টুশকি ৯

টুশকি [১] [২] [৩] [৪] [৫] [৬] [৭] [৮] [১০]

১. বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, নিচের ছবির এই মুরগীগুলো আমাদের মাঝে পরিচিত “এরশাদের মুরগী” নামে। ধারণা করা হয় অনেকদিন আগে কোন একসময় লাইবেরিয়া ভিজিট করতে এসে লেজেহোমো এরশাদ এই দেশের প্রেসিডেন্টকে যেই মুরগীগুলো উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন এরা তারই বংশধর।

২. কলেজে “চেইন স্মোকিং” বলে একটা ব্যাপার ছিল। সিগারেটের আকাল পড়লে বাথরুমে গোল হয়ে দাঁড়িয়ে চেইন তৈরী করে একটা সিগারেট সবাই পালাক্রমে টানত।

৩. পাশের রুমে সিনিয়রের সময়ে অসময়ে ট্যা টুং করে বেজে ওঠা গিটারের যন্ত্রণায় ত্যাক্ত বিরক্ত আমার দু্ই বন্ধু সুযোগ খুঁজছিল এক হাত নেয়ার। কোন একদিন মাগরিবের নামাজের সময় সবাই মসজিদে গেলে সেই সুযোগ আসল। ওরা দুইজন পালাক্রমে সেই গিটার টুং টাং শব্দে বাজিয়ে আসল। তবে আঙ্গুল দিয়ে নয়…..জিপার খুলে বিশেষ অঙ্গ দিয়ে।

৪. ক্লাস এইটে আমাদের একজনকে “ম্যাকবেথ” পড়তে দেখে মুজিবুর রহমান স্যারের (ইংরেজি) মন্তব্য, “কাঁচা বাঁশে ঘুন ধরেছে”।

৫. নাইট ডিউটি মাস্টার রাত্রে সাধারণত লুঙ্গি পড়েই ঘুম দেন। ডিউটি শেষ করে সকালে আবার প্যান্ট লাগিয়ে বাসার দিকে রওয়ানা দেন। কেউ সেটা খেয়ালও করে না। কিন্তু একদিন কাউকে কাউকে গভীর মনোযোগে সেটা লক্ষ্য করতে দেখা গেল। সবার নজর স্যারের প্যান্টের দিকে। কারণ এদেরই কেউ একজন রাত্রে ডিউটি মাস্টারের রুম থেকে স্যারের আন্ডারওয়্যার হাপিস করে দিয়েছে!!

৬. “যাহ্, ষিঁড়ে গেল”! পড়ে যাওয়া চক তুলতে যেয়ে প্যান্টের সেলাই পিছন থেকে ফেড়ে গেলে যেন কিছুই হয়নি এমন একটা ভাব চোখে মুখে ফুটিয়ে আবু সাঈদ বিশ্বাস স্যারের (বায়োলজি) সাবলীল স্মার্ট কমেন্ট।

৭. কোন একটা সংঘটিত অপরাধের বিপরীতে আইনী নিয়ম কানুন অ্যাপ্লাই করার জন্য স্টেপ বাই স্টেপ আগালে সহজে সমাধান বের হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জনৈক শিক্ষক ক্লাসে সেটাই বোঝানোর চেষ্টা করছেন,”…..প্রথমে ধরে একটু নাড়াচাড়া করবা – দেখবা কিছু একটা দাঁড়ায়ে গেছে। তারপর আরও একটু নাড়াচাড়া করবা – দেখবা কিছু একটা বের হয়ে আসছে……”।

২৭ টি মন্তব্য : “টুশকি ৯”

  1. ১.
    “এরশাদের মুরগী” বলতে আমি এতোদিন খালি বিদিশা, জিনাত, শাকিলা জাফর, রাশা ইসলাম এদেরকে চিনতাম। এখন দেখি চাচায় লাইবেরিয়াতেও অনেক মুরগী উপহার হিসেবে দিয়ে গেছেন। সায়েদ ভাই, যত্ন কইরা রাইখেন। 😉 😉
    ২.
    কোনটা থুইয়া কোনটার কথা কমু। সব গুলি গুল্লি হইছে :gulli2: :goragori: তবে ৭ নাম্বারটা উড়াধুড়া।

    জবাব দিন
  2. নাজমুল (০২-০৮)

    ২.

    কলেজে “চেইন স্মোকিং” বলে একটা ব্যাপার ছিল। সিগারেটের আকাল পড়লে বাথরুমে গোল হয়ে দাঁড়িয়ে চেইন তৈরী করে একটা সিগারেট সবাই পালাক্রমে টানত। 😕

    কিন্তু আমাদের তো অনেক বিড়ি থাকলেও আমরা ৩/৪ জন এক্তা খাইতাম :-/

    ”…..প্রথমে ধরে একটু নাড়াচাড়া করবা - দেখবা কিছু একটা দাঁড়ায়ে গেছে। তারপর আরও একটু নাড়াচাড়া করবা - দেখবা কিছু একটা বের হয়ে আসছে……”।

    চরম চরম :khekz: =))

    জবাব দিন
  3. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

    =)) =))
    লেজেহোমোসাব এত কিছু থাকে মুরগি লয়া গেছিলো ক্যানরে =)) =))
    সায়েদ মামা, এরম কাহিনি এত্ত মজা কইরা লেখস ক্যামনে তোরা :salute: তোরটাতো চলতাছেই, এখন তাইফুর মামাও যোগ দিছে, সামনে রাজত্ব কাগো হইবো এখনি টের পাইতাছে জনগণ :grr: :grr: :gulli2: :gulli2:


    সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

    জবাব দিন
  4. আজীজ হাসান মুন্না (৯১-৯৭)

    “যাহ্, ষিঁড়ে গেল”! পড়ে যাওয়া চক তুলতে যেয়ে প্যান্টের সেলাই পিছন থেকে ফেড়ে গেলে যেন কিছুই হয়নি এমন একটা ভাব চোখে মুখে ফুটিয়ে আবু সাঈদ বিশ্বাস স্যারের (বায়োলজি) সাবলীল স্মার্ট কমেন্ট।

    আবু সাঈদ বিশ্বাস স্যার এর এই কাহানি আমাদের সময়েও ঝিনাইদহে বেশ কএকবার ঘটেছে ... তবে স্যার কিছুটা সাইকো টাইপ ছিলেন একবার পিটানো শুরু করলে থামাথামির কোন নাম ছিলো না......... উনার উচ্চারণে অক্ষর প্রীতি নিয়া আমাদের সময়ে প্রচুর জোকস্ প্রচলিত ছিল |ফাইনাল স্পোর্টস এর পর প্রতিটা camp fire নাইট-এ প্রথম জোকস্ টা থাকতো স্যার এবং তাহার বিবির মাঝে উচ্চারণে কাল্পনিক কথপকথন ! :))

    জবাব দিন
    • সায়েদ (১৯৯২-১৯৯৮)
      ফাইনাল স্পোর্টস এর পর প্রতিটা camp fire নাইট-এ প্রথম জোকস্ টা থাকতো স্যার এবং তাহার বিবির মাঝে স উচ্চারণে কাল্পনিক কথপকথন !

      এইটা নিশ্চয়ই একটা চরম ব্যাপার হইত :khekz: !!
      ভিজুয়ালাইজ করার চেষ্টা করতেছি :dreamy: ।
      লেইখ্যা ফালান না আজীজ ভাই..... 😀 😀 ।
      একটু মজাক পাই।


      Life is Mad.

      জবাব দিন
  5. আজীজ হাসান মুন্না (৯১-৯৭)

    সায়েদ , ভাই আমার যদি কুন দিন তুমার সাথে দেখা হয় তাহলে আমি অভিনয় কইরা তুমারে দেখামু =)) =)) =)) =)) তা না হইলে পুরা ফ্লেভার টা আসবে না 😀
    আর আমাদের camp fire নাইট গুলান ত ছিল শকল অপ্রিয় স্যার আর তাহাদের বিবিদের মধ্যকার কাল্পনিক কথপকথনে রসাল ভরপুর 😀

    জবাব দিন
  6. রায়হান আবীর (৯৯-০৫)
    ২. কলেজে “চেইন স্মোকিং” বলে একটা ব্যাপার ছিল। সিগারেটের আকাল পড়লে বাথরুমে গোল হয়ে দাঁড়িয়ে চেইন তৈরী করে একটা সিগারেট সবাই পালাক্রমে টানত।
    “যাহ্, ষিঁড়ে গেল”!

    :)) :))

    এতো কিছু মাথায় স্টোর থাকে কিভাবে বস???

    জবাব দিন
  7. আব্দুল্লাহ্‌ আল ইমরান (৯৩-৯৯)

    .প্রথমে ধরে একটু নাড়াচাড়া করবা - দেখবা কিছু একটা দাঁড়ায়ে গেছে। তারপর আরও একটু নাড়াচাড়া করবা - দেখবা কিছু একটা বের হয়ে আসছে……”।

    জ়োশ

    জবাব দিন

মওন্তব্য করুন : আজীজ হাসান মুন্না (৯১-৯৭)

জবাব দিতে না চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।