৭ই ডিসেম্বর ২০০৯ – একটি ব্যক্তিগত রোমান্স

৭ই ডিসেম্বর ২০০৯ – একটি ব্যক্তিগত রোমান্স

প্রারম্ভিকাঃ মহানায়ক উত্তম কুমারের সর্বশেষ ছায়াছবি ‘ওগো বধু সুন্দরী’-র কথা হয়ত এখনো অনেকেই মনে রেখেছেন। ছবিটি ছিল কমেডি ধাঁচের। খুব সম্ভবতঃ ‘মাই ফেয়ার লেডি’ মুভিটির অনুকরনে। সেখানে মহানায়কের স্ত্রী-চরিত্রের অভিনেত্রী (খুব সম্ভবতঃ) সাবিত্রী-র প্রতি খোঁচা মেরে উত্তমের একটি উক্তি আজ খুব বেশী মনে পড়ছে। ছবিটা অনেক বছর আগে দেখেছি। আবছা স্মৃতি হাতড়ে যা পেলাম তাতে মনে হয় উক্তিটা অনেকটা এরকম, “ওল্ড ওয়াইফ এন্ড ওল্ড ওয়াইন, দুটোই সমান ভ্যালুয়েবল”।

নিজের কথাঃ আমাদের, মানে আমার এবং আমার একমাত্র অর্ধাঙ্গীনির দাম্পত্য জীবনের প্রায় তিন বছর হতে চলল। এরই মাঝে মহানায়কের সেই উক্তি ধীরে-ধীরে বেশ ভালই উপলব্ধি করছি। অনেক ভেবে দেখলাম প্রতি মুহূর্তেই বউয়ের উপরে আমার নির্ভশীল হওয়াটা বেড়েই চলেছে। ডাক্তারের দেয়া পথ্য যেন কেবলমাত্র বউয়ের স্মরণ করিয়ে দেয়া স্বাপেক্ষেই সেবনীয; এই হল এ’অধমের আজকের অবস্থা। কিছুতেই হিসেব মেলাতে পারছি না এত অল্প সময়েই কিভাবে ‘সেই আমি’ ‘এই আমি’-তে পরিনত হলাম। নাহ্! আসলে খুব বেশী অল্প সময়ও কিন্তু নয়; তিন-তিনটা বছর; সুখে-দুঃখে, মায়া-মমতায়, ঝগড়াঝাটি আর খুঁনসুটিতে কিভাবে যে সময় কেটে গেল টেরই পেলাম না।

৭ই ডিসেম্বর ২০০৯, আজ আমার স্ত্রী মনিরা আখতার-এর অর্থাৎ আমার মনি-র জন্মদিন। প্রসঙ্গতঃ বলছি, মনি-র ছাত্রত্ব এখনো চলছে … সে এখন বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকিউলার বায়োলোজিতে চতুর্থ বর্ষে আছে। যেহেতু আমার বিষয় ইংরেজি, কাজেই পড়াশোনার ব্যপারে উৎসাহ দেয়া ছাড়া সত্যিকার অর্থেই আমি তার কোন কাজেই আসতে পারছি না। আর এজন্য পরীক্ষার সময়গুলোতে হলে থেকে বান্ধবীদের সাথে পড়াশোনা করা ছাড়া তার আর কোন উপায় থাকে না। আগামীকাল তার একটা পরীক্ষা আছে। আর সেজন্য গতকাল থেকেই সে হলে। কিন্তু সবচেয়ে আজব ঘটনা হল আমি ভুলেই গিয়েছিলাম যে আজ তার জন্মদিন। সত্যি কথা বলতে কি, আমি আসলে কখনই কারো বিশেষ কোন দিন মনে রাখতে পারি না; তা সে যত আপন জনেরই হোক না কেন।

গতকালের দিনটা আমার ভীষন ব্যস্ততায় কেটেছে। টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া আমার ফুপাত ভাই ধরেছে তাকে নিয়ে কম্পিউটার কিনতে যেতে হবে। বিকেলে তাকে ইউনিভার্সিটিতে চলে আসতে বললাম। ক্লাশ শেষে তাকে নিয়ে গেলাম এলিফ্যান্ট রোড। তার কাজ সেরে সন্ধ্যার পরে গেলাম আমার আরেক পুরোনো বিদ্যাপীঠ আলিয়াঁস ফ্রঁসেজে। উদ্দেশ্য স্রেফ আড্ডা দেয়া। বউ যেহেতু বাসায় নেই, কাজেই ব্যাচেলার হবার চেষ্টা করা আর কি। সেখানে গিয়ে পেয়ে গেলাম আমার ফরাসি ভাষার পুরোনো সহপাঠী, আমার চেয়েও কয়েক বছরের ছোট আমার এক মামা-কে, যে সেখানকারই কালচারাল সেকশনের প্রোগ্রাম অফিসার। আসলে সে আমার বন্ধুই বেশী, মামা কম। সেও অল্পদিন হল বিয়ে করেছে। আর তার চেয়েও মজার বিষয় হল তার বউ (অর্থাৎ আমার মামী) ঢাকার বাইরে বাবার বাড়িতে। দুই বিবাহিত ব্যাচেলর এক হলে যা হয়, চলল ধুমসে আড্ডা। রাতে মামা-ভাগ্নে দু’বন্ধুতে ঢাকার রাস্তায় আর ধানমন্ডিতে লেকের পাড় ধরে হাটলাম অনেকক্ষণ। হঠাৎ প্লান করা হল লালমাটিয়াতে গিয়ে স্বাদ-রেস্তোঁরায় খিচুরী খাব। হাটতে হাটতে গেলাম সেখানে, কিন্তু বিধি বাম, খিচুরী শেষ। বেরিয়ে পরলাম সেখান থেকে। প্লান-বি, ধানমন্ডি সাতাশ নম্বর রোডের মাথায় এক দোকানে পিঠা পাওয়া যায়; সেখানে গিয়ে ভাপা পিঠা দিয়ে ডিনার করা হবে। Misfortune never comes alone; ভাপা পিঠাও শেষ। পুনরায় হন্টন। হাটতে-হাটতে যার-যার বাসায় ফেরা হল।

বাসায় ফিরেই রেগুলার ডিউটি হিসেবে বউকে মুঠোফোনে খবর দিলাম যে আমি বাসায় ফিরেছি। তারপরে ফ্রেশ হলাম। খেয়ে নিলাম। মেইল চেক করলাম। ফেসবুকের খবর নিলাম। তারপর নিয়ম-মাফিক খানিকটা সময় ক্যাডেট-কলেজ-ব্লগে কাটালাম। এদিকে রাতের ঘন্টা-দেড়েক হাটার ফলে বেশ আয়েশ করে ঘুমের নেমন্তন্ন টের পেলাম। টিভি-টা অন করে রিমোট হাতে নিয়ে বিছানায় গেলাম। কিছুক্ষণ উদ্দেশ্যবিহীনভাবে বিভিন্ন চ্যানেলে ঘুরে বেড়ালাম। খুব ক্লান্ত; টিভিটা অফ করে দিলাম।

হঠাৎ রাত বারোটায় (অর্থাৎ আজকের প্রথম প্রহরে) বউয়ের ফোন; তন্দ্রাচ্ছন্নভাবেই কথা চালালাম কিছুক্ষণ। সে ইনিয়ে-বিনিয়ে কথা বলেই যাচ্ছে। আমি কিছুতেই বুঝছি না সে কি বলতে (অথবা শুনতে) চায়। আমি শেষে বলেই ফেললাম, “আমার খুব ঘুম পাচ্ছে, আমি ঘুমাব”। সেও কিছু না বলে ফোন রেখে দিল।

মোবাইলে এলার্ম দিয়ে রেখেছিলাম। ৭টায় ঘুম ভাঙল। একটু দেরীতে হলেও ফজরের নামাজ পড়ে কিছু টুকিটাকি কাজ সেরে বউয়ের সাথে ফোনে কথা বলে ট্র্যাক-স্যুট আর কেডস পরে বাসা থেকে বেরুলাম। জগিং করতে হবে। ইদানিং করতে হচ্ছে। বয়সের সাথে শরীরে মেদ জমছে। সেই সাথে ব্লাড-প্রেসারও সুযোগ পেলেই উর্ধমূখী হবার চেষ্টায় তক্কে-তক্কে রয়েছে। জগিং-এর মাঝে সারাদিনের প্লান করার চেষ্টা করছি; আজ কোন-কোন ক্লাশ নেব; কি-কি পড়াব; আজ কি বার; আজ যেন কত তারিখ; সর্বনাশ! আজ ৭ই ডিসেম্বর; মনির জন্মদিন। রাত ১২টার পর থেকে কয়েকবার কথা বলেছি, কিন্তু বরাবরের মত উইশ করতে ভুলে গেছি। আজ আমার খবর আছে। মনি-র অভিমান ভরা মায়া-মাখা মুখটা চোখের সামনে ভেসে উঠল।

আমি সচরাচর জগিং বা ওয়াক-এ বেরুলে মুঠোফোন সাথে রাখি না। এবারে জগিং বাদ। এক দৌড়ে সোজা বাসায়। কিন্তু এখন কিভাবে ফোন করি? আর ফোন করে বলবই বা কি? ফোন করার সাহস পেলাম না। অনেক ভেবে চিন্তে একটা মেসেজ টাইপ করলাম, “Happy Birthday Sweet Heart. 12 AM.” দুরু-দুরু বুকে সেন্ড বাটন-এ চাপ দিলাম। অসহায়ভাবে তাকিয়ে-তাকিয়ে ডেলিভারি রিপোর্ট-টাও দেখলাম। কিন্তু এখন কি করি? মনি-তো কল ব্যাক করছে না। বেশ খানিক্ষণ পরে আমিই ফোন করলাম, “হাপী বার্থডে”; গলার স্বর যতটা সম্ভব সাভাবিক রাখার চেষ্টা করলাম। মনি-র প্রথম কথা, “তোমাকে কে মনে করিয়ে দিল?” কন্ঠে তার স্পষ্ট অভিমান, “আমি ঠিক করে রেখেছিলাম তুমি নিজ থেকে উইশ না করলে আমি কিছুতেই তোমাকে মনে করিয়ে দিতাম না, দেখাতাম তুমি কি কর।” আমি আমতা-আমতা করতে গিয়েও নিজেকে সামলে নিয়ে স্মার্ট হবার চেষ্টা চালালাম, “কেন রাত ১২টায় তুমি আমার মেসেজ পাওনি?” মনি নির্লিপ্ত, “না।” “তুমি মেসেজ ইনবক্সটা চেক কর, আমি আবার ফোন করছি” বলেই আমি লাইন কেটে দিয়ে পরবর্তী ডায়লগের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি আর ভাবার সময় পেলাম না; দেখি সে কল ব্যাক করেছে। আমার সেই প্রিয় মিষ্টি হাসিটা দিয়ে বলল, “খুব চালাকি না? সকাল ৮টা ৩৬ মিনিটে তুমি লিখেছো 12AM”। আমিও হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম; যাক, এবছরেও পার পেয়ে গেলাম। আমার প্রিয় মিষ্টি হাসিটা দিয়েছে; তারমানে সব ঠিক-ঠাক।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়।

আজ একটু দেরীতেই ক্যাম্পাসে গেলাম। আমার প্রথম ক্লাশটা ১২টায়। আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ফাইনাল সেমিস্টারের সাথে। আস্তে ধীরেই বেরুলাম। পৌঁছালাম ১০টা ৫৫-তে। আমি বদ্ধসংকল্প; আজ ইউনিভার্সিটিতে পৌঁছেই মনি-কে খবর দেব। অন্যদিনের মত আজকেও পৌঁছানোর খবর দিতে ভুলে গেলে চলবে না।

ক্যাম্পাসে ঢুকেই আমার এক কলিগের সাথে দেখা যিনি মাত্র দু’দিন আগে প্রথম সন্তানের জনক হয়েছেন। তার সাথে কুশল বিনিময় হল; ভাবী-বাচ্চার খোঁজ-খবর নিলাম। এরপরে আমার অফিস রুমে ঢুকলাম; গতকালের খালি পানির বোতলটা হাতে নিয়ে একজন পিয়ন-কে পাঠালাম খাবার পানি ভরিয়ে আনতে। আরেক কলিগের রুমে গেলাম; একসাথে চা খেতে-খেতে কিছু একাডেমিক আলাপ সারলাম। এবারে গেলাম আমার হেড অব দা ডিপার্টমেন্টের রুমে। সেখানে কিছু অফিসিয়াল এবং সৌজন্যমূলক কথাবার্তা সেরে আমার রুমে ফিরলাম। রেডি হতে হবে ক্লাশের জন্য। ১১টা ৫৫ বাজে, হায়-হায়! মাথায় বজ্রপাত! এতক্ষণেও বউকে খবর দেয়া হয় নি যে আমি পৌঁছেছি। ফোন করলাম। মনি-র ব্যাস্ত কন্ঠ, “ও, তুমি পৌঁছে গেছো; আমি তো পড়াশোনার মাঝে ভুলেই গেছি যে তুমি এখনো পৌঁছানোর খবর দাও নি; কখন পৌঁছালে?” আমি বললাম, “আল্লাহ বাঁচিয়েছেন যে তুমি ভুলে গিয়েছিলে; আমি পৌঁছেছি ১০টা ৫৫-তেই।” অপর প্রান্ত থেকে সেই মন জুড়ানো মিষ্টি হাসিটা শুনতে পেলাম।

সমাপিকাঃ আজকের আমার প্রথম ক্লাশের কোর্স-টা ছিল Modes of Literature; আলোচনার বিষয় ছিল জর্জ বার্নাড শ-এর Candida। এই নাটকের বিভিন্ন চরিত্র নিয়ে আলোচনা চলছিল। হঠাৎ একজনের প্রশ্ন, “Sir, how is Mr. Morel as a husband?” আমি মনের অজান্তেই ফিক করে হেসে ফেললাম। কারন এই নাটকে নায়িকা Candida-এর হাসব্যান্ড Mr. Morel, যে কিনা শতভাগ তার স্ত্রীর উপরে নির্ভরশীল এবং স্ত্রী-কে সে ভালও বাসে যথেষ্ট, যে কারনেই হোক স্ত্রীর খোঁজ-খবর নেবার কথা তার মনে থাকে না, কিংবা বলা যায় এটা তার অভ্যাসের মধ্যে নেই। আমি জাবাবে আমার ছাত্র-ছাত্রীদের বলে ফেললাম, “Mr. Morel যদি একজন খারাপ মানুষ হয়, তাহলে আমার আবস্থান পৃথিবীতে নিকৃষ্ট মানুষদের তালিকায়।”

১৩০ টি মন্তব্য : “৭ই ডিসেম্বর ২০০৯ – একটি ব্যক্তিগত রোমান্স”

  1. কামরুল হাসান (৯৪-০০)

    ভাবিকে শুভ জন্মদিন।
    আপনারা দুজন সুখে থাকুন, ভালো থাকুন।

    ভাবি কি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বায়োকেমিস্ট্রি ? তাইলে কিন্তু আমি উনার ডিপার্টমেন্টের বড় ভাই। 😛


    ---------------------------------------------------------------------------
    বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
    ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

    জবাব দিন
  2. মাহবুবা সোনিয়া (৯৭-০৩)
    আমার একমাত্র অর্ধাঙ্গীনির দাম্পত্য জীবনের প্রায় তিন বছর হতে চলল।

    😮
    একজনই সামলাতে পারছেননা ভাই......একের বেশি হলেতো আপনার খবর আছে..... ;))

    ভাবিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা....... :party: :party: :party:

    জবাব দিন
  3. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)

    ভাবীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা 🙂

    তিন প্রহরের বিল দেখানোর ব্যাপারটা আপনার উপর ই ছেড়ে দিলাম... 😀
    আর হ্যাঁ, ফয়েজ ভাই এর কমেন্ট ভাবিরে পড়তে দেবেন না...
    হার্ট এটাক হতে পারে... :-B


    ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

    জবাব দিন
  4. মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

    আমি আসলে কখনই কারো বিশেষ কোন দিন মনে রাখতে পারি না … তা সে যত আপন জনেরই হোক না কেন।
    বস এইটা যে কি সাঙ্ঘাতিক বিপদের কথা তা আমার আব্বা এবং আমি সমান তালে জানি,আব্বা একবার তাঁদের ম্যারেজ ডে ভুইলা যাওয়ায় বাসায় কেয়ামত নাজিল হইছিল,আর আমি একজনের জন্মদিন ভুইলা গেছিলাম... :no: :no:

    লেখাটা সেইরকম সুইট হইছে।ভাবীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।ও হ্যাঁ-পিকনিকের সিসিবি কেকটা তাইলে আহমেদ ভাই-ই স্পন্সর করতেছেন :goragori:

    জবাব দিন
  5. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    শুভ জন্মদিন ভাবি... রাত ১২ টা ৭ ডিসেম্বর 😀

    আহমেদ ভাই, লেখা দূর্দান্ত হইছে :hatsoff:


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  6. দিহান আহসান

    আমাদের এখনো ৭ তারিখ আছে, 🙂
    শুভ জন্মদিন ভাবী :party:
    দেশে আইসা আপনার হাতের খাওয়ার পাওনা রইলো।
    বেষ্ট গিফট ভাবী'র জন্য, প্রিন্ট করে ভাবীকে অবশ্য'ই দিবেন আপনার এই লিখাটা।

    আমি আসলে কখনই কারো বিশেষ কোন দিন মনে রাখতে পারি না … তা সে যত আপন জনেরই হোক না কেন।

    ভাইয়া মঈনেরও কোন তারিখ'ই মনে থাকেনা, কিন্তু কিভাবে কিভাবে জানি ১৯শে জুলাই রাত ১২টায় সারপ্রাইজ কেক আর গিফট নিয়ে ছেলেদের সাথে করে আমাকে উইশ করে। 🙂

    জবাব দিন
  7. রকিব (০১-০৭)

    শুভ জন্মদিন ভাবীঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈঈ।
    এইবার কেক খাওয়ান। আর ভাইয়ার কাছে উপহার পাঠিয়ে দিয়েছি, বুঝে নিয়েন। :grr:


    আমি তবু বলি:
    এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

    জবাব দিন
  8. মইনুল (১৯৯২-১৯৯৮)

    জটিল লেখা হইসে আহমদ ভাই ...... :boss: :boss: :boss:
    শুভ জন্মদিন ভাবী ...... :party: :party: :party: :party:

    এই বছর আমার বউকে বিয়ে বার্ষিকীর উইশ করতে গিয়া দেখি, সে ভুইলা বসে আছে। আমি চান্সে নেক্সট দশ বছরের টীজ একসাথে করে ফেলসি ... 😀 😀 😀
    আগামি বছরে যদি আমি ডেট ভুলি তাইলে আল্লাহ জানে কি কেয়ামত নাজিল হয়। :no: :no: :no:

    জবাব দিন
  9. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

    আমার অফিসের কম্পিউটারে এখনো ৭ তারিখ আছে, 😛
    শুভ জন্মদিন ভাবী :party:
    পরীক্ষা শেষে হল থেকে আসলে আপনার হাতের খাওয়ার পাওনা রইলো।
    বেষ্ট গিফট ভাবী’র জন্য, প্রিন্ট করে ভাবীকে অবশ্য’ই দিবেন আপনার এই লিখাটা। 😀

    আমি আসলে কখনই কারো বিশেষ কোন দিন মনে রাখতে পারি না … তা সে যত আপন জনেরই হোক না কেন।

    আমিতো অফিসে আসার আগে আবার অফিসে গিয়ে আবার অফিস থেকে বাসায় গিয়ে আবার পরের দিন অফিসে যাবার আগে কোনসময়ই বউরে জানাইতে ভুলিনা B-) :shy:


    সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

    জবাব দিন
  10. টুম্পা (অতিথি)

    ভাবীকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা :guitar:
    আমরা দুজনেই ১ম বিবাহ বার্ষিকী ভুলে বসে ছিলাম!! আমাদের বিচ্ছু ফ্রেন্ডগুলা মনে করায়ে দিসে...সেইসাথে অবশ্য বোনাস হিসাবে একটা বড়সড় ছিল ও খাইতে হইসে... 😐

    জবাব দিন
  11. ফয়েজ (৮৭-৯৩)

    আহমেদ তুমি এত রোমান্টিক হইছো কবে থেকে? আজিব, দুনিয়াতে কত কিছু বদলায় 🙂

    যাউজ্ঞা, মনি কে হেপ্পি বাড্ডে (আমি আবার জুনিয়রদের ভাবী ডাকি না B-) -কপিরাইট প্রিসু স্যার)


    পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

    জবাব দিন
    • আহমদ (৮৮-৯৪)

      ফয়েজ ভাই ... থ্যাঙ্কু ভাই ... তয় ভাই ভাল কইলেন নাকি বাশ দিলেন বুঝতেসি না তো ...
      অঃটঃ আপনার সাথে যোগাযোগ করতে মনচায় ... কত্তদিন আপ্নেরে দেখিনা ভাইজান ... আমার ঠিকিনা হইলো ... pialbd@yahoo.com


      চ্যারিটি বিগিনস এট হোম

      জবাব দিন
  12. :no: মাঝে মাঝে ব্যাপারটা উল্টাও হতে পারে 🙁

    সামিয়া আপু,ঠিক বলেছেন,সব ই মনে থাকে এতা ঠিক,কিন্তু ভুলেও যদি কিছু ভুলে যাই,তাহলে সর্বনাশ!
    অঃটঃআপু আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন?? ঐ যে একদিন শর্মা হউসে এ দেখা হল!

    জবাব দিন
  13. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    শুভ জন্মদিন মনি। দেরিতে হলেও জানাতে ভুললাম না। আহমদ জায়গামতো পৌঁছাইয়া দিও। আর আমার নাম করে রকিবের দোকান থেকে কেক-পেপসি খেয়ে নিও।

    অফটপিক : আহমদ তোমার বউ তো আমার শ্যালিকা। আমার বউ আবার জাহাঙ্গীরনগরের কিনা! ;)) ;)) ;))


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন
  14. কামরুলতপু (৯৬-০২)

    ভাইয়া আরো বুদ্ধি করে ঐদিন রাতের ১১টা ৫৫ তে উইশ করে বলতেন একটা সারপ্রাইজ দিলাম , তুমি ভাববা আমি ভুলে গেছি আসলে আমি ভুলি নাই তোমার অভিমান বেশি কিউট।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।