কিভাবে মেডিটেট করবো – বাংলা – সিম্পল সাইন্টিফিক উপায়ে মেডিটেশন

প্রথম পোস্ট তাই খুবই আশঙ্কায় আছি।

এই ভিডিও ব্লগ এ চেষ্টা করেছি কোন ব্যাপার গুলো আমাদের ক্রনিক স্ট্রেস জন্ম দেয়, কেন মেডিটেশন করা দরকার এবং খুব এ সিম্পল ওয়ে তে কিভাবে মেডিটেশন করা যায়।

আপনাদের মতামত জানাবেন।

ধন্যবাদ।

১১ টি মন্তব্য : “কিভাবে মেডিটেট করবো – বাংলা – সিম্পল সাইন্টিফিক উপায়ে মেডিটেশন”

  1. জিহাদ (৯৯-০৫)

    ভাই, আপনার সাথে আই ইউ টি থাকতে কোনদিন কথা হয়নাই। প্রথম ইন্টারএকশন হচ্ছে বরং ব্লগের মন্তব্যে। এরেই বলে কপাল!

    ভিডিও ভালো লাগলো। পুরোটুকু দেখলাম। দেখি চেষ্টা করে কিছু লাভ হয় কীনা 😀


    সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

    জবাব দিন
  2. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    ব্লগে স্বাগতম।
    ভিডিও দেখে মন্তব্য জানাবো।
    তবে বিষয়বস্তু আর ভিডিওব্লগ দুটো ব্যাপারই ভালো লেগেছে।
    লেখালিখি জারি থাকুক।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  3. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    ব্লগে স্বাগতম।
    স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থাপনা মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। মেডিটেশন বা ধ্যানের সহজ পদ্ধতিগুলো আমাদের জন্যে বেশ কাজের হবে।
    পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

    দুটো পর্যবেক্ষণ, যদি কিছু মনে না করো --
    'Chronic' বানান ভুল দেখানো হয়েছে।
    চিকিৎসা সংক্রান্ত এবং দৈনন্দিন --- দুই ধরণের শব্দই বহুলভাবে ইংরেজি আশ্রিত হয়ে পড়েছে। এটি এড়ানো গেলে আরো আকর্ষক হতো বলে আমার ধারণা।

    জবাব দিন
    • শরীফ (৯৮-০৪)

      ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার সুন্দর পর্যালোচনার জন্য।

      প্রথম ভুল টি ভিডিও টি আপলোড করার পর ই ধরতে পারি। সময়ের অভাবে আর ঠিক করতে পারি নি।

      অত্যন্ত দুঃখিত বাংলা এবং ইংরেজি গুলিএ ফেলার জন্য। আরো মনোযোগী হবো।

      জবাব দিন
  4. পারভেজ (৭৮-৮৪)

    হুম। দেখলাম।

    অতীত মানেই ডিপ্রেসিভ - ঠিক না।
    আবার যত ডিপ্রেসিভ অতীতই হোক, সেটা ভুলে যাওয়াটাও কোন কাজের কথা না।
    অতীত থেকে ডিপ্রেসড না হয়েও লেসন নেয়া যেতে পারে এবং তা মেডিটেশন ছাড়াও সম্ভব।

    একইভাবে ভবিষ্যৎ মানেই এংজাইটি, সেটাও ঠিক না।
    আবার ভবিষ্যতটা যত এংজাইটিপূর্নই হোক, সেটা মোকাবিলার জন্য সেটাকে ভেবে প্রস্তুতি নেবার থাকে।
    এংজাইটি আক্রান্ত না হয়ে মেডিটেশন ছাড়াও সেটা করা সম্ভব।

    এই কথাগুলোর স্বীকৃতিও রাখা যেতো।

    মেডিটেশন মে বি ওয়ান অব দ্যা চয়েসেস এবং অবশ্যই এট সাম কস্ট (শুধু টাকা নয়, সময়েও)। কিন্তু এটা দেখতে বসে মনে হয়েছে, মেডিটেশনটাই বোধ হয় একমাত্র চয়েস। সেটা ঠিক না।

    সারাজীবন ধরে মেডিটেশন করে মন টিক রাখা লাগবে, কেমন যেন একটা রেজিমেন্টেড লাইফের গন্ধ পাচ্ছি।
    ব্যাপারটা থেকে বোরডম আসাটা খুবই স্বাভাবিক বলে কেন যেন মনে হচ্ছে।

    আর হ্যাঁ, কোন সমস্যারই ওয়ান বেস্ট সলুশন নেই।
    থাকার কথাও না।
    মেডিটেশনের পরেও যাঁদের সমস্যা রয়ে যাবে, তাদের ফ্রাসট্রেশন কি আরও বাড়বে না?


    Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

    জবাব দিন
    • শরীফ (৯৮-০৪)

      ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার সুন্দর পর্যালোচনার জন্য।

      অতীত এবং ভবিষ্যৎ মানেই ডিপ্রেশন এবং এংজাইটি - এটি আমার উপস্থাপনার ভুল।

      "মেডিটেশন মে বি ওয়ান অব দ্যা চয়েসেস" - অবশ্যই। স্ট্রেস রিলিফ করার অনেকগুলো স্বাস্থ্যকর উপায় আছে।

      "সারাজীবন ধরে মেডিটেশন করে মন টিক রাখা লাগবে" - ভাইয়া মেডিটেশন বলতে আমি বর্তমান এ থাকার প্র্যাকটিস টাই বুঝি। অন্য যে কোনো কাজের মাধ্যমেও বর্তমান এ থাকার প্র্যাকটিস করা যায়। যেমন - যে কোনো "flow state activities"। বর্তমান এ থাকাটা ওয়ান অফ দা বেস্ট সল্যুশন।

      "মেডিটেশনের পরেও যাঁদের সমস্যা রয়ে যাবে" - তখন মনে হয় ব্যাপারটা আর প্রিভেন্টিভ পর্যায়ে থাকে না। বিজ্ঞ কোনো সাইকিয়াট্রিস্ট ভালো বলতে পারবেন।

      জবাব দিন

মওন্তব্য করুন : সাবিনা চৌধুরী (৮৩-৮৮)

জবাব দিতে না চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।