বিশ্বসেরা আমাদের সাকিব!!!

ক্রিকইনফো ম্যাগাজিনের ইয়ার রিভিউ পড়তে গিয়ে অত্যন্ত অবাক সেই সাথে খুশি হয়ে তথ্যটি আবিষ্কার করলাম, সাকিব আল হাসান ২০০৮ সালে টেস্ট ক্রিকেটের সেরা অলরাউন্ডার। মোট রান ও উইকেট সংখ্যা এবং ব্যাটিং ও বোলিং গড় দুটোই বিবেচনা করে। :clap: :clap: :clap:

সাকিব এর মোট রান ৪১৪ (গড় ২৯.৫৭) উইকেট ৩০টি (গড় ২৫.৭৬, ৪ বার ইনিংসে ৫ উইকেট) সেই সাথে ৪টি ক্যাচ।

সাকিবের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় অগাস্ট ২০০৬ এ জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ওয়ানডেতে। ঐ ম্যাচে ৩০ রান করে অপরাজিত থেকে ম্যাচ জিততে সাহায্য করে, আর টেস্ট অভিষেক হয় মে,২০০৭ এ ভারতের বিরুদ্ধে। আর ২০০৮ সালে ব্যাটিং ও বোলিং দুটোতেই সে বাংলাদেশের সেরা ।

Shakib Al Hasan: Bangladesh’s little dynamo

সাকিব আল হাসান প্লেয়ার প্রোফাইল

৫,০৩৪ বার দেখা হয়েছে

৬৩ টি মন্তব্য : “বিশ্বসেরা আমাদের সাকিব!!!”

  1. আমার এক ক্রিকেট পাগল শ্রীলংকান ফ্রেন্ড আছে। ওর ক্রিকেট প্রজ্ঞা আসলেই ভালো। প্রায় এক বছর আগে সে বলছিল সাকিব খুব ভালো অলরাউন্ডার। ওর কথা ফইলা গেল।

    জবাব দিন
  2. রহমান (৯২-৯৮)

    নিউজটা আমিও দেখছিলাম কিন্তু শুরুতে বিশ্বাস হচ্ছিল না। গর্ব করার মতো একটা বিষয় বটে। কিন্তু এ রকম আরো সাকিবের দরকার আমাদের জাতীয় দলে। টুয়েন্টি-২০ ক্রিকেট জ্বরে যেভাবে আমাদের তরুন প্লেয়াররা আক্রান্ত হচ্ছে তাতে তো সাকিবকে নিয়ে আশাবাদী হতেও ভয় লাগে। একসময় আফতাব, রাজিন, কাপালি দেরকে নিয়েও অনেক স্বপ্ন দেখতাম। সবাই বেঈমানী করল। তাই এখন আর বাড়াবাড়ি কিছু চিন্তা করি না।

    জবাব দিন
    • রহমান ভাই, একটু দ্বিমত করতে চাই।

      এরা প্রফেসনাল প্লেয়ার। যে বেশি টাকা দিবে তার জন্যই কাজ করবে, তার জন্যই খেলবে। বেইমানি এই অর্থে বলা যেতে পারে যে, বিসিবি এদের ডেভলপমেন্টের জন্য অনেক টাকা খরচ করছে। তারপরও বিসিবির নিষেধ শোনে নাই। এর প্রতিযুক্তি হইল, বিসিবি দয়া করে এদের ডেভলপ করে নাই। বিসিবি টাকা ইনকাম করে ক্রিকেট দিয়া, খেলোয়াড়রা টাকা ইনকাম করে বিসিবির হয়া খেইলা, স্পন্সররা প্রচার পায় টাকা দিয়া, দর্শকরা মজা পায় টাকা দিয়া। যে বেশি টাকা দিবে, তার জন্যই সবাই খেলবে। আমরা তো প্রতিনিয়তই চাকুরী পরিবর্তন করি, ভালো ফ্যাসিটিলিজ ও বেতনের জন্য। অনেকটা এরকমই ব্যাপারটা। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে অবশ্য বেইমানি মনে হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না। আমাদের দেশে যে শিশুটা স্কুলে যাইতে পারে সে নিজেরে ভাগ্যবান মনে করতে পারে। আর উন্নত দেশে এইটা হইল মৌলিক অধিকার। আমাদের দেশে মানুষ বেশি, তাই সাপ্লাই ডিমান্ড রুলে মানুষের দাম কম। বিসিবির ভাবটা এরকম, তোদের কত সুযোগ সুবিধা দিলাম, তোরা আজকে চইলা গেলি। কিন্তু, বিসিবির কাছেও যে এরা মূল্যবান ছিল এইটা বিসিবি দেখাইতে পারে নাই। ইংরেজিতে যারে এপ্রিসিয়েট করা বলে আরকি। উন্নত বিশ্বের বিদ্রোহী ক্রিকেটারদের কিন্তু আমাদের দেশের মত সমালোচনা করা হয় নাই।

      জবাব দিন
      • রহমান (৯২-৯৮)

        তৌফিক,

        তোমার বেশ কিছু পয়েন্টের সাথে আমি একমত, একই সাথে আবার কিছু কিছু ব্যাপারে দ্বিমতও পোষন করিঃ

        ১। বিসিবি দয়া করে এদের ডেভেলপ করে নাই বিসিবি তার সীমিত সামর্থের মধ্যে প্লেয়ারদের ডেভেলপ করার চেষ্টা করেছে এবং করে যাচ্ছিল, কিন্তু এই প্লেয়ারগুলো বিসিবিকে সেই সুযোগ না দিয়েই চলে গেল।

        ২। যে বেশি টাকা দিবে, তার জন্যই সবাই খেলবে
        না, সবাই খেলবে না, তবে হয়তো অনেকেই খেলবে। আমি বিশ্বাস করি টাকার বিনিময়ে সবাই নিজের মেধা বিক্রি করে না।

        ৩।বিসিবির কাছেও যে এরা মূল্যবান ছিল এইটা বিসিবি দেখাইতে পারে নাই দেখানোর সময় যে শেষ হয়ে গিয়েছিল, তাও কিন্তু না। একজন প্লেয়ারের ফর্ম অফ থাকলে তাকে কিছুদিন দলের বাহিরে রাখতেই পারে বোর্ড। সব দেশেই এই নিয়ম চালু আছে। টেন্ডুলকারের মতো বিশ্বমানের ১ম সারির খেলোয়াড়কে জাতীয় দলের বাহিরে রেখে ভারত যদি এক্সপেরিমেন্ট করতে পারে, তাহলে আমাদের বিসিবি কি এমন দোষ করে ফেলেছে? কোন খেলোয়াড়টার মূল্য বিসিবি দেখাতে পারে নাই? বল

        ৪। উন্নত বিশ্বের বিদ্রোহী ক্রিকেটারদের কিন্তু আমাদের দেশের মত সমালোচনা করা হয় নাই উন্নত বিশ্বের বিদ্রোহী ক্রিকেটারদের প্রায় সবাই কিন্তু জাতীয় দলে তাদের সেরা খেলাটা উপহার দিয়ে তার পর শেষ বয়সে (ক্রিকেট খেলার বয়স ধরলে) গিয়ে এই সব ক্লাবের কাছে নিজেদের বিক্রি করছে ('বিক্রি' শব্দটা আমার ঘৃনা প্রকাশের জন্য ব্যবহার করে ফেললাম বলে দুঃখিত)। দু একটা ব্যাতিক্রম অবশ্য থাকতেই পারে। কিন্তু আমাদের ক্রিকেটারদের দিকে তাকিয়ে দেখ, বেশিরভাগ তরুন ক্রিকেটার যাদের মধ্যে অনেক প্রতিভা লুকিয়ে আছে, যাদেরকে আবারো জাতীয় দলে খেলানোর সুযোগ ছিল সেই আফতাব, রাজিন, কাপালি, শাহাদত এবং আরো অনেক মেধাবী ক্রিকেটাররাই কিন্তু জাতীয় দলকে স্থায়ী ভাবে গুডবাই বলে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে চলে গেল। দেশের এবং জাতির প্রতি তাদের কি আর কোন দায়িত্ব বা কর্তব্য ছিলনা?

        আমি ব্যাক্তিগতভাবে মনে করি একজন দেশপ্রেমিক খেলোয়াড় কখনোই দেশের চেয়ে নিজের স্বার্থকে বড় করে দেখবে না। টাকার লোভে কি মেধা বিক্রি করা উচিৎ?

        আমি আসলে যেটা বলতে চেয়েছিলাম তা হলো আমরা ইতিমধ্যে বেশকিছু তরুন মেধাবী খেলোয়াড়দের হারিয়েছি, কিন্তু লক্ষ্য করে দেখ এই খেলোয়াড়রা কিন্তুএকদিনে তৈরী হয়নি। এদেরকে গড়ার পেছনে বিকেএসপি, বিভিন্ন ক্লাব সহ সর্বোপরি বিসিবিরও অনেক অবদান ছিল। দেশ ও জাতির তাদের কাছ থেকে আরো কিছু পাওয়ার ছিল। সেই প্রাপ্যটুকু থেকে আমাদের বঞ্চিত করে শুধুমাত্র ব্যক্তিগত স্বার্থে এই খেলোয়াড়গুলো জাতীয় দল ত্যাগ করে চলে গেল যাকে আমি বেঈমানীর সাথে তুলনা করেছি। আরো অনেক কথা বলার ছিল। পরে সময় হলে তোমাকে বলব। এখন আর বলব না। আশা করি আমার ফিলিংসটা তোমাকে বোঝাতে পেরেছি। ধন্যবাদ

        জবাব দিন
        • অবশ্যই পারছেন। দেখার দৃষ্টিভংগি আলাদা হইতেই পারে।

          । আমি বিশ্বাস করি টাকার বিনিময়ে সবাই নিজের মেধা বিক্রি করে না।

          আমি করতেছি। দেশের ছেলে দেশসেবা বাদ দিয়া কানাডিয়ানদের রিসার্চ কইরা দিতাছি।

          জবাব দিন
          • আশিক (১৯৯৬-২০০২)

            এই ব্যাপারটায় মেধার সাথে টাকা সরাসরি সম্পর্কযুক্ত না। কাজের সুযোগ, সাফল্যের উপলব্ধি, গ্রহণযোগ্যতা, মূল্যয়নের যথার্থতা ইত্যাদি আরো একগাদা ভ্যারিয়েবল বা প্যারামিটার জড়িত......

            জবাব দিন
          • সাকেব (মকক) (৯৩-৯৯)

            আইসিএল এর ব্যাপারে আমার সেন্টিমেন্টগুলাও রহমান ভাইয়ের মতই...

            যদিও মুক্তবাজার অর্থনীতিতে প্রফেশনাল প্লেয়ার হিসেবে এরা যে বেশি টাকা দিবে, তার হয়েই খেলতে পারে; কিন্তু একটা ব্যাপার তো ক্লীয়ার যে, অলক/আফতাব/শাহরিয়ার নাফীস রা জানতো আইসিএল এ গেলে জাতীয় দলে যাওয়ার রাস্তাটা বন্ধ হয়ে যাবে...এটা জানা সত্ত্বেও তারা জাতীয় দলের হয়ে খেলার চেয়ে নিজের আখের গোছানোটাকেই প্রায়োরিটি দিসে...যেখানে বেটার অফার পায়াও মাশরাফি/তামিম টাকার হাতছানির চেয়েও দেশের প্রতিনিধিত্ব করাটাকেই প্রায়োরিটি দিসে...

            এখন তুমি যদি বল যে, বিসিবি কেন ওদেরকে নিষিদ্ধ করবে- সেইটা একটা ভাল প্রশ্ন হয়...কিন্তু, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে গিয়ে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট বোর্ডএর সাথে ঘাউরামি করা আর জলে নেমে কুমীরের সাথে লড়াই করা একই কথা... পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড এর বোর্ডই পারেনাই, আর আমরা তো সেই তুলনায় ক্লাস সেভেন মাত্র...


            "আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
            আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস"

            জবাব দিন
  3. সাকেব (মকক) (৯৩-৯৯)
    দেশের ছেলে দেশসেবা বাদ দিয়া কানাডিয়ানদের রিসার্চ কইরা দিতাছি।

    সত্যি বলতে, নিজেকে আইসিএল এ যাওয়া প্লেয়ার দের সাথে তুলনা করে আমারো মাঝে মাঝে অপরাধবোধ হইত...কিন্তু মনে করো যে, তোমাকে ট্রেনিং এর জন্য কানাডা ক্রিকেট একাডেমীতে পাঠানো হইসে...এখন তুমি যদি উপযুক্ত ট্রেনিং শেষে দেশে ফিরে দেশের কাজে আসো, তাইলে কি সেইটাকে মেধা বিক্রি বলা যাবে?...কিন্তু তুমি যদি ট্রেনিং শেষে কানাডা অথবা অন্য কোন দেশের ২০/২০ লীগে খেলা শুরু কর এবং আমরণ খেলতেই থাকো- তাইলে আপত্তি করার একটা কারণ থাকতে পারে..

    কিন্তু অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করার জন্য কিছুদিন খেলা যাইতে পারে, নিজেকে জাতীয় দলের জন্য উপযুক্ত করে তোলার আগ পর্যন্ত...(আমি এইভাবে নিজেকে স্বান্তনা দেয়ার চেষ্টা করি 😕 )

    অবশ্য তোমার ট্রেনিং এর খরচ কোন দেশের বোর্ড দিতেসে- সেইটাও কমিটমেন্ট লেভেল নির্ণয় করার একটা ফ্যাক্টর...


    "আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
    আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস"

    জবাব দিন
    • ফয়েজ (৮৭-৯৩)
      এখন তুমি যদি উপযুক্ত ট্রেনিং শেষে দেশে ফিরে দেশের কাজে আসো

      যদি না আসে তাইলে কি বেঈমানী করল পোলাটা? 😀

      তাইলে তো ওবামা ব্যাটা একটা বিরাট বেঈমান কেনিয়া গো কাছে। আর আমত্য সেন ভারতের কাছে, কি কও?

      ব্যাপারটা আসলে দৃষ্টি ভংগির, আমার কাছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সব মেধার মুল্যায়ন করা যায় না, কেউ যদি মেধার প্রকাশের জন্য অন্য পরিবেশ বেছে নেয় আপত্তির কিছু তো দেখি না। ইম্পর্টেন্ট হচ্ছে, সে তার রুটস কে ভুলে গেছে কিনা? নিজস্ব কালচার থেকে দূরে গেছে কিনা?

      আমার মত, কেউ মাইন্ড খাইওনা কইলাম।


      পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

      জবাব দিন
  4. সাকেব ভাই, অন্য ডিসিপ্লিনের কথা জানি না। তবে প্রকৌশলে কারো এমবিশান যদি ডিজাইন এন্ড ডেভলপমেন্টের উপর হয়, তাহলে তার জন্য বাংলাদেশ খুব একটা ভালো জায়গা না। কাজের কোন সুযোগ নাই। দেশের ইন্ড্রাস্ট্রি বাইরে থেকে প্রযুক্তি কিনে আনে। টেকনিক্যালি সাউন্ড হওয়ার খুব সুযোগ হয় না।

    দেশ ছেড়ে বিদেশ আসার এইটাই কারণ। আর দেশে ফিরে গিয়ে কাজ করার কোন চান্সও আমি ভবিষ্যতে দেখি না। যতদিন না বাংলাদেশের শিল্পোদ্যোক্তারা দেশের প্রকৌশলীদের উপর ভরসা করতে না পারেন, দেশের প্রকৌশলীরা বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবেন না।

    বাংলাদেশের ইন্ড্রাস্ট্রি যেদিন নিজেদের লোক দিয়ে নিজেদের প্রযুক্তি উদ্ভাবনের চেষ্টা করবে, আমার ইচ্ছা আছে ফিরে আসার। দেশ থাকার ও কাজ করার সুযোগ থাকলে বিদেশ পড়ে থাকব কোন দুঃখে?

    জবাব দিন
  5. সাকেব (মকক) (৯৩-৯৯)
    বাংলাদেশের ইন্ড্রাস্ট্রি যেদিন নিজেদের লোক দিয়ে নিজেদের প্রযুক্তি উদ্ভাবনের চেষ্টা করবে, আমার ইচ্ছা আছে ফিরে আসার। দেশ থাকার ও কাজ করার সুযোগ থাকলে বিদেশ পড়ে থাকব কোন দুঃখে?

    তোমার পয়েন্টগুলা আমি ভালোমতই বুঝি...আমরা নিজেরা যতদিন সুযোগ সৃষ্টি করার পজিশনে যাইতে না পারব, আমাদের সামষ্টিক এবং জাতিগত উন্নতির সম্ভাবনা খুব কম...
    (কথাটা বলা অনেক সহজ, তাই বলে ফেললাম...কিন্তু আমি জানি যে, করে দেখানোটা আসলেই অনেক অনেক কঠিন)


    "আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
    আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস"

    জবাব দিন
  6. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    আইসিএল এ যোগ দেয়া ক্রিকেটারদেরকে আমি সবসময় বেঈমান বলব, যে যুক্তিই দেখানো হোক না কেন। তাদের যাবার ধরনটা ছিল সম্পূর্ন চোরের মত।

    * তারা চলে যেতে চেয়েছিল একদম গোপনে, প্রথম আলোতে রিপোর্ট না হলে হয়ত ভারতে যাবার আগ পর্যন্ত আমরা জানতেই পারতাম না, চোরের মতো তারা চলে যেতে চেয়েছিল।

    * আইসিএল থেকে অফার পাওয়ার পর তাদের সবার আগে তা জানানো উচিত ছিল ক্রিকেট বোর্ডকে, সেই সাথে গনমাধ্যমকে, বোর্ড তখন উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহন না করলে বা তাদের কে সন্তুস্ট করতে না পারলে তারা আনুস্টানিক ঘোষনা দিয়ে আইসিএল এ যোগ দিতে পারত, তাহলে আর তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগই উঠত না, দায় দায়িত্ব থাকত বোর্ডের।

    * ক্যাডেট কলেজে বা সেনাবাহিনীতে যেমন ক্যাডেট হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকার জনগনের টাকা খরচ করে থাকে, এ সকল ক্রিকেটারদেরকেও তেমনি জনগনের টাকা খরচ করে গড়ে তোলা হয়েছে। একজন ক্যাডেট বা সেনাবাহিনী সদস্য যেমন ইচ্ছা করলেই নির্দিস্ট মেয়াদের পূর্বে অব্যহতি নিতে পারে না, করতে চাইলেও তাকে নির্দিস্ট পরিমান খতিপূরণ প্রদান করতে হয়, ঐ সকল ক্রিকেটারদের জন্য একই ব্যবস্থা প্রযোজ্য হওয়া উচিত।

    দেশের টাকায়, জ়নগনের টাকায় সকল ট্রেনিং অর্জন করে, দেশের মাধ্যমে পরিচিত হয়ে, দেশের সাথে করা চুক্তিকে যারা বুড়ো আংগুল যারা নিজের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য বিদেশে পাড়ি দিলো আর সেখানে যেয়ে নিজেদের ভাষার সাথে বেঈমানি করে হিন্দিতে কথা বলল...তাদের কে বেঈমান ছাড়া অন্য কিছুকি বলা যায়?

    দশ বছরের জন্য নিসিদ্ধ ঘোষনা তাদের জন্য কোন শাস্থি হয়নি, এটা তারা জেনেই icl এ গিয়েছে, তাদের পিছনে দেশ কত টাকা খরচ করেছে, সে অনুযায়ী তারা দেশকে কতটুকু দিয়েছে সেটা হিসাব করে বাকিটা জরিমানা/খতিপুরন হিসেবে আদায় করা হোক তাদের কাছ থেকে। যারা মুক্তবাজার অর্থনীতির কথা বলে তাদের সমর্থন করেন তারা নিশ্চয়ই এ ব্যবস্থার বিরোধিতা করবেন না।

    *** সবই একান্ত ব্যক্তিগত মতামত।


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
    • রহমান (৯২-৯৮)

      আহসান আকাশ,

      :clap: :thumbup: । তোমার পয়েন্টগুলো আমার খুব মনে ধরেছে। একদম টু দ্য পয়েন্টে হিট করেছ। ৩ নং পয়েন্ট টা উদাহরন হিসেবে আমি নিজেই তৌফিককে বলতে চেয়েছিলাম কিন্তু পোষ্টের চেয়ে কমেন্ট বড় হয়ে যাচ্ছিল দেখে আর বাড়াইনি।

      আমিও তৌফিকের মতো স্বীকার করি এই বিষয়টা দেখার দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার কিন্তু আমাদের অনেক মেধাবী ও তরুন খেলোয়াররা যে তাদের দায়িত্ব সম্পূর্ণ করার আগেই জাতীয় দল থেকে চলে গেল এটা তো ঠিক। দেশ ও জাতিকে তারা ঠকিয়েছে। তাই আমার দৃষ্টিভঙ্গিতে এরা আসলে বেঈমানীই করেছে। আমি তাদের মন থেকে ঘৃনা করি।

      *** আমার এটাও একান্ত ব্যক্তিগত মতামত

      জবাব দিন
  7. মুসতাকীম (২০০২-২০০৮)

    সাবাস সাকিব সাবাস :clap: :clap: :clap:


    "আমি খুব ভাল করে জানি, ব্যক্তিগত জীবনে আমার অহংকার করার মত কিছু নেই। কিন্তু আমার ভাষাটা নিয়ে তো আমি অহংকার করতেই পারি।"

    জবাব দিন
  8. শহীদ (১৯৯৪-২০০০)

    রহমান ভাই আর আহসান আকাশের সাথে আমি সম্পূর্ন একমত।
    আর তৌফিক কে বলছি, যারা ব্যক্তিগত পড়াশুনা আর যোগ্যতা অর্জনের জন্য দেশের বাইরে কাজ করছে তাদের আর আইসিএলে খেলতে যাওয়া আমাদের ক্রিকেটারদের মধ্যে বিস্তর ফারাক। এটা চিন্তা কর যে, ঐ প্লেয়ার গুলো কিন্তু পুরো দেশের প্রতিনিধিত্ব করত। সারা দেশে গুটিকতক ছেলে কেবল এই সু্যোগ পায়। আর বিনিময়ে কি পায়নি তারা!!! -সারা দেশে পরিচিতি আর সাধারণ মানুষের ভালোবাসা কি কম!? আর দল থেকে বাদ পড়ার ব্যাপারে আমি বলব- এই প্লেয়ার গুলোর ভাল পারফরম্যান্সের পাশাপাশি খারাপ পারফরম্যান্সও নেহায়েত কম নয়। কারো খারাপ ফর্মের সময় তার জায়গায় অন্য কেউ দলে চান্স পাবে এটাইতো স্বাভাবিক। তার মানে তো এই না যে তাকে আর দলে নেওয়া হবে না। মোদ্দাকথা, আমি মনে করি, তাদের এই যাওয়াতে মূল ভূমিকা ছিল টাকার। অথচ আমার জানামতে জ়াতীয়দলে খেলা এই ছেলে গুলো এই বয়সেই আর্থিক ভাবে অনেক ভালো অবস্থানে ছিল। তাই, দেশ থেকে এমন পাওয়া আর দেশের পক্ষে আরো ভালো কিছু করার সুযোগ থাকা সত্তেও দেশের স্বার্থের কথা না ভেবে যারা এমন করতে পারে তাদের আমরা ঘৃণা ছাড়া আর কিইবা করতে পারি!

    জবাব দিন
    • ফয়েজ (৮৭-৯৩)

      কেউ আইসিএলে খেলতে গেলেই তার দেশের প্রতি ভালবাসা নিয়ে আমি প্রশ্ন করতে পারিনা। আইসিএলকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড অনুমতি দেয়নি, আমরা আইসিএল দেখছি, তাহলে কি আমার মাঝে দেশের প্রতি ভালবাসা নেই? আজব

      বাংলাদেশের অনেক লোক পাকিস্তানের ভক্ত, ওয়াসিমের জন্য পাগল, আফ্রিদি জন্য, মুক্তিযুদ্ধকে প্যারামিটার ধরলে এইগুলা তো সব রাজাকার হই গেছে।


      পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

      জবাব দিন
        • আমি তৌফিক আর ফয়েজ ভাইয়ের সাথে একমত।

          ১.
          আইসিএলে খেলতে গেলেই তার দেশের প্রতি ভালবাসা নিয়ে আমিও প্রশ্ন করতে পারিনা। কারন তারা তো বলেনি যে তারা কখনো দেশের হয়ে খেলবে না।
          তারা বেশি পারিশ্রমিকে অন্য একটা লীগ খেলতে গেছে। সেটা খেলা শেষ হলে, বা জাতীয় দলে আবার ডাক এলে তারা এখানেও খেলবে, এমন কথাই বলেছে সবাই।
          আইসিএলও বলেছে যেসব খেলোয়াড় তাদের এখানে খেলছে ওদের কারো যদি জাতীয় দলে দাক আসে তারা ওকে দেশের হয়ে খেলার জন্য ছেড়ে দেবে। তাহলে আমরা কেন তাদের বেইমান বলে গালাগালি করছি। বেশি টাকার জন্য অন্য দেশে খেলতে গিয়েছে বলে?
          আমাদের এখানে দল বদলের সময় কি হয়? যে ক্লাব বেশি টাকা দেয় প্লেয়ার রা তাদের হয়ে খেলে। অন্য ক্লাব কি তাকে তখন বেইমান বলে?

          ২.
          বরং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ভারতের ক্রিকেট বোর্ডেকে তোয়াজ করতে গিয়ে এই সব ক্রিকেটারদের ১০ বছরের জন্য নিষিদ্ব করেছে। এদেরক দেশের হয়ে খেলার পথ বন্ধ করেছে। শুধু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নয় বাকি সবাই (শ্রীলঙ্কা ছাড়া) এমন ধরনের সিদ্বান্ত নিয়েছে। এর কারন ক্রিকেটের পুরো বাজার এখন ভারতের দখলে। তাদের ক্ষেপিয়ে কেউ কিছু করতে সাহস করে না। সুতরাং খড়গ নেমে আসছে ক্রিকেটারদের উপর।

          ৩.
          এটা ভারতের ক্রিকেটের নিজস্ব সমস্যা। তাদের এখানে অফিসিয়াল লীগের পাশাপাশি বিদ্রোহী লীগ হিসেবে আইসিএল শুরু হয়েছে। এখন ভারত ক্রিকেট বোর্ড দেখছে ওদের একচেটিয়া ক্রিকেট ব্যাবসায় অন্য এক ধনকুবের (আইসিএল-এর উদ্যোগতা জিটিভির মালিক আজিম প্রেমজি) হানা দিচ্ছে। সুতরাং উপায় হচ্ছে --ওইটা বিদ্রোহী লীগ ঘোষনা করা, যেসব প্লেয়ার খেলছে তাদের নিষিদ্ব করা। তারা তাই করেছে। আর নিজেদের ক্রিকেট শক্তি খাটিয়ে বাকি দেশগুলিকেও চাপ দিচ্ছে এই নিয়ম করার। পয়সার জন্য (যেহেতু ক্রিকেটের সব স্পন্সর ভারতীয় কোম্পানি )সবাই সে নিয়ম মেনে নিজের দেশের আইসিএল খেলা প্লেয়ারদের নিষিদ্ব করছে, আর আমরাও মাথামোটা জনগন, তাদের বেইমান বলে গালি দিয়ে নিজেদের দেশপ্রেমটা আরো পোক্ত করে নিচ্ছি।
          এতো সহজ না আসলে ব্যপারগুলি। সবই রাজনীতি।

          ৪.
          আইসিএলের বদলে আইপিএল খেলতে গেলে নিশ্চয়ই আমরা তাদের আর বেইমান বলতাম না। কিম্বা কেউ যখন কাউন্টি খেলতে ইংল্যান্ড যায় তখন কি সে বেইমান হয়ে যায়? হয় না। বরং আমি বলতে পারি আশরাফুল যদি ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটের কোন দলে খেলতে যায় আমি গর্ববোধ করবো। কারন সে আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছে।

          তাহলে ব্যাপারটা কি দাড়ালো, শুধুমাত্র ক্রিকেট বোর্ডের হাতের পুতুল হয়ে খেলোয়াড়দের বসে থাকতে হবে? অন্য একটা দেশ অন্যায় করছে, আমার ক্রিকেট বোর্ড সে অন্যায়ে সায় দিচ্ছে, আর সেই বলির পাঠা বানাচ্ছি সেই ক্রিকেটারদের? এতো খুব গড়পড়তা মতামত হয়ে গেলো।

          জবাব দিন
          • আহসান আকাশ (৯৬-০২)

            * আইসিএল থেকে অফার পাওয়ার পর তাদের সবার আগে তা জানানো উচিত ছিল ক্রিকেট বোর্ডকে, সেই সাথে গনমাধ্যমকে, বোর্ড তখন উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহন না করলে বা তাদের কে সন্তুস্ট করতে না পারলে তারা আনুস্টানিক ঘোষনা দিয়ে আইসিএল এ যোগ দিতে পারত, তাহলে আর তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগই উঠত না, দায় দায়িত্ব থাকত বোর্ডের।

            * একান্ত ব্যক্তিগত মতামত।


            আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
            আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

            জবাব দিন
            • আমাদের এখানে দল বদলের আগে কি প্লেয়াররা আগে থেকে ঘোষনা দেয় যে, আমি অমুক দলে খেলবো, ওরা আমাকে এতো টাকা দিচ্ছে? দেয় না। পুরো নেগোসিয়েশনটা হয় ব্যাক্তিগত পর্যায়ে, গোপনে। কারন এখানে প্রতিযোগিতার একটা ব্যপার থাকে। কাকে কতো দিয়ে খেলতে নেয়া হলো। সিদ্বান্ত নেয়ার পর সেটা সবাইকে জানায়। এখানেও তাই হয়েছে।

              আর জানায় নি বলেই যে তারা বেইমান হয়ে যাবে এমনটা আমি মনে করি না। ওদের দেশের হয়ে খেলার পথ বন্ধ করেছে ক্রিকেট বোর্ড। দোষটা তাদের।

              কেন তারা আইসিএলে ভালো খেলার পর আমরা তা নিয়ে গর্ব করিনি? সবখানে যখন ঢাকা ওয়ারিওরস দের প্রশংসা হচ্ছিলো তাতে দেশের মুখ উজ্জ্বল হয় নি?

              জবাব দিন
              • আহসান আকাশ (৯৬-০২)

                দলবদলের সাথে ICL টা ঠিক মনে হয় এক না, দেশের বাইরে যেকোন লীগে খেলতে হলে বোর্ডের লিখিত অনুমতির প্রয়োজন হয়, কাউন্টি ক্রিকেট, IPL বা ভারতের রঞ্জি ট্রফি সব ক্ষেত্রেই এটি প্রযোজ্য।

                তবে একদিক থেকে এটাকে দলবদল ও বলা যেতে পারে, বাংলাদেশ জাতীয় দল এবং ঢাকা ওয়ারিয়ার্স এর মধ্যে, কারন ওখানে যোগ দেয়া প্রতিটি খেলোয়ারই জানত যে তারা আর জাতীয় দলে খেলতে পারবে না, জেনে শুনেই তারা এ কাজ করেছিলো আর তাদের সামনে ১ম ICL এ খেলে জাতীয় দল থেকে নিষিদ্ধ হওয়া খেলোয়ারদের উধাহরন কম ছিল না। আমাদের সবাই তাদের পরিণতির কথা জেনে এবং মেনে নিয়েই ICL এ যোগ দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, বোর্ডের ঘোষনাটা তো ছিল একটা ফরম্যালিটি মাত্র, তাও তা দেয়া হয়েছিল তারা দেশ ছাড়ার পরে।

                কামরুল ভাই, এটা আসলেই ব্যক্তিগত মতামত, কোন রকম বেয়াদবি হলে আশাকরি ক্ষমা সুন্দর দৃস্টিতে দেখবেন।


                আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
                আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

                জবাব দিন
                • ওখানে যোগ দেয়া প্রতিটি খেলোয়ারই জানত যে তারা আর জাতীয় দলে খেলতে পারবে না, জেনে শুনেই তারা এ কাজ করেছিলো আর তাদের সামনে ১ম ICL এ খেলে জাতীয় দল থেকে নিষিদ্ধ হওয়া খেলোয়ারদের উধাহরন কম ছিল না।

                  তার মানে সব সময় বোর্ড যেটা বলবে ক্রিকেটারদের সেটাই মেনে নিতে হবে? এক্ষেত্রে কি তোমার মনে হয় না যে ক্রিকেট বোর্ড অন্যায় ভাবে খেলোয়ারদের নিষিদ্ব করেছে? শুধুমাত্র ভারত ক্রিকেট বোর্ড কে খুশি রাখতে গিয়ে?

                  আমারো ব্যাক্তিগত মতামত। 🙂 বেয়াদবীর কিছু নেই। 😀 একাডেমিক ডিবেট হলে আমিও তোমার কাছ থেকে কিছু শিখতে পারবো আশা করি। 😀

                  জবাব দিন
                  • ধর, আইসিএলের উপর ভারতের নিষেধাজ্ঞা নাই। তাহলে বাংলাদেশও স্বাভাবিক ভাবেই এই প্লেয়ারদের বহিস্কার করতো না। (কারন একই ধরনের লীগ আইপিএল খেলার জন্য বোর্ড ক্রিকেটারদের উত্তসাহ দিচ্ছে বরং, তাতে নাকি অভিজ্ঞতা বাড়বে )। তাহলেই এই প্লেয়াররা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের হয়ে খেলতে পারতো।

                    তাহলে দোষটা কার ? খেলোয়াড়দের, না বোর্ডের?
                    দেশের জন্য খেলতে এরা তো না করেনি। বোর্ডই বরং তাদের খেলার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
                    এমন যদি হতো দেশের খেলা ফেলে অন্যদেশের লীগ খেলতে গেছে টাকার জন্য তখন তাদের দোষ দিতে পারতাম আমরা। ওরা বেশি পারিশ্রমিকে অন্য জায়গায় খেলতে গেছে, কিন্তু জাতীয় দলে ডাক পেলে চলে আসার ঘোষনা দিয়ে গেছে। কিন্তু তার বদলে ওদের লম্বা সময় একেবারে খেলা থেকে বহিস্কার করাটা কি রকম অন্যায় , তার প্রতিবাদে কেউ কিছু বলছে না।

                    সবাই গালাগালি করছে তাই আমিও গালাগালি করি, তবেই না লোকে বুঝবে আমার দেশপ্রেম কত বেশি।

                    জবাব দিন
          • কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

            কামরুলের সাথে মোটামুটি একমত।
            কয়েকটা জিনিস যোগ করি,
            শ্রীলংকা প্রথমে আই সি এল প্লেয়ারদের উপর থেকে ঘড়োয়া লীগে খেলার যে নিষেধাজ্ঞা ছিলো সেটি উঠিয়ে নিয়েছিলো। পরে বেনিয়া ভারতীয় বোর্ডের চাপে সেটি যেকোনো একটি টুর্ণামেন্টে নামিয়ে আনে। লংকান বোর্ডের এসব সাহসী সিদ্ধান্তের পেছনে ছিলেন অর্জুনা রানাতুঙ্গা। এছাড়া তিনি আরো কয়েকটি স্ট্র্যাটেজিক ডিসিশনের কারণে ভারতীয় বোর্ডের বিরাগভাজন হয়ে পড়েন। ফলাফল, কিছুদিন আগে রানাতুঙ্গাকে অপসারণ করা হয়েছে লংকান স্পোর্টস মিনিস্টার এর সিদ্ধান্তে। বলার অপেক্ষা রাখেনা এগুলো ভারতীয় বোর্ডের বিরাগভাজন হবার কারণে কিছুটাতো বটেই।
            এখনকার ক্রিকেট বাণিজ্য পুরোটাই মোটামুটি ভারতীয় বোর্ডের হাতে। সেক্ষেত্রে কিছুদিন পরপরই টেস্ট স্ট্যাটাস নিয়ে ক্রিকেটের তথাকথিত কুলীনদের বাকা নজরে পড়া আমাদের বোর্ডের পক্ষে ভারতীয় বোর্ডের রক্তচক্ষুকে অবজ্ঞা করাটা একরকম অসম্ভবই বলা যায়।


            সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

            জবাব দিন
  9. আহ্সান (৮৮-৯৪)

    খুব অল্প সময়ের জন্য হলেও জাতীয় ক্রিকেট দলের সাথে কিছুটা সময় কেটেছে। সেই প্রসংগ টেনেই বলছি, "সাকিব ছিল আমাদের assessment এ সেরা ট্রেইনি। ছেলেটা যথেষ্ট ইন্টেলিজেন্ট, শারিরীকভাবে যোগ্য এবং ব্যালেন্সড।" তার মানে আমরা খুব একটা ভূল বিচার করিনি ঐ এক সপ্তাহে।

    এবার একটু ভিন্ন কথা বলি। প্রতিটি মুহূর্তে যখনই সময় পেতাম, আমি চেষ্টা করেছিলাম ওদেরকে মানসিকভাবে উজ্জীবিত করতে। মুসফিককে একদিন উদাহরণ দিয়ে বলেছিলাম, "এত অল্প বয়সে সারা দেশের মানুষ তোমাকে চেনে, এত আর্থিক স্বচ্ছলতা এর চেয়ে আর বেশি কি চাও এই জীবনে?" জবাবে বাচ্চা ছেলেটি নিষ্পাই একটি হাসি দিয়েছিল মাত্র। একই কথা আমি অলক (বয়স বাদে), ফরহাদ রেজা, নাজিম আর আফতাবকেও বলেছিলাম। অলককে আমার সবসময়ই সুযোগ সন্ধানী মনে হয়েছে। কিন্তু বাকিদের চলে যাওয়াটাতে আমি ভীষন কষ্ট পেয়েছি। বিশেষ করে ফরহাদ রেজার জন্য। আমার সব হিসাব নিকাশ উল্টে ফেলেছে এই ছেলেটি। সবাইকে চিনতে ভূল না হলেও এখন বুঝতে পারছি, আমি ফরহাদ রেজা কে চিনতে ভূল করেছিলাম।

    যাহোক, যে যতই যুক্তি দেখাক আমি মনে করি, দেশের প্রতি মমত্ববোধ, নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ সর্বোপরি দেশের গরীব অসহায় মানুষগুলোর প্রতি ভালোবাসা থাকলে ওরা এভাবে যেতে পারতোনা কোনভাবেই।

    ***পুরোটাই একান্ত ব্যক্তিগত মতামত।

    জবাব দিন
    • আহসান আকাশ (৯৬-০২)

      স্যার, SI&T তে ক্রিকেটারদের ট্রেইনিং নিয়ে আলাদা একটা ব্লগ লেখার কথা ছিল কিন্তু আপনার।

      ঐ সময় ow করছিলাম, যতদুর মনে পড়ে সাকিব টাইগারচেজ অথবা স্পিড মার্চে ১ম হয়েছিল...


      আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
      আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

      জবাব দিন
    • ফয়েজ (৮৭-৯৩)

      দেশের প্রতি মমতা আর খেলাকে তোমরা এক কেন করছ বুঝছিনা। এটা কি যুদ্ধ নাকি?

      তোমাদের প্রতিরক্ষা বাহিনীর একটা বড় অংশ আগেই অবসর নিয়ে ফেলে। কেন নেয়? দেশের প্রতি মমতা কমে যায় বলে?


      পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

      জবাব দিন
      • আহ্সান (৮৮-৯৪)

        ফয়েজ ভাই,
        আপনার প্রশ্নটি অমুলক নয়। শুধু আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান থেকে একটুখানি যুক্তি দেখানোর দুঃসাহস করবো। ক্রিকেটারদের এই চলে যাওয়ার সাথে প্রতিরক্ষা বাহিনীর সেচ্ছ্বায় অবসরের ব্যাপারটা তুলনা করাটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত তা ঠিক আমি বলতে পারবোনা। আর যদি যুক্তিযুক্ত হয়েই থাকে তাহলে আমি বলবো, প্রতিরক্ষা বাহিনীর একটা অংশ আগেই অবসর নিয়ে ফেলে কথাটি ঠিক, কিন্তু অবশ্যই সেটি কোনক্রমেই বড় নয়। বরংচ সম্পূর্ণ জনবলের তুলনায় তা এতটাই নগন্য যে পদার্থ বিজ্ঞানের ভাষায় বলতে হয় যে, "উহা ধর্তব্য নহে।"

        এখন আসি যারা যায় তাদের ব্যাপারে। যেই যাকনা কেন, তাকে একটা নির্দিষ্ট পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়। কিছু unavoidable ব্যক্তিগত বা পারিবারিক সমস্যার কারণে অনেকে অনেক সময় প্রয়োজনীয় রিটার্ণ না দিতে পেরে আবেদন করে থাকেন। কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদনের প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ যদি মনে করে যে উক্ত অফিসারের পিছনে দেশ যে অর্থ ব্যয় করেছে তার রিটার্ণ পাওয়া গেছে, কিংবা ভবিষ্যতে কোন কারনে উক্ত অফিসারের পিছনে ভরন-পোষণ বাবদ যে অর্থ ব্যয় করা হবে ততটুকু রিটার্ণ পাওয়া যাবেনা সেক্ষেত্রেই কর্তৃপক্ষ উক্ত অফিসারের স্বেচ্ছায় অবসরের আবেদন বিবেচনা করে থাকে। আমাদের ক্রিকেটাররা সেরকম কোন কিছু করেছিলেন কিনা আমার জানা নেই।

        দেশপ্রেমের কথা আসলে আমি বরং স্বেচ্ছায় অবসরগ্রহণকারী অফিসারদের দেশপ্রেমিকই বলবো। কারণ, যথার্থ রিটার্ণ দিতে পারবেনা জেনে নিজেদেরকে সরিয়ে নিয়ে তারা দেশের অর্থ অপচয় করা থেকে বিরত থাকছে।

        আমার কথাগুলিকে বেয়াদবি হিসেবে নিবেননা। ব্যাপারগুলোকে কাছ থেকে দেখেছি বলেই এভাবে ব্যাখ্যা করলাম। অন্যায় হলে ছোটভাই হিসেবে ফয়েজ ভাইয়ের কাছ থেকে মাফ পাবার আবদারটুকু অন্তত করতে পারি বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

        জবাব দিন
  10. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    বাস্তবতা চিন্তা করলে কিন্তু ওরা দেশের খেলা ফেলে অন্যদেশের খেলাই খেলতে গেছে, কারন ওরা আমাদের থেকেও অনেক ভালো করে জানতো যে ICL এ যাওয়া মানে দেশের জন্য খেলার পথ বন্ধ হয়ে যাওয়া, এও জানত যে ক্রিকেট বোর্ড ওদের icl এ যোগ দেবার কথা জানতে পারলে বাধার সৃস্টি করতে পারে তাই ওরা জানাতেও চায়নি। বোর্ড কিন্তু ওদেরকে সরাসরি বোর্ডের সাথে কথা বলার আমন্ত্রন জানিয়েছিল নির্দিস্ট তারিখে, একজনও সে আমন্ত্রনে সাড়া দেয়নি বরং সংবাদ মাধ্যমে বোর্ডের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলেছে এবং icl এ যোগ দেয়ার সপক্ষে যুক্তি দেবার চেস্টা করেছে।
    আমি ব্যক্তিগতভাবে বহিস্কারের পক্ষে নই, এর জন্য ওরা তো প্রস্তুতই ছিল। তাদের পিছনে দেশের যত টাকা খরচ হয়েছে আর তার বিপরিতে তারা দেশকে কত বছর সার্ভিস দিয়েছে তা আনুপাতিক হারে হিসাব করে বাকিটা ক্ষতিপূরন হিসেবে আদায় করা হোক অথবা যেহেতু তাদের পিছনে দেশ বিদেশে ও দেশে ট্রেনিং, প্রাক্টিস ফ্যাসিলিটি, চিকিৎসা সহ আরও ক্ষেত্রে সরাসরি অনেক টাকা বিনিয়োগ করেছে (যার ফলাফল হিসেবে আজ তারা icl এ খেলে উপার্জন করছে) তার বিপরীতে তাদের আয় থেকে একটা অংশ বিশেষ কর হিসেবে কেটে রাখা হোক।
    তবে সামগ্রিক ঘটনা, খেলোয়ারদের সাথে দূরত্ব, খেলোয়ারদের আস্থা না থাকা এবং খেলোয়ারদের উপর কন্ট্রোল না থাকা ক্রিকেট বোর্ডের ব্যর্থতাই প্রকাশ করে।


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
    • বাস্তবতা চিন্তা করলে কিন্তু ওরা দেশের খেলা ফেলে অন্যদেশের খেলাই খেলতে গেছে,

      মোটেই না। ওরা বেশি পারিশ্রমিকের জন্য গেছে, কিন্তু যে দলটা গেছে, কিন্তু ভবিষ্যতে তাদের দেশের হয়ে খেলার পথ বন্ধ করেছে বোর্ড।

      ক্রিকেট বোর্ড ওদের icl এ যোগ দেবার কথা জানতে পারলে বাধার সৃস্টি করতে পারে তাই ওরা জানাতেও চায়নি।

      কেন ক্রিকেট বোর্ড বাধা সৃষ্টি করেছে? এটা কি অন্যায় নয়?
      এই প্রশ্নের উত্তর খোজো। তাহলেই বুঝবে, অন্যায় কারা করেছে।

      জবাব দিন
      • তাছাড়া আজকের বিনোদন-বাজার ও পেশাদারিত্বের যুগে খেলা আর শখ নেই। আয়োজকেরা হয়ে গেছেন ব্যবসায়ী আর খেলোয়াড়েরা চাকুরে। এখানে আবেগ কিংবা ঠুনকো মূল্যবোধের কোনো দাম নেই।

        বাংলাদেশের খেলোয়াড়দেরও পেশাদারিত্ব শিখতে হবে। আমাদের “তথাকথিত” বিদ্রোহী তেরো খেলোয়াড় কিন্তু হাতে-কলমে ঠিক তাই দেখিয়ে দিয়েছেন। চলে যাবার কারণ হিসেবে তারা বলেছেন তাদের সাথে করা অনাচার/অবিচার। অর্থ নয়।

        তবে সেটি এখানে বিবেচ্য নয়। যা বিবেচ্য তা হচ্ছে - নিজেদের পরিস্থিতি বিচারে তারা পেশাদারের মতো সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছেন। তাদের এই সিদ্ধান্ত হয়তো বিসিবিকেও পেশাদারিত্ব শেখাবে। দেখাবে বাঙালি ক্রিকেটারদের যাবার অন্য জায়গাও আছে।

        আচ্ছা বাদ দেই এসব আলোচনা। বরং আইসিএল কেনো বিদ্রোহী হলো তার কারণ শুনি। তারা তাদের নিজেদের টুর্নামেন্ট চালু করেছে। তো? ক্রিকেটাররা ক্রিকেটই খেলছেন। ভালো কোচ পাচ্ছেন। উন্নত ট্রেনিং সুবিধা পাচ্ছেন। এমনকি নিজের দেশ কিংবা শহরের নাম পিঠে চড়িয়েই খেলতে পারছেন। এ-কি দোষের কিছু? কেনো আইসিএল-এ খেললে সেই খেলোয়াড়কে নিষিদ্ধ করা হবে? বিসিসিআই আর আইসিসি কি ক্রিকেট কিনে রেখেছে যে তাদের কথা ছাড়া ক্রিকেট খেলা যাবে না?

        দোষ আসলে সেখানে নয়। দোষ হচ্ছে হচ্ছে বিসিসিআই এই খেলা থেকে অর্জিত টাকার কোনো ভাগ পাচ্ছে না। একদম সংক্ষেপে বলি। বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে বিসিসিআই। আর এই কারণে কোনো দেশই ওদেরকে ঘাঁটাতে সাহস পায়না। আইসিসি তো অনেক আগে থেকেই বিসিসিআই-এর পকেটে ঢুকে বসে আছে।

        এরপরে আছে ভারতের প্রাদেশিক রাজনীতি। শক্তিশালী প্রদেশগুলো সবাই ভারতীয় জাতীয় দলে তাদের এক/দুইজন খেলোয়াড় দেখতে চায়। অনেক ভালো খেলোয়ার এজন্য বাদ পড়ে যায়। ম্যাচ গড়াপেটা আর বাজীর ব্যাপার-স্যাপারও আছে বলে কপিল দেব ও অন্যান্যরা প্রায়ই ইঙ্গিত দেন। সব মিলিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটারদের একটি বড় অংশ বিসিসিআই এর উপর খাপ্পা।

        অন্যদিকে ভারতের এসেল গ্রুপ চাচ্ছিলো ক্রিকেট ব্যবসার কিছু ভাগ পেতে। কিন্তু বিসিসিআই এর হর্তা-কর্তাদের সাথে ব্যক্তিগত ঝামেলা থাকায় একাধিক বার বেশি টাকার প্রস্তাব দিয়েও এসেল গ্রুপ ভারতের (কিংবা অন্য দেশের) ক্রিকেট সম্প্রচার স্বত্ত কব্জা করতে পারেনি। পরে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই বিসিসিআই এর উপরে যারা নাখোশ তাদের সঙ্গে নিয়ে নিজেরাই নিজেদের লীগ খুলেছে। এতে ব্যক্তিগত ভাবে আমি দোষের কিচ্ছু দেখি না।

        আইসিএল-এর বাংলাদেশ নিয়ে আগ্রহের পেছনেও কিন্তু বানিজ্য আছে। ব্যাপার এরকম যে যতো বেশি দেশ আইসিএল-এ খেলবে ততো বেশি দর্শক। ততো বেশি বিজ্ঞাপন। আপনি মানুন আর না মানুন। সমর্থন করুন আর না করুন। ক্রিকেট ফ্যান হলে আপনাকে স্বীকার করতেই হবে যে ঢাকা ওয়রিয়র্স খেলতে শুরু করার পর থেকে আপনি এই টুর্নামেন্টের খবর রাখবেন। আর তা জানে বলেই দেশের সংবাদপত্রগুলোও সিরিজের আপডেট দেবে। এভাবে বাংলাদেশের মিডিয়া আর দর্শকের একাংশ কিন্তু ওদের হাতে চলে গেলো।

        অথচ খুব সহজেই এই ক্রিকেটারদের গায়ে “বিদ্রোহী”, “বিশ্বাসঘাতক”, “অর্থলিপ্সু” তকমা লাগিয়ে দেয়া হলো। কেনো? এই তেরোজনের মধ্যে জাতীয় দলে ছিলেন মোটে ছয়জন (আফতাব, কাপালী, নাফিস, রেজা, ধীমাণ আর মোশাররফ)। তাও জানার উপায় নেই এদের মধ্যে ক’জন নিউজিল্যান্ড সিরিজে সুযোগ পেতেন। রফিক আগেই অবসর নিয়েছেন। হাবিবুলের অবস্থানও তেমন মজবুত ছিলো না। বাকিরা কেউ জাতীয় দলে খেলেনি। কথা ঠিক এদের পেছনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড শ্রম দিয়েছে অর্থ ঢেলেছে। কিন্তু তা তো মাগনা নয় খেলার বিনিময়ে।

        জবাব দিন
  11. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

    আই সি এল বিতর্কে দোষী খুজতে গেলে দুই তরফেই আঙ্গুল যাবে, দৃষ্টিভঙ্গীর পার্থক্যে সেটার মাত্রা কোন তরফে বেশি সেই বাহাস শেষ হবার নয়। ঘটনা যেটিই ঘটুক, ব্যাপারটা আমাদের ক্রিকেটের জন্য ভালো হয়নি বলেই বিশ্বাস করি। ক্রিকেট বাণিজ্যের বুর্জোয়া চাপে আমরা আমাদেরই ক্ষতিতে মেতে উঠছি। আমাদের এ যাবৎ কালের সেরা অধিনায়ককে তার প্রাপ্য সম্মানটা দেখাতে কুন্ঠা বা অপারগতা প্রদর্শন করছি। হতাশাজনক নয়কি?
    আশার কথা অবশ্য বাশার শুনিয়েছে। বিসিসিআই এর সাথে নাকি আগামী মাসে আবার বসছেন কপিলরা, আইসিসির সাথেও। ভারতীয় বোর্ডের অন্যায় সিদ্ধান্তের সমাপ্তি তাদের ক্রিকেট বাণিজ্যকে সাহায্যই করবে মনে হয়। সেই সাথে বেচে যাবে গরীব দেশের বোর্ড এবং ক্রিকেটার দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি দোষারোপের হাত থেকে।
    বাংলাদেশের ক্রিকেট এগিয়ে যাক। নতুন বছরের প্রথম মাঠে নামাটা যেন কিছুটা হলেও আনন্দ বয়ে আনতে পারে। এই প্রত্যাশায়।


    সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

    জবাব দিন
    • রহমান (৯২-৯৮)
      আই সি এল বিতর্কে দোষী খুজতে গেলে দুই তরফেই আঙ্গুল যাবে, দৃষ্টিভঙ্গীর পার্থক্যে সেটার মাত্রা কোন তরফে বেশি সেই বাহাস শেষ হবার নয়। ঘটনা যেটিই ঘটুক, ব্যাপারটা আমাদের ক্রিকেটের জন্য ভালো হয়নি বলেই বিশ্বাস করি।

      একমত :thumbup:

      বাংলাদেশের ক্রিকেট এগিয়ে যাক।

      আমিন :boss:

      জবাব দিন
      • আমিন (১৯৯৬-২০০২)

        শেষে আমার নামটা যখন আসলই কমেন্ট দিতে হয়।
        আমি বিস্তারিত মন্তব্যে যাবো না।
        কারণ আমার মতামত গুলো সাধারণ লোকদের সাথে সমান্তরালে চলে না।
        তাই কিছু না লিখি।
        এই কামনা থাকুক আইসিএল প্লেয়াররা আবার ফিরে আসুক নিষেধাজ্ঞা কাটিএ।

        আমিন আমিন আমিন।

        জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।