক্যাডেট কলেজকে ধন্যবাদ দেবার ধৃষ্টতা করছিনা।আজকের আমি,এই ব্লগ,আমাদের এত স্মৃতি-ক্যাডেট কলেজ এ না পড়লে এর কোনটাই হতোনা।কোনটা ছেড়ে কোনটার জন্য ধন্যবাদ দেব?

পরিশেষে এই ব্লগের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।আশা করি গুটি গুটি পায়ে বেড়ে ওঠা আমাদের এই ব্লগটা আপনাদের সবার আন্তরিকতায় একসময় সকল ক্যাডেটদের জন্য পুরোনো দিনগুলোতে ফিরে যাবার একটা প্লাটফর্ম হয়ে উঠবে।এর জন্য সবার সহযোগিতা আশা করছি।

হ্যাপি ব্লগিং…

৩,১২৭ বার দেখা হয়েছে

৩৪ টি মন্তব্য : “ধন্যবাদ…এবং… শুধুই ধন্যবাদ”

  1. ওই রায়হাইন্যা....তোদের iut এর সব পোলাপাইন ই তো
    অ্যাকটিভ না।
    কি করিস ব্যাটা???ধইরা নিয়া আয় সবডিরে....
    আর জুনিয়র যেডি আছে..সেইগুলারেও কইস....
    অসংখ্য ধন্যবাদ তোদের...

    জবাব দিন
  2. কুচ্ছিত হাঁসের ছানা

    খালি iut না, আমি এখন ক্যাডেট পাইলেই ধরে ধরে এই সাইটটার কথা বলি।
    এই জোস্‌স্ জিনিসটা না থাকলে আমাদের জীবনটাই অপূর্ণ থাকত বলে মনে হচ্ছে।

    কিছু খেদ ও অভিযোগঃ

    [[ আমি একটু না, বেশ ভালই ঝগড়াটে ধরনের... সবখানে একটা না একটা প্যাঁচ বাধাই...কলেজেও ঝগড়া বাধিয়ে দেয়াতে আমার জুড়ি ছিল না।
    আর চান্স পেলেই মানুষকে খুঁচিয়ে বেড়াই।
    (যেমনঃ কালকে রাতে সামিয়াকে খোঁচাচ্ছিলাম, যার ফলে বেচারা মাইন্ড করলেও আমরা পলেনকে নিয়ে সুন্দর একটা লেখা পেলাম।
    সরি, আমার স্বভাবটাই খারাপ। 🙂 😀 😛 ]]

    অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে যে, আমি বহুত পোলাপাইনরে কইছি কিন্তু সেই রকম সাড়া পাইনি। যতটা উৎসাহ নিয়ে বলা শুরু করি, অথবা এই সাইটটা দেখাই, ততটাই হতাশ হয়ে ফিরে আসি।

    যাদের net connection নেই বা একেবারেই ধারণা নেই, তাদের নাহয় মানা গেল,

    কিন্তু যারা সারাদিন চ্যাটরুমে মেয়েদের পিছে দৌড়ায় hi, asl plz , কিংবা hi5 আর facebook এ সারাদিন মেয়েদের কমেন্ট দিয়ে বেড়ায়, আর cadetcollege.wordpress.com এর কথা বললে বাংলা টাইপ না পারার অজুহাত দেখায়, কিংবা সময় নাই, exam চলতেছে....এই সব ফাউল cause দেখায়, সেইগুলারে নিয়া আমার সমস্যা আছে।

    নামগুলা কমু? দিমু হাটে হাঁড়ি ভাইঙ্গা? তাইলে তাড়াতাড়ি www.cadetcollege.wordpress.com (ভবিষ্যত www.cadetsblog.com :P) চইল্লা আয়।

    ধন্যবাদ
    ঢিঁচ্চু।

    জবাব দিন
  3. cadetcollegeblog.com নামটা আমার পছন্দ হয়েছে। মাশরুফ তুই কিন্তু লিখতেছিস না। খালি মন্তব্য করে পার পাবা না চান্দু। একটা লিখা দিয়ে ৬০ টা মন্তব্য পাইছস। আমি হইলে এরপর ৬০ টা লেখা দিতাম।

    জবাব দিন
  4. তপু ভাই মাশরুফ ভাইয়ের লিখা পড়ে তো আমার চোখ কপালে উঠসে, চলেন উনারে হাউস মাস্টার রুমে ঢুকাইয়া...

    মাশরুফ ভাই একটু সামালাইয়া...ক্রিজের বাইরে যায়েন না আল্লাহর ওয়াস্তে। এই নিষ্পাপ বান্দার কথাও মনে রাইখেন।

    জবাব দিন
  5. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    জিহাদ, রায়হান আর মুহাম্মদ এই তিনটারে সারাজীবন ধইরা ধন্যবাদ দিতে থাকলেও মনে হয় শেষ হবে না...

    :hatsoff: :hatsoff: :hatsoff: :hatsoff: :hatsoff: :hatsoff:


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  6. ওয়াহিদা নূর আফজা (৮৫-৯১)

    ব্লগের ইতিহাসটা জানা গেল। এই ব্লগটাকে আমার মনে হয় সবসময়ই কোথাও না কোথাও আড্ডা চলছে - যখন ইচ্ছা তখনই সেখানে গিয়ে রিফ্রেস হওয়া যায়। সবাইকে মনে হয় খুব পরিচিত। যেমন আগে থাকতেই জানতাম এখানে সবাই এভাবেই কথা বলবে, হাসবে, কাঁদবে, ঝগড়া করবে আর দুষ্টুমীর কথা না হয় বাদই দিলাম।
    যারা পাওনিয়ার তাদের একটা পদবী দরকার।


    “Happiness is when what you think, what you say, and what you do are in harmony.”
    ― Mahatma Gandhi

    জবাব দিন
  7. সামিউল(২০০৪-১০)

    ইতিহাস টা জেনে খুব ভাল লাগতেসে।

    মুহম্মদ ভাইয়া, আবীর ভাইয়া, জিহাদ ভাইয়া, সামিয়া'পু সহ সবাইকে ধন্যবাদ। আপনারা উদ্যোগ না নিলে হয়তো আমরা এই প্লাটফর্ম টা পেতাম না।


    ... কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে!

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।