শেষের কাছাকাছি

রোদ নেই,বৃষ্টি নেই।মেঘলা অলস দুপুর। আমি রুমের দরজা জানালা খুলে, বিছানার কিনারে চিৎ হয়ে অর্ধেকটা শরীর ঝুলিয়ে চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছি। ফ্রেঞ্চ রেডিও স্টেশনটাতে একের পর এক অপার্থিব গান বেজে যাচ্ছে। কয়েকদিন হল এটার প্রেমে পড়েছি আমি। আমি অবসেসিভ মানুষ, প্রেমে পড়ে গেলে উঠতে পারি না। মাঝেমাঝে চোখ মেলে উল্টো পৃথিবী দেখছি, সিলিং এর মরচেধরা লোহার বীম গুনছি। হুড়মুড় করে বিষাদ-বাতাস এসে দুলিয়ে যাচ্ছে সিলিং এর ঝুলগুলোকে। এলোমেলো করে দিচ্ছে আমার সযত্নে গুছিয়ে রাখা আবর্জনাগুলোকে। আমি হতাশায় ডুবে যাচ্ছি। আমি গভীর থেকে গভীরতর হতাশায় ডুবে যাচ্ছি। আমি চিরকাল এই হতাশায় ডুবে থাকতে চাই। আমি চিরকাল এই হতাশায় ডুবে বেঁচে থাকতে চাই! আমার ধারণা আমি পূর্ণতার কাছাকাছি চলে এসেছি। একমাত্র অপূর্ণতা এখন তাঁর অনুপস্থিতি, যে আমার পাশে চুপচাপ শুয়ে থাকবে এবং আমার যেমন লাগে তারও ঠিক তেমনি লাগবে! কিন্তু তখন তো সকল আবেদন শেষ হয়ে যাবে, সবকিছু অর্থহীন হয়ে যাবে!……

৪ টি মন্তব্য : “শেষের কাছাকাছি”

মওন্তব্য করুন : নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

জবাব দিতে না চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।