আমি

হোয়াই অলয়েজ মি? কেউ কি দয়া করে ব্যাখ্যা দেবেন আমার সাথেই কেন এমন হয়? আমি জানি আমার দুঃখের কথা আপনাদের কাছে প্যানপ্যানানি লাগবে। প্যানপ্যানানি হবেই বা না কেন? যে তীব্র অনুভূতির সাথে নিজের কোন যোগ নেই সেটা কেন যেন সহানুভূতির চেয়ে আমাদের মনে বিরক্তি বা হাসিরই উদ্রেক করে বেশী।

 

ছোটবেলা থেকে আশেপাশের মানুষের ঘৃণাটাই বেশী পেয়েছি। চেহারাটা তেমন একটা সুবিধার নয় বলে। এই নিষ্ঠুর পৃথিবী আমাদের চেহারা দিয়েই বিচার করতে শিখেছে। আমিও খুব কম বয়সে এই সত্যটা আবিষ্কার করে এর সাথে মানিয়ে নিতে শিখে গেছি। মাঝে মাঝে খুব যে খারাপ লাগতোনা তা নয়। লাগতো। একটু বেশীই লাগতো। মনে মনে অপেক্ষা করতাম কোনো একটা মিরাকলের জন্য। যখন আর কিছু করার থাকে না তখন “মিরাকল স্টিল হ্যাপেনস’’ ভেবে চুপচাপ আংগুল চোষাটাই বাঞ্ছনীয়।

 

তবে আংগুল বেশীদিন চুষতে হয়নি। অচিরেই সৃষ্টিকর্তা আমার দিকে চোখ তুলে তাকালেন যেন। হুম, তাকাবেনই তো। তিনি তো আর চেহারা দিয়ে তার সৃষ্টিকে বিচার করেন না।  ফলস্বরূপ আমি নিজেকে আবিষ্কার করলাম ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রী হলে। যারা জানেননা তাদের উদ্দেশ্যে বলছি,এটি বাংলাদেশের চিকিৎসক হয়ে ওঠার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ। এখানে আসার পেছনের ইতিহাস বলতে গেলে নতুন আরেক কাহিনী ফাঁদতে হবে। সেটা না হয় আরেকদিনের জন্য তোলা থাক?

 

আমি নিয়তি বিশ্বাস করি। লেডিজ হলের মামার ক্যান্টিনের তিন টাকার ভাত খাওয়া যার নিয়তি…… তাকে বেশীদিন নিষ্ঠুর মানুষের গঞ্জনা খেতে হয় না। হল লাইফ ভালোই চলছিল। নিজের মত থাকি এখানে। কেউ আমাকে ঘাঁটায় না, আমিও কাউকে ঘাঁটাই না… ব্যস! খাই দাই ঘুমাই ঘুরে বেড়াই। এক্কেবারে স্বাধীন জীবন। এরকম ভালো থাকতেই চাইতাম সব সময়। ঠিক এতটুকুই। এর চেয়ে বেশীও না। এর চেয়ে কমও না। কিন্তু আমাদের চাওয়া না চাওয়া দিয়েই কি সব কিছু হয়? সৃষ্টিকর্তা বলে তো একজন উপরে বসে আছেন। তারই নির্দেশে তার বিশ্বস্ত দেবদূত কিউপিড সবার হৃদয়ে তীর মেরে বেড়ায়।

 

আমিও ব্যতিক্রম হতে যাবো কেন? তাই দুম করে “ওর’’ প্রেমে পড়ে গেলাম। মনীষীরা বলেন… “ওয়ান সাইডেড লাভ ইজ নট ট্রু লাভ”। মনীষীদের কথা সত্যি প্রমাণিত করে দু’জন দু’জনের প্রেমে হাবুডুবু খেতে থাকলাম। কিউপিডের তীর জায়গা মত বিধেছে। মূর্খ আমি, অসুন্দর আমি যে কারো কাছে এতটা মূল্যবানও হতে পারি এ ধারণাটা আমাকে বিস্ময়ে অভিভূত করে দেয়। গলার কাছে সুখ দলা পাকিয়ে বসে থাকে। চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে… “আই এম দা হ্যাপিয়েস্ট অন আর্থ’’।……চোখের পানে চাহিনু অনিমেষে, বাজিল বুকে সুখের মত ব্যথা।

 

সে এই ক্যাম্পাসের কেউ নয়। বহিরাগত। একটুখানি ভালোবাসার কাঙ্গাল আমি তাকে চোখ বুজে বিশ্বাস করেছি। আফটার অল, সে এই পৃথিবীর প্রথম ব্যক্তি যে আমাকে আমার চেহারা দিয়ে বিচার করেনি। করেছে আমার ভেতরের জিনিসটাকে দিয়ে। প্রিয় পাঠক, বিরক্ত হবেননা। আমার প্যানপ্যানানি প্রেম কাহিনী আর দীর্ঘায়ীত করবো না।এই শেষ হয়ে এল বলে……

 

একজন বয়োজ্যেষ্ঠকে সাক্ষ্য রেখে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলাম যে আমরা দুজন দুজনের হব। সারাজীবনের জন্য। বোকা আমি। বিশ্বাস করেছিলাম এ কথা। আমার শরীরে তার ভালোবাসার চিহ্ন নিয়ে ফিরে এলাম হলে। তার যা পাওয়ার দরকার ছিল সে পেয়েছে। তার দেখা আর দ্বিতীয়বারের মত পাইনি। সে কোথায় যেন চলে গেছে। চিরতরে। ভেবেছিলাম, সে দেখতে যেমন সুদর্শন মনটাও হয়তো তেমন। ভুল। তার সুন্দর চেহারাটাকে ব্যালান্স করতেই সৃষ্টিকর্তা তাকে ধোকাবাজ করে সৃষ্টি করেছেন। “ফুলস লার্ন ফ্রম দেয়ার ঔন ইক্সপিরিয়েন্স। ক্লেভারস লার্ন ফ্রম আদার্স’’। আমি ফুল। তাই নিজের অভিজ্ঞতা থেকে আজীবন শিখেছি। শিখেই যাবো। “শোন ছেলে, তোমাকে আমি ঘৃণা করি। তবে, কাপুরুষের মত আমাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার পর থেকে’’। তার ভালোবাসার শেষ নিদর্শনকে বাঁচিয়ে রাখতে চেষ্টা ছিল আপ্রাণ। আমার শেষ সান্ত্বনা, কুৎসিত আমি হয়ত এত ভালবাসা ডিজার্ভ করি না। ভালবাসা কেবল সুন্দরদের জন্য।

 

জানুয়ারী মাসের শুরুর দিকে ছিল আমার ডেলিভারি ডেইট। শীতের সময়। কিন্তু আমার অনাগত সন্তাদের জন্য দরকার অনেক খানি উষ্ণতা। বেঁচে থাকার মত উষ্ণতা। তাই আমি সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য বেছে নেই ক্যান্টিনের উপরতলার দুই নং গণরুম। এই রুমের সুবিধা হলো

 

১) ধারণ ক্ষমতার চেয়েও ঘনবসতি জনিত উষ্ণতা।

২) কিছু খাদক মেয়ের কল্যাণে ডাস্টবিনে অসীম খাবারের সাপ্লাই।(মাঝে মাঝে নান্নার বিরিয়ানীর খাসির টুকরাও খুঁজে পাওয়া যায় ভাগ্য ভালো থাকলে)

৩) দরজায় কখনোই তালা মারা হয় না। প্রবেশাধিকার উন্মুক্ত।

 

ভারী শরীর নিয়ে নড়াচড়াও বেশী করি না। বেশি বেশি খাওয়া দাওয়া করি। আর রাতদিন সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি যেন আদরের মানিকেরা তাদের বাবার চেহারা পায়। এই পৃথিবী কুৎসিত দের জন্য নয়।

 

হতভাগ্য আমার দুঃখের গল্প হিন্দী মেগা সিরিয়ালের মতই লম্বা। তাইতো গণরুমে নতুন ব্যাচের এক খাণ্ডারনি মেয়ের আগমন ঘটেছিল। ক্যাঁচ ক্যাঁচ করে সারাদিন চিকার মত বক বক করে মাথা ধরিয়ে দিত। আর আমাকে দেখলেই বিষ দৃষ্টি নিক্ষেপ করতো। যেন আমি তার বাড়া ভাতে ছাই দিয়েছি। অন্যদের কথা বার্তায় বুঝেছিলাম তার নাম ইভা। এক দুপুরে আমি যখন প্রেয়ার রুমের সামনে পায়চারি করছিলাম তখন সুযোগ বুঝে নিষ্ঠুর ইভা আমার পেটে কষিয়ে দেয় এক লাথি। পাঠক, বলুনতো আমার কি অপরাধ ছিল সেদিন? আমার ভালোবাসার চিহ্নকে জিইয়ে রাখা? বিশ্বাসঘাতকতার বেদনাকে ভুলে থাকার চেষ্টা করা?আমি জানি তীব্র ব্যথায় আমার “ম্যাও’’ চিৎকারে সেদিন কারো মনে সমবেদনা জাগেনি। জাগার কথাও না। যতটুকু এই পৃথিবীকে চিনেছি।

 

অবশেষে আমি জন্ম দিয়েছিলাম আমার আদরের চার মানিককে। গণরুমে তিথি নামের এক মেয়ের চৌকির নীচে কাগজের কার্টনে। আমার পাশে সেদিন কেউ ছিল না। ব্যাপারটা যখন আবিষ্ক্রৃত হল তখন নিষ্ঠুরতার মেলা বসলো যেন। নিস্তেজ আমি খাবারের সন্ধানে যখন ক্যান্টিনের পেছনে খেতে গিয়েছিলাম সেই সুযোগটাই নিয়েছিল তারা। একদল বীর(?) তরুণির সকল বীরত্ব চারটি মাসুম বিড়াল শাবকের সাথে। আমি ফিরে এসে দেখি আমার তিন মানিক ঠাণ্ডায় জমে সিঁড়ির পাশে পড়ে আছে। দুইজন মৃত। একজন মৃতপ্রায়। তবে সবচেয়ে দূর্বলজনের হদিস তারা পায়নি। সে চৌকির নীচেই তখনো ছিল। সবার অগোচরে। মুখ দিয়ে শব্দ করার ক্ষমতা তার ছিল না। এজন্যই হয়ত তাকে খুঁজে পায়নি পিশাচীনির দল। আমি নীরবে তাকে মুখে করে নিয়ে ফিরে আসি।

 

আমার যে তিন মানিক সে রাতে মারা গিয়েছিল, তারা বাবার চেহারা পেয়েছিল। সবচেয়ে দুর্বল…ঠিক আমার মত দেখতে মেয়েটা বেঁচে গিয়েছে অদৃষ্টের নিষ্ঠুর পরিহাসে। প্রকৃতি পুনরাবৃত্তি পছন্দ করে। আমার দুর্ভাগ্যের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে তাকে বাঁচিয়ে রাখা প্রকৃতির বড় প্রয়োজন ছিল।

 

আমি কুৎসিত, বোকা। নোংরা রকম ক্ষমাশীল ও বটে। নইলে সে রাতেই গোটা কয়েক মেয়েকে খামচে তাদের মাঝে ভাইরাস সংক্রমণ করা কোন ব্যাপারই ছিল না। মেয়েকে এ ঘটনা জানাবো না কখনো। নইলে প্রতিশোধ নেইনি দেখে মা কে সে কখোনোই ক্ষমা করবে না। দুর্বলের মত সৃষ্টি কর্তার কাছে নালিশ জানিয়ে যাই। বিচার তিনি একদিন করবেনই। নিশ্চয়ই করবেন।

 

 

পরিশিষ্টঃ

মিউনিসিপ্যালিটির ময়লার গাড়ীতে তিনটা বিড়াল ওয়ালা একটা বস্তা তুলে দিয়েছে নূর ইসলাম। বেশী না। মাত্র পঞ্চাশ টাকা দিতে হয়েছে গাড়ির ড্রাইভারকে। বিনিময়ে বুড়িগঙ্গা নদীতে ফেলে দেয়া লাগবে বস্তা টা। দূরে ছেড়ে দিয়ে আসলে লাভ হয় না। আবার ফিরে আসে। একবারে সলীল সমাধি হওয়া দরকার শয়তান গুলোর।

 

বিড়ালগুলা ক্যান্টিনে বড় উৎপাত করে। ক্যান্টিনের বড় মামা তিনশো টাকা পুরস্কার ঘোষণা দিয়েছিলেন এগুলো চিরতরে বিদায় করার জন্য। ক্যান্টিন বয় নূরু সফল। তিন সপ্তাহ পর ও বিড়াল গুলো ফিরে আসেনি। আজ তাই টাকা হ্যান্ডওভার করে দিলেন নূরুকে প্রতিজ্ঞামতো। ময়লার গাড়ির ড্রাইভারকে দেয়ার পরেও নেট লাভ আড়াইশো টাকা। টাকার নোটে চুমু খেয়ে পকেটে পুরলো সে। তার নির্দেশে পিচ্চি ইমন আর মামুনই বহুত খাটনি করে বিড়াল ধরেছে। কিন্তু সত্যি কথার বেইল নাই এখন। তাই তারা নূরুর কাছ প্রাপ্য টাকার ভাগ চাইতে এসে “হারামজাদা কানের নীচে দিমু একটা’’ হুমকি খেয়েছে।

 

বস্তাটার ভেতরে হু হু করে পানি ঢুকছে । নোংরা তিনটা বিড়াল বুঝে গেছে মৃত্যু আসন্ন। তবে তাদের মাঝে সবচেয়ে সুন্দর সুদর্শন ধব্ধবে সাদা পুরুষ বিড়ালটা মরেছে এক বুক আনন্দ আর আফসোস নিয়ে……।

 

আনন্দঃ পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মনের অধিকারীকে সে কিছুদিনের জন্য হলেও জীবনসঙ্গী হিসেবে পাশে পেয়েছে । তার গর্ভে রেখে যাচ্ছে তার সন্তান।

 

আফসোসঃ সন্তানদের নিজ চোখে দেখা হলো না। আর প্রিয়তমাকে কেন ছেড়ে চলে গেল তার কারণটাও ব্যাখ্যা করে যেতে পারলো না।

১,৫৭৫ বার দেখা হয়েছে

২২ টি মন্তব্য : “আমি”

  1. মোকাব্বির (৯৮-০৪)

    অবশেষে লেখিকার ব্লগে আগমন। :hatsoff:

    প্রোফাইল সেকশানে গিয়ে Nick Name (required) এর ঘরে নিজের নামটা সম্ভব হলে বাঙলায় এবং সাথে অবশ্যই অবস্থানকালীন সময়টা লিখে দাও।

    এরপরে নিচের ঘরে Display Name As এ গিয়ে যেটা নিকনেম দিয়েছ সেটা সিলেক্ট করে দাও। নামটা তাহলে এরকম দেখাবে নাজিয়া (২০০৬ - ২০১২)


    \\\তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা
    অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিল পিতামাতার লাশের ওপর।\\\

    জবাব দিন
  2. তাওসীফ হামীম (০২-০৬)

    ল্যাপ্টপ পাইসো শুনে লেখার অপেক্ষা করছিলাম, ব্লগে স্বাগতম, লাগাও ফ্রন্টরোল।
    লেখা ভালো হইসে, এক টানে পড়লাম, কোথাও ছড়ে নাই। 🙂


    চাঁদ ও আকাশের মতো আমরাও মিশে গিয়েছিলাম সবুজ গহীন অরণ্যে।

    জবাব দিন
  3. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    বিড়াল মারার একতা সিস্টেম আছে, লেজ ধরে ঘুড়িয়ে সিমেন্টের মেঝেতে আছাড়।
    আর খুব সম্ভবত বিড়ালের ওজনের পরিমাণ লবণ বা লবণের টাকাটা মসজিদে দিতে হয়।

    বিড়াল আমার খুব প্রিয় প্রাণি। বিড়াল পালার খুব শখ ছিলো। মার শ্বাসকষ্ট থাকায় কোনদিন পালতে পারি নাই।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  4. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    দূর্দান্ত লিখেছো, প্রথম লেখাই যদি এই মাপের হয় তাহলে না জানি সামনে আরো কি অপেক্ষা করছে।

    ব্লগে স্বাগতম, আশা করি নিয়নিত লিখবে। হ্যাপি ব্লগিং...


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  5. রাব্বী আহমেদ (২০০৫-২০১১)

    ব্লগে স্বাগতম। সত্যি বলতে এই ধরণের গল্পের সাথে বেশ পরিচিত তাই ধাক্কা সেভাবে খাইনি। লেখার সাবলীলতা আনতে কথ্য ভাষা যত পারো বাদ দাও। আর যারা জানেননা তাদের উদ্দেশ্যে বলছি,এটি বাংলাদেশের চিকিৎসক হয়ে ওঠার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ। এ ধরণের লাইন গল্পে আমিত্ব ভাব প্রকাশ করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ যে দেশের প্রথম মেডিকেল কলেজ এটা সবাই জানে। যাহোক প্রথম ব্লগে কড়া সমালোচনা হয়তো খারাপ লাগবে। তবে লিখতে থাকো হাত খুলে। শুভেচ্ছা রইলো 🙂 🙂


    নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরে কাঁদতে নেই
    খুব সহযে বিশ্বাসে বুক বাঁধছ কেন, বাঁধতে নেই
    বুকের কিছু গভীর কান্না চোখের মাঝে আনতে নেই
    কিছু অতীত স্মৃতির কথা জানার চেষ্টা বৃথাই, জানতে নেই...

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।