৫১ একরে সীমাবদ্ধ জীবন (শেষ পর্ব)

ক্যাডেট কলেজের প্রেক্ষাপটে মসজিদ একটা বড় ভূমিকা রাখে মাগরিবের নামাজের কারণে। বর্তমানে সামরিক বাহিনীতে সান্ধ্যকালীন রোলকল (যার অন্যতম উদ্দেশ্য সৈনিকের ব্যারাকে উপস্থিতি নিশ্চিত করা) দেখে মনে হয়েছে মাগরিবের নামাজটা হয়তো তারই একটা পরিবর্তিত সংস্করণ। মসজিদে হর হামেশাই নানান ঘটনা ঘটত। পাশাপাশি বসা দুজনের পাঞ্জাবিতে গিঁট মারা এর মধ্যে সবচাইতে চিত্তাকর্ষক বলে মনে হয়েছে। আর যদি সেটা হয় সিনিয়রের পাঞ্জাবিতে তাহলে তো কথাই নেই, অভিযুক্তের উপর প্রিফেক্ট সৃষ্ট নির্ভুল কাড়া নাকাড়ার শব্দ পাওয়া যেত। নামাজের মধ্যে হাঁটাহাঁটি করা, সেজদার সময় অঙ্গবিশেষে টোকা মারা, নামাজ গ্যাপ মেরে বাইরে যেয়ে একই দোষে দুষ্ট এ্যাপয়েনমেন্ট হোল্ডার সিনিয়রের সাথে সলজ্জ হাসি বিনিময় উল্লেখযোগ্য।

মাগরিব ও জুম্মা ছাড়া কিছু বিশেষ বিশেষ অকেশনে মসজিদের কথা মনে পড়ে। মঞ্জুর ভাইয়ের (১৯৮৯ এর ইনটেক) চল্লিশা, ক্যাপ্টেন মাহবুব ভাই (কম্যান্ডো ট্রেনিংয়ে বিস্ফোরক ব্যবহারের সময় দূর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন) ও কামার উদ্দিন স্যারের মহাপ্রয়াণে বিশেষ দোয়া, পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সময় বিশেষ নামাজ, ক্যামিস্ট্রি ডেমোন্সট্রেটর শাহ আলম স্যারের মেয়ের জানাজা (কলেজের পুকুরে ডুবে মৃত্যু – এই সেদিনও গুগল আর্থে পুকুরের উপর নজর পড়তেই স্যারের মুখ মানসপটে ভেসে উঠল। স্যার এখন মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে আছেন) ইত্যাদি আমার স্মৃতিতে অমলিন হয়ে আছে।

একাদশের সময়টা অস্থির, বড় চঞ্চল। অপার সময় হাতে, লেখাপড়ার ঝামেলা কম। এসময় দুষ্টুমিটা তাই মাত্রা ছাড়ানো হয়ে থাকে। আদিরসাত্মক কবিতা, কৌতুক, প্যারোডির বন্যা বয়ে যেতে লাগল। ক্লাসের সব ক্যাডেটের ক্যাডেট নং সিরিয়াল ধরে টিজনেম নিয়ে জনপ্রিয় হিন্দি গানের প্যারোডি করেছিল আমার এক বন্ধু (এই বন্ধুটি লেখাপড়াতেও তার প্রতিভার ক্রমাগত স্বাক্ষেরর শেষ ফলকটি স্থাপন করেছিল এইচএসসি’তে বোর্ডে প্রথম হবার মাধ্যমে)। গুপ্ত প্রকাশনী থেকে উৎসাহিত হয়ে হাতে লেখা একটা পত্রিকা তখন বের হয়ে গিয়েছিল। দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার নামের কিয়দংশ ব্যবহার করে নামাঙ্কিত হয়েছিল আমাদের সেই পত্রিকা। এর বিষয়বস্তু কতৃপক্ষের নজরে আসলে দু’একজনের কলেজ ছাড়তে হত নিশ্চিত। অনেকদিন হাতে হাতে ঘুরতে ঘুরতে সেটা শেষ পর্যন্ত সমাহিত হয়েছিল দোয়ারিকা ফেরিঘাটে নদীর পানিতে।

ডাইনিং হল দৈনন্দিন জীবনের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান। দিনের মধ্যে পাঁচবার যেতেই হবে সেখানে। আমার ধারণা ক্যাডেট কলেজ জীবনের এক চতুর্থাংশ সময় আমাদের ডাইনিং হলে যাওয়া এবং খাওয়া বাবদ খরচ হয়। এখানের বিস্বাদ শাক, পরোটার কথা আমি ভুলব না। মুরগীর ডিম বলে মাঝে মধ্যে যা দেয়া হত তা চড়ুই পাখির ডিম বলে আখ্যা পেত (শ্যামল চন্দ্র বাড়ৈ স্যার মেস ওআইসি যখন ছিলেন তখন চামে চিকনে “বাড়ুইর ডিম”ও বলা হত)। একবার নতুন একটা সুইট আইটেম দেয়া শুরু হল, নাম “পরিজ”। ক্যাডেটরা মুহূর্তে তাকে “পরেশ” বানিয়ে ফেলল। তারপরও বৃহস্পতিবার রাতের ইমপ্রুভ ডিনার সারা সপ্তাহের ক্লান্তি ভুলিয়ে দিত। বলতে নেই বদ্ধ জীবনে সেটা একটা বড় বিনোদন।

দ্বাদশের সময়টা সব থেকে আলাদা। মঞ্চ প্রতিযোগিতায় খুব বেশি খারাপ হবার কারণেই আমার কপালে হাউস কালচারাল প্রিফেক্টের দায়িত্ব জুটেছিল কিনা জানি না তবে আমি সময়টা উপভোগ করে নিয়েছি আমার মতোন করে। দায়িত্ব এসে পড়ার কারণে কাজ করার ক্ষেত্র তৈরী হল। যা যা চাই, হাউস তাই সরবরাহ করে – আমি অবাক! সারা রাত পার হয়ে যায় নাটক বা ওয়াল ম্যাগাজিন অথবা কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ডিসপ্লে’র প্রস্তুতিতে। কিন্তু কি আশ্চর্য কাজের তৃপ্তি সকালের পিটির ক্লান্তি পর্যন্ত ভুলিয়ে দেয়। রাতের নির্ঘুম কাজে প্রত্যেক ক্লাসের কেউ না কেউ সাথে থাকে। তাদের সাথে গড়ে ওঠে হৃদ্যতার সম্পর্ক। তারাও টুকটাক করে কাজ শেখে, ভবিষ্যতে আমাদের স্থান পূরণের প্রস্তুতি নিজের অজান্তেই নিয়ে ফেলে। ইনফ্যাক্ট আমিও সেভাবেই শিখেছি, বড়দের হাত ধরে ধরে। কলেজের পরবর্তী জীবনে এরকম কার্যকলাপ করে এতটা মজা আর পাইনি।

মঞ্চ প্রতিযোগিতায় পারফর্মেন্স যতটা খারাপ, বিনোদনমূলক কালচারাল অনুষ্ঠানে আমার আগ্রহ ততটাই বেশি। অনুষ্ঠান দাঁড় করাতে স্টেজের পেছনে দৌড়াদৌড়িতেই আমার আনন্দ। ক্লাসের মোটামুটি সবগুলো কালচারাল নাইটে সম্পৃক্ত থাকার অভিজ্ঞতা আমার পরবর্তীতে খুব কাজে লেগেছে। স্টেজে উঠে পা কাঁপাকাঁপি বন্ধ হল। হৃদপিন্ড আর বেয়াড়াভাবে ছুট লাগায় না। সামনের তিনশ জোড়া চোখের ড্যাব ড্যাব করে চেয়ে থাকা দৃষ্টি আমাকে বিচলিত করে না। কথা বলতে শিখলাম কনফিডেন্স নিয়ে। সেটা এখন আমার বেশ বড় সম্পদ।

সেখানে আমি আমার জীবনের সবচাইতে অস্থির সময়টা (১৩-১৮, পুরো টিনএজ) পার করেছি। এই সময়ে আত্মীয় পরিজন, বাবা মা থেকে দূরে থেকে আমরা নিজেরাই নিজেদের আত্মীয় হয়ে গেছি। আত্মার সাথে সম্পর্কই তো আত্মীয়তার সম্পর্ক, তাই না? কখনো কখনো নিকট আত্মীয়ের মৃত্যু সংবাদ আসে। আমরাই একে অপরকে সর্বপ্রথম জড়িয়ে ধরি। বুকে বুক মিশিয়ে দিয়ে দুঃখ কষ্ট বেদনা শুষে নিই। অল্প জায়গার ভিতরে সর্বদাই লেগে থাকা কাজ নিয়ে আমরা আরও মিলেমিশে একাকার হয়ে যাই।

আমরা লেখাপড়ার সিংহভাগ শিখতাম নিজেদের (শিকক্ষদের উপর সম্পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলছি) কাছ থেকেই। আচার ব্যবহার থেকে শুরু করে সবকিছুর প্রথম শিক্ষক আমরাই। তাইতো এই বন্ধুত্বের জোরটা সবচাইতে বেশি। এখনও একমাত্র ক্যাডেট কলেজের বন্ধুরাই কথা বলে সবচাইতে বেশি অধিকার নিয়ে, অহংকার নিয়ে। অস্থির বর্তমানের কঠিন যাতাকলে পেষাই হতে হতে যখন ক্যাডেট কলেজের কারও ফোন পাই তখন আনন্দে মনটা ভরে ওঠে। দেখা হলে এক অভাবনীয় ঘোরে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে চলে যাই ৫১ একরের জীবনে যেখানে কেটেছে আমার হিরম্ময় ছয়টা বছর যার প্রত্যেকটাই হার মানায় মহাভারতের বিশালতাকে।

কত অল্পতেই যে আনন্দ পাওয়া যায় তা শিখেছি ক্যাডেট কলেজে। জোৎস্না রাতে শেডের উপর বসে তুমুল আড্ডা, হঠাৎ বৃষ্টিতে বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে ভেজা, ইংলিশ ডিনারের পুডিংয়ের অমৃতসমান স্বাদ অথবা ক্যান্টিনের এক বোতল কোক দুজনে ভাগ করে খাওয়া সব কিছুতেই পেতাম অপার্থিব আনন্দ। স্যারদের কথা মাঝে মাঝে এতটাই আপ্লুত করতো যে মুখের ভাষা হারিয়ে ফেলতাম। বেলাল স্যারের (রসায়ন) দেশপ্রেমিকের সংজ্ঞা, আবু সাঈদ বিশ্বাস স্যারের (জীববিজ্ঞান) প্যারেন্টস ডে সংক্রান্ত মমতা মাখা মন্তব্য, মোল্লা স্যারের (গণিত) ক্রমাগত উৎসাহ প্রদান এখনও আমাকে পথ দেখায় লাইট হাউসের মত। মাঝে মাঝে ভাবি আজ আমি যেই মানুষ তার বড় একটা অংশ গড়ে দিয়েছেন স্যাররা, স্টাফরা, সর্বোপরি ক্যাডেট কলেজ। আর তাইতো আমার উপর ক্যাডেট কলেজের প্রভাব অত্যন্ত প্রকট। যখন আড্ডা মারি ঘুরে ফিরে চলে আসবে কলেজের কথা। যখন লিখার জন্য কলম হাতে নিই তখন চলে আসে কলেজ প্রসঙ্গ। যখন নষ্টালজিয়ায় ভুগি তখন ক্যাডেট কলেজকে মনে পড়ে। যখন কোন কল করতে চাই মনে পড়ে যায় ক্যাডেট কলেজের কোন বন্ধুর মুখ। এভাবে সর্বত্রই আমার উপর ক্যাডেট কলেজের প্রভাব। ঘুমে জাগরণে, শয়নে স্বপনে প্রভাব সেই “৫১ একরে সীমাবদ্ধ জীবনের”।

[বরিশাল ক্যাডেট কলেজের মোট আয়তন ৫১ একর (মতান্তরে ৫০)। লেখাটি এর আগে একটা স্মরণীকাতে (২০০৬ এ) প্রকাশিত হয়েছিল। আবারও সেটা সবার সাথে শেয়ার করার সুযোগ হারাতে চাইলাম না। লেখাটির খানিকটা সংস্কার করে এখানে দেয়া হল। সমাপ্ত।]

২,১৬০ বার দেখা হয়েছে

১৬ টি মন্তব্য : “৫১ একরে সীমাবদ্ধ জীবন (শেষ পর্ব)”

  1. কামরুলতপু (৯৬-০২)

    শনিবার দিন এক আড্ডায় সবাই আমার উপর চড়াও হইল। মোট ৩ জন ক্যাডেট এবং ৪ জন নন ক্যাডেট আমার উপর ঝাপিয়ে পড়ল আমি নাকি খালি কথায় কথায় ক্যাডেট কলেজের আলাপ নিয়ে আসি। আমি অবশ্য পাত্তা দেইনাই। ঝাড়ি খাওয়ার পরই আবার কলেজের আলাপ শুরু করেছি।

    জবাব দিন
  2. সাব্বির (৯৫-০১)

    সায়েদ ভাই,
    দেয়াল পত্রিকা,নাটক,CAD এই সব নিয়া সারা রাত কাজ করতাম সকালে পি.টি. এক্সিউসের আশায়, কিন্তু বেশির ভাগ সময় এক্সিউস পেতাম না।
    একবার CAD তে প্লেন বানানো হলো। নিশ্চই মনে আছে আপনার। মাটির বাটি উল্টো করে খুলি বানিয়েছিলেন। সব ঘটনা গুলো কেমন জানি অস্পষ্ট ভাবে চোখের সামনে ভাসছে।
    দারুন লিখছেন। খুব ভাল লাগল।

    জবাব দিন
  3. আমার মনে হয়,সিসিবিতে পড়া বেস্ট লেখা এটাই।
    আমার মনে হয়,সিসিবিতে পড়া বেস্ট লেখা এটাই।
    আমার মনে হয়,সিসিবিতে পড়া বেস্ট লেখা এটাই।
    আমার মনে হয়,সিসিবিতে পড়া বেস্ট লেখা এটাই।
    আমার মনে হয়,সিসিবিতে পড়া বেস্ট লেখা এটাই।
    আমার মনে হয়,সিসিবিতে পড়া বেস্ট লেখা এটাই।

    ক্যাডেট কলেজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি সময়কে এত সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন ভাই,
    সত্যি অসাধারণ।

    জবাব দিন
  4. আমি প্রশংসার চোটে লজ্জায় লাল মুলো,গাজর,টমেটো ইত্যাদি হয়ে যাচ্ছি।
    থ্যাংস, সবাইকে অনেক অনেক থ্যাংকস।
    তাকেজো কেনসেইকে (!!) বেশি থ্যাংকস।

    সাব্বিরকে:
    মাটির হাড়ি দিয়ে বানানো খুলির মানচিত্রের ছবি আমার কাছে নেই বলে এখন খুব আফসোস হচ্ছে।
    স্টেজে ফাইনাল দিনে সেটাকে প্রচুর আলোতে চমকাতে দেখে আমি নিজেই অভিভূত হয়ে গেছিলাম।

    জবাব দিন
  5. ছোট্ট একটা কথা যোগ না করলে কোথায় যেন একটা খামতি থেকে যাচ্ছে।
    ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-৫৯ ব্যাচের রাসেলের (এফসিসি) একটা স্মৃতিময় লেখা আমার জন্য বড় অনুপ্রেরণা।
    লেখাটা ব্যাচের মুখপত্র "সেরেনতুরাই"এ প্রকাশিত হয়েছিল।

    জবাব দিন
  6. ১৯৯৭ এর কারেন্ট এ্যাফেয়ার ডিসপ্লে'তে আমাদের বিষয় ছিল "কম্বোডিয়া ক্রাইসিস"। কান টেনে মাথা আনার মতোন বতর্মান অস্থিরতার সাথে অতীত প্রসঙ্গ তুলে ধরতে হয়েছিল। ১৯৭১ থেকে ১৯৭৬ পযর্ন্ত (আমার যদি ভুল না হয়) সেখানে পলপট এবং তার সহযোগীরা দেশে যে নিধনযজ্ঞ চালিয়েছিল সেটাকে স্মরণ করে রাখার জন্য কম্বোডিয়ার ন্যাশনাল মিউজিয়ামে একটা মানচিত্র তৈরী করে রাখা হয়েছিল সেই সময়ে মৃত্যুবরণকারী হতভাগ্যদের মাথার খুলি ব্যবহার করে। আমি সিম্পলি সেটারই রেপ্লিকা তৈরী করতে চেষ্টা করেছিলাম ছোট ছোট মাটির হাড়িতে সাদা কালো রং করে একটা ৮ বাই ৪ ফুট পারটেক্সে এ্যারেঞ্জ করে।
    এর বেশি কিছু নয়।

    জবাব দিন
  7. জিহাদ (৯৯-০৫)

    সবগুলোই পড়লাম। (নাকি অনুভব করলাম?)

    ভাইয়া লেখাটা কেমন হইসে সেটা সবাই আমার আগেই সব বলে গেছে। আমি আর কি যোগ করবো...

    আরো বেশি বেশি লিখেন। অপেক্ষায় রইলাম...


    সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

    জবাব দিন
  8. সায়েদ স্যার, লেখাটা খুব ভাল হয়েছে। মনে হচ্ছিল কলেজের সেই সব দিনগুলো নিয়েই যদি কাটতো সারাটা জীবন!!!
    চিনেছেন তো আমাকে? JCSC এর ছবিগুলো কিন্তু এখনো নেয়া হলো না আপনার কাছ থেকে...

    জবাব দিন
  9. সায়েদ (১৯৯২-১৯৯৮)

    একেই বলে মক্কার হাজী হজ্জ পায় না। মিয়া.....তুমি ঢাকায় থাকতা আমার ৮০০ গজের মইধ্যে।
    যাই হোউক, মেইলিং এ্যাড্রেস পাঠায়ে দাও দেখি বিশেষ বিশেষ ছবি পাঠায়ে দিব।
    আর সবগুলোর জন্য অপেক্ষা করতে হবে......আমাকে পুরোপুরি পেতে পেতে আগামী এপ্রিল ২০০৯....।
    লেখাটা ভালো লেগেছে জেনে আমারো ভালো লাগছে। থ্যাংকস।
    ভালো থেক।


    Life is Mad.

    জবাব দিন

মওন্তব্য করুন : সায়েদ উল হাসমত

জবাব দিতে না চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।