অটোয়ার জার্নাল – দুই

নেসলে টেস্টারস চয়েস
আগে বেশি কফি খাওয়া হতো না। এখন কেন জানি একটু বেশিই খাওয়া হয়। বাসায় থাকলে বাংলা স্টাইলের কফিই সই। মানে হলো আচ্ছা মতো কফিমেট আর চিনি দিয়ে। এরমাঝে একদিন ইউনিভার্সিটিতে লম্বা সময় থাকবো ঠিক করে আগের রাতে ঘটা করে পরের দিনের জন্য খাবারটাবার সব গুছিয়ে একেবারে গুডবয় স্টাইলে রাতে ঘুমালাম। সকালে সময়মতো উঠলাম। হালকা একটা নাস্তা সারলাম। তারপর ইলেকট্রিক কেটলিতে পানি গরম বসিয়ে বৈয়াম খুলে কফিমেট আর চিনি দিয়ে কাপ রেডি করে রাখলাম। এরপর গরম পানি আর কফি মিশিয়ে কাপে চামচ দিয়ে কিছুক্ষণ টুংটাং আওয়াজ করে ল্যাপির সামনে বসলাম। কাপের গায়ে কিছু চিনির দানা লেগেছিল। টিস্যুপেপার দিয়ে সেগুলো সরালাম। এরপর ধূমায়িত কাপে চুমুক!

তখন সকাল সাড়ে আটটা হবে। বাইরে বেরোবার কাপড় পরে একদম রেডি। কফিটা শেষ করলাম। একটু পর ঢুলু ঢুলু একটা ভাব আসলো। খানিক পর মনে হলো সুপারগ্লু দিয়ে কেউ চোখের পাতা দুটো আটকে দিয়েছে। অতঃপর বিছানায় ধপাস। একবারে সোয়া বারোটায় উঠলাম। দিনের অর্ধেক শেষ। নিজের উপর মেজাজটা চরম খিচায় গেলো। এরকম ঘটনা আগেও দুদিন হয়েছে। রাতে হয়েছে দেখে ব্যাপারটা তখন ধরে উঠতে পারিনি। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তাৎক্ষনিকভাবে এক সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি ঠিক করা হলো। কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হলো। তার দুইদিন পর নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটির কারণ অনুসন্ধানে বের হলো যে সমস্যা আসলে কফিতে। গ্রোসারি দোকানের তাকে নেসলের টেস্টারস চয়েস কফিতে SALE লেখা ছিল বলে আর কিছু খেয়াল না করে কার্টে উঠিয়ে নিয়েছিলাম। খেয়াল করা হয়নি যে সেটা ছিল ডিক্যাফ কফি। কোথায় ক্যাফিনের জন্য কফি খাই, আর সেইখানে ডিক্যাফিনেটেড কফি কিনে নিয়ে এলাম। সস্তার নানান অবস্থা! যাইহোক, ভাবছিলাম ঘুম না আসলে ওইটা খেতে হবে। কিন্তু ডিক্যাফের সাইড ইফেক্টের যে ফিরিস্তি দেখলাম তারচেয়ে ষোলআনা ক্যাফিন খেয়ে মরা অনেক ভালো।

শিক্ষা – ১: গ্রোসারির দোকানে সেলের জিনিসপত্র ঠিকমতো না দেখে শুধু সস্তা মনে করে মূর্খের মতো ঝাঁপিয়ে পড়লে সমূহ বিপদ হতে পারে।

বন্ধুর বাড়ি একদিন
একটা রবিবার কাটলো অন্যরকমভাবে। আমার একটা টার্কিশ বন্ধু আছে। তার বাসায় পার্টি ছিল। সুন্দর সুন্দর মানুষ, খানাপিনা আর নাচগানের মধ্যে কাটলো সন্ধ্যা থেকে মাঝ রাত অবধি। তো সেই বন্ধুর লিভিং রুমে দেখি যে হবিগঞ্জের গ্রামের দুইটা ছবি, কক্সবাজারের এক ধোপা পাড়ার একটা ছবি আর বঙ্গোপসাগরে একটা ডাবের খোলা ভাসছে তার ছবি টানানো। ছবিগুলো আহামরি কিছু না, কিন্তু অন্যের চোখ দিয়ে নিজের দেশের জিনিসপত্র দেখলে অন্যরকম লাগে দেখেই হয়তো কম্পোজিশনটা দারুন মনে হলো।

সেইখানে ছোটখাটো একটা টার্কিশ নাচগানের পর্ব ছিল। সেই পর্বে একসময় চারজন মেয়ে আমাদের হাবিব ফিচারিং জুলি ময়না গো গানটার সাথে টার্কিশ কুর্দিদের জিপসি নাচ নেচে দেখালো। তো সেইটা আবার আমাকে ডেডিকেট করা হইছিল। বাঙালি ফ্রি পেলে আলকাতরাও ভাল পায়। আর এটা তো নাচ। আমিও ভাল পাইলাম। খানাপিনার এক পর্যায়ে আমার সেই বন্ধুর স্ত্রী এসে আমাকে বলে, তোমার কেমন লাগছে? বললাম যে, আমি খুব এনজয় করছি। খাবারদাবার খুব ভাল হয়েছে। সে তারপর স্মিত হেসে বলে যে, কোনটা বেশি এনজয় করছো? খাবারদাবার নাকি টার্কিশ সুন্দরীদের সঙ্গ। আমি অনেক চিন্তাভাবনা এবং চুলচেরা বিশ্লেষণ করে বোকার মতো বললাম, আমার মনে হয়, দুইটাই। সে বলে, তারমানে তুমি বোর হচ্ছো না? আত্মবিশ্বাসের সাথে বললাম, প্রশ্নই আসে না!

পুরানো কাসুন্দি
ড. ইউনুসের সাথে বাঙ্গালি জাতির মনে হয় একটা পাকাপাকি লাভ এন্ড হেইট সম্পর্ক। তবে আম্লীগের ভুদাই মার্কা কাজে তার প্রতি দেশে-বিদেশে সহানুভূতির পাল্লা ভারী হচ্ছে। সেদিন দেখলাম পাওলো কোয়েলো বলছেন – Please support Professor Mohammad Yunus. এরপর দেখি শেখর কাপুর (পরিচালক/কবি/প্রাবন্ধিক, কমেডিয়ান শেখর নয়) বলছেন: Learn the truth & join worldwide movement to support Nobel Peace winner, Mohammad Yunus. এখন ট্রুথ কি সেইটা আপেক্ষিক, কিন্তু এজাতীয় লোকজন হচ্ছেন লেখালেখি, সংস্কৃতি পাড়ার মানুষ, তারা হলেন সফট পাওয়ার এজেন্সি। রাষ্ট্র, মিলিটারি, পুলিশ, রাষ্ট্রপ্রধানরা হলো হার্ড পাওয়ার এজেন্সি। তো সফট পাওয়াররা সমর্থন দিলে ড. ইউনুস এবং মাইক্রোক্রেডিট জোরালো ভাবে নৈতিক সমর্থন পায়। তবে, আম্লীগ ইস্যুর রাজনীতির বস – হ্যাটস অফ টু দেম। আম্লীগ যখন হাতে হারিকেন নিয়া দাঁত ক্যালাইয়া সব জুস একাই খাইতে থাকে তখন এর নীতিনির্ধারক, পরামর্শক এবং অতি ভক্ত সমর্থকেরা বাঁশটা অন্যেরে দিতেছে এমন একটা তৃপ্তির ঢেকুর তুলে আম্লীগেরই পশ্চাদবন্দরে চালান করে দেয়। তখন ক্ষমতার ভারসম্যে মোড়ামুড়ি শুরু হয়, কারণ কোমলমতি মধ্যবিত্ত কোনভাবেই বুকা নয়। তারা বুঝায়া দেয় যে তারাও ক্ষমতা সম্পর্কে বিরাজ করে মতামত গঠন এবং ক্ষুদ্র প্রতিক্রিয়াশীলতার মাধ্যমে। একপর্যায়ে, সমর্থন উঠিয়ে নিতে পারে। মধ্যবিত্তের ম্যানডেট তখন আপামর জনতার ম্যানডেট হয়ে যায়।

যেমনটা মিশেল ফুকো বলেছেন, ক্ষমতা কোন একক বর্গ নয়, তাই একে কেন্দ্রীয়ভাবে বোঝার কোন সুযোগ নাই। ক্ষমতাকে বুঝতে হবে বহুমুখী শক্তির সম্পর্কের সাপেক্ষে তা কিভাবে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংগঠন এবং যোজন-বিয়োজন করে কঁচার ডাল কিংবা ধইঞ্চার আঁটি দিয়া বাইড়াইয়া সবগুলিরে সোজা করে সেই বিবেচনায়। প্রসঙ্গত, ক্ষমতা শুধু সুধাসদন আর হাওয়া ভবনে কেন্দ্রীভূত নয়, আমাদের বাসার সালামের মা-বুয়াও ক্ষমতা চর্চা করেন এবং একই সক্ষমতায় উষ্টা দেবার মতো ঊর্ধ্বমুখী শক্তির বহুমুখী সম্পর্কের বলয়ে তিনি বিরাজ করেন। কাজে কাজেই আমরা মাঝে মাঝে হাসিনা, খালেদা বা এরশাদদের ক্ষমতা থেকে খেদিয়ে দেয়া হলে গালে হাতরাখা ব্যথিত বা চিন্তাক্লিষ্ট ছবি দেখতে পাই। আমি আসলে ফুকো কি বলছে জানি না। একটা সুশীল রেসিপি পাইলাম। দুই আঙ্গুলের এক চিমটি ফুকো এবং আধা সের চাপাবাজি মিলাইতে হবে একসের কথার সাথে। ব্যস হয়ে গেল। তাই এই প্যারায় ইক্টু টেরাই দিলাম আরকি। এই রেসিপিটা সবাই টেরাই মাইরা দেখতে পারেন।

ইসরাইলি এ্যাপারথায়িড উইক
আবলা আবদেলহাদি নামে আমার ডিপার্টমেন্টে একটা মেয়ে আছে যার চুলে দুই ফালি বেগুনী রঙ করা। প্রথমদিনে পরিচয়ে আবলা বলেছিলো যে ডিপার্টমেন্টে সে স্টুডেন্ট অব স্পেশাল স্ট্যাটাস। তখন বুঝিনাই ব্যাপারটা কি। পরে বুঝলাম যে কুয়ালিফায়িং ইয়ার করছে। যাইহোক, প্রথম দিনেই আবলা চোখে পড়েছিল ভাল মতো, তবে তার স্পেশাল স্ট্যাটাসের কারণে না, বরং তার চুলের রঙের জন্য। তারপর মাঝে মাঝে বাসে দেখাটেখা হতো। বাসে একদিন কথায় কথায় সে বললো যে সে খুবই জোরালো পলিটিকাল একটিভিস্ট এবং একজন প্যালেস্টাইনি কানাডিয়ান। তারপর দেখলাম ২০০৯ এবং ২০১০ সালে সে মোটামুটি ইউনিভার্সিটি গরম করে ফেলেছে ইসরাইলি এ্যাপারথায়িড উইক নিয়ে। ইসরাইলি এ্যাপারথায়িড উইক হলো ইসরাইল রাষ্ট্রের অন্যায় মানে এ্যাপারথায়িড ব্যবস্থা, এবং প্যালিস্টাইনি জাতির ন্যায্য অধিকারের জন্য পশ্চিমা বিশ্বের মানুষজনকে শিক্ষিত করার একটা সামাজিক-রাজনৈতিক আন্দোলন। যেইটা বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে, সিভিল সোসাইটি গ্রুপে ২০০৫ সাল থেকে পালন হয়ে আসছে। এটা সাধারণত ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে পালন করা হয়। কিছুদিন হয় এবছরের ইসরাইলি আপারথায়িড উইক শেষ হলো। একটা ব্যাপার দেখলাম, এটাতে ইহুদি ছাত্র, শিক্ষক এবং লেখকরাও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে এবং ইসরাইলের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলে।

গতবছর এখানে সামাহ সাবাউয়ি নামে গাজায় জন্মগ্রহণ করা একজন প্যালেস্তায়িনি কানাডিয়ান লেখক বক্তৃতা দিয়েছিলেন। সেটা দেখলাম অনলাইনে আছে। কেউ আগ্রহী হলে এখানে শুনতে পারেন। আমি এখন পর্যন্ত যে’কজন প্যালেস্তাইনি লেখকের বই বা কলাম পড়েছি বা বক্তব্য শুনেছি আমার সবসময়েই মনে হয়েছে তাদের স্পিরিটটা অনন্য সাধারণ। গতবছর অটোয়াতে এডওয়ার্ড সাঈদের মেয়ে নাজলা সাঈদ এসেছিলেন তার নাটক নিয়ে। আমি একটা ফ্রি টিকেটও পেয়েছিলাম। কিন্তু সেই সময় নানারকম গিয়ানজাম প্লাস আলসেমিতে যাইনি। এইটা নিয়ে এখন আফসোস করি। যাইহোক, নাজলা সাঈদের এই প্লে রিডিং/ স্পিচটা না শুনলে পুরাই মিস। [যাদের ইন্টারনেট উচ্চ গতিসম্পন্ন তাদের জন্য সমবেদনা]

গত সপ্তাহে দেখলাম, পিংকফ্লয়েডের রজার ওয়াটারের কলাম – টিয়ার ডাউন দিজ ইসরায়েলি ওয়াল

আজকের টোটকা
জীবন কঠিন, এইটা যতো তাড়াতাড়ি হাসিমুখে মেনে নিতে পারবা, বাঁশুগুলি ততো আরামসে খাবা এবং কোন কিছু আর তেতো লাগবে না।

১,৮৫৬ বার দেখা হয়েছে

২৬ টি মন্তব্য : “অটোয়ার জার্নাল – দুই”

  1. মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)

    আজ সকাল থেকে ফুকোর Discipline and Punish নিয়ে পরে আছি। দে্খি, আগামী সপ্তাহে কিছু লেখা যায় কি না।

    রাষ্ট্র আর এনজিওদের সাম্প্রতিক এই দ্বন্দ্বকে তাত্ত্বিক কাঠামোর আওতায় দেখার একটা চেষ্টা করছি।

    আল্লাহ ভরসা......


    There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

    জবাব দিন
    • রাব্বী (৯২-৯৮)

      হুম! জেলখানা জায়গাটা সাংঘাতিক। আমি অবশ্য যা পড়ছি তা মোটামুটি পল রবিন্যু ভার্সান। হিস্ট্রি অব ম্যাডনেস শুরু করছিলাম শেষ করিনি। তবে সিকিউরিটি, টেরিটোরি এন্ড পপুলেশন না কিজানি একটা লম্বা আর্টিকেল পড়তে হইছিলো।

      তাড়াতাড়ি লেখা দেন, মাহমুদ ভাই।


      আমার বন্ধুয়া বিহনে

      জবাব দিন
  2. রকিব (০১-০৭)

    ডিক্যাফে মাইনষে খায় 😕 !!! অরগানিক কফি ট্রাই করছেন কখনো ভাইয়া? এক মুঠো কফি বিনের সাথে দু মুঠো খাটি অর্গানিক মাটি মিশিয়ে দিলে বোধহয় একই জিনিস পাবেন!!! বড়ই বিটকেলে গন্ধ!!!

    টার্কিশ ললনা নিয়ে আপনার কীর্তিকলাপ সুবিধের ঠেকছে না; আপনে এমনেই লুক ভাল না; এখন দেখতেছি মহা খারাপ !!!

    নাজলা সাঈদের স্পিচ কালকের জন্য তুলে রাখলাম, মিডটার্মের পর শুনবো 🙂

    টোটকাটা খাসা বলেছেন দাদা !!! তারপরো মাঝে মইধ্যে আপনার রঙ্গিন জীবন দেখে মনে হয় লাইফ চুষে (সাক্স!!) :grr:


    আমি তবু বলি:
    এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

    জবাব দিন
  3. ফয়েজ (৮৭-৯৩)

    আওয়ামী লীগের লেজেগোবরে কাজের একটা লিস্ট করতে চাইছিলাম, কিন্তু এই সরকারের জন্য এই কাজটাও মাগনা মাগনা করতে ইচ্ছা করছে না, এমন মেজাজ খারাপ হইছে।

    এমন বেকুব মাইনশে হয়, শালার নেতাও হয়, আর আমরা এইগুলারে ভোট দিয়া সংসদে পাঠাই, ঘেন্না ধইরা গেছে নিজের উপরে


    পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

    জবাব দিন
  4. কানিজ ফাতিমা সুমাইয়া (অতিথি)

    রাব্বী ভাই, প্রথমেই বলে নেই আপনার ব্লগ টি পড়ে প্রোফাইলটা ঘাটতে গিয়ে বর্তমানে কি করছেন সেগমেন্ট এ দেখলাম অমলকান্তি কবিতাটা...আমার খুব পছন্দের একটা কবিতা।
    আপনার মত সেল এর পাকে পড়ে আমাকেও বেশ কয়েকবার ধরা খেতে হয়েছে 😛 , ঘটনাটি পড়ে পুরানো সেই কথাগুলোই মনে পড়ে গেল...।
    লেখাটা খুবই চমৎকার লেগেছে...। :clap:
    আপনার অটোয়ার জার্নাল থেকে আরও কিছু সুন্দর কাহিনীর অপেক্ষায় রইলাম...

    জবাব দিন
  5. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    ফয়েজ, তুমি অটোয়া থেকে ঢাকা আইলা ক্যামনে!! বেশি ক্ষেইপ্পো না! নিজের স্বাস্থ্য খারাপ কইরা লাভ নাই। তারচেয়ে চলো সবাই আওয়ামী লীগের মঙ্গল কামনা করে মিলাদ দেই..........

    রাব্বী, মন্তব্য কম পড়ছে বলে হতাশ হয়ো না। পড়ছি। ভিন্ন স্বাদ, গন্ধের লেখা। উপভোগ করছি।


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন
    • রাব্বী (৯২-৯৮)

      এক সিনিয়র আরেকজনকে পচাইলো নাকি? 😕 আমি ছোট এইসব কিছু দেখিও নাই, শুনিও নাই।

      লাবলু ভাই, আপনি যে নিয়মিত পড়েন এটা আমি জানি। আপনার লেখা/মন্তব্য ভাল লাগে। সিসিবির পাঠক/লেখক সমাজ সম্পর্কে এখন খানিকটা ধারণা হয়ে গিয়েছে। সুতরাং দুঃশ্চিন্তার কোন কারণ নেই। তবে সপ্তাহ ধরে নিজের লেখা প্রথম পাতায় দেখা একটু লজ্জার ব্যাপার। কি খান, কি করেন টাইপ একটা লেখা দেন না যাতে একটু জানার সুযোগ পাই দিনের শেষে প্রিন্সিপ্যাল স্যারও সাধারণ মানুষ। 🙂


      আমার বন্ধুয়া বিহনে

      জবাব দিন
      • ফয়েজ (৮৭-৯৩)

        তুমিও না রাব্বী, এইটা কথা কইলা স্যাররে নিয়া, 🙂

        সানাউল্লাহ ভাই এখন কত্ত ব্যস্ত তুমি জান, রাত নাই দিন নাই খালি টকশো আর টকশো, আর তুমি কও সিসিবিতে লিখতে।

        তোমারে রামপুরার খালে চুবাই রাখা দরকার দুই দিন 😀


        পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

        জবাব দিন
        • রাব্বী (৯২-৯৮)

          এডি কি কন, ফয়েজ ভাই? 😮 দেইখেন একদিন আমরাও বড় হয়ে টকশো হবো। মাইনষের কানের খৈল লাড়ায় দিবো কথায়। আর আপনার চুবানি সই। উইঠা রামপুরা ব্রিজ থেকে আরো দুইটা বা্ঙ্গি ঝাম্প দিয়া সোজা টেলিভিশন সেন্টারে ঢুইকা পড়ুম।ব্যস ক্যারিয়ারের শুরু। :gulti:

          অনটপিক: বাংলা টেলিভিশন চ্যানেলের সাথে সম্পর্ক নাই তা বেশ অনেকদিন হলো। আপনার কথায় বুঝলাম একটা গ্যাপ তৈরি হচ্ছে। লাবলু ভাই যতোই ব্যস্ত থাকুন আশাকরি আমাদের অনুরোধ ঠিকই রাখবেন।


          আমার বন্ধুয়া বিহনে

          জবাব দিন
  6. ওয়াহিদা নূর আফজা (৮৫-৯১)

    ছয়মেয়ের নাচ - তোমারে কেমন জানি মাসুদ রানা, মাসুদ রানা লাগতেসে। তবে হোস্টের প্রশ্নের উত্তরে রান্না্কে প্রাধান্য দিলে পরের দাওয়াতটা তাড়াতাড়ি পেতে।
    লেখা যথারীতি ভা্লো।
    নাজলা সাঈদের প্লে দেখলাম। ধন্যবাদ।


    “Happiness is when what you think, what you say, and what you do are in harmony.”
    ― Mahatma Gandhi

    জবাব দিন
    • রাব্বী (৯২-৯৮)

      শান্তা আপা, ছয় না চার - আর "তোমারে" বলতে নিশ্চয়ই আমার লেখা বুঝাইছেন। তাই না? কম্পিলিমেন্টস হিসাবেই নিলাম। সেজন্য থ্যাংকিউ। বুঝলেন সবই মায়া, কিছুকাল পর ফেলে যাওয়া নিকট অতীতের অপর নাম হবে স্মৃতি।

      আপনার টিপস মনে থাকবে, দাওয়াতে গেলে আর ভুল করবো না।


      আমার বন্ধুয়া বিহনে

      জবাব দিন
      • রকিব (০১-০৭)

        লাভ-ভী ভাই খুশি হবেনই!!
        তাও ভালো শান্তা আপু আপনাকে মাসুদ রানাই বলছেন, শাকিব খান বললে অবশ্য আরো মানানসই হতো। :duel:


        আমি তবু বলি:
        এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

        জবাব দিন
        • রাব্বী (৯২-৯৮)

          একটা ব্যাপার খেয়াল করলি না, এই যে বিদেশের মাটিতে হাবিবের ফিচারিং জুলি আর কুর্দি জিপসি নাচের একটা ফিউশন হলো। তাতে দেশের গানের কত কদর হলো, দেশের সম্মানই তো বাড়লো। তা না, কই থেকে আমাকে নিয়া ত্যানা রোল কর্তেছিস। :grr:

          তবে একটা কথা কি, শাকিব খানের সাথে রকিব খানই যথাপোযুক্ত এবং সবচেয়ে মানানসই। আরেকদিন তোর ময়ূরী নিয়ে কথা হপে। :shy:


          আমার বন্ধুয়া বিহনে

          জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।