পুষ্প তুমি কার

এক.
রাজশাহী। নতুন জায়গা এবং বিরক্তিজনকভাবে প্রচণ্ড গ্রীষ্মপীড়ীত এলাকা। আমার এখানকার কর্মস্থলের প্রথম দিন। প্রচন্ড গরম আর এখানকার অফিসের যাচ্ছেতাই অবস্থা আমার মেজাজটা এমনিতেই অনেক গরম করে রেখেছে। মানুষ হিসেবে আমি যথেষ্ট রূঢ় প্রকৃতির বিশেষত যখন আমার মেজাজ অনেকটা চড়ে থাকে। হয়ত আজকে একটু বেশিই হয়ে গেছে। অফিসের কম্পিউটার সেকশনের মেয়েটা নাকি আমার ঝাড়ি জাতীয় কথাগুলো শুনে তার টেবিলে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিল। খুব একটা খারাপ হয়েছে ব্যাপারটা তা আমার মনে হচ্ছে না। কাজ না পারলে এরকম কথা কেন আরো অনেক কঠিন পরিস্থিতি আমি তৈরি করে দিব যে কারো জন্যে। আর এ তো অল্প কান্না। সামনে থেকে এর জন্যেই ঠিকমত কাজ করবে। গরমটা আজকে বেশিই বিরক্ত করছে। একটা রিকশা নিতে হবে বাসায় যাবার জন্যে। এই অগোছালো অফিসের গাড়ীটাও নষ্ট হয়ে আছে। সামনে দাঁড়িয়ে থাকা কতগুলো রিকশার দিকে এগিয়ে গেলাম। মোটামুটি ভাবে হিসেব করলে আমি এখন পর্যন্ত ছয়টা রিকশা দেখলাম কেউই তিরিশ টাকার নিচে যেতে চায় না। অনুভব করতে পারছি মাথার ভেতরের তাপমাত্রা ভালোই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এইটুকু রাস্তা যেতে তিরিশ টাকা ভাড়া চায়। ছোট্ট একটা শহর তার রিকশাওয়ালাদের ভাব একেবারে ঢাকার মত। বলে কিনা “মামা, তিরিশ টাকায় গেলে যান। না গেলে না যান।” অগত্যা কি করা যথেষ্ট তর্কের পরে একজনকে পেলাম যে পঁচিশ টাকায় যেতে রাজি হল। এটাও বেশি হয়ে যাচ্ছে তারপরও আমি তিরিশ টাকা চাওয়া সেই “গেলে যান না গেলে না যান” রিকশাওয়ালার দিকে বিজয়ীর দৃষ্টি দিয়ে রিকশায় চেপে বসলাম। দুপুরে অফিসের খাবারটাও ভাল ছিল না। খাই নি কিছুই বলতে গেলে। গরম, অফিসের বিশৃংখলা আবার খালি পেট আমার আজকে মেজাজ খারাপ হওয়াটা আমি দোষের মনে করছি না। তারপরও আজ আমার অনেক ভাল লাগছে। কারণ আজ জিনিয়া আমার জন্যে প্রথম রান্না করেছে। জিনিয়া আমার স্ত্রী। আজকে দিয়ে বিয়ের মোটে আঠাশ দিন হবে। বিয়েটা এখন বেশ মধুর লাগলেও জানি কিছুদিন পর গতানুগাতিক অন্য সাধারণ পুরুষদের মত আমিও নিজেকে কুরবানির বকরি ভাবা শুরু করব। তবুও বিয়েটা ভাল লাগছে। গত তিন সপ্তাহে জিনিয়া আমার মায়ের কাছে রান্নার উপর মোটামুটি ভাল একটা কোর্স করেছে। শশুরবাড়িতে তার নব্যলব্ধ প্রতিভা দেখাতে দেননি আমার মা। জিনিয়ার রান্না না জানাটা আমাদের দীর্ঘ তিন বছরের সম্পর্কটাকে প্রায় অর্থহীন করে দিচ্ছিল। আমার মা বাধ সেধেছিলেন। “ঘরের কাজ জানে না এমন মেয়ে নিয়ে সংসার করবি কিভাবে। এখানে বিয়ে হবে না তোর।” “জিনিয়াকে ছাড়া বাঁচবো না। বিষ খাবো” এই ক্ষুদ্র জীবনে দেখা কয়েকটা বাংলা সিনেমা সেই দিন প্রমাণ করলো তারা কতটা উপকারি। আমার এই ধার করা ডায়লগ পিতামাতা মহলে অভাবনীয় প্রভাব বিস্তার করে যার ফলাফল আঠাশ দিন আগে পাওয়া গেছে। যদি আমার কর্মজীবী শাশুড়ী আরেকটু যত্নবান হতেন তাহলে আমাকে এই ডায়লগ দিতে হত না। হয়তো আমার এই ডায়লগ মত কাজ না হলে আমি সেটা বাস্তবায়িত করে ফেলতাম প্রেমের উপন্যাসের প্রেমিকের মত। যাই হোক সৌভাগ্যক্রমে তা হয়নি।

_ এই তুমি কখনো জিনিয়া ফুল দেখেছ?
ফুলের ব্যাপারে আমার ধারণা যে একেবারেই শুন্যের পর্যায়ে। যদিও জিনিয়া একটি অতি সাধারণ প্রচলিত ফুল তারপরও ওটা আমি অধম চিনি না। দেখেছি ধরে নিয়েই বললাম “হ্যাঁ চিনব না কেন?” হয়ত শুধুই হ্যাঁ বলা উচিত ছিল তার সাথে ওভার কনফিডেন্স দেখানো উচিত ছিল না।
-বলতো এর মধ্যে জিনিয়া ফুল কোনটা?-এক সারি টবের দিকে ইঙ্গিত করে জিজ্ঞেস করে ও।
আমি এবার সত্যিকারের বিপদে পড়লাম। আমি তো জিনিয়া ফুল চিনি না। এমসিকিউ পরীক্ষায় চারটা অপশন থাকে। না পারলে উপু দশ বিশ করে উত্তর দিয়ে দিতাম। আর এইখানে টব আছে বারোটা। কি করবো? ভাগ্যের উপর ছেড়ে দিয়ে চোখ বন্ধ করে দশ বিশ গুনলাম। ভাগ্যকে অনেক সুপ্রসন্নই মনে হল। যেখানে একশ হল সেটা একটা হালকা হালকা গোলাপি সাদা ফুল। সুন্দর ফুল মনে হল এটাই জিনিয়া। বলে দিলাম – এইটা। কিছুক্ষণ পরেই জেনেছিলাম ওটা গোলাপের একটা ভ্যারাইটি।

-এই এই যে এখানেই রাখ। এসব চিন্তা করতে করতে কখন যে বাড়িতে চলে এসেছি। বাসাটা হয়েছে তিন তলায়। নিশ্চই আজ অনেক ভাল কিছু রান্না করেছে। ক্ষিদে পেট অনেক ভাল লাগছিল খাবারের কথা ভেবে। কলিংবেল টিপতেই দরজাটা খুলে দিল। কোমরে শাড়ি পেঁচানো ঘর্মাক্ত জিনিয়াকে আমার বেশ সংসারী মনে হল। মা থাকলে বলা যেত “মা এই মেয়েও পারে”। খেয়াল করলাম হাতে একটা ব্যান্ডেজ।
-এ কি? হাতে ব্যান্ডেজ কেন?
– কড়াই ধরতে গিয়ে ছ্যাঁক লেগেছে। ঠিক হয়ে যাবে।
– কোথায় ঠিক হবে? দেখি দেখি কতটুকু পুড়েছে?- হাত টা ধরতেই ঝাঁকি দিয়ে হাত সরিয়ে নিল।
-আহ বললাম তো ঠিক হয়ে যাবে। তুমি যাও ফ্রেশ হয়ে এস আমি খাবার দেই।
এরকম অপরিচিত ব্যবহারে রাগ হল। কিছু না বলেই ঘরে এসে কাপড় ছাড়লাম। বাথরুমে হাত মুখ ধুয়ে ডাইনিং টেবিলে বসলাম। খুব বেশি কিছু রান্না করতে পারেনি। হয়তো প্রথমদিন বলেই। শুধু একটা পদ মুরগির মাংস। যাই হোক আমার জন্য ওর প্রথম রান্না তাই পদসংখ্যা নিয়ে মাথা ঘামালাম না। বসে পড়লাম।
_শোন তাড়াতাড়ি খেয়ে আমাকে বল কেমন হয়েছ।- প্লেটে ভাত তরকারি তুলে দিতে দিতে বলে ও।
-কেন তুমি খেয়ে দেখ নি।- কিছুটা রাগ দরজার কাছেই হয়েছিল তারই বহিঃপ্রকাশ হল।
-তোমাকে না খাইয়ে আমি কিভাবে আগে খাই বল।-
সব রাগ পানি হয়ে গেল। কথাটা আমার দেখা গুটিকতক বাংলা সিনেমাতেও অনেক শুনেছি। তারপরও আমার জন্যে এতখানি ভালবাসা নিয়ে কেউ এই কথাটা বলতে পারে ভেবে আমার চোখে কেন জানি পানি আসি আসি করছিল। মাথা নিচু করে আটকাতে চাইলাম। নাহ আটকানো সম্ভব না ওর সামনেও পানি বের করা যাবে না।
-এই যা।
-কি হল আবার খাচ্ছ না কেন?
-হাত-মুখ ধুতে ভুলে গেছি। অজুহাতটা ভাল বলে মনে হল নিজের কাছে। বাথরুমের দিকে হাঁটা দিলাম। বেসিনে মুখ ধুব বাথরুমের দরজা বন্ধ থাকবে। চোখের পানি বের হলে সমস্যা নেই কেউ দেখছে না। মিথ্যা বলে দ্বিতীয়বার হাত-মখ ধুয়ে টেবিলে ফিরে এলাম। কিছু না বলে খাওয়া শুরু করলাম। মুরগির ঝোল মেখে কিছুটা ভাত মুখে দিলাম। মুখে দিয়েই বুঝতে পারলাম না আমি ঝোল মেখে দিয়েছি নাকি শুধুই পানি।
-কি রান্না কেমন হয়েছে?
ওর মুখের দিকে তাকালাম। বলতে পারনলাম না তোমার রান্নাই হয়নি। কিছু না বলে জিজ্ঞেস করলাম “তুমি খাবে না ?”
-বললাম না তোমাকে যে তোমাকে না খাইয়ে আমি খাব না। রান্না কেমন হয়েছে সেটা বল।
ওর পোড়া হাতটার কথা চিন্তা করলাম। ভাবলাম কতখানি ভালবাসা নিয়ে ও রান্না করেছে আমার জন্যে। কতখানি ভালবাসা নিয়ে ওই কথাটা বলেছে। তারপর বললাম “অসাধারণ” ওর মখে একটা হাসি দেখলাম যা আগে কখনো দেখি নি। এতটা সুন্দর লাগছিল ওকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।
-আমার দিকেই তাকিয়ে থাকবে নাকি খাবে?
-ও হ্যাঁ। খাওয়া শুরু করলাম আবার। মাংসের একটা টুকরা মুখে দিতেই ওর সেই হাসি সেই ভালবাসা সব অর্থহীন মনে হল। মনে হল সত্যি কথাটা বলে দেয়া দরকার ছিল। পুরোটাই কাঁচা। তারপরও কেন জানি না পারলাম না। মাংশাসী জন্তুর মত কাঁচা মাংস আর ভাত খেতে লাগলাম। মুখের আকারো ঠিক রাখলাম। কষ্ট হচ্ছিল খেতে। গলা দিয়ে নামতে চাইছিল না। অনেক রাগ হচ্ছিল নিজের উপর। যেচে পড়ে কষ্টভোগ। তার চেয়ে বেশি রাগ হচ্ছিল জিনিয়ার উপর। মনে হচ্ছিল ভাতের থালাটা ছুঁড়ে ফেলে দেই আর মধ্যযুগীয় বর্বর স্বামীর মত আচরণ করি। মা থাকলে বলতে ইচ্ছে করছিল “তোমার কথা না শুনে ভুল করেছি মা। দেখ আজ কুকুর বিড়ালের মত কাঁচা মাংস খাই” এসব ভাবতে ভাবতেই মুখটা হয়তো বিকৃত হয়ে গিয়েছিল।
-খেতে ভাল হয়নি?
-না না সেটা না। খেতে ভাল হয়েছে।
-তাহলে মুখ ওরকম করছ কেন পেঁচার মত?
-আজকে অনেক গরম, অফিসের কাজ। মাথাধরেছে।
-ও।তুমি শুয়ে পড় তাড়াতাড়ি আমি বিছানা করে দিচ্ছি।–ও চলে গেল শোবার ঘরের দিকে।
আমি খাবার পর তো ও খাবে। এই জিনিস তো ও খেতে পারবে না। আবার আসল কথা জানানোও যাবে না। কি করা যায়? আইডিয়া! তরকারির বাটিটা ফেলে দেই বলব খেয়াল করি নি পড়ে গেছে। বাসন পড়ার আওয়াজে ও ছুটে এল। মেঝেতে তরকারি পড়ে একাকার। আমার দিকে রাগান্বিত একটা দৃষ্টি দিল।
-সরি আমি দেখি নি। হঠাৎ…
-থাক। আমি পরিষ্কার করে দিচ্ছি। শুয়ে পড়।
ভালই বুদ্ধি করেছি ভেবে শোবার ঘরের দিকে যাচ্ছি। মনে হল রান্নাঘরে তো এখনো কড়াইয়ে মুরগির মাংস আছে। ওইটা ও খাবে। আর আমাকেও খাওয়াবে। একটু আগের বিভিষীকার কথা মনে পড়ে গেল। এখন উপায় ? ভাল একটা উপায় পেলাম। ও মেঝে পরিষ্কার করছে টেরও পাবে না। বাথরুমে ঢুকে গেলাম। আমার তেলাপোকা দরকার। জিনিয়া ঘরদোর পরিষ্কার রাখে অনেক। ও জিনিস পাওয়া ভালই দুঃষ্কর হবে আমার জন্যে। তারপরো এদিক ওদিক তাকিয়ে শেষে কমোডের ভেতরে সেই প্রজাতির একজনকে মহানন্দে ঘুরে বেড়াতে দেখলাম।এক হাতে নাক ধরে পাকস্থলি হতে জিনিয়ার রান্না করা কুখাদ্যগুলোর উঠে আসা ঠেকিয়ে তাকে ঠিকঠাক কমোড থেকে বের করে আনলাম। বাইরে জিনিয়া এখনো মেঝে পরিষ্কার করে। সোজা রান্না ঘরে চলে গেলাম। কড়াইয়ের মাঝে ছেড়ে দিলাম তেলাপোকা।
-এদিকে এসে একবার দেখে যাও। তোমার রান্নাঘরের অবস্থা।–ওকে ডাকলাম ডেকে তেলাপোকা দেখালাম। এখন এটা ফেলে দিতেই হবে। মনে মনে অনেক আনন্দ হচ্ছিল
-তুমি আর কিভাবে খাবে ? দাঁড়াও একটু আমি কিছু নিয়ে আসি।– আমার ভাগ্যে কাঁচা মাংস থাকলেও আজকে জিনিয়ার ভাগ্যে ভাল একটা ডিনার আছে। আজকের কথা ভেবে আর খারাপ লাগছে না অতটা। ওর মন খারাপ হতে দিলাম না অনেক ভালই লাগছে আমার। জানি বিয়ে জিনিসটা কদিন পর আর মধুর লাগবে না। তারপরো এখন মধুর লাগছে এটাই সত্যি কথা। শুধু কাঁচা মাংসের অংশটুকু বাদ দিয়ে।

দুই.
হায় আল্লাহ! আমি একটা মানুষকে বিয়ে করেছি নাকি গাধাকে ? এর মাথায় কি কিছুই নেই। চোখের পানি লুকাতে দুইবার বাথরুমে যেতে হয় না। আমি জানি আমার রান্না করা হয় নি। তরকারিটা কাঁচাই ছিল। মেঝে পরিষ্কার করার সময় মেঝে থেকেই এক টুকরা তুলে মখে দিয়েছিলাম। গাধাটা কি জানে ও যখন বাথরুমে তেলাপোকা ধরছিল আমি তখন মেঝেতে বসে কাঁছিলাম ? জানে না। চোখ লাল দেখলেও ওর বোঝার কথা না। মাথা এতটাই ফাঁকা যে তেলাপোকা কড়াইয়ে দিয়ে সাথে সাথেই আমাকে ডাক দিল। ওর কি ধারণা আমি কিছুই বুঝি না ? এত কষ্ট করে খাবার কি দরকার ছিল ? আবার রান্না ঘরে ঢুকে তেলাপোকা ছাড়া। উহ এই মানুষটা আমাকে সারাজীবন যথেষ্ট জ্বালাবে। রান্না খারাপ হয়েছে জানলে আমার মন খারাপ হবে তাই এত নাটক তার। কিন্তু আমি তো সব বুঝে গেলাম। কলিংবেল বাজছে। ও যদি জানতে পারে ওর আমার মন ভাল রাখার জন্যে ওর নাটক আমি ধরে ফেলেছি তাহলে মুখটা পেঁচার মত করে বসে থাকবে। ওর পেঁচা পেঁচা চেহারাটা আমার ভাল লাগে না। এখন যেরকম খুশী মুখ নিয়ে বাইরে গেল এটাই ভাল। খুব খারাপ লাগছে না। বরং অনেক ভালই লাগছে। সৌভাগ্যবতি টাইপ লাগছে নিজেকে। কলিংবেল বাজা বেড়ে যচ্ছে। আল্লাহ! আমার পাগল বরটার কি ধৈর্য্য হবে না কোনদিন?

১১ টি মন্তব্য : “পুষ্প তুমি কার”

  1. নাফিস (২০০৪-১০)

    দিলাম প্রথম কমেন্টের জায়গা দখল ! :tuski: :tuski:

    ব্লগে স্বাগতম শাফি ! প্রথম পোস্ট দেওয়ার পর কিছু ফরমালিটিস করতে হয়... ইমোটিকন এর ঘর থেকে সঠিক ইমোটিকন টা বেছে নিয়ে ১০ টা ফ্রন্টরোল লাগিয়ে দাও 🙂

    জবাব দিন
  2. মোকাব্বির (৯৮-০৪)

    ব্লগে স্বাগতম। লেখা চলতে থাকুক! 😀 ফ্রন্টরোল দেখা যায় দেয়া হয়ে গেসে! 😀


    \\\তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা
    অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিল পিতামাতার লাশের ওপর।\\\

    জবাব দিন
  3. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    বাহ, রোমান্টিসিজম ঝরে ঝরে পড়ছে। চালিয়ে যাও 🙂 :thumbup:


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন

মওন্তব্য করুন : নাফিস (২০০৪-১০)

জবাব দিতে না চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।