আমি চাইনা জামাত-ই-ইসলামীকে নিষিদ্ধ করা হোক

কি?শুনে খুব আশ্চর্য হচ্ছেন তাই না?অলরেডি মনে হয় আমাকে গালাগালি শুরু করে দিয়েছেন তাইনা?আমি জানি অনেকেই আমার সাথে একমত হবেন না।কিন্তু তারপরেও নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে আমার যুক্তিগুলো তুলে ধরছি।
জামাত-ই-ইসলাম এমন কোন অসুখ না যে ঔষধ দিলাম আর রোগটা সেরে গেলো। এটা অনেকটা ক্যানসারের মতন আমাদের সারা শরীরে ছড়িয়ে আছে। এটাকে ধীরে ধীরে এবং রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে হবে।জামাত-ই-ইসলাম ভুঁইফোর কোন দল না যে নিষিদ্ধ করলাম আর সব শেষ হয়ে গেলো। এরা অনেক সংগঠিত এবং তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত। বরং এভাবে ঝোকের মাথায় নিষিদ্ধ করলে এরা আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাবে তখন এদেরকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে। এমনিতেই এখনই সামনাসামনি এদেরকে মোকাবেলা করা কঠিন। কারন এরা অনেক আগ্রাসি। এখন বরং আমরা এদেরকে চিনতে পারছি কিন্তু নিষিদ্ধ সংগঠন হয়ে আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে গেলে প্রশাসনের পক্ষে এদেরকে চিহ্নিত করে দমন করা আরো কঠিন হয়ে যাবে। নতুন আল কায়েদার মতন সংগঠনের সৃস্টি হবে।কারন আমরা জানি যে জামাত-ই-ইসলামের অনেকেরই সাথে তাদের সংশ্লিস্টতা আছে।তাছাড় কম বেশি সারা দেশেই তাদের কিছু ভোট আছে।

মনে রাখতে হবে জামায়াত কিন্তু যুদ্ধাপরাধি হিসেবে নিষিদ্ধ হয়নি। বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক দেশ হিসাবে জনগনই সকল ক্ষমতার উৎস আর জামাত-ই-ইসলামের গঠনতন্ত্রে আছে আল্লাহ্ সকল ক্ষমতার উৎস। ঠিক এই পার্থক্যের জন্য জামাত-ই-ইসলাম নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে। এখন যদি জামায়াত তাদের গঠনতন্ত্র বদলায় তাহলে আর নিষিদ্ধ হবেনা। শুধু তাই না,ধরলাম জামাত-ই-ইসলামকে নিষিদ্ধ ঘোষিত করা হল। এখন যদি এরা অন্য নামে দল গঠন করে তাহলে কি আমাদের কিছু করার আছে? তাদের লোকবল,অফিস সব আছে শুধু নাম আর গঠনতন্ত্র বদলায় ফেল্লো তাহলে লাভটা কি হল?সেইতো নতুন বোতলে পুরাতন মদ।

আমরা বরং এদেরকে যদি রাজনৈতিকভাবে,সামাজিকভাবে মোকাবেলা করি তাহলেই বরং এরা নখদন্তহীন রাজনৈতিক দলে পরিণত হবে যেমন বাংলাদেশে অনেক নাম সর্বস্ব প্যাড সর্বস্ব দল আছে। প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে বিএনপি যদি জামাতি ইসলাম কে জোট থেকে বাদ দেয় এবং কেউ যাতে তাদেরকে রাজনৈতিক শেল্টার না দেয়। আমরা যদি মানুষকে বোঝাতে পারি তাদেরকে ভোট না দেয়ার জন্য। সামাজিক কোন অনুষ্ঠানে তাদেরকে না ডাকা বা অংশগ্রহন করতে না দেয়া।তাদের সমর্থনপুষ্ট কোন প্রতিষ্ঠানকে ব্যাবসা করতে না দেয়া। এভাবে এবং আরো অনেক উপায়ে তাদেরকে যদি রাজনীতি,সমাজ এবং মানুষ থেকে দুরে সরায় রাখতে পারি তাহলে একদিন জামাত-ই-ইসলাম বা শিবিরের কোন অস্তিত্বই থাকবেনা এবং ধীরে ধীরে একদিন এরা নাম সর্বস্ব,প্যাড সর্বস্ব দলে পরিণত হবে। এজন্য আমাদের দল মত নির্বিশেষে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

১,৮৭৯ বার দেখা হয়েছে

১৬ টি মন্তব্য : “আমি চাইনা জামাত-ই-ইসলামীকে নিষিদ্ধ করা হোক”

  1. মোকাব্বির (৯৮-০৪)

    যদিন হাইকোর্টের রায় এলো আমার সকালে ঘুম থেকে উঠে সংবাদ পড়েই প্রথম কথা যেটা মনে হয়েছে নিবন্ধন বাতিল ও নিষিদ্ধ ঘোষিত হবার মধ্যে তফাৎ আছে যেটা অনেকেই আনন্দের আতিশয্যে খেয়াল করছেন না। একটু পরেই জানতে পারলাম মন্ত্রী সাহেব বলছেন এটা জামাতকে নিষিদ্ধ করার পথ সুগম করবে। তখন মাথায় এলো দ্বিতীয় চিন্তা ব্যাপারটা কি আসলেই এত সোজা নাকি আমি বেশি সন্দেহপ্রবণ? আপনার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে একই ভাবে চিন্তা শুধু আমি একাই করছি না। বাতাসে ভেসে বেড়ানো গুজবের মধ্যে ইদানিং যেটা শুনতে পাচ্ছি সেটা হলো সরকার মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মনে করে যেসব প্রার্থীদের গত কয়েকটি বিসিএস পরীক্ষায় নিয়েছে তাদের অনেকেই জ্ঞাত কিংবা অজ্ঞাতসারে বিভিন্ন কর্মকান্ডে, উঠাবসায় ছাত্রজীবন থেকেই জামাতের প্রায় লুকায়িত অঙ্গ-সংগঠন গুলোর সাথে জড়িত। এইসব গুজব আমলে না নিলেও জামাতের এই ধরনের কাজ করার মত অবকাঠামোগত শক্তি আছে।

    তবে নির্বাচনের প্রায় আগ দিয়ে যখন সীট নিয়ে কোরবানীর হাট বসবে, ঠিক সেই মূহুর্তে নিবন্ধন বাতিল করার রাজনৈতিক মারপ্যাঁচকে সাধুবাদ জানাই! 🙂


    \\\তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা
    অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিল পিতামাতার লাশের ওপর।\\\

    জবাব দিন
    • সিরাজ(১৯৯১-১৯৯৭)

      ধন্যবাদ,আসলে সেখানেও ফাক আছে। আজকে যদি ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক অন্য কোন ইসলামী দলের ব্যানারে দাড়ায় তাহলেই বা কি যায় আসে?তার জন্য কাজ করবে তো জামাতি ইসলামি এবং ছাত্র শিবিরের কর্মিরা বা গত মহাজোটের সময় যেটা হয়েছিল যে বাম রাজণীতিকরা নৌকা প্রতিক নিয়ে ইলেকশন করেছিল সেরকম যদি এবার বিএনপির প্রতিকে জামাতের লোকেরা ইলেকশন করে তাহলে কার কি করার আছে।এজন্যই আমি লিখেছিলাম যে বিএনপি যদি জামাত কে সাপোর্ট না দেয়,শেল্টার না দেয় তাহলে কিন্তু ওরা এমনিতেই অনেক দুর্বল হয়ে যাবে।


      যুক্তি,সঠিক তথ্য,কমন সেন্স এবং প্রমাণের উপর বিশ্বাস রাখি

      জবাব দিন
      • মোকাব্বির (৯৮-০৪)

        মনে হয় ঠিকই বলেছেন। অর্ধমৃত বিএনপি কিভাবে ড্যামেজ কন্ট্রোল করে সেটা দেখার বিষয়। বিএনপির মাথায় রাজনৈতিক কূটবু্দ্ধিটাও ঠিক মত নাই অথবা তারা ইতমধ্যেই পরজীবি দ্বারা বড় বেশী আক্রান্ত। আমার মনে হয় এখনো সময় আছে, জামাতের সাথে জোট না করার ঘোষণা দিলে খেলা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসে যাবার কথা।


        \\\তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা
        অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিল পিতামাতার লাশের ওপর।\\\

        জবাব দিন
        • সিরাজ(১৯৯১-১৯৯৭)

          তুমি ঠিক বলেছ, বিএনপির মাথায় রাজনৈতিক কূটবু্দ্ধিটাও ঠিক মত নাই অথবা তারা ইতমধ্যেই পরজীবি দ্বারা বড় বেশী আক্রান্ত। সত্যিকার অথে বিন এন পির সাংগঠনিক অবস্থা খুবই দুর্বল তবে জামাত কে যদি বর্জন করে তাহলে অনেক ভোট তাদের অনুকুলে আসবে এবং জামাতও রাজনৈতিক ভাবে অনেক দুর্বল হবে।


          যুক্তি,সঠিক তথ্য,কমন সেন্স এবং প্রমাণের উপর বিশ্বাস রাখি

          জবাব দিন
  2. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    কিছু বানান ভুল আছে দেখলাম।
    না আন্ডারগ্রাউন্ডে যাবে না, গেলেও সারভাইভ করতে পারবে না।
    একসময় ফারুক রশীদ এরা (রশীদের ব্যাপারে ঠিক মনে করতে পারছি না ) সংসদ সদস্য ছিলো।
    ৯৬ এর ফেব্রুর ইলেকশনেও মনে হয় ফ্রিডম পার্টি ইলেকশন করছিলো।

    এখন কথা হইলো রাজনৈতিক ভাবে মোকাবিলা করা এই বাক্যটাই একটা ধোয়া ধোয়া টাইপ কথা।
    যেখানে দেশ বা দেশের সার্বভৌমত্ব জড়িত সেখানে জামাত নিয়া মোলায়েম কথার সুযোগ নাই।

    বিএনপি জামাতের সাথে না থাকলে অনেক আগেই এটা হয়ে যেতো।
    জামাতের মূল শক্তি বিএনপি।
    যদিও যুক্তরাজ্যে বিএন্পি জামাতের বি টীম।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
    • সিরাজ(১৯৯১-১৯৯৭)

      জামাত-ই-ইসলাম বানানটা ভুল ছিল ঠিক করে দিলাম। আর কোন বানান ভুল থাকলে বলেন,ঠিক করে দেব।
      ফ্রিডম পার্টি আর জামায়াত এক জিনিস না। এদের বড় শক্তি হচ্ছে এদের সংগঠন।এদের ছাত্র সংগঠনও যথেষ্ট শক্তিশালী। আপনি এক কথায় নিষদ্ধ করে দিলেন আর শেষ হয়ে গেল ব্যাপারটা তা নয়। আপনি পুর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির কথা শুনেছেন? যারা বাংলাদেশের দক্ষিনাঞ্চলে গেরিলা কায়দায় ডাকাতি করে। এরা আন্ডারগ্রাউন্ডের দল। আর জামাত-ই-ইসলাম বা ছাত্র শিবির যদি আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যায় তাহলে কি হবে ভেবে দেখেছেন? ক​য়েকগুন শক্তিশালী হয়ে মাঠে নামবে। আপনি সাঈদির রায় দেয়ার সময় দেখেন নি সারা বাংলাদেশে কি হয়েছিল? আর এ জন্যেই আমি রাজনৈতিক এবং সামাজিক মোকাবেলার কথা বলেছি। আর দুঃখজনক হলেও সত্যি যে কিছু হলেও এদের জনসমর্থন আছে কারন এরা যেহেতু ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে তাই দেশের কিছু ধর্মভীরু মানুষ এদেরকে সমর্থন করে।
      প্রধানমন্ত্রীর লোডশেডিং হুমকি নিয়ে তো কিছু বল্লেন না।


      যুক্তি,সঠিক তথ্য,কমন সেন্স এবং প্রমাণের উপর বিশ্বাস রাখি

      জবাব দিন
      • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

        পূর্ব বাংলা কমিউনিষ্ট পার্টি, সর্বহারা এই সব কারণে আমি বামপন্থীদের দেখ্তে পারি না।
        সিরাজ সিকদার অনেকের কাছে সুপারহিরো কারণ আর কিছুই না সিরাজ সিকদারের মৃত্যু বা হত্যা কে ৭২-৭৫ এর শাসনামল আরো স্পেসিফিকালি মুজিবের বিরুদ্ধে ইউজ করা যায়।

        কিন্তু জামাতের ব্যাপার ভিন্ন।
        আর এইটা ২০১৩ সাল।


        এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

        জবাব দিন
        • সিরাজ(১৯৯১-১৯৯৭)

          এই পূর্ব বাংলা কমিউনিষ্ট পার্টি, সর্বহারাদের সাথে বামপন্থীদের কিন্তু কোন কোন ধরনের যোগাযোগ বা সম্পর্ক নাই।


          যুক্তি,সঠিক তথ্য,কমন সেন্স এবং প্রমাণের উপর বিশ্বাস রাখি

          জবাব দিন
          • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

            একৈ ডালের পাখি তারা।
            আমরা গণতন্ত্র গণতন্ত্র কইরা লাফাই, বাট করি বামদল।
            গণতন্ত্র নিচ্ছিদ্র কোন ব্যাবস্থা না কিন্তু বাংলাদেশের মাটিতে বাম দল করা বা জামাতের ইসলামী রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখা একৈ ফর্মের ইউটোপিয়া।

            দুক্ষজনক ব্যাপার হইলো সমাজের মেধাবি ছাত্ররা যদি রাজনীতির দিকে যায় তবে হয় বাম করে না হইলে জামাত। এবং এইটাই সত্য।
            এরা মূল ধারার রাজনীতিতে আসলে অনেক কিছুর পরিবর্তনই সম্ভব ছিলো।

            আর ভালো কথা জাসদ গণবাহিনী করে নাই?
            সিরাজ সিকদার বাম না?


            এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

            জবাব দিন
  3. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    হ্যা জামাত ভিন্ন নাম নিয়া আসতে পারে।
    কিন্তু এখনকার নাম নিয়া তো আসতে পারবে না।
    রাজনীতি করার অধিকার সবার আছে
    কিন্তু কারো রাজনৈতিক আদর্শ যদি দেশের সংবিধান ও আদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক হয় তবে নিশ্চয়ই তার বা তাদের রাজনীতি করার অধিকার থাকে না।

    উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়
    বাংলাদেশের জনগণের একটা বড় অংশ মনে করে আমাদের মুক্তির একটা উপায় হইলো সামরিক শাসন।
    এখন কি তাইলে একটা দল নিবন্ধন করা হবে, সামরিক শাসন চাই নামে!!!

    দল জিতলে আর্মি জেনারেল, এডমিরাল, এয়ার মার্শাল দিয়ে দেশ চালানো হবে। এখন যেমন ডেপুটেশনে বিভিন্ন সংস্থায় নিয়োগ দেয়া হয় সামরিক বাহিনীর অফিসারদের।

    জামাত নিষিদ্ধ করার জন্য দরকার জণগণকে সচেতন করা।
    বি এন পি র সরে আসা জামাতের কক্ষপথ থেকে।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  4. সিরাজ(১৯৯১-১৯৯৭)

    জানতে চেয়েছিলাম ঠিক করে দেয়ার জন্য। কেউ ভুল বানান লেখলে আমার নিজেরও ভাল লাগেনা। তবে অনেক সময় ব্যপারটা এমন হয় যে বুঝতে পারছি ভুল কিন্তু বাংলা লেখা যেহেতু কষ্টের তাই আবার পিছনে ফিরে যেয়ে আলসেমি করে ঠিক করা হয়না।


    যুক্তি,সঠিক তথ্য,কমন সেন্স এবং প্রমাণের উপর বিশ্বাস রাখি

    জবাব দিন
  5. নাঈম /০২-০৭, MCC

    চিন্তা করছিলাম কমেন্ট করবো কিনা। করার সিদ্ধান্তই নিলাম শেষ পর্যন্ত। জামাত কে নিশ্চিনহ করাটা কেন জরুরি সে ব্যাপারটা নিয়ে আলাদা করে ভাবার প্রয়োজন। আপনি, বা দেশের বেশিরভাগ মানুষ যারা জামাত বিরুধি তাদের মূল বিরোধ হল- যেহেতু জামাত স্বাধীনতা যুদ্ধে স্বাধীনতা বিরোধী ভুমিকা রেখেছিল তাই এদেশে ওদের রাজনীতি করার অধিকার নাই। এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে জামাত ছাড়া বাকি যারা ইসলামের কথা বলে রাজনীতি করছে তারা এই দেশে সম্পূর্ণ হালাল। তাই এই দৃষ্টিকোণ থেকে সিদ্ধান্ত নিলে জামাত নামে যে সংগঠন আছে তাকে পেশিশক্তির বলে হয়ত ক্ষণিকের জন্য বন্ধ করে দেয়া সম্ভব, কিন্তু তারা যেই আদর্শের দিকে মানুষকে ডাকছে তা বন্ধ করা সম্ভবনা। উদাহরন দেওয়া যেত, প্রয়োজন আছে বলে মনে করছিনা।
    আরেকটা খুদ্র দল আছে যারা বলছে জামাতের রাজনীতি বন্ধ করা উচিৎ, কারন তারা ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা করছে। এই দলের কৌশলের সাথে আপনার প্রস্তাবিত কৌশলের মিল আছে, আংশিক মিল। তারা বলছে জামাত ও অন্যান্য ইসলামি দলগুলো ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা করে মুসলমানের দুনিয়া ও আখেরাতকে খতিগ্রস্ত করছে। তাই তাদেরকে আদর্শগত ভাবে মোকাবেলা করতে হবে। এই মোকাবেলা মানে হল জামাতের বিভ্রান্তি গুলো সম্পর্কে মানুষকে অবগত করা যেন মানুষ সঠিক ইসলামের পথে থাকে, ভ্রান্ত দাওয়াত গ্রহন না করে। এই উপায়ে জামাতের মোকাবেলা করা সম্ভব, এখানেউ উদাহরন দেয়া যেত, সময় ও স্থান সঙ্কুলান না হওয়ায় দিলাম্না। এই দ্বিতীয় দলটির সাফল্যের উপর জামাতের ভবিষ্যৎ নিরভর করছে, প্রথম দলটির কোনরুপ কৌশল জামাতের ভাগ্য নির্ধারণ করবেনা, বরং আপাত দৃষ্টিতে এতে জামাতের যত ক্ষতি হবে বলে মনে হবে, দীর্ঘ পরিসরে তা তাদের লাভ হিসেবেই পরিগনিত হবে। কিন্তু দ্বিতীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখা শুধু তাদের জন্যেই সম্ভব হবে যারা ইসলামকে জীবনের আদর্শ হিসেবে গ্রহন করবে, এবং এই শ্রেণির মানুষ আমাদের দেশে খুবই কম, দ্বিতীয়ত যারা এই শ্রেণির তাদের বড় অংশই জামাতের ভ্রান্ত দাওয়াত গ্রহন করেছে। তাই বরতমানের জামাত ঘটিত সমস্যার কোন আশু সমাধান আমার জানামতে নেই। এটি আমার বেক্তিগত অভিমত।


    সুবহানআল্লাহ হুম্মা ওয়াবিহামদিকা ওয়া আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লা আনতা আস্তাগফিরুকা ওয়া আতুবু ইলাইক

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।