প্রাকৃতিক অনু পরমানু


জানালা দিয়ে তাকিয়ে ছিলাম
সারাটা দুপুর, মেঠো পথের দিকে-
রোদের তাপ কমে গেলে;
মাড়িয়েছি ঘাসফুল অবুঝের মত
একটা ঘাস ফরিঙ এর পিছুপিছু ।


পুকুরের জলে পা ডুবিয়ে বসেছিলাম-
মাছরাঙার ছোঁ-মারা ভঙ্গিমাটুকু
বিস্মিত নয়নে দেখব বলে।
গোটা বিকেলটাই পালিয়ে গেল;
কিন্তু অপেক্ষাটুকু ফুরালো না।


আকাশে লালিমা মেখে তখন
আমায় থমকে নামলো সন্ধ্যা।
নীড়ে ফেরা পাখিদের দেখছিলাম-
ওদের ভীড় সীমানা পেরুতেই;
ঝুপ করে নেমে যায় অন্ধকার।


জোনাকীর আলো মুঠোয় নিয়ে
রাতে খুঁজে চলি নিখোঁজ মায়া।
বনানী ছাড়িয়ে মাঠ থেকে মাঠে
দূরের সবুজ পাহাড় পেরিয়ে
শেষে ঐ দিগন্তের কাছে।


দু’চোখ হয়না তবু পরিতৃপ্ত !
আমি ফিরে আসি লজ্জাপতি আর
ঘাসের ডগায় শিশির মাড়িয়ে;
ভোরের প্রতীক্ষা শেষে আকুলতাটুকু
সকালের রোদে এসে মিলিয়ে যায় !!

৪ টি মন্তব্য : “প্রাকৃতিক অনু পরমানু”

  1. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)
    গোটা বিকেলটাই পালিয়ে গেল;
    কিন্তু অপেক্ষাটুকু ফুরালো না।

    দারুণ দুটো পংক্তি.......... আমি মুগ্ধ ওবায়েদুল্লাহ। :hatsoff:


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন

মওন্তব্য করুন : নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

জবাব দিতে না চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।