অবশেষে স্নিগ্ধ সকাল

অবশেষে স্নিগ্ধ সকাল
——————– ড. রমিত আজাদ

অবশেষে স্নিগ্ধ সকাল নিয়ে আসে মৃদু মোলায়েম রোদ,
নিটোল পাহাড়ী ঝর্ণার কোমল নিস্বন গভীর অন্তস্রোতে।
অবশেষে স্নিগ্ধ সকাল মুছে ফেলে শীতল নিরুত্তাপ রাত,
নির্মেঘ অন্তরীক্ষে সূর্যকরোজ্জ্বল চুনূরি দু্যতির ক্রীড়া।

এখানে প্রিপাত্রী উৎসবে বন্য-আহলাদ বসন্তের অরণ্যে,
এখানে সজীব বৃক্ষপত্রে বিহ্বল সমীরণ নিরত বিভোর।
এখানে বিশৃংখল উর্বীরূহ তান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণে দুর্বোধ ত্তলটান।
এখানে আয়ুষ্কাল জ্যোতিস্কপুঞ্জে নির্বাসিত ঋষির পরিত্রাণ।

বিক্ষুদ্ধ নক্ষত্রের উন্মাদনায় নিবাত চন্দ্রের সৌম্যতা,
প্রণয়ের ছিটেল সিনোটাফে নিশাচর ঋক্ষের অর্চনা।
তোমার নিবিড় কণ্ঠস্বরে ঝরা ষদুষ্ণ অকপট একরার,
সীমাহীন বদলে দিলো আমার ভুবন অমিত অপার!

৪১০ বার দেখা হয়েছে

৫ টি মন্তব্য : “অবশেষে স্নিগ্ধ সকাল”

  1. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    ভালো লাগলো।
    নিস্বন কি?
    বেশ কিছু নতুন শব্দের ব্যবহার দেখলাম।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন

মওন্তব্য করুন : রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

জবাব দিতে না চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।