রাকেশ,
সরি দেরীতে মন্তব্য করছি বলে।
ছবিগুলো কোথায় কোথায় তুললে বললেনা তো। পূজার অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে লোকসমাগম, সেই ছবিগুলো মিসিং। সেখানে অনেক গল্পের অবকাশ থাকে।
ছবিগুলোকে ডিজিটালি মেক আপ করেছো মনে হয়। আমার বিবাচনায় প্রথম, মোমবাতি জ্বালানো আর ঢাকের ছবিটি মোটামুটি ভালো। বাকী ছবিগুলো তেমন ভালো লাগেনি। আশা করি মন খারাপ করবেনা।
পোস্টটায় ফাঁকিবাজি করলে প্রচুর। ছবির টেকনিকালিটি নিয়ে আলোচনা করলে আমরা একটি প্রাণবন্ত ব্লগ পেতাম।
ভালো থেকো।
না না মন খারাপ করব কেন, তবে কি না, একটা লেখা অ্যাড করতে ভুলে গেছিলাম। এবারের ছবিগুলা আমার কাছে মোটেই ভাল লাগে নাই, তাই আসলে বলা যায়, পোস্টের খাতিরে পোস্ট করা।
পয়েন্ট অ্যান্ড শুটে ছবি তোলা অনেকটা লাকের ব্যাপার, ভীড় আর লোকসমাগম তোলার জন্য শ্লো শাটার লাগে। এবার এই লাক আমাকে ফেভার করে নাই, তাই সেগুলা দিতে পারি নাই। ব্লার হয়ে যাওয়া বা প্রচুর নয়েস আছে এমন ছবি নিশ্চয়ই আশা করেন না।
ডিজিটালী মেকআপ বলতে কালার একটু ডীপ করেছি, না হলে ক্যামেরা আউটপুট একেবারেই ম্যাড়মেড়ে লাগছিল। আর টেকনিকাল অ্যাস্পেক্ট বলে কিছু নাই আসলে এখানে, পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ক্যাম।
There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx
আমাদের সবথেকে নিকট প্রতিবেশী ছিল কইয়েকটা সাহা আর ঘোষ পরিবার। ছোটবেলায় প্রতিবছর ওদের পূজো মন্ডপ দাপিয়ে বেড়িয়েছি।
আহা, সেইসব দিনগুলি... ;))
There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx
পোষ্ট আগেই পড়ে ফেলেছিলাম; কিন্তু মন্তব্য করতে দেরি হয়ে গেল। 🙁
দারুণ লাগলো রাকেশ ভাই; এবারে পূজোর দাওয়াত পেয়েছিলাম; কিন্তু মিড টার্মের জ্বালায় যাওয়া হয়নি।
আপনি পয়েন্ট অ্যান্ড শুট দিয়েই যা করতেছেন সিম্পলি মাইন্ড ব্লোয়িং। বিশেষ করে লো লাইটেও যে পরিমাণ শার্পনেশ ধরে রেখেছেন, সেই সাথে কতগুলো ছবিতে আলোর খেলা -- দারুণ লাগছে।
আমি তবু বলি:
এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..
চমৎকার হয়েছে ছবিগুলো! দেবী দূর্গার মুখটা আমার অসাধারণ লাগে!
লাস্ট ছবিতে একটু বেকে গেছে না? ক্যামের প্রবলেম
দারুন সব ছবি 🙂
আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷
🙂 🙂 🙂
ব্যাপক হইছে......... ::salute::
🙂 🙂 🙂
🙂 🙂 🙂
সৌন্দর্য্য... =))
ধন্যবাদ
ভালো লাগলো ছবিগুলো।
থ্যাঙ্ক ইউ
রাকেশ,
সরি দেরীতে মন্তব্য করছি বলে।
ছবিগুলো কোথায় কোথায় তুললে বললেনা তো। পূজার অন্যতম আকর্ষণ হচ্ছে লোকসমাগম, সেই ছবিগুলো মিসিং। সেখানে অনেক গল্পের অবকাশ থাকে।
ছবিগুলোকে ডিজিটালি মেক আপ করেছো মনে হয়। আমার বিবাচনায় প্রথম, মোমবাতি জ্বালানো আর ঢাকের ছবিটি মোটামুটি ভালো। বাকী ছবিগুলো তেমন ভালো লাগেনি। আশা করি মন খারাপ করবেনা।
পোস্টটায় ফাঁকিবাজি করলে প্রচুর। ছবির টেকনিকালিটি নিয়ে আলোচনা করলে আমরা একটি প্রাণবন্ত ব্লগ পেতাম।
ভালো থেকো।
না না মন খারাপ করব কেন, তবে কি না, একটা লেখা অ্যাড করতে ভুলে গেছিলাম। এবারের ছবিগুলা আমার কাছে মোটেই ভাল লাগে নাই, তাই আসলে বলা যায়, পোস্টের খাতিরে পোস্ট করা।
পয়েন্ট অ্যান্ড শুটে ছবি তোলা অনেকটা লাকের ব্যাপার, ভীড় আর লোকসমাগম তোলার জন্য শ্লো শাটার লাগে। এবার এই লাক আমাকে ফেভার করে নাই, তাই সেগুলা দিতে পারি নাই। ব্লার হয়ে যাওয়া বা প্রচুর নয়েস আছে এমন ছবি নিশ্চয়ই আশা করেন না।
ডিজিটালী মেকআপ বলতে কালার একটু ডীপ করেছি, না হলে ক্যামেরা আউটপুট একেবারেই ম্যাড়মেড়ে লাগছিল। আর টেকনিকাল অ্যাস্পেক্ট বলে কিছু নাই আসলে এখানে, পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ক্যাম।
লোকেশন গুলা মিক্সড -
১। কলাবাগান
২-৩। ঢাকেশ্বরী
৪-৬। কলাবাগান
৭-৯। বনানী
১০। জগন্নাথ হল
১১। শাখারীবাজার
১২-১৪। ঢাকেশ্বরী
১৫। কলাবাগান
১৬-১৮। শাখারীবাজার
১৯। কলাবাগান
(সম্পাদিত)
There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx
কতদিন পর দূর্গা প্রতিমা দেখলাম।
আমাদের সবথেকে নিকট প্রতিবেশী ছিল কইয়েকটা সাহা আর ঘোষ পরিবার। ছোটবেলায় প্রতিবছর ওদের পূজো মন্ডপ দাপিয়ে বেড়িয়েছি।
আহা, সেইসব দিনগুলি... ;))
There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx
আহা, বড় হয়ে যাওয়ার পর আমারও কবছর ধরে দেশের বাড়িতে পুজা দেখতে যাওয়া হয় না। পুজার পুরো সময়টা বলতে গেলে ক্যাম নিয়ে একাই ঢাকা চক্কর দেই
পোষ্ট আগেই পড়ে ফেলেছিলাম; কিন্তু মন্তব্য করতে দেরি হয়ে গেল। 🙁
দারুণ লাগলো রাকেশ ভাই; এবারে পূজোর দাওয়াত পেয়েছিলাম; কিন্তু মিড টার্মের জ্বালায় যাওয়া হয়নি।
আপনি পয়েন্ট অ্যান্ড শুট দিয়েই যা করতেছেন সিম্পলি মাইন্ড ব্লোয়িং। বিশেষ করে লো লাইটেও যে পরিমাণ শার্পনেশ ধরে রেখেছেন, সেই সাথে কতগুলো ছবিতে আলোর খেলা -- দারুণ লাগছে।
আমি তবু বলি:
এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..
বাহ, থাঙ্ক ইউ ভেরী মাচ 🙂